Dr. Md. Naheed Rayhan

Dr. Md. Naheed Rayhan

Share

28/03/2026
Photos from Dr. Md. Naheed Rayhan 's post 28/03/2026

All about Diabetes…

Photos from Dr. Md. Naheed Rayhan 's post 20/09/2025

Oculocardiac Reflex (OCR): The Silent Trigger in the OT

What is it?
The Oculocardiac Reflex is a trigeminal–vagal reflex where stimulation of the eye or orbital structures leads to sudden bradycardia, hypotension, or even arrhythmia.

Trigger:
➤ Pressure or traction on the extraocular muscles, globe,or orbital contents
(especially during eye or maxillofacial surgeries)

Pathway:
-Afferent limb:Trigeminal nerve (CN V)
-Efferent limb:Vagus nerve (CN X) → slows the heart

Seen in:
✔️ Orbital floor fracture surgeries
✔️ Enucleation
✔️ Strabismus correction
✔️ Maxillofacial trauma involving the orbit

Anaesthetic Consideration:
✅ Be ready for bradycardia — always monitor heart rate closely
✅ Inform surgeon immediately if HR drops
✅ Stop stimulus→ Reflex often resolves
✅ Anticholinergics (e.g. atropine) may be required

Remember:
Even a slight pull on the eye muscles can cause the heart to pause.
Vigilance saves lives.

30/03/2025

**আমাদের Anaesthesiology সাবজেক্টাই এমন.....!!!
Why???? No Answer.......

(এটি একটি সমাজ সচেতনা মুলক কমন পোস্ট)

ক্রেডিট গোস টু- "যার সামনে ক্যামেরা বুম তার"!

একজন ক্রীটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের ডাক্তার হিসাবে সম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত জীবন সংকটাপন্ন একজন রোগী বেচে ফেরাতে প্রথমেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি , আলহামদুলিল্লাহ।

এবার লিখার শিরোনামের দিকে নজর দেয়া যাক।

মি: টি এর জীবনের চরম সংকটাপন্ন মোমেন্টে তার চিকিৎসার পার্ট ছিলো মোটাদাগে তিনটা।

১. তাকে বেসিক লাইফ সাপোর্ট দেয়া।
2. এডভান্স লাইফ সাপোর্ট দেয়া।
3. এঞ্জিওগ্রাম ফলোড বাই এঞ্জিওপ্লাস্টি করা (প্রাইমারি পি সি আই)।

গত কয়েকদিনে অলমোস্ট সবাই যে জিনিসটাকে হাইলাইটস করছে/মিডিয়ায় আসছে তা মুলত তৃতীয় পার্টটা নিয়ে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ও দ্বিতীয় পার্টটা অনেকেই আমরা বেমালুম ভুলে গেছি বা জেনেবুঝেই চেপে রাখছি।

আমি মুলত মাহা-আলোচিত (কখনো কখনো সমালোচিত) এই রোগীর চিকিৎসার প্রথম ও দ্বিতীয় পার্টটা নিয়েই আজ একটু কথা বলবো।

হার্ট বন্ধ হয়ে গেলে সর্বপ্রথমেই যে কাজটা করা উচিৎ সেটা হলো তারাতাড়ি আইডেন্টিটিফাই করা ও বেসিক লাইফ সাপোর্ট (BLS) শুরু করা। এবং এখানে এটা করেছেন এম্বুল্যান্সের এটেন্ডিং টেকনিসিয়ান ও একজন ট্রেইনার (যিনি রোগীর এটেন্ডেন্টস হিসাবে এম্বুলেন্সেই ছিলেন)। উনারা এই কাজটা প্রতি সেকেন্ড বাই সেকেন্ড ১০০% পারফেক্টলী করেছেন। ওই মানুষ গুলো ওই সময়ে ওই জায়গায় না থাকলে আজকের স্টোরিটা ডিফারেন্ট হতে পারতো (সবই উপর ওয়ালার ইচ্ছা)।

রোগীকে হায়ার সেন্টারে (ঢাকায়) মুভ না করানোর ইন্সট্যান্ট ডিসিশনটাও পারফেক্ট ছিলো।

খুব অল্প সময়ের মদ্ধ্যেই রোগী নিকটস্থ হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে ল্যান্ড করে। এখানে চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় যা এডভান্স লাইফ সাপোর্ট (ACLS) দেয়া শুরু হয়।

