An Nahda
17/02/2026
রমাদানে অনেক বড় বড় কিছু করার পরিকল্পনা না করাই ভালো। সারাবছর ফেসবুকে লম্বা লম্বা, তাফসির পড়া, সীরাত পড়া—সব রোজার জন্য তুলে রাখবেন না।
রমাদানে মূলত এই কয়েকটি আমলই যথেষ্ট—
১- রমাদানে রোজা রাখুন।
মুখের, হাতের ও অন্তরের—পরিশুদ্ধ রোজা।
২- কোরআন তিলাওয়াতে করুন।
অর্থ বোঝার চাপ এই মাসে না নিয়ে, তা এগারো মাসের জন্য রাখুন।
৩- তাসবীহ পড়ুন।
চলতে ফিরতে, কাজের ফাঁকে, মুখে ও অন্তরে বেশি বেশি তাসবিহ পড়ুন।
৪- ঘরের লোকদের যত্ন নিন।
সাওয়াবের নিয়তে যত্ন করে ইফতার ও খাবার তৈরি করুন।
বুড়ো ও বাচ্চাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করবেন না—এটা অনেক বড় আমল।
সবর করে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলুন।
৫- সাধ্যানুযায়ী দান করুন।
৬- দোয়া করুন।
মনে মনে, প্রকাশ্যে, নামাজে ও মুনাজাতে। সারাক্ষণ আল্লাহর সাথে কথা বলার অভ্যাস করুন।
৭- রাগ কন্ট্রোল করুন। কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। কারও প্রতি রাগারাগি প্রকাশ করবেন না।
এই সাতটি আমল ঠিকভাবে করতে পারলে, অন্য কিছু না করলেও আপনার রমাদান সফল।
নামাজ তো সারাবছরই যত্ন করে পড়ার কথা—উপরের আমলগুলোতে গুরুত্ব দিলে নামাজ নিজেই আপনাকে টেনে নেবে।
ইফতার বানাতে গিয়ে আসরের নামাজ শেষ ওয়াক্তে নিবেন না।
রমাদানে যত লোভনীয়ই হোক, সব ধরনের কোর্স ও অনলাইন কার্যক্রম থেকে দূরে থাকুন।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।
- সংগৃহীত।
❝আমার শায়খ হযরত আরেফি রহ. এর নিত্যনৈমিত্তিক আমল ছিল, তিনি পবিত্র রমাযান মাসে আসর নামাযের পর থেকে মাগরিব নামাযের পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতেন। এ সময় প্রথমে তিনি তার নিজের মামুলাতগুলো আদায় করতেন।
এরপর বাকি সময় দুআয় অতিবাহিত করতেন। ইফতার পর্যন্ত হাত তুলে মুনাজাত করতেন। সেই দুআর মাঝে তিনি তাঁর দুনিয়ার সকল প্রয়োজন, আখিরাতের সকল চাওয়া, নিজের প্রয়োজন, ঘরের লোকজনের প্রয়োজন, আত্মীয়-স্বজনের প্রয়োজন, শুভানুধ্যায়ীদের প্রয়োজন, এভাবে তিনি একেকজনের নাম ধরে ধরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেন।
আমাদের মধ্য হতে কেউ হযরতের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি বলতেন, ‘ভাই, আমি তোমার নাম নিয়ে তোমার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করেছি।❞
-মুফতী তাকী উসমানী
কুরআনি দুআউঁ কি তাশরিহ
পৃষ্ঠা : ১৭
বাউল সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Motijheel
Dhaka
1000