Quantum Voluntary Blood Donation Program
10/06/2026
রক্তদান মহৎ, কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরো গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচাতে রক্ত সঞ্চালন করা হয়। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, প্রসূতি মা, ক্যান্সার রোগী, অস্ত্রোপচাররত রোগী কিংবা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশু। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়—যে রক্ত দেওয়া হচ্ছে, সেটি কতটা নিরাপদ?
একটি ব্যাগ রক্ত জীবন বাঁচাতে পারে, আবার সঠিক পরীক্ষা ছাড়া সেই রক্তই নতুন রোগ, জটিলতা বা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
বিশুদ্ধ বা নিরাপদ রক্ত বলতে কী বোঝায়?
অনেকেই মনে করেন, রক্তে কোনো রোগ না থাকলেই সেটি নিরাপদ।
বাস্তবে নিরাপদ রক্তের তিনটি মৌলিক শর্ত রয়েছে—
রক্তটি হতে হবে—
১. সংক্রমণমুক্ত
২. সঠিক রক্তের গ্রুপ
৩. রোগীর শরীরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
কেন রক্ত পরীক্ষা করা হয়?
একজন মানুষ দেখতে সম্পূর্ণ সুস্থ হলেও তার রক্তে এমন ভাইরাস বা জীবাণু থাকতে পারে, যা তিনি নিজেও জানেন না।
এ কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) রক্ত সঞ্চালনের আগে কিছু বাধ্যতামূলক সংক্রমণ পরীক্ষা করার সুপারিশ করে।
WHO সুপারিশকৃত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা
HIV (এইচআইভি)
Hepatitis B (হেপাটাইটিস বি)
Hepatitis C (হেপাটাইটিস সি)
Syphilis (সিফিলিস)
Malaria (ম্যালেরিয়া—বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে)
ICT ও ELISA : কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশসহ অনেক দেশে রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ICT এবং ELISA পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
ICT (Immunochromatographic Test):
এটি দ্রুত ফলাফল দেয় এবং প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ের জন্য কার্যকর। তবে কিছু ক্ষেত্রে খুব প্রাথমিক সংক্রমণ শনাক্ত করার সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।
ELISA (Enzyme-Linked Immunosorbent Assay):
ELISA তুলনামূলকভাবে বেশি সংবেদনশীল এবং নির্ভরযোগ্য। ভাইরাস বা সংক্রমণের ক্ষুদ্র উপস্থিতিও শনাক্ত করার সক্ষমতা বেশি হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিকভাবে বহুল ব্যবহৃত।
NAT Testing : আধুনিক নিরাপত্তার আরেক ধাপ
উন্নত দেশগুলোতে অনেক ব্লাড ব্যাংক এখন NAT (Nucleic Acid Testing) ব্যবহার করে।
এই প্রযুক্তি ভাইরাসের জিনগত উপাদান শনাক্ত করতে পারে।
শুধু গ্রুপ মিললেই কি যথেষ্ট?
উত্তর হলো না।
রোগীর শরীর ও দাতার রক্তের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে থ্রি-ফেজ ক্রস ম্যাচিং করাও দরকার।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয়, রোগীর শরীরে এমন কোনো অ্যান্টিবডি আছে কি না, যা দাতার রক্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে তা পরীক্ষা করা হয়।
ভুল বা অপরীক্ষিত রক্ত কতটা বিপজ্জনক?
HIV সংক্রমণ
হেপাটাইটিস বি অথবা সি
সিফিলিস
ম্যালেরিয়া
তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া
হেমোলাইটিক ট্রান্সফিউশন রিঅ্যাকশন
কিডনি বিকল হওয়া
বহু অঙ্গ বিকল হওয়া
এমনকি মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে।
এক ব্যাগ রক্তের নিরাপত্তার আট ধাপ
একটি নিরাপদ রক্ত রোগীর শরীরে পৌঁছানোর আগে সাধারণত কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করে—
১. রক্তদাতা নির্বাচন
২. স্বাস্থ্য ইতিহাস যাচাই
৩. রক্ত সংগ্রহ
৪. সংক্রমণ পরীক্ষা (ICT, ELISA বা NAT)
৫. রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ
৬. থ্রি-ফেজ ক্রস ম্যাচিং
৭. সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ
৮. রোগীর শরীরে সঞ্চালন
রক্ত নেওয়ার আগে রোগী বা স্বজনদের জানা উচিত—
রক্ত কোথায় পরীক্ষা হয়েছে
WHO-স্বীকৃত স্ক্রিনিং সম্পন্ন হয়েছে কি না
ক্রস ম্যাচিং করা হয়েছে কি না
রক্ত সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না।
এসব প্রশ্ন করা রোগীর অধিকার এবং নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।
রক্তদান একটি মহৎ কাজ, কিন্তু নিরাপদ রক্তদান আরও বড় দায়িত্ব। একটি ব্যাগ রক্তের পেছনে থাকে বিজ্ঞান, পরীক্ষা, সতর্কতা এবং দায়িত্বশীলতার সমন্বয়।
কারণ রক্তের প্রয়োজনীয়তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক রোগীর জন্য সঠিকভাবে পরীক্ষিত রক্ত নিশ্চিত করা।
09/06/2026
থ্যালাসেমিয়া : এক ব্যাগ রক্তের অপেক্ষায় হাজারো জীবনের লড়াই
আট বছরের রাফি মাসে একবার হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকে এক ব্যাগ রক্তের অপেক্ষায়। তার বয়সী অন্য শিশুরা যখন স্কুল, খেলাধুলা আর বন্ধুদের নিয়ে ব্যস্ত,
তখন রাফির পরিবারের সবচেয়ে বড় চিন্তা—এই মাসে রক্ত পাওয়া যাবে তো?
রক্ত না পেলে রাফি দুর্বল হয়ে পড়ে।
স্কুলে যেতে পারে না, হাঁটতেও কষ্ট হয়। তার এই অপেক্ষা এক মাসের নয়, এক বছরের নয়—জন্মের পর থেকেই চলমান। কারণ রাফি একজন থ্যালাসেমিয়া রোগী।
বাংলাদেশে রাফির মতো হাজারো শিশু, কিশোর ও তরুণ আজ বেঁচে আছেন অজানা কিছু স্বেচ্ছা রক্তদাতার মানবিকতার ওপর ভর করে। তাই বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের কথা নতুন করে স্মরণ করা প্রয়োজন। কারণ তাদের জন্য রক্তদান কেবল একটি মানবিক কাজ নয়; এটি জীবন বাঁচানোর অন্যতম উপায়।
থ্যালাসেমিয়া কী?
থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তরোগ। এ রোগে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে পারে না। ফলে তখন রোগী দীর্ঘমেয়াদি রক্তশূন্যতায় ভোগে। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।
তবে এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়। এটি সম্পূর্ণভাবে জিনগত বা বংশগত রোগ।
বাংলাদেশের বাস্তবতা
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে প্রায় ১ থেকে ১.৫ কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অধিকাংশ মানুষ জানেনই না যে, তারা থ্যালাসেমিয়ার বাহক। ফলে অজ্ঞাতসারেই দুই বাহকের মধ্যে বিয়ে হচ্ছে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া ছড়িয়ে পড়ছে।
কেন হয় থ্যালাসেমিয়া?
থ্যালাসেমিয়ার মূল কারণ হলো ত্রুটিপূর্ণ জিন।
যদি বাবা ও মা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন, তাহলে তাদের সন্তানের—
>২৫ শতাংশ সম্ভাবনা থাকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার
>৫০ শতাংশ সম্ভাবনা থাকে বাহক হওয়ার এবং
>২৫ শতাংশ সম্ভাবনা থাকে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার।
থ্যালাসেমিয়া বাহক মানেই রোগী নয়
বাংলাদেশে একটি বড় ভুল ধারণা হলো, থ্যালাসেমিয়া বাহক মানেই অসুস্থ ব্যক্তি।
বাস্তবে অধিকাংশ বাহক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন।
কিন্তু সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন দুইজন বাহকের মধ্যে বিয়ে হয়।
আর এখানেই প্রয়োজন সচেতনতার।
কীভাবে বুঝবেন কেউ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত?
অতিরিক্ত দুর্বলতা
ফ্যাকাশে চেহারা
ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া
শ্বাসকষ্ট
বারবার অসুস্থ হওয়া
পেট ফোলা
প্লীহা ও যকৃত বড় হয়ে যাওয়া
হাড়ের গঠনে পরিবর্তন।
কেন নিয়মিত রক্ত লাগে?
থ্যালাসেমিয়া মেজর রোগীদের শরীর পর্যাপ্ত সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে পারে না।
ফলে তাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন দ্রুত কমে যায়। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন হয়।
বেশিরভাগ রোগীকে প্রতি ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পরপর রক্ত নিতে হয়।
একজন থ্যালাসেমিয়া রোগী বছরে ১২ থেকে ২৪ ব্যাগ বা তারও বেশি রক্ত গ্রহণ করতে পারেন।
সময়মতো রক্ত না পেলে কী হয়?
মারাত্মক রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
শরীর ভেঙে পড়ে
হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে
লিভার ও প্লীহা বড় হয়ে যায়
শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়
শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি হয়।
একটি পরিবারের নীরব সংগ্রাম
থ্যালাসেমিয়া শুধু একটি রোগ নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ।
একজন রোগীর জন্য নিয়মিত রক্ত সংগ্রহ, হাসপাতাল যাওয়া, ওষুধ, বিভিন্ন পরীক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যয় অনেক পরিবারকে চরম আর্থিক চাপে ফেলে।
অনেক বাবা-মা মাসের পর মাস শুধু একটি ব্যাগ রক্তের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান।
রক্তের কোনো বিকল্প নেই
বিশ্বের আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান আজ অনেক বিস্ময়কর আবিষ্কার করেছে। কিন্তু এখনও মানুষের রক্তের পূর্ণাঙ্গ বিকল্প তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
এটি কোনো কারখানায় রক্ত উৎপাদন করা যায় না। মানুষের রক্ত শুধুমাত্র মানুষের কাছ থেকেই পাওয়া যায়।
প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় সমাধান—
বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং বা রক্ত পরীক্ষা করলে ঝুঁকি সম্পর্কে জানা সম্ভব।
এটি সাধারণত—
CBC,
Hb Electrophoresis,
এবং প্রয়োজন অনুযায়ী HPLC পরীক্ষার মাধ্যমে বাহক শনাক্ত করা যায়।
যদি বিয়ের আগে দুইজন মানুষ জানতে পারেন যে তারা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার বাহক, তাহলে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভবিষ্যৎ সন্তান সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
অনেক দেশ ইতোমধ্যে প্রি-ম্যারিটাল থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিংকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে।
আমাদের করণীয়—
১. নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদান করা
২. নিরাপদ রক্তদাতা তৈরি করা
৩. বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করা
৪. পরিবার ও সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করা
৫. থ্যালাসেমিয়া রোগীদের প্রতি সহমর্মী হওয়া
৬. নিয়মিত রক্তদাতাদের সম্মানিত করা।
বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের অঙ্গীকার
আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস শুধু রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন নয়; এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব স্মরণ করার দিনও।
আজকের একটি রক্তদান হয়তো কোনো থ্যালাসেমিয়া শিশুকে আরেকটি মাস বাঁচার শক্তি দেবে, স্কুলে ফেরার সুযোগ দেবে, স্বপ্ন দেখার সাহস দেবে।
আসুন, আমরা নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদান করি। একই সঙ্গে বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার সংস্কৃতি গড়ে তুলি।
03/06/2026
জীবন বাঁচানোর স্বেচ্ছাসেবী হোন
১৯৯৬ সালে শুরু হয় কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম।
২০০০ সালে কোয়ান্টাম ল্যাব যাত্রা শুরু করে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মিশন ছিল নিরাপদ ও বিশুদ্ধ রক্তের অভাবে কোনো রোগী যেন মারা না যায়।
কোয়ান্টাম ল্যাবে একজন দাতা রক্ত দেয়ার পর সে রক্ত রোগীর জন্যে নিরাপদ কি না তা যাচাই করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) নির্ধারিত পাঁচটি রোগের টেস্ট করা হয়। টেস্টগুলো হলো-
১) এইচআইভি
২) হেপাটাইটিস বি
৩) হেপাটাইটিস সি
৪) সিফিলিস
৫) ম্যালেরিয়া
কোয়ান্টামের মতো স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলোতে থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়া, ক্যান্সার ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত নিম্নবিত্ত রোগীদের ভিড় অনেক বেশি।
কারণটা সহজ। বিশুদ্ধ রক্ত নিশ্চিত করার জন্যে WHO নির্ধারিত যে পাঁচটি টেস্ট এবং ক্রস ম্যাচিং করাতে হয়, হাসপাতালগুলোতে তার প্রসেসিং চার্জ অনেক বেশি। নিম্নবিত্ত রোগীদের সে সামর্থ্য নেই।
তাই ন্যূনতম প্রসেসিং চার্জে আর দানের অর্থে সামর্থ্যহীনদের বিনা প্রসেসিং চার্জে বিশুদ্ধ ও নিরাপদ রক্ত সরবরাহ করে আসছি আমরা গত ২৭ বছর ধরে। দিন রাত ২৪ ঘণ্টা। বছরে ৩৬৫ দিন।
এ কার্যক্রমে একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কিছু সময় ব্যয় করে আপনার জীবনের সেরা একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন আপনি।
যদি আপনি হয়ে থাকেন মেডিকেল/ সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বয়স ২৫-এর কম তাহলে এখনই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।
একটা ভাইভার পর আপনি সুযোগ পাবেন নির্দিষ্ট কাজে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশ নেয়ার। মানুষের জীবন বাঁচানোর মত মহৎ কাজে অংশ নেয়ার সওয়াবের পাশাপাশি পাবেন ভলান্টিয়ার সার্টিফিকেট!
মেডিকেল শিক্ষার্থীরা যুক্ত হতে পারবেন প্রিকিং ও মেডিকেল সাপোর্ট কার্যক্রমে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন মোটিভেশন, ক্যাম্প পরিচালনা ও সচেতনতা কার্যক্রমে।
ভলেন্টিয়ারিং সময়কাল: ১৫ জুন – ০৩ জুন ২০২৬
সার্টিফিকেটের জন্যে অংশ নিতে হবে ন্যূনতম ২০ ঘণ্টা
মেডিকেল শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করতে: https://forms.gle/sm2J6ogxo1ehbSLG8
সাধারণ শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করতে: https://forms.gle/G82P1picD5RB3HDX6
বিস্তারিত: 01712-102154
#কোয়ান্টাম #কোয়ান্টামল্যাব #ব্লাডল্যাব #কোয়ান্টামব্লাডল্যাব #স্বেচ্ছায়রক্তদান #ভলেন্টিয়ার #বিশ্বরক্তদাতাদিবস See less
"আমার বাবার ৩ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন ছিল"- স্বেচ্ছায় রক্তদাতা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম।
#ব্লাডল্যাব #কোয়ান্টামল্যাব
27/05/2026
পবিত্র ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক
কোরবানির সামাজিকায়নে থাকুক কল্যাণ বহমান
োবারক #কোরবানির_সামাজিকায়ন #ত্যাগের_মহিমা #কল্যাণ_বহমান
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the organization
Telephone
Address
Quantum Lab, 31/V Shilpacharya Zainul Abedin Road, Shantinagar
Dhaka
1217