Boost Lab It Solutions

Boost Lab It Solutions

Share

19/05/2022

বর্তমানে যে কোন ব্যবসায় সফল হতে হলে নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে মনযোগ দিতে হবে। এখানে দুই ধরণের ব্র্যান্ড হতে পারে। ১. ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে ব্র্যান্ডিং করা ২. ব্যবসার পণ্য বা সার্ভিসকে ব্র্যান্ডিং করা।

নিজেকে ব্যক্তি হিসাবে ব্র‍্যান্ডিং করতে পারলে সেটা ব্যবসার জন্য খুবই লাভজনক। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির উদ্যোক্তারা যেমন মার্ক জাকারবার্গ, জেফ বেজোস, বিল গেটসসহ অনেকেই নিজেকে ব্র‍্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নিজেকে ব্র‍্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আপনার কিছু গুণ লাগবে। যেমন- প্রেজেন্টেশন স্কিল, তাৎক্ষণিক উত্তর দেওয়ার স্কিল, স্মার্টনেসইত্যাদি। এজন্য আপনাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে হবে এবং ভিডিও তৈরি করতে হবে। আপনার ভক্তদের বিভাগে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এমনভাবে উত্তর দিতে হবে যাতে মানুষ আপনার কথায় কনভিন্স হয়। এভাবে আপনাকে কন্টিনিউ করতে হবে। একসময় দেখবেন মানুষ আপনার কথায় বিশ্বাস করছে এবং আপনার ব্যবসার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এর ফলে আপনার ব্যবসার পণ্য বা সার্ভিসের বিক্রি অনেক বেড়ে যাবে।

19/05/2022

👉 প্রথমত, সাফল্যের কোন জাদুমন্ত্র নেই! সফলতা সহজে আসে না কিন্তু এটা অসম্ভবও না, একজন সফল মানুষ সফল হতে এবং সোনালী ভবিষ্যত পেতে হলে দরকার ভালো পরিকল্পনা!

👉আপনি সবকিছু পেতে পারেন, একজন সফল মানুষ হওয়ার জন্য আপনার যা কিছু দরকার, আপনার সবকিছুই আছে, এটি সত্যিকারের হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করুন! ট্রাস্ট সিস্টেম আপনার বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, আপনার যোগ্যতা এবং ক্ষমতা বিশ্বাস করুন।

👉 ব্যর্থতা, প্রতিকূলতা এবং বিরোধিতা সত্ত্বেও আপনার স্বপ্নকে কখনও হাল ছাড়বেন না! সন্দেহ বা ভয়কে আপনার স্বপ্নকে পরাভূত করতে দেবেন না।

👉প্রতিদিন একটি সোনালী ভবিষ্যত পেতে স্বপ্ন দেখতে ! স্বপ্নের সাহায্যে, নিজের জন্য একটি বিলাসবহুল জীবন তৈরি করুন! যখনই কেউ আপনাকে বলে যে আপনার স্বপ্ন / আপনার লক্ষ্য অসম্ভব, তখন আপনার ভিতরে লুকানো শক্তির জোরে, আপনি এটিকে সবার সামনে সত্য করে তুলুন!

👉নিজেকে সম্মান করুন! আপনার লক্ষ্যকে সম্মান করুন, আপনার জীবনকে সম্মান করুন!

👉যখন আপনার একটি পরিষ্কার স্বপ্ন/লক্ষ্য, একটি পরিষ্কার দৃষ্টি এবং ধারাবাহিকতার গুণ থাকে, সময় এবং ধৈর্য আপনার সঙ্গী হয়ে ওঠে!

👉প্রতিটি চেইন একটি প্রাকৃতিক প্রবাহ আছে. বিলম্বের অভ্যাস এড়িয়ে চলুন!
আত্মবিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ, এটা কোন বর দিয়ে কাজ করে না!

👉অন্যকে বিশ্বাস করবেন না! লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য, আপনাকে নিজের পথ তৈরি করতে হবে, আপনার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে! আপনি যা কিছু করেন তার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব রাখার চেষ্টা করুন! আপনাকে আরও ভাল হওয়ার জন্য কঠোর চেষ্টা করতে হবে!

👉আপনার প্রয়োজন হলে সাহায্যের জন্য জিজ্ঞাসা করুন! আপনার ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক লক্ষ্য নির্বাচন করুন ! কৃতিত্ব আপনার জন্য একটি মাইলফলক বিবেচনা করুন!

👉আপনি এই অমূল্য জীবনের বিস্ময়কর যাত্রা অব্যাহত রাখুন. আপনার জীবনের অসুবিধাগুলি উপহারের চেয়ে কম নয়!

👉বিশ্বাস করুন আপনি আপনার ভাগ্যের মালিক এবং আপনি নিজের ভবিষ্যত নিজেই তৈরি করেন। আপনি নিজের জাহাজের ক্যাপ্টেন!

👉আপনার স্বপ্নের পিছনে দৌড়ান, কখনও হাল ছাড়বেন না! প্রতিটি চ্যালেঞ্জ একটি সুযোগ!

👉 আপনার মনোভাবই ঠিক করবে আগামীর সময়ে আপনি কত বড় এবং কতটা সাফল্য পেতে চান!

👉মনে রাখবেন আপনি যদি খেলায় না থাকেন তবে আপনি জিততেও পারবেন না! আপনার একটি বড় সাফল্য এক ঝটকায় আপনার সমস্ত ব্যর্থতা শেষ করে দেয়!

👉এই পৃথিবীতে সফল হতে হলে আপনাকে একাই ভ্রমণ করতে হবে। কাফেলা, বন্ধু এবং শত্রু প্রায়ই সাফল্যের পরেই গঠিত হয়!

18/05/2022

বাঙালী জাতি হিসেবে একটু আধটু নয় বেশ বড় ধরনের ইমোশনাল আমরা। আর যাই হোক সহজে বিশ্বাস যোগ্যতার কারনে ইমোশন ব্যাপারটা আমাদের মধ্যে খুব সহজে প্রভাব বিস্তার করে। আর সেটাকে একটু দক্ষতার সাথে কাজে লাগাতে পারলে মার্কেটিংয়ে সফলতা পাওয়া খুব কঠিন কিছু নয়। তবে অবশ্যই কাজটি নির্ভুল হওয়া চাই। সেই সাথে সাবধানতা ও দক্ষতার সাথে করতে হবে কাজটি।

কর্পোরেট এবং রিটেইল মার্কেটিং উভয় ক্ষেত্রেই ইমোশন কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করাটা বেশ কার্যকর। আর ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরীর ক্ষেত্রে ইমোশোনাল প্রসার কার্যক্রমে সফলতা বেশী পাওয়া যায়। প্রতি ঈদের আগে প্রচারিত গ্রামীন ফোনের ’স্বপ্ন যাবে বাড়ী আমার’ গানের সাথে প্রচারিত বিজ্ঞাপনটির কথা মনে আছে নিশ্চয়। ভুলে যাবার কথা নয়। কারন এই বিজ্ঞাপনটি যে পরিমান ইমোশনাল ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরী করেছে তা অকল্পনীয়। ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দের সাথে যত দূরে যান সাথে থাকুন। আপনার ইমোশনকে সঠিক প্রক্রিয়ায় কাজে লাগিয়ে ব্যবসা জমজমাট।

কাজলের ভাত বিক্রি(বাংলালিংক) , মাঝির বেটার শিক্ষা(বিজিএমইএ), ইয়োর কান্ট্রি বিল্ডিং মাই মাই কান্টির সিমেন্ট, (ক্রাউন সিমেন্ট), আমি যখন জিতে যাই জিতে যায় মা (ফ্রেস ফুলক্রিম মিল্ক পাউডার), আমরা পৃথিবীটাকে জানতে চাই, পড়ালেখা করে বড় মানুষ হতে চাই (গুডলাক বলপেন), আব্বা হেলিকপ্টার কিনে দিবে (মাইক্যাশ), খেটে খাওয়া দু হাত আর দুপা (ভ্যাসলিন) এমন অসংখ্য ইমোশনাল বিজ্ঞাপন শুধু মাত্র মানুষের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে মার্কেট শেয়ার দখল করে চলেছে। ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে আপনি ক্রেতার গ্যাপ পার্টনার হতে পারলে সফলতা পাওয়ার রাস্তাটা সহজ হয়ে যাবে।

