Islamic Post

Islamic Post

Share

27/12/2025

তবে যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
• আল-ফুরকান | আয়াত ৭০

20/12/2025

কঠিন সময়ে এমন পর্দা মেইনটেইন করার চিত্র আগে গাযা ও আফগান বোনদের করতে দেখেছি। আর আজকে দেখলাম হাদী ভাইয়ের স্ত্রী এবং পরিবারকে। এই যে আড়াল করে নিয়ে যাওয়া। নিশ্চয়ই তার আদেশে এই ব্যবস্থা। প্রিয়জন হারানোর পরও এমন শক্ত ঈমানের পরিচয় দেওয়া ছোট কোনো বিষয় না। এটা থেকে উম্মাহর অনেক কিছু শেখার আছে।

20/12/2025

ওপারে ভালো থেকো ওসমান, রহিমাহুল্লাহ।

22/06/2025
28/03/2025

৩০ দিন রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি!

প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টার বেশি না খেয়ে রোজা রাখলেন। লুকিয়েও কিছু খাননি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কষ্ট করেছেন, তবুও রোজা ভাঙ্গেননি।

কিন্তু, মাস শেষে যদি জানার সুযোগ থাকতো, আর আপনি জানতে পারলেন আপনার একটা রোজাও হয়নি, তখন কেমন লাগবে? রোজা রেখেছেন, সওয়াব পাননি। বিনিময়ে শুধু ক্ষুধার্তই থেকেছেন! আমাদের সমাজের অনেকেরই এমন হয়!

রাসূল (ﷺ) বলেন, ❝কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!❞ - (সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯০)

তারা কারা? রাসূল (ﷺ) বলেন, ❝যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।❞ - (সহিহ বুখারী : ১৯০৩)

অর্থাৎ, রমাদান মাস শুধুমাত্র উপোষ থাকার মাস না। কেবল না খেয়ে থাকলেই রোজা হবে না। রোজার সওয়াব পেতে হলে আপনাকে চরিত্রবান হতে হবে। মিথ্যা বলা ত্যাগ করতে হবে, আমানত রক্ষা করতে হবে, কাউকে গালি দেয়া যাবে না, গীবত করা যাবে না। অথচ আমরা অহরহই এমন করি!

বাইরে কাজকর্ম করে বাসায় এসে কোনো কিছু এলোমেলো দেখলে স্বামী রাগারাগি করে, স্ত্রীকে বকা দেয়, গালি দেয়। রিক্সা ভাড়া ঠিক না করে রিক্সায় চড়ে নামার সময় ঝগড়া করে। সময় কাটানোর জন্য বন্ধুদের সাথে বসে বসে গীবত করে। রোজা রেখে মিথ্যা বলে, ঘুষ খায়।

আপনি হয়তো ভাবছেন রোজা রাখছেন। কিন্তু, রাসূল (ﷺ) বলছেন- এগুলো রোজা না, এমন রোজার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ এমন রোজা কবুল করেন না। তাহলে কীভাবে পরিপূর্ণভাবে রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে? নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। সচ্চরিত্রবান হওয়া।

রাসূল (ﷺ) বলেন, ❝যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।❞ - (সুনানে আবু দাউদ : ৪৮০০)

লেখা : সংগৃহীত

28/03/2025

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দু'আ পড়বো? তিঁনি বলেন, তুমি বলবে—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।

— ইবনে মাজাহ : ৩৮৫০, সুনান আত-তিরমিজি : ৩৫১৩।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka