Sujoy Kumar Das
01/12/2025
Shadesshop.com এই পেইজ ফুরা ফ্রড একটা পেজ। এডভান্স করে অর্ডার করার পর, ডেলিভারি ম্যান এর ফোন আসে। সিরিয়াল নাম্বার চায়। পেজে সিরিয়াল নাম্বার চাইলে, বলে পুরা টাকা পে করতে। পুরা টাকা পে করার পর, ওরা ভুয়া সিরিয়াল নাম্বার দেয়। এরপর আর ডেলিভারি ম্যান এর খোঁজ নাই। পেজেও নক করে লাভ হয় নাই। বলে আরও টাকা পে করতে। ইন্ডিয়ান প্রোডাক্ট নাকি। মানি রিটার্ন চাইলে ব্লক মেরে দেয়। এসব বাটপারে ভরে গেছে মিডিয়া!
24/08/2025
আপনার আমার জিনোমের মাত্র ২% প্রোটিন কোডিং জিন। আর বাদ বাকি ৯৮% ই প্রোটিন কোড করে না! ভাবা যায়! তা-ই এই পার্টটাকে বলে দেওয়া হলো জাঙ্ক। জাঙ্কের আক্ষরিক অর্থ আবর্জনা/গার্বেজ। কিন্তু আসলে কী তাই? বিবর্তন খুবই হিসেবি। তাই পেল্লয় পরিমাণ ডিএনএ'র কোনো কাজই থাকবে না সেটা হতেই পারে না।
জীব হিসেবে আমরা খুবই জটিল। এই জটিলতার পেছনে ব্যাখ্যা কী? প্রোটিন কোডিং জিনের পরিমাণ? মানে যে জীবে যত বেশি ধরণের প্রোটিন তৈরি হবে সে তত জটিল? আজ্ঞে না। মানুষ আর ক্ষুদ্র একটা কৃমির (যেমন সি এলিগান) প্রোটিন কোডিং জিনের পরিমাণ প্রায় সমান-ই। যা তফাত তা হচ্ছে, জিনোমে জাঙ্ক ডিএনএ'র পরিমাণ। সুতরাং শরীরের জটিল গড়নের ব্যাখ্যা নিহিত আছে জাঙ্ক ডিএনএ'র মধ্যেই। যত জটিল জীব তার জিনোমে জাঙ্ক তত বেশি।
সুতরাং নিশ্চয়ই জাঙ্ক ডিএনএ'র অনেক অনেক ভূমিকা থাকবে শরীরে। সেগুলো কী? জাঙ্ক আসলে কী কাজে লাগে? বিজ্ঞানীরা লেগে পড়লেন এই রহস্যের কিনারা করতে। এরপর এই পর্যন্ত জাঙ্ক ডিএনএ নিয়ে বেরিয়ে আসছে একের পর এক চমৎকার তথ্য। তা এত পরিমাণ যে পুরো ২৮৮ পৃষ্ঠার একটা বই লিখে ফেললেন নেসা কেরি। কিন্তু এই একটা বইয়েও তো সব আনা সম্ভব হয়নি। তার ওপর জাঙ্ক ডিএনএ নিয়ে নিত্য নতুন তথ্য জানা যাচ্ছে। এর শেষ হবার নয়।
আমি চেষ্টা করেছি সাধ্য মতোন। পড়াশোনা, ব্লগ, গবেষণা, পরীক্ষা সব সামলে কাজটা শেষ করতে পারব তা নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম না। তবে শেষ যে করেছি সেটা আনন্দের। একটা লম্বা জার্নি। হিমাংশু কর দাদার তাড়া বেশ কাজ করেছে।
সবশেষে চমৎকার একটা বই। যারা জিনোমের এই রহস্যের দুনিয়ার আনন্দ আস্বাদ করতে চান পড়তে পারেন।
আপডেট-
জাঙ্ক ডিএনএ বইটার প্রচ্ছদ চলে এসেছে। শিগগির বই চলে আসবে আশা করি।
12/05/2025
আমরা বাব-মা প্রতিজনের কাছ থেকে ২৩টা করে ক্রোমোজোম পাই (মোট ২৩ জোড়া বা ৪৬টা ক্রোমোজোম)। জিনোমকে ভাবা যায় একটা পাঠাগারের মতন যেখানে অনেক ছোট গল্পের বই আছে। এখানে প্রতিটা বই হচ্ছে ক্রোমোজোম; প্রতিটা প্রোটিন তৈরির গল্প হচ্ছে জিন। তবে জিনোমে শুধু জিনই থাকে না। জিনের মধ্যে কিছু ক্ষার অনুক্রম থাকে যেগুলো কোনো প্রোটিন তৈরির সংকেত বহন করে না। এগুলোকে বলা হয় ননকোডিং পার্ট। জিনোমের এই অংশগুলো নিয়ে বিশদে জানবার লক্ষ্যে বিস্তর গবেষণা চলছে। ধারনা করা হচ্ছে, জিনোমের ননকোডিং অংশ জিন প্রকাশ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
প্রতিটা ক্ষার যদি একেকটা অক্ষর হয়, তাহলে পুরো জিনোমে ১০০ মিলিয়ন শব্দ থাকবে। এটা ৫০০০ বইয়ের একটা লাইব্রেরির সমান। প্রতিটা বইয়ের পৃষ্ঠাসংখ্যা হবে ৩০০। এই পুরো লাইব্রেরিটা একটা বিন্দুর চাইতেও ছোট সাইজের নিউক্লিয়াসে থাকে। প্রতিটা কোষই এমন একটা করে লাইব্রেরি (৫০০০ বইয়ের) ধারণ করে।
মানব জিনোম অনুক্রমকরণ সম্পন্ন হয় ২০০৩ সালে। এই প্রজেক্টে মানবদেহের প্রতিটা জিন পাঠোদ্ধার করা হয়। মানুষের জিনোমে ৩০,০০০ জিন আছে। একটা জীবের ডিএনএ-র সম্পূর্ণ অনুক্রমকেই বলে জিনোম। প্রতিটা জীবকোষের নিউক্লিয়াসে জিনোম থাকে। ভবিষ্যতে হয়ত, লোকজন ডিএনএ স্ক্রিন করে আগে থেকেই জানতে পারবেন তাঁদের ক্যান্সার কিংবা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি আছে কিনা।
দ্য মাঙ্গা গাইড টু মলিকিউলার বায়োলজি
মূল- মাসাহারু তাকেমুরা
অনুবাদ- সুজয় কুমার দাশ
মুদ্রিত মূল্য- ৮০০ টাকা
ছাড়কৃত মূল্য- ৬৪০ টাকা (২০% ছাড়ে)
বিজ্ঞান ব্লগে পাচ্ছেন অতিরিক্ত ৫% ছাড় ৬০৮ টাকায়
অর্ডার করতে বিজ্ঞান ব্লগ পেজে নক করুন কিংবা 01768374605 এই নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
22/02/2025
অবশেষে মেলায় গেছে জীবজগতের অজানা গল্প। দেরী হলেও বইটা যে জন্ম নিয়েছে এতেই দারুণ আনন্দ। আপনারা কেউ সংগ্রহ করতে চাইলে চলে আসুন চিন্তাসূত্র-২১৫ নম্বর স্টলে!
পুঁথি প্রকাশন এবং হিমাংশু কর'দা কে অশেষ ধন্যবাদ!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Address
9/11, Sayed Hasan Ali Lane, Babu Bazar
Dhaka