Prokoron.Com
31/07/2023
ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাঁচতে হলে, নিরাপদে থাকতে হলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি পড়ুন। এখানে ডেঙ্গু জ্বর এর প্রতিরোধ ও সতর্কতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বিস্তারিত দেখুন নিচেঃ
ডেঙ্গু জ্বর এর প্রতিরোধ ও সতর্কতা - Prokoron.Com ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাঁচতে হলে, নিরাপদে থাকতে হলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি পড়ুন। এখানে ডেঙ্গু জ্বর এর প্রতিরোধ ও সতর্কত.....
26/11/2022
দাঁতের স্বাস্থ্য
সম্ভব সচেতন হলেই দাঁতের প্লাক দূর করা.........
বিশ্বে দাঁতে ব্যাথা বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া রোগীর সংখ্যা কত বলা মুশকিল। এতগুলো মানুষের দাঁত ও মাড়ির রোগ তৈরির পেছনে প্রায় এককভাবে দায়ী ডেন্টাল প্লাক। অথচ একটু সচেতন ও স্বচ্ছ ধারণা থাকলেই প্লাককে দূর করা সম্ভব। প্লাক দূর করতে হলে প্রথমে জানতে হবে এটি কী?
প্লাক একটি সাদা আঠালো স্তর যা দাঁতের পৃষ্ঠ এবং দাঁত ও মাড়ির মধ্যবর্তী স্থানে তৈরি হয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে ২৪ ঘণ্টায় একবারও দাঁত পরিষ্কার না করলে দাঁতের উপর নখ দিয়ে আচড় দিলে যে সাদা বর্ণের ক্রিমের মতো পদার্থ দেখা যায় সেটাই প্লাক।
পরিপূর্ণ প্লাক তৈরি প্রক্রিয়া :
প্রথমে আমাদের নিঃসৃত লালার বিশেষ একটি উপাদান দাঁতের পৃষ্ঠে জমে। অনেকটা স্বচ্ছ এই স্তরটি ব্যাকটেরিয়াদের খুব পছন্দ বলে দ্রুত এর মধ্যে বাসা বাঁধতে শুরু করে। যেহেতু স্তরটি আঠালো তাই সহজেই গৃহীত খাদ্যকণা এর মধ্যে ঢুকে যায়। এই সব মিলিয়ে প্লাক পূর্ণতা পায়।
লালা থেকে পুনরায় আগত অজৈব পদার্থ দিয়ে ডেন্টাল প্লাক শক্ত পাথরে পরিণত হয়। যাকে টার্টার বা ক্যালকুলাস বলা হয়।
প্লাক কীভাবে ক্ষতি করে :
প্লাকের মধ্যকার অগণিত ব্যাকটেরিয়া গৃহীত মিষ্টিজাতীয় খাদ্যকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় এসিড তৈরি করে। এই এসিড দাঁতের শক্তিশালী আবরণকে ক্ষয় করে ডেন্টাল ক্যারিজ তৈরি করে।
অপরদিকে মাড়ি ও দাঁতের মাঝে জমাকৃত প্লাকের মধ্যকার ব্যাকটেরিয়া ও তাদের তৈরি বিষাক্ত পদার্থ মাড়িতে প্রদাহ ও সংক্রমণের সৃষ্টি করে।
ফলাফল :
ডেন্টাল ক্যারিজ থেকে সংক্রমণ ভেতরকার মজ্জায় পৌঁছে যায়, ফলে দাঁত ব্যথা শুরু হয়। পরবর্তীকালে দাঁতের গোড়ায় যেয়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়। তখন দাঁতের গোড়া ফুলে যায়। জীবাণুর আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে অথবা রোগীর নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হলে এখান থেকে ভয়াবহ বিপদের আশঙ্কাও থাকে।
একইভাবে মাড়ি সংক্রমণ থেকে জীবাণু দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থল থেকে ভেতরে ঢুকতে থাকে। ফলে দাঁতের ধারক কলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দাঁত নড়ে যেতে পারে।
প্লাক রোধে সচেতনতা:
প্লাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে আর মনে রাখতে হবে, এটি একটি আঠালো স্তর যা সঠিকভাবে ব্রাশের মাধ্যমে দূর হবে।
প্রতিটি দাঁতের ৫টি পৃষ্ঠ থাকে। একটি বাইরের দিকে, আরেকটি জিহ্বার দিকে, চর্বণে ব্যবহৃত পৃষ্ঠ ও বাকি দুটি দুই পাশের দাঁতের সংযোগস্থলের পৃষ্ঠ। স্বভাবগত কারণেই আমরা শুধু বাইরের পৃষ্ঠ পরিষ্কার করি। ডেন্টাল ফ্লসের ব্যবহার কতজন জানি তা সম্মানিত পাঠকগণই বলতে পারবেন।
আজকাল, ডিজিটাল দেশের যুগে ইন্টারনেটে দাঁত ব্রাশের সঠিক নিয়ম জানা যায়। প্রয়োজনে ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিয়ে প্লাক রোধের প্রক্রিয়া জানা যেতে পারে। যেখান থেকেই সম্ভব সঠিক নিয়মে দাঁত পরিষ্কার পদ্ধতি জানতে হবে আপনার নিজের স্বার্থেই। কারণ দাঁত সংখ্যায় বেশি হলেও আপনার অতি মূল্যবান অঙ্গ যা কেবল হারালেই উপলব্ধি করা যায়।
সামর্থ্য থাকলে বছরে দুই বার না হলে অন্তত একবার ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শে স্কেলিং করিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নেয়ার চেষ্টা করুন। সুস্থ সবল মজবুত দাঁত নিয়ে জীবন কাটান।
24/11/2022
ঘুম জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। সারাদিন কর্মব্যস্ত থাকার পর ক্লান্তি দূর করতে প্রতিদিন আমরা শরীর এলিয়ে দেই বিছানায়।ঘুম ভাঙলে আমরা ফিরে পাই হারানো কর্ম উদ্দীপনা। তাই ঘুমের গুরুত্ব কতটুকু তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সেটা হতে হবে নির্মল ঘুম। এজন্য প্রয়োজন কিছু প্রস্তুতি। আসুন জেনে নিই কী তা।
১. ঘুমাতে যাওয়ার জন্য ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সহজ হবে।
২. শয়নকক্ষের তাপমাত্রা নাতিশীতোষ্ণ রাখুন, বেশি গরমও না আবার বেশি ঠাণ্ডাও না।
৩. বাইরের নির্মল বাতাস শয়নকক্ষে প্রবেশের সুবিধা রাখুন। তা না হলে কেবল ভেতরের ফ্যান বা এসির বাতাসে দীর্ঘক্ষণ থেকে দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে। সে জন্য জানালার কাচ খুলে দেওয়া যেতে পারে। এতে কার্বন ডাই-অক্সাইডও বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।
৪. রাতে একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন।স্বভাবত কমবেশি ৮ ঘণ্টা ঘুমালেই হয়। তবে অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত।
৫. শব্দমুক্ত এবং তীব্র আলোহীন পরিবেশ আপনাকে নিয়ে যাবে গভীর শান্ত ঘুমের রাজ্যে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Website
Address
Road-10, DIT Project, Merul Badda
Dhaka
1212