Freelancer BD

Freelancer BD

Share

03/09/2021

⭐মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এই কথাটা শুনে আমাদের মধ্যে অনেকে হয়তো হাসাহাসি করবে। কিন্ত আসলে মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু কাজ করা সম্ভব। মনে রাখবেন সব কাজ করা সম্ভব না তবে, কিছু সংখ্যক কাজ করা সম্ভব। কম্পিউটার দিয়ে যে সকল কাজ গুলো আপনি খুব সহজে করতে পারবেন, সে কাজ গুলো মোবাইলের মাধ্যমে করতে বেশ কিছু সময় লাগবে। কি রাজি আছেন তো? (ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো)
আজকে আমি আপনাকে বলবো মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এমন ৫ টি কাজ সম্পর্কে। যে কাজ গুলো আপনি প্রফেশনাল ভাবেও করতে পারবেন। চলুন তাহালে শুরু করা যাক।
মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর যে কাজ গুলো করতে পারবেন (Freelancing with mobile phone):
👉(১) কন্টেন্ট রাইটিং
আমরা প্রতিদিন মোবাইল দিয়ে বাংলা, ইংরেজিতে অনেক লেখালেখি করি। আপনি কি জানেন অনলাইনে লেখালিখি করে আপনি প্রতিমাসে ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন। মোবাইলের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করার অন্যতম হলো কন্টেন্ট রাইটিং। আপনি কন্টেন্ট রাইটিং করে দেশি বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির কাছে লেখা গুলো বিক্রিয় করতে পারবেন। তবে, হ্যাঁ এটার জন্য আপনাকে ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে হবে।
আর্টিকেল লেখার কৌশল – ২০২১ (কনটেন্ট রাইটিং টিপস)
মোবাইল দিয়ে কন্টেন্ট রাইটিং করার জনপ্রিয় কিছু অ্যাপস এর নাম উল্লেখ্ করছি যথা-
▪️Google Dose
▪️WPS office
▪️Microsoft office word
এগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে নিজের লেখা গুলো সংরক্ষন করে রাখতে পারবেন। আমি নিজে ও একজন ব্লগার কন্টেন্ট রাইটার এবং আমি google dose ব্যবহার করি।
👉(২) গ্রাফিক্স ডিজাইন
মোবাইল দিয়ে যদিও গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজ করা সম্ভব না। তবে, বর্তমানে এমন কিছু মোবাইল অ্যাপস পাওয়া যায় যেগুলোর মাধ্যমে আপনি মোটামুটি লেভেলের ইমেজ, লোগো ডিজাইন করতে পারবেন। এই সকল অ্যাপস গুলো ব্যবহার করা খুবই সোজা। আপনি দুই একবার দেখলে পারবেন। এই সকল অ্যাপের মাধ্যমে ডিজাইন করা লোগো, ফটো গুলো অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রিয় করতে পারবেন এবং টাকা আয় করতে পারবেন। মোবাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা যায় এমন কয়েকটি অ্যাপস এর নাম নিচে উল্লেখ করছি যথা-
▪️Canva
▪️Adobe Photoshop
▪️Adobe Spark
▪️Adobe Illustrator Draw
▪️Autodesk Sketchbook Pro
👉(৩) ওয়েব ডিজাইন
ওয়েব ডিজাইন শেখার ব্যাসিক হলো HTML এবং CSS. যা আপনি মোবাইল দিয়ে খুব সহজে শিখতে পারবেন। কিন্ত আপনি যখন এডভান্স লেভেলের ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার কথা চিন্তা করবেন তখন অবশ্যই আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে। এই দুইটি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে আপনি ওয়েব ডিজাইন করতে পারবেন। ওয়েব ডিজাইন শেখার দুইটি জনপ্রিয় অ্যাপস হলো
▪️W3sSchools
▪️FreeCordCamp
এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি শিখে প্র্যাক্টিস করার জন্য আলাদা অ্যাপস রয়েছে। যেগুলো আপনি Google Play store থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আমি নিচে সেই অ্যাপস এর নাম উল্লেখ করছি যথা-
▪️Web Development Made Easy
▪️Programming Hero
▪️Solo Learn
👉(৪) ব্লগিং
মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো মোবাইলে ব্লগিং করা। ব্লগিং মানে আপনি নিজের বা অন্যদের ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট লিখবেন। যেটা মোবাইল দিয়ে ১০০% সম্ভব।
👉(৫) ইউটিউব
আপনি সহজে মোবাইলের মাধ্যমে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করে সেখানে ভিডিও পাবলিশ করতে পারবেন। আমাদের দেশে এমন অনেক বড় বড় ইউটিউবার রয়েছে যারা প্রথমে মোবাইল দিয়ে ইউটিউব এর কাজ করা শুরু করেছে। আপনিও চাইলে শুরু করতে পারেন। আপনি এন্ড্রয়েড মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও রেকর্ড, ভিডিও এডিটিং সব কিছু প্রফেশনাল ভাবে করতে পারবেন। আমি নিচে মোবাইলে সেরা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলোর নাম উল্লেখ করছি যথা-
▪️PowerDirector
▪️KineMaster
🔹আমার লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন এবং ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে জানতে ইনবক্স করুন।

