Jubear The Sailor

Jubear The Sailor

Share

07/02/2026

° যে সমাজে মানুষ টাকার বিনিময়ে ন্যায়বিচার ভুলে যায়, যে জাতি সামান্য সুবিধার জন্য নিজের অধিকার বিক্রি করে দেয়,

সেই দেশে পরিবর্তন আসবে কীভাবে? পরিবর্তন কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়; পরিবর্তন আসে প্রতিবাদ থেকে, আসে সচেতনতা থেকে, আসে নিজের অবস্থান শক্ত করে দাঁড়ানোর সাহস থেকে।

আজ দরকার স্পষ্ট কণ্ঠস্বর—
অন্যায়কে অন্যায় বলার সাহস,
দুর্নীতির সামনে মাথা নত না করার শক্তি,
এবং নিজের দেশকে বিক্রি হতে না দেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।
মনে রাখতে হবে, এই দেশ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়

—এটা আমাদের সবার।
আজও মনে হচ্ছে এই দেশে জাতি এ সমাজ আপনি আমি আমরা সবাই চিরস্থায়ী পরাধীন হয়ে থাকতে হবে । আসলে আমাদের স্বাধীনতা কখনই আসেনি। আমরা সব সময় আমাদের নিজেদের কর্মফলের কারণে পরাধীন হয়ে রয়েছি।

হয়তো থাকতে হবে স্বাধীন চিন্তায়ই পরাধীনতার শিকল পড়ে ।

゚viralシfypシ゚viralシ

19/12/2025

"এ লাশ আমরা রাখবো কোথায় ?

তেমন যোগ্য সমাধি কই ?

মৃত্তিকা বলো, পর্বত বলো

অথবা সুনীল-সাগর-জল-

সব কিছু ছেঁদো, তুচ্ছ শুধুই !

তাইতো রাখি না এ লাশ আজ

মাটিতে পাহাড়ে কিম্বা সাগরে,

হৃদয়ে হৃদয়ে দিয়েছি ঠাঁই"
-শামসুর রাহমান

17/11/2025

** যারা ভাবছেন প-লা-ত-ক হাসিনার মৃত্যুদন্ডের রায় গুরুত্বপূর্ণ না,কারণ সে (ভারতের) কোলে বসে আছে।

দেশে নাই, উপস্থিত নাই, ফাঁসি দিতে পারবে না।

- আপনাদের ভাবনা সম্পূর্ণ ভুল!

এই রায়ের বিশেষ কিছু তাৎপর্য আছে।

প্রথমত , ভারতে বসে একমুহূর্তে হাসিনা এই রায়ের বিপক্ষে আপিল করতে পারবে না!

মানে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ের বিপক্ষে আপিল করতে হলে আসামীকে নির্দিষ্ট একটা সময়ের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

সময়সীমা ৩০ দিন এরপর আপিল করার সুযোগ শেষ হয়ে যাবে।

দ্বিতীয়ত ধনের, শেখ হাসিনাকে দেশে আনা সম্ভব হলে কিংবা সে নিজ ইচ্ছায় দেশে আসলেই রাতারাতি ফাঁসি কার্যকর করতে আইনি কোনো বাঁধা থাকবে না।

যেমন: ২০২০ সালে শেখ মুজিব হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী কলকাতা ফেরত ক্যাপ্টেন মাজেদকে যেভাবে রাতারাতি ফাঁসি কার্যকর করেছিলো ঠিক তেমনটাই হবে হাসিনার ক্ষেত্রেও!

সবচেয়ে বড় কথা হইলো শেখ হাসিনা এখন আন্তর্জাতিক ভাবে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী।

হাসিনা ইচ্ছে করলেই ভারত কিংবা অন্য কোন দেশে ওপেনলি মুভমেন্ট করতে পারবে না।

তারমানে যতোদিন বেঁচে যাবে বন্দী জীবনই পার করতে হবে।

এদিকে অলরেডি আদালতের রায় ভারত সহজেই মেনে নিছে। তারা বলেও দিছে ,বাংলাদেশের মানুষের পাশে ভারত সবসময় থাকবে।

হয়তো হাসিনারে গোপন করে রাখবে নয়তো ফেরত কিংবা অন্য দেশে গোপনে পাঠিয়ে দিবে।

এখন বাকি আছে জাতিসংঘ আর ইন্টারপোলের বিবৃতি। বাইচান্স যদি ইন্টারপোল গ্রেফতারি পরোয়ানার রেড এলার্ট জারি করে।

তাহলে হাসিনারে পৃথিবীর কোন দেশে আশ্রয় দিবে না।

শেষ পর্যন্ত জ্বলেপুড়ে কষ্ট নিয়ে মরতে হবে ভারতেই।

অথচ মানুষ সবকিছু করে জীবনের শেষ সময়ে সামান্য সুখে থাকার জন্য।

সেই সুখটাও হাসিনার কপালে লেখে নাই।

মাত্র ICT প্রেস রিলিজ দিলো, দন্ডপ্রাপ্ত আসামির কোন বক্তব্য, কথা, লেখা প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

তারমানে হাসিনার কোন কথা বাংলাদেশের পত্রিকাতে ছাপানো হবে না । ভিডিয়োও কোন মিডিয়া প্রচার করবে না।

আস্তে আস্তে দেখবেন, দেশে বিদেশে কতো নিষেধাজ্ঞা দিবে। যেটা ফাঁসি দিয়ে মেরে ফেলা থেকেও জঘন্যতম কষ্টদায়ক।

সবচেয়ে বড় কথা হইলো মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী দিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা অসম্ভব।

তাই সামনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের অংশগ্রহণ না থাকলেও বিদেশী কোন চাপ থাকবে না।

লীগ অংশগ্রহণ না করলেও কোন আসবে যাবে না কারণ লীগ ছাড়া বিশ্বে নির্বাচনও শতভাগ গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সবচেয়ে বড় কথা হইলো ,এই রায়ের মধ্য দিয়ে অফিসিয়ালি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামিলীগের পায়ের তলার মাটি সরে গেলো!!!

"এই ভাবে পৃথিবীর বুকে অনেক জালিমের জন্ম হয়েছে আবার - আল্লাহ পাক উনার মোজেজার মধ্যে তাদের কে লাঞ্চিত করেছেন এবং পৃথিবীর বুকে দাফন করে দিয়েছে। এই নিদর্শন দেখে জ্ঞানী দের উচিত শিক্ষা নেওয়া। কারণ আল্লাহ সুবহানআল্লাহ জ্ঞানী দের জন্য পৃথিবীতে নিদর্শন পাঠান । যাতে তারা নিজেদেরকে

শুধরিয়ে নেয় অন্য দের কে সাবধান করে "

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1218