DigiSeba
07/08/2021
#কম্পিউটারের বিভিন্ন বাটনের ব্যবহার- ESC
Esc (Escape – এসকেপ): কীর্বোড এ সবর্প্রথম কী। এই কী এর সাহার্যে আমরা যেকোন ধরনের কমান্ড ও ভুল কমান্ড, স্ক্রীনে প্রদর্শিত ডায়ালগ বক্স বাতিল করা, ইন্টারনেটে ইমেইল সেন্ড বাতিল করা, কিছু কিছু গেইম থেকে বাহির হওয়ার জন্য, আপনি যদি অনেকগুলো প্রোগ্রাম ওপেন করেন তাহলে এক প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য [Alt] + [Esc] প্রেস করতে পারেন। তাছাড়াও Ctrl + Esc প্রেস করে র্স্টাট মেনু ওপেন করতে পারেন।
02/07/2021
#কম্পিউটার সম্পর্কে আপনি এমন কী জানেন যা বেশিরভাগ লোকেরা জানে না?
---- #আমি শিওর ৯৫% উইন্ডোজ ইউজার এটি জানেন না।
#রিফ্রেশ করলে কি কম্পিউটারের গতি বাড়ে ???
পরিচিত এক ব্যক্তির কথা মনে পড়ে গেল। তিনি জন্ম-মৃত্যু-বিয়ের মতো প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে কম্পিউটারের ডেস্কটপ ‘রিফ্রেশ’ করতেন। এক কোনা থেকে শুরু করে এগিয়ে যেতেন আরেক কোনার দিকে। ডেস্কটপের কোনো অংশ যেন রিফ্রেশের কবল থেকে বাদ না যায়, সেদিকে তাঁর পূর্ণ মনোযোগ।
পাঠক নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, এখানে কোন রিফ্রেশের কথা বলা হচ্ছে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ডেস্কটপ কিংবা ফাইল এক্সপ্লোরারের ফাঁকা অংশে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করলে একটি মেনু বেরিয়ে আসবে। সেখান থেকে রিফ্রেশে ক্লিক করেননি, এমন কম্পিউটার ব্যবহারকারীর বড় অভাব এই বঙ্গদেশে। কেউ কেউ আবার শর্টকাট বোতাম হিসেবে কি-বোর্ডের ওপরের সারি থেকে F5 বোতামও চাপেন।
রিফ্রেশ করলে কম্পিউটারের গতি বাড