Top Up
বিহারী দের ঐতিহ্য।
দশমীর শুভেচ্ছা
13/10/2020
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান তাঁর আশু রোগ মুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তাঁর তেমন কোনো শারীরিক সমস্যা দেখা না গেলেও বয়স বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পেশাগত জীবনে তিনি উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ এবং চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। এম এ মান্নান ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন শেষে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন। ২০০৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি সাংসদ হন। ২০১০ এবং ২০১৩ সালে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে তিনি আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সরকারের অর্থ প্রতিমন্ত্রী হন। একাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) আসন থেকে সাংসদ হয়ে ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রী হন।
03/10/2020
ঝিনাইদহে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু: ৮ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৪
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাস করা উলফাত আরা তিন্নির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নারী নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। নিহত তিন্নির মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে আটজনের ৮ জনের নাম উল্লেখ করে শুক্রবার রাতে শৈলকুপা থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
যে চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তাঁরা হলেন তিন্নির সাবেক ভগ্নিপতি জামিরুল ইসলামের বড় ভাই আমিরুল ইসলাম, আরেক ভাই নজরুল ইসলাম, মামা শেখ খলিলুর রহমানের দুই সন্তান শেখ লাবিদ ও শেখ তন্ময়। ঘটনার রাতেই তাদের আটক করা হয়েছিল।
এদিকে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তিন্নির সহপাঠী ও এলাকাবাসী বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন। তাঁরা এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তিন্নির সাবেক ভগ্নিপতি জামিরুল ইসলামের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।
বিজ্ঞাপন
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শৈলকুপার শেখপাড়া বাজারের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর মেয়ে তিন্নির লাশ পাওয়া যায় তাঁর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায়। তিন্নির পরিবারের দাবি, তাঁকে পাশবিক নির্যাতন করে হত্যার পর ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখে তাঁর মেজো বোনের সাবেক স্বামী ও তাঁর লোকজন। আর পুলিশ বলছে, মেয়েটি লজ্জায় আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তাঁরা। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত করে বলা যাবে আসলে কী ঘটেছিল।
শনিবার তিন্নিদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, লোকজনের ভিড়। এরই মধ্যে মাঝে মাঝে মা হালিমা বেগম কান্না করে উঠছেন। অন্যরা সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গোটা বাড়িটি এখনো এলোমেলো অবস্থায় আছে। ঘটনার সময় হামলাকারীরা যেভাবে জানালার গ্লাস ভেঙে রেখেছিলেন, সেভাবেই আছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1207