Boss Tech BD
31/07/2020
দুরের মানুষ আসুক কাছে
কাছের জন থাকুক পাশে
মন ছুটে যাক মনের টানে
নয়া চান্দের আগমনে
ঈদ কাটুল খুশী মনে
***** ঈদ মোবারাক ****
28/05/2020
- করোনা - আমাদের অর্থনীতি - আমাদের বেঁচে থাকা-
আমরা কি কখনো করোনা মুক্ত দেশ দেখতে পাবো?
হয়তো এটাই হতে পারে উপায়।
করোনা নিয়ে আমরা খুব বিপদে আছি। সরকারও অনেক চেষ্টা করছে দেশেকে ভালো রাখার জন্য।
এতো বড় জনসংখ্যার দেশে নিয়ন্ত্রণ করাটাও ভিষণ কঠিন।
প্রায় দু মাস হলো সব কিছু একরকম বন্ধ হয়ে আছে ফলে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ছে প্রতিনিয়ত।
এদিকে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বানের পানির মতো হু হু করে বেড়েই চলেছে।
গত দু মাসে যেটা দেখা গেছে কোথাও কোথাও নামে মাত্র লকডাউন উদযাপন করা হয়েছে। কিন্তু করোনারর সংক্রমণ বন্ধ করার মতো কার্যকরী ব্যাবস্থা চোখে পড়ার মতো ছিলো অনেক কম।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কথা মতে করোনার আচরন হলো মোটামোটি ১৪ দিনের মধ্যেই করোনা আক্রান্ত মানুষের উপসর্গ প্রকাশ পায়। আবার শোনা যাচ্ছে কারো কারো ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছেও না। তবে ১৪ দিনে অন্তত করোনা আক্রান্ত মানুষের দেহের সমস্যা হতে পারে সেটা মোটামুটি সবাই বলছে।
তাহলে আমাদের এমনটা করা কি যেতো না?
ধরুন আজ ১ তারিখ, এখন সরকারি ভাবে ঘোষনা দেওয়া হলো আগামী ৫ তারিখ থেকে ২০ তারিখ ১৫ দিন দেশের কোন মানুষ বাড়ির বাহিরে কোন কাজেই পা ফেলতে পারবে না। কোন ভাবেই বাহিরে বের হতে পারবে না। এবং আজ থেকে আগামী ৫ তারিখ পর্যন্ত প্রত্যেকে তাদের নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী ১৫/২০ দিনের বাজার করে ঘরে নেবে। যাতে ১ মিনিটের জন্যও বের হতে না হয়। কেউ ঔষধ নেবার জন্যও বাহিরে যেতে পারবে না। যদি ভিষণ জরুরী ঔষধের প্রয়োজন হয় তবেই সরকারি ব্যবস্থায় ঔষধ দেওয়া হবে।
যদি আগামী ওই ৫ তারিখ পর্যন্ত কেউ করোনা আক্রান্ত হয়েও যায় তাহলে সে আগামী ২০ তারিখের মধ্যে ভিষণ সমস্যায় পড়বে। অথবা নিজের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিয়ে রিকভারি করে নেবে।
যদি করোনা আক্রান্ত উপসর্গ নিয়ে সমস্যায় পড়ে তাহলে জাতীয় বাতায়নে কল করলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে আনা হবে।
নির্ধারিত পনেরো দিন শেষে যাদের বাড়ি থেকে করোনা রোগী পাওয়া না যাবে তাদের চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।
এবং যাদের বাড়িতে করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাবে তাদের পরিবর্তী আরো ১৫ দিন একই অবস্থায় বাড়ির ভেতর থাকতে হবে। এবং ঐ সকল পরিবারের খাবারের ব্যবস্থাও সরকারি ভাবে করাটা তেমন কঠিন হবে না। কারন সংখ্যা কম হবে।
এখন কয়েকটি কঠিন কাজের সমাধান করতে হবেঃ
১. সাধারণ মানুষকে ঘরের ভেতরে রাখাটা একটি চ্যালেঞ্জ। ( যদি কোন মানুষ বাড়ির বাহিরে বের হয় তাহলে তাকে সরাসরি করোনা আক্রান্ত মানুষের কাছে রাখা হবে)
২. দেশের মোটামুটি কিছু মানুষের ঐ ১৫ দিনের খাবারের ব্যবস্থা করারও অবস্থা নেই। (তাদের সরকারি ভাবে ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা দ্বারা সহযোগিতা করতে হবে।)
৩. সরকারি কল সেন্টারের কলের গ্রহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধি। ( দ্রুত সময়ে সার্ভারের ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রচুর কল সেন্টার এক্সিকিউটিভ নেওয়া। এখানে দেশের অনেক কোম্পানির CSE আছে যেহেতু এই ১৫ দিন অনেক কোম্পানির কাজও তেমন থাকবে না তাই তাদের কর্মীদের এখানে যুক্ত করা যেতে পারে।)
৪. হাসপাতাল গুলোকে চালু রাখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন। ( এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের বাড়িতে না থেকে আলাদা ভাবে ব্যবস্থা করা।)
৫. ঐ ১৫ দিনের আগের ৫ দিনের জন্য নিত্যপন্য সহজলভ্য করা। ( সকল সবজি জাতীয় পণ্য প্রচুর পরিমানে আনায়নের জন্য ব্যবস্থা করা।)
৬. আরো কিছু কাজ তো থাকবেই।
এই কাজ গুলো করা কঠিন মনে হতে পারে তবে অসম্ভব নয়।
এখন আরো কিছু কথা। যদি আমরা পুরোপরি বন্ধ না করি তাহলে এর প্রভাব প্রতিদিনই বাড়তে থাকবে। যতই আমরা স্বাস্থবিধি মেনে চলিনা কেন?
কারন কিছু দিনের পর্যবেক্ষণে যেটা দেখা গেছে, এমন এমন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে যারা অত্যন্ত সচেতন। তারা প্রচুর নিয়মের মধ্যে চলাচল করতে কোন সমস্যায় নেই। তবুও তারা আক্রান্ত হয়েছে। এবং জানা গেছে তার আশে পাশের সংক্রমিত ব্যক্তির মাধ্যেমেই এমনটা হয়েছে। তাহলে ভাবুন তাদের স্বাস্থবিধি এতো উন্নত থাকার পরও আক্রান্ত হচ্ছে।
তাহলে এখন এক মাত্র উপায় হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে দুরে থাকা।
আর এভাবে না করলে তো সীমিত আকারে দুরে থাকাও সম্ভব না। একটু একটু করে এভাবে আক্রান্ত বাড়তেই থাকবে।
আবার ভাবনার বিষয় এই ১৫ দিনে অর্থনীতির কি হবে? ভাই ১৫/২০ দিনে যা ক্ষতি হবার তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে মাসের পর মাস সীমিত আকারে শব্দ ব্যবহার করে এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ানোতে।
হয়তো আরো অনেক চ্যালেঞ্জ আছে এমন একটি ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য। তবে যত দিন যাবে আরো কঠিন সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছি না কি?
-19
06/02/2020
CONGRATULATIONS BANGLADESH TEAM!
Best Wishes for Bangladesh Team!!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
63, Shah Ali Plaza, 5th Floor
Dhaka
1216