ACLS এর পুরো বিষয়টাই হলো একটা সিনক্রোনাইজড টিম-ওয়ার্ক। এখানে
চেষ্ট কম্প্রেশন যেমন চালায়ে যেতে হয় তেমনি ইন্ট্রাভেনাস লাইন সিকিউরড করা, লাইফ সেভিং ওষুধ দেয়া, ডেফিনিটিভ এয়ারওয়ে সিকিরিউড করা (ট্রাকিয়াল ইন্টুবেশন /শ্বাষ নালিতে টিউব দেয়া), হার্টের রিদম এসেস করা ও লাগলে হার্টে ইলেক্ট্রিক শক (কার্ডিওভার্শন) দেয়া। দুই মিনিট পর পর ম্যান রোটেড করে ইফেক্টিভ চেষ্ট কম্প্রেশন (শরীরের ভাইটাল অর্গানগুলোতে যাতে রক্ত পৌছায়) নিশ্চিত করা। কোন একটা কাজ যদি পারফেক্টলী না হয় তাহলে পারমানেন্ট ডীজএবিলিটি অথবা ডেথ ইজ দ্যা আউটকাম।
"মার্জিন অব ইরর ইস আ বিগ জিরো হেয়ার"।

মনে রাখবেন, এই কাজগুলো যে টিমের মাধ্যমে করা হয় সেখানে ভাইটাল রোল প্লে করেন একজন এনাস্থেসিওলজিস্ট অথবা ইন্টেন্সিভিস্ট। এই টিমে হিরো হিসাবে একজন এনাস্থেসিওলজিস্ট ছিলেন। যিনি একজন পারফেকশনিস্ট হিসাবে পুরো জার্নিটা কমপ্লিট করেছেন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মি. টি এর মত একজন ভিভিআইপি রোগীর লাইফ এন্ড ডেথের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে এই কাজগুলো (২২ মিনিট সি পি আর তিন টা শক দেয়া)পারফেক্টলী করা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।

মি. টি এর চিকিৎসার ৩য় পার্ট ছিলো এঞ্জিওগ্রাম ও এঞ্জিওপ্লাস্টি (প্রাইমারি পি সি আই)।

সেই এনাস্থেসিওলজিষ্ট এই রোগীকে ক্যাথ ল্যাবের টেবিলে উঠিয়ে দিয়েছেন ও মেইনটেইন করেছেন।
ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজস্ট তার কাজটি সম্পন্ন করেছেন। আর ১০ টা প্রাইমারির মত এটাও একটা জরুরী প্রসিডিওর। ভি ভি আই পি রোগীর সোশাল প্রেশার মাথায় নিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কার্ডিওলজিষ্ট তার কাজটি সুসম্পন্ন করেছেন, কংগ্রাচুলেশনস। এবং এটাই উনার নিত্যদিনের কাজ।

এঞ্জিওপ্লাস্টির পর এনাস্থেসিয়ার চিকিৎসক রোগীকে সি সি ইউ/আই সি ইউ তে স্থানান্তর করেছেন এবং ভেন্টিলেটর ( যদিও অনেকেই এটাকে লাইফ সাপোর্ট বলে থাকেন, আসলে এটা শ্বাষ-প্রশ্বাষের সাপোর্ট) থেকে বের করে নিয়ে এসেছেন, ব্রাভো!

আমরা কি সেই সাবজেক্টের (এনাস্থেসিয়ার) ওই হিরোটাকে কেউ সামনে আনতাছি? না, কেউই তার কথা সেভাবে বলি নাই।

সংবাদিক ভাইয়েরা তো ম্যাচ রেফারীকেও লাইফ-আর-ডেথের ডিসিশন মেকার বানিয়ে দিলেন। ফিজিক্যাল ট্রেইনারও ভালোই হাইলাইটস হলেন তার রিয়েল হিরোইজমের জন্য। কিন্তু কেউই আন্সিন হিরো ও তার কোর টিমকে স্মরণ করলেন না, হাসপাতাল কতৃপক্ষও তাকে সেভাবে হাইলাইটস করলেন না, বিভিন্ন সময়ে বিশেষজ্ঞ টিমও তাদের নিয়ে তেমন কিছুই বললেন না।

কোন টিমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেম্বারকে এভাবে অভারলুক করার কালচার লালন করলে জাতি সামনে আগাবে কেমনে?

এবার আসুন এনাস্থেসিয়ার (অজ্ঞান করার) চিকিৎসকদের সাথে পরিচিত হওয়া যাক।

এনাস্থেসিয়ার চিকিৎসকগন শুধু যে অপারেশন থিয়েটারেই কাজ করেন তা নয়। যখনই কোন ক্রিটিকাল সিচুয়েশন ক্রিয়েট হয় সেখানেই ত্রান কর্তা হিসাবে হাজির হন এই সাবজেক্টের চিকিৎসকগন। রোগীকে অজ্ঞান করা ছাড়াও এই মাদার সবজেক্টের ব্যাপ্তি বিশাল। পৃথিবীর অনেক দেশেই এনাস্থেসিয়ার চিকিৎসকগন আই সি ইউ এর রোগীদের সেবা করে থাকেন।

কদিন আগেও বাংলাদেশে ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিন ( আই সি ইউ বিশেষজ্ঞ) নামক সাবজেক্টের জন্ম হয় নি। এনাস্থেসিয়ার টিচারগন নিরলসভাবে কাজ করেছেন আর করে যাচ্ছেন এই ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিন এর বিশেষজ্ঞ তৈরীতে। তাদের সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক নিয়েই অধিকাংশ সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আই সি ইউ এর রোগীদের সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের পাশাপাশি ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গন সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আই সি ইউ এর সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন।

আপনি কি জানেন, সারাদেশের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজ বা হাসপাতাল গুলোতে এই "সি পি আর" (চেস্ট কম্প্রেশন করে বন্ধ হার্ট কে চালু করা ও মেইনটেইন করা) নামক ট্রেইনিং টা কারা দিয়ে থাকেন। ইয়েস এই এনাস্থেসিয়ার চিকিৎসক গনই দিয়ে থাকেন। হাসপাতালের মদ্ধ্যে যে কোন জায়গায় কোন রোগী কলাপ্স করলে টিম মেম্বার হিসাবে সর্বপ্রথম কাদের ডাক পরে! জি এই এনাস্থেসিওলজিস্ট ও ইনটেনসিভিস্ট দেরই।

পেইন মেডিসিন বা প্যালিয়েটিভ কেয়ার (অনিরাময় যোগ্য রোগীর শান্তিময় ও সম্মান জনক জীবন উপহার দেয়া) প্রাকটিস কারা করেন, ইয়েস অধিকাংশই এই সাবজেক্টের ডাক্তার গন।

এই এনাস্থেসিয়ার চিকিৎসক গনই আপনার অর্গান প্রতিস্থাপন ( ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারী) , হার্টের অপারেশন বা ব্রেইনের অপারেশন এর মত জটিল ও ক্রিটিক্যাল সময়ে আপনাদের কে মেইনটেইন করেন।

মনে আছে কোভিড-১৯ প্যান্ডেমিকের কথা। সেই সব ভয়াল দিনে ক্রিটিকালী অসুস্থ রোগীদের ত্রান কর্তা হিসাবে কারা ছিলো? সারাদেশের ( সমগ্র পৃথিবীর) আই সি ইউ গুলোতে এই এনাস্থেসিয়া আর ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিন এর বিশেষজ্ঞ গন এঞ্জেল হয়ে সবার পাশে দাঁড়িয়েছিলন।

সারা পৃথিবীর ন্যায় বাংলাদেশেরও হেলথসেক্টরে দ্রুত পরিবর্তন আসতেছে। ইন্ডিভিজুয়াল লিজেন্ড হওয়ার দিন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। আপনাকে খেলতে হবে দলগত ভাবে। টিম বিল্ড ভালো না হলে টিকে থাকা মুশকিল। এখন যামানা হলো ইন্ডিভিজুয়াল ডাক্তারের ব্রান্ডিং না করে ইন্সিটিটিউশনের ব্রান্ডিং করা।

আইসোলেট না হয়ে কমিউনিটি হিসাবে দাঁড়িয়ে যাওয়া। এটাই টেকসই মডেল। এবং এই মডেল তখনই সাকসেসফুল হবে যখন টিমের প্রতিটি মেম্বার তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করবেন আর মিউচুয়াল রেসপেক্টের জায়গায় সবাই অনেস্ট থাকবেন।

আমার দৃষ্টিতে এই কেসে অনেক হিরোর ভীরে উজ্জলতম হিরো হলেন মি. ..., এনাস্থেসিওলজিস্ট।

কয়েকদিন আগে ওয়ার্ল্ড এনাস্থেসিয়া সোসাইটি তাদের ওয়ার্ল্ড এনাস্থেসিয়া ডে উপলক্ষে স্লোগান ঠিক করেছিল "KNOW YOUR ANESTHESIOLOGIST".

আমি বলবো,উনারা যেন সবসময়ই উনাদের ভয়েসটা রেইজ রাখেন। আপনাদের ক্যাটিকোলামাইন রাসেরও ( সংকট কালীন জরুরী হরমোন) মুল্য আছে!

সবাইকে ধন্যবাদ এত্তবড় লেখাটা পড়ার জন্য!

ডা: মো: জাফর ইকবাল
ডি এ ; এফ সি পি এস (এনাস্থেসিওলজী)
এম ডি (ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিন)

ইন্টেনসিভিস্ট, এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা।

😐

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka