Quantum Method

Quantum Method

Share

18/05/2026

কোরবানির সামাজিকায়ন ২০২৬ আসুন কোরবানির গোশত পৌঁছে দেই সবার কাছে, লাভ করি অশেষ কল্যাণ

18/05/2026

কিছু মানুষ আছেন যাদের কথা আর কাজ কখনো এক হয় না।
মুখে বলেন এক, করেন আরেক। প্রথমে হয়তো মানুষ বুঝতে পারে না। কিন্তু একসময় বুঝে যায়। আর তখন যা হারায়, তা হচ্ছে বিশ্বাস।
কিন্তু যারা সত্যিকার অর্থে অসাধারণ, তাদের গল্পটা আলাদা। তারা যা ভাবেন, সাহস করে তা-ই বলেন। আর যা বলেন, জীবন দিয়ে হলেও তা পালন করেন। এই সারল্যের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে এক অদৃশ্য শক্তি যাকে বলা হয় Integrity বা সত্যনিষ্ঠা।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন একটি কথা বলে যা আমাকে থামিয়ে দেয়—

যখন কোনো মানুষের চিন্তা, কথা আর কাজ একই সরলরেখায় চলে, তখন তার ভেতরে জন্ম নেয় এক অজেয় মানসিক শক্তি।

ভাবুন একবার। শুধু এই একটা অভ্যাস—কথা আর কাজে মিল রাখা—একজন মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। সে হয়ে ওঠে ভরসার জায়গা। নিজের কাছে, অন্যের কাছে।
নিজের মনের সাথে কোনো লুকোচুরি নেই। সত্যের সাথে আপোস নেই। এটাই আসল আভিজাত্য যা কোনো পোশাকে নয়, কোনো পদবিতে নয়।

আজকের অটোসাজেশন:
"চিন্তা, কথা ও কাজের মিল থাকা অনন্য মানুষের বৈশিষ্ট্য। আমি যা চিন্তা করব, তা বলব। যা বলব, তা করব। আর তা করবো সততা ও প্রজ্ঞার সাথে।"

আপনার কথা আর কাজের মাঝে কি সেই সেতু আছে?
যদি থাকে অথবা যদি গড়তে চান কমেন্টে জানান। ❤️

17/05/2026

উদ্বুদ্ধকরণটা শুরু হতে হবে একদম ছোট থেকে…
আসলে জোর করে চাপিয়ে দেয়া ভালো জিনিসও যার ওপর চাপিয়ে দেয়া হয় সে কিন্তু প্রথম সুযোগে সেটাকে ছুড়ে ফেলে।

অতএব আমাদের সবসময় দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে যে, ভালো কাজও সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেবো না, তাকে উদ্বুদ্ধ করব। এবং এই উদ্বুদ্ধকরণটা শুরু হতে হবে একদম ছোট থেকে।

কেন ছোট থেকেই শুরু করতে হবে?
একদম ছোট থেকে যখন; তখন উদ্বুদ্ধ করাটা খুব সহজ হয়। যখনই একটা বয়স হয়ে যায় তার নিজস্ব চিন্তাভাবনা ধ্যানধারণা যখন তার মাথার মধ্যে ঢুকে যায় তখন তার সেই ধ্যানধারণাটাকে বদলানো খুব কঠিন কাজ। এজন্যে একদম ছোট থেকে শুরু করতে হবে।

যেভাবে উদ্ধুদ্ধ করবেন…
১. মমতা দিয়ে দরদ দিয়ে বুঝিয়ে। যত কষ্টের কাজ পরিশ্রমের কাজ এটা তাকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে চাপিয়ে দেয়া না হাসতে হাসতে আদর দিয়ে মমতা দিয়ে।

২. তাকে কষ্টে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সে পরিশ্রম করে ঘেমে গেছে তার ঘামটা খুব হাসি দিয়ে মুছিয়ে দিতে হবে। তোমার এই যে ঘামটা এই ঘামটা কত গুরুত্বপূর্ণ, এতে তার কী উপকার হলো তা বলতে হবে।

অর্থাৎ সন্তানকে পরিবারের কষ্টের সাথে একাত্ম করবেন। সন্তান কষ্টটাকে ভুলবে না। সুখের স্মৃতি কিন্তু খুব সহজে ভুলে যায় কিন্তু কষ্টের স্মৃতি সে ভুলে না। সে যে কষ্ট শেয়ার করেছে, অংশ হয়েছে সে যে একটা কাজ করেছে সে যে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়েছে এই চ্যালেঞ্জ নিতে পারাটা হচ্ছে তার স্মরণে থাকে। অতএব সন্তানকে সবসময় উদ্বুদ্ধ করবেন মমতা দিয়ে।

৩. সবসময় চিন্তা করবেন যে, যা করার ছোট থেকে, যা বোঝানোর ছোট থেকে এবং এ ব্যাপারে যেন ধৈর্যের কোনো অভাব না হয়। ধৈর্য যেন হারিয়ে না ফেলেন।

এবং ধরুন কোয়ান্টামের সমস্ত গুণ বাদ দেন একটা গুণ যদি ধরেন সেটা হচ্ছে কোয়ান্টাম জানে যে কীভাবে অপেক্ষা করতে হবে। কীভাবে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হবে এবং কীভাবে ভাবতে হবে এবং বিশ্বাস করতে হবে। ভাবতে হবে বিশ্বাস করতে হবে নিরলসভাবে লেগে থাকতে হবে সন্তান আপনার কথা শুনবে।

৪. অর্থাৎ আপনি সবসময় ইতিবাচকভাবে সন্তানকে উদ্বুদ্ধ করবেন সন্তানের সমালোচনা করে না। সে একটা ভুল করছে ঐ কাজটার চেয়ে এই কাজটা যে বেটার এটা ওটার চেয়ে ভালো এটা বুঝিয়ে। তুমি যেটা করেছ আচ্ছা করে ফেলেছ কিন্তু এরচেয়ে ভালো কাজ হচ্ছে এটা। অর্থাৎ সবসময় তাকে বুঝিয়ে উদ্বুদ্ধ করে সন্তানকে কাছে টেনে তাকে বোঝাতে হবে।

মানে এটা হচ্ছে কোয়ান্টাম প্যারেন্টিং। এখানে সন্তান কী হবে? ভুল করলেও আবার ফিরে আসবে। কারণ মমতার বন্ধনটাকে কেউ ছিন্ন করতে পারে না কিন্তু বন্ধনটা দুই তরফ থেকে সৃষ্টি হতে হবে। শুধু আপনার তরফ থেকে সৃষ্টি হলে হবে না। তখন একজন আরেকজনকে উদ্বুদ্ধ করবেন।

৫. আপনি ক্লান্ত হলে দেখা যাবে যে আপনার ছেলে আপনাকে উদ্বুদ্ধ করছে, আপনি ক্লান্ত হলে আপনার মেয়ে আপনাকে উদ্বুদ্ধ করছে। মেয়ে ক্লান্ত হলে আপনি তাকে উদ্বুদ্ধ করছেন। অর্থাৎ বন্ডিংটা সম্পত্তি না বন্ডিংটা হচ্ছে আত্মার। তুমি আমার না, তুমি এবং আমি মিলে আমরা। মানে তুমিকেও স্বীকার করতে হবে আমিকেও স্বীকার করতে হবে। তুমি এবং আমি মিলে হচ্ছি আমরা। এটা হচ্ছে প্যারেন্টিং যে, উই আর পার্ট, তুমিও একা স্বয়ং সম্পূর্ণ না আমিও একা স্বয়ং সম্পূর্ণ না। আমি তুমি মিলে অর্থাৎ পরিবারের সবাই মিলে আমরা পরিবার। মা-বাবা ভাইবোন।

৬. ধরুন চার জন। চার জনকে ধরতে পারেন যে একটা চার চাকাওয়ালা গাড়ি। তাকে বোঝাতে হবে যে এই গাড়ির চারটা চাকা মা-বাবা এক চাকা তোমরা ভাইবোন মিলে এক চাকা। বলবেন যে আরো যদি চাকা থাকে? ছয় চাকার গাড়ি হবে অসুবিধা কী আছে?

এবং ছয় দরজার গাড়ি যদি হয় এক দরজা যদি ভাঙা থাকে গাড়ি যদি চলে তো গাড়ির কী অবস্থা হবে? সন্তানকে এটা বোঝাতে হবে যে ইউ আর পার্ট অফ দি ফ্যামেলি। এটা থেকে বেরিয়ে গেলে ক্ষতিটা তোমার। ইউ আর দি লুজার এবং তোমার কী কী ক্ষতি হবে? এই এই ক্ষতি হবে।

৭. আমাদের সাথে আসলে অধিকাংশ সময় সন্তানের যে সম্পর্ক সম্পর্কটা বন্ধুত্বের হয় না সম্পর্কটা দেয়া নেয়ার অথবা উব অর্ডার আর কি। তো দেয়া নেয়ারও না অর্ডারেরও না সর্ম্পকটা হবে বন্ধুত্বের। যে সন্তানের বেস্টফ্রেন্ড হচ্ছে তার মা-বাবা। সন্তান যেন মনে করে যে আমার মা-বাবা আমার বেস্টফ্রেন্ড তখন সন্তান আপনার পরামর্শ নিতে উদ্বুদ্ধ হবে। সে তার ভুলগুলো আপনাকে বলবে।

16/05/2026

আপনার প্রশ্ন : রাতদিন সংসারের কাজ করি, তবু কাজ যেন ফুরোতে চায় না। বাচ্চাদের খাওয়ানো, নিজেরা খাওয়া এসবের প্রস্তুতি, ক্লিনিং এগুলো করতে করতে দিন শেষ। নিজের জন্যে কোনো সময় নেই। প্রায় দিনই পেটে ক্ষুধা চেপে সব কাজ করে যাই। ছোট সন্তান মা ছাড়া কিছু বোঝে না। তাকে রেখে ওয়াশরুমেও যাওয়া যায় না। বড় সন্তানের অনেক প্রশ্ন, তাকেও এটেন্ড করতে হয়। ঝগড়াটা লেগে যায় ওদের বাবার সাথে। কাজের চাপ, ঘন ঘন ক্ষুধা, নিজের লক্ষ্যের প্রতি সময় কম দিতে পারা, নিজের অযত্ন- সব মিলে আমি ক্লান্ত ও বিষণ্ন হয়ে থাকি। আমাকে এমনকিছু বলেন যাতে আমি আনন্দ নিয়ে থাকতে পারি। এনার্জি পাই।

গুরুজীর উত্তর: সংসারের কাজ শেষ হলে তো আপনি শেষ! সংসারের কাজ যদি শেষ হয়ে যায় তো আপনি করবেনটা কী?

আসলে সংসারে সবকিছু অটো হয়ে যায় না। যদি সব অটো হয়ে যেত তাহলে বৈচিত্র্য থাকত না।

এখন এই যে আপনি আনন্দ নিয়ে থাকতে চাচ্ছেন, এটা একটা পজিটিভ মাইন্ডসেট। এই পজেটিভ মাইন্ডসেটটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আর আপনি কিন্তু খুব লাকি। আপনার দুটো বাচ্চা আছে। আল্লাহ না করুক, এমন তো হতে পারত যে আপনাদের বাচ্চা হচ্ছে না। আমি বহুজনকে দেখেছি বাচ্চার জন্যে তাদের কী আকুতি! তিন বার আইভিএফ করেছে, কিন্তু সাকসেসফুল হয় নি। চতুর্থবার করেছে, পঙ্গু বাচ্চা হয়েছে। আমি নিজে জানি।

এখন বড় বাচ্চা তার প্রশ্নের শেষ নাই। আরে প্রশ্নের শেষ থাকলে তো বাচ্চাই থাকবে না! বাচ্চা মানেই তার কোয়েশ্চেন এবং আপনার বাচ্চা নিঃসন্দেহে ইন্টেলিজেন্ট বাচ্চা যে প্রশ্ন করতে পারে, তার কৌতূহল আছে।

তো অতএব কী করবেন? কাজটা কিন্তু খুব সিম্পল। আনন্দ করেন! বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে খাওয়াতে আপনার ক্ষুধা লেগে যায়। হাজবেন্ডকে বলেন, আমার খাবার নিয়ে আসো, আমাকে খাইয়ে দাও। আমি বাচ্চাকে খাওয়াচ্ছি, তুমি আমাকে খাওয়াও।

ঘরে ছাতু রাখবেন। কলা রাখবেন। বাচ্চাকে বলবেন যে তুই খা আমিও খাই। অর্থাৎ একসাথে দুই কাজ করা। বাচ্চা খাচ্ছে বাচ্চার খাবার, আপনি খান আপনার খাবার। আর খেতে খেতে বলেন যে বাবু খাও খাও খাও। এতে তার খাওয়ার অনুপ্রেরণা আরো বাড়বে। মা যে খাচ্ছে সে এটা বুঝতে পারবে।

আর আপনি খুব ভালো মা যে বাচ্চাকে বুকের দুধ দিচ্ছেন। আমরা সবাই দোয়া করি আপনার বাচ্চা বুদ্ধিমান এবং ভালো বাচ্চা হোক। আমরা যে ভালো মানুষ ভালো দেশের কথা চিন্তা করি সেই ভালো দেশের ভালো মানুষ হবে এবং এরাই দেখা যাবে যে সেই ভালো দেশ গড়ছে।

16/05/2026

আমরা হয়তো অনেক সম্পদ অর্জন করছি, বিশাল বাড়ি বানাচ্ছি, দামি গাড়ি কিনছি। কিন্তু এই অর্জনের পেছনে যদি থাকে ঋণের বোঝা, তবে সেই বাড়িটি আমাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের চেয়ে একটা বড় দায় বা বোঝায় পরিণত হয়। সবসময় মাথায় এই চিন্তা উঁকি দেয় —কীভাবে এই লোন বা দায় শোধ করব?"

আসলে নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে ঋণের মাধ্যমে সম্পদ আহরণ বা বিলাসিতার পেছনে ছোটা মানে হলো, নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা। চাপ, উদ্বেগ আর অস্থিরতা হলো সেই আগুন, যা ধীরে ধীরে জীবনের সব শান্তি পুড়িয়ে ছাই করে দেয়।

ঋণ কেবল পকেটের টাকা কমায় না, এটি আমাদের মানসিক স্বাধীনতাকেও বন্দি করে ফেলে। পাশ্চাত্যে ঋণকে এখন ''মানসিক ক্যান্সারের'' সাথে তুলনা করা হচ্ছে। একটি প্রাচীন প্রবাদ আছে‚ "ঋণ হলো সেই চারাগাছ, যার বেড়ে উঠতে বৃষ্টির কোনো প্রয়োজন নেই।" ঋণ ব্যক্তিগত হোক বা জাতিগত, এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে কখনো প্রকৃত শান্তি সম্ভব নয়। আসুন, আমরা এই জাদুকরী জালের ফাঁদ থেকে নিজেকে মুক্ত করি এবং সত্যিকারের আর্থিক ও মানসিক স্বাধীনতা ফিরে পাই। 🕊️🌿

আজকের অটোসাজেশন:
"ঋণ হচ্ছে মরণফাঁদ। ঋণজনিত প্রচণ্ড মানসিক চাপ মরণও ডেকে আনতে পারে। আমি সবসময় ঋণমুক্ত থাকব।"

আপনি কি সামর্থ্যের ভেতর থেকে একটি নির্ভার ও শান্তিময় জীবন কাটাতে প্রস্তুত? ঋণের শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীন হওয়ার এই উদ্যোগে আপনিও কি আমাদের সাথে আছেন? কমেন্টে আমাদেরকে জানান। ❤️✅

15/05/2026

Osteoporosis ভয়ঙ্কর!

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhaka
1217