06/08/2021

Digital Marketing নিয়ে দারুন কিছু তথ্য । ডিজিটাল মার্কেটিং এর A2Z

02/08/2021

অদক্ষ হিসেবে বিদেশে যাওয়ার চেয়ে দক্ষ হয়ে দেশে বসেই ফ্রিল্যান্সিং করা শ্রেয়-
আমাদের অনেকের এমন একটি ভ্রান্ত ধারণা আছে যে কোনভাবে দেশের বাইরে গেলেই হয়ত খুব বেশি আয় করা সম্ভব। কিংবা দেশে তো চাকুরীর বাজারে মন্দা তাই বিদেশেই চাকুরি খোঁজার জন্য উত্তম।
❗ কিন্তু বিদেশে গিয়ে আপনি কি কাজ করবেন?
দেশে হয়ত যেসব কাজ কথা আপনি কখনও ভাবেনই নি আপনি বিদেশে গিয়ে সেসব কাজ করছেন, করছেন না করতে বাধ্য হচ্ছেন। আমাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে প্রবাসী যারা আছেন তারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের কষ্টার্জিত টাকায় আমরা চলছি ঠিকই কিন্তু তারা কি তাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছেন?
উন্নত বিশ্বে গেলে তো আরো বেশি পরিশ্রম করতে হয় কেননা তাদের অটোমেটেড জীবনের সাথে খাপ খাওয়াতে আমাদের কষ্ট হয়ে যায়।
তাহলে এমন কি কোন উপায় আছে যে দেশে বসেই আপনি আকর্ষনীয় আয়ও করতে পারছেন আবার রেমিট্যান্সও আসবে?
হ্যা, অবশ্যই আছে। আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। ঘরে বসেই আপনি ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশেই কাজ করতে পারবেন। এর জন্য যা প্রয়োজন তা হল দক্ষতা। কোন নিদির্ষ্ট বিষয়ে দক্ষ হয়ে অনলাইনে কাজ করতে পারেন বিশ্বব্যাপী। তবে অবশ্যই আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ৬লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে যারা ঘরে বসেই অনলাইনে কাজ করছে দেশের বাইরে। চাইলে আপনিও হতে পারেন তাদের একজন।
বিদেশ- বিভূইয়ে পরিবার-পরিজন রেখে না গিয়ে আইটিতে দক্ষ হয়ে কাজ করুন দেশে থেকেই।
আইটি ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য যে কোন পরামর্শ পেতে আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের অনলাইন সেমিনারে।

13/07/2021

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন : কিভাবে করবেন

বলা হচ্ছে আগামীতে ফ্রীলাঞ্চিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল।

Freelancing কি ?
এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা ডিজিটাল কোন কাজ করানোর প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার বা ডিজিটাল মার্কেটার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার বা ডিজিটাল মার্কেটার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজিটাল মার্কেটার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট বা অন্য যেকোন কাজ করার প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের মধ্যে One of the best প্রতিষ্ঠান হল Signature Mind Institute। কাজ করার জন্য আপনাকে কোন এক মার্কেট প্লাসে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে। ব্যাস হয়ে গেল একটি সফল ফ্রীলাঞ্চিং আর কাজ। তাই জারা আগ্রহী তারা Contact কোরতে পারেন।
Happy Freelancing

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
90