আপনি ক্রেতার কাছে আপনার সফলতার চেয়ে প্ররিশ্রমী ও উদ্যোমী মানুষ হিসেবে পরিচিত পারলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই আপনাকে উপস্থাপন করতে পারেন সেক্ষেত্রে সেলস নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। সমস্ত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় অনুভুতি সেলসের ক্ষেত্রে বেশ বড় একটা প্রভাব বিস্তার করে আছে। এ্যারোমেটিক বিউটি সোপের কথা মনে আছে কি? ‍শুধুমাত্র ১০০ ভাগ হালাল সোপ কথাটি ব্যবহার করে মার্কেটের অধিকাংশ শেয়ার দখল করেছিল কোম্পানীটি। এবং সেটি সম্ভব হয়েছিল শুধুমাত্র রিলেজিয়াস ইমোশন থেকে।

আমাদের দেশে যে সমস্ত হারবাল পন্যের হকারের দেখা পাওয়া যায় তারা আসলে ঠিক কতটুকু পরিমান সেবা বিক্রি করছে তা একটু খানি চিন্তা করলে আমার থেকে আপনি ভাল বুঝতে পারবেন। শুধুমাত্র মানুষের ইমোশনকে পুঁজি করে তারা ব্যবসায় করে চলেছে। আর মাজার পূজারী ভন্ডদের কথা না হয় নাই বললাম।

সত্য সুন্দর উপস্থাপনায় আপনি একজন মানুষের ফোকাস আপনার পণ্যের দিকে ধাবিত করতে পারলেই ব্যবসায়িক সফলতা। মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার ব্যাক্তিগত বিষয় সম্পর্কে জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে ক্রেতার ধ্যান ধারণা বিশ্বাস মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে হবে। শুধুমাত্র ক্রেতার পছন্দ অপছন্দ নয় তার ব্যাক্তিগত বেশ কিছু সহজ বিষয়ও কৌশলে জেনে নিতে হবে। বিষয়টি আরও একটু পরিস্কার করি। একজন ক্রেতার সাথে ব্যবসায়িক লেনদেনের সম্পর্ক সৃষ্টিই আপনার মূখ্য উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ নয়।

মানবিক, স্পর্শকাতর ও ভালবাসার দিকগুলোও বিবেচনায় রাখতে হবে আপনাকে। এটা একটি সফট কর্ণার। ক্রেতার সাথে পরিচয়ের প্রথম দিকে পারলে তার পরিবার সম্পর্কে জেনে নিন। নিয়মিত খোঁজ খবর করুন তাদের সুস্থ্যতা, পড়াশুনা সহ অন্যান্য ইতিবাচক দিকগুলো কেমন চলছে সে বিষয়ে। কোন সমস্যায় থাকলে সাহায্য করার চেষ্টা করুন একান্ত না পারলে সমাধানযোগ্য পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করুন। তাকে আশ্বস্ত করুন আপনি তার পাশে আছেন যে কোন বিপদে।

আপনার প্রতি আপনার ক্রেতার মনে একটা সফট কর্ণার সৃষ্টি হবে। আপনাকে তাদের পরিবারেরই একজন মনে করতে শুরু করবে। ইতিবাচক সফলতার সাথে সেলস বাড়তে থাকবে। ক্রেতার কাছে আপনার ব্যক্তিগত একটা সুন্দর ইমেজ তৈরী হবে, গ্রহন যোগ্যতা বাড়বে। ক্রেতা আপনার প্রতিযোগীর পন্যের থেকে আপনার পন্যে বেশী বিশ্বাসযোগ্যতা পাবে। এবং সেটা শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিক রিলেশনের উপরেই।

17/05/2022

কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়

সফল হতে হলে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় জানতে হবে। সফল উদ্যোক্তার জীবনী পড়ার দ্বারা, সহজেই সফল হওয়ার মূলমন্ত্র জানা সম্ভব। আমাদের অনেকের স্বপ্ন একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া। কিন্তু সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে, অনেকেই ব্যর্থ হয়ে যান।
জীবন বৈচিত্র্যময় আর এই বৈচিত্র্যময় জীবনকে উপভোগ করার অবিশ্বাস্য কাজ হল উদ্যোক্তা হওয়া। আপনার নিজের ব্যবসায়ের মালিকানা, আপনাকে ব্যক্তি স্বাধীনতা দিবে। সফল উদ্যোক্তা হলে হতে পারবেন অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা।
একজন সফল উদ্যোক্তা হলে অবশ্যই কিছু গুণ থাকা জরুরি। এসব গুণ এবং বৈশিষ্ট্য যদি আপনার মাঝে নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে একজন সফল উদ্যোক্তার তালিকায় নিজের নাম লিখতে পারবেন। তাহলে কথা না বাড়িয়ে, মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

👉দেখা ও শেখা
কোন বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকলে, সে বিষয়ে সফল হওয়া অসম্ভব। পৃথিবীতে যত সফল উদ্যোক্তা আছে, তাদের প্রত্যেকেই হয় অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছে না হয় বই পড়ে শিখেছে। তাই তো সফল উদ্যোক্তা এবং পৃথিবীর সেরা ধনী বিল গেটস, প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে ৫টি বই পড়ার কথা বলেছেন। যথা:
Mindset: The New Psychology of Success (Carol Dweck)
Where Good Ideas Come From: The Natural History of Innovation (Steven Johnson)
Business Adventures (John Brooks)
Steve Jobs (Walter Isaacson)
The Black Swan: The Impact of the Highly Improbably (Nassim Taleb)
অভিজ্ঞতা থেকে শেখার পরিবর্তে, অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চেষ্টা করুন। এর ফলে আপনাকে আর কষ্ট কিংবা টাকা হারাতে হবে না।

👉উদ্ভাবনী হন
ব্যবসায়ের পরিবেশ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। যেই কলা-কৌশল গতকাল কাজ করেছে, হতে পারে সে কলা-কৌশল আগামীকাল কাজ করবে না। নিজেকে কোন কিছুতে স্থির রাখা যাবে না। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।
বক্সের বাহিরে চিন্তা করার চেষ্টা করুন। বাজরে কখন কিসের চাহিদা থাকে, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। যুগের সাথে নিজের ব্যবসাকে তাল মেলানোর চেষ্টা করুন। পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত ব্রান্ড অকেজো হয়ে গিয়েছে, শুধু মাত্র তাদের স্থিরতা ও যুগের সাথে তাল না মেলাতে পারার কারণে।

👉ঝুঁকি নিন এবং সুযোগের সদ্ব্যবহার করুন
মানুষ সাধারণত ঝুঁকি বিমুখ। কিন্তু একজন উদ্যোক্তার মধ্যে যদি এই বদগুণ থাকে তাহলে তার উদ্যোক্তার পথে না হাটাই ভাল। ঝুঁকি উদ্যোক্তার জীবনের একটি অংশ। তবে, সব ধরণের ঝুঁকি নেয়াটা সবসময় উচিত নয়।
একজন সফল উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় গুণ হল, সে জানে কোন ঝুঁকি নিতে হবে এবং কোন ঝুঁকি নেয়া উচিত নয়। ঝুঁকি নেয়ার পূর্বে অবশ্যই সেই বিষয়ে অ্যানালাইসিস করুন। অ্যানালাইসিস করার সময় বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যথা:
ঝুঁকি সনাক্ত করা। নির্দিষ্ট ঝুঁকির জন্য সম্পদের দুর্বলতা মূল্যায়ন করা। সম্পদের উপর সম্ভাবনা, আক্রমণের এবং ফলাফলের পরিমাণ নির্ধারণ। ঝুঁকি কমানোর উপায় চিহ্নিত করা। যখন কোন বিষয়ে ঝুঁকি কম থাকবে এবং লাভের পরিমাণ বেশি থাকবে, তখন বুদ্ধিমানের কাজ হল ঝুঁকি নিয়ে নেয়া। সুযোগে সদ্ব্যবহার করাটা উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় গুণ।

👉লক্ষ্যকে ভিজ্যুয়ালাইজ করুন
আপনার লক্ষ্য যদিও সফল উদ্যোক্তা হওয়া। কিন্তু এটা সঠিক লক্ষ্য নয়। উদাহরণস্বরূপ দেখুন, নিচের কোনটি আপনার লক্ষ্যকে ভালভাবে প্রদর্শন,আমি সফল উদ্যোক্তা হতে চাই । গ্রাহকদের নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করতে পারে, এমন বিষয়ের উপর কাজ করে সফল উদ্যোক্তা হতে চাই।
উপরের দুটি অপশনের মধ্যে ২য়টি কিন্তু খুব ভালভাবে আপনার লক্ষ্যকে প্রকাশ করে। সফল উদ্যোক্তা হবে কিন্তু সেটা কিভাবে হবেন, সেটা নির্ধারণ করা জরুরি। আপনার লক্ষ্য পূরণের ধাপগুলো ভিজ্যুয়ালাইজ করার চেষ্টা করুন।

👉মূলধনের উৎস নির্ধারণ
একজন নতুন উদ্যোক্তার জন্য সাধারণত দুটি মাধ্যম থেকে মূলধন সংগ্রহ করা যায়। যথা: আভ্যন্তরীণ উৎস: নিজস্ব তহবিল, পারিবারিক সঞ্চয়, আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের সঞ্চয় ইত্যাদি।
বাহ্যিক উৎস: ব্যাংক ঋণ, সরকারি ঋণ, শেয়ার বাজার ইত্যাদি। একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসাবে আপনার মূলধনের উৎস নির্ধারণ করুন। ব্যাংক লোণ নিলে আপনাকে অতি উচ্চ মাত্রায় সুদ দিতে হবে, যা কিনা প্রাথমিক অবস্থায় আপনার জন্য বড় বাঁধা। তাই চেষ্টা করুন আভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মূলধন জোগাড় করা। আর বাহ্যিক উৎস হিসাবে সরকারি ঋণের খাতকে নির্বাচন করতে পারেন।

👉গ্রাহক নির্ধারণ এবং অভিযোগ গ্রহণ করুন
আপনার ব্যবসায়ের গ্রাহককে তা সঠিক ভাবে নির্বাচন করুন এবং মার্কেটিং করুন। যেমন আপনি শিশুদের জন্য পণ্য তৈরি করেন। এর অর্থ এই নয় আপনার গ্রাহক শিশু। বরং আপনার পণ্য শিশুদের জন্য হলেও মূল গ্রাহক কিন্তু শিশুর পিতা-মাতা। সুতরাং, এই ভাবে গ্রাহক নির্ধারণ করে কাজ করুন।
ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অন্যতম নিয়ম হল গ্রাহকে অভিযোগ শোনা। অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে নিয়ে যদি সে অনুযায়ী কাজ করনে। তাহলে দ্রুত গ্রাহক সন্তুষ্টি পাবেন এবং সফল হতে পারবেন।

👉শেষ কথা
উপরে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে করনীয় কিছু গুণ ও কাজের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসব গুণ ছাড়া আরও অনেক গুন রয়েছে যা একজন সফল উদ্যোক্তার থাকা উচিত। কিন্তু উপরে উল্লেখিত গুন ও কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে।

নতুন উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় পাশে আছে Boost Lab IT Solutions Team

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhanmondi
Dhaka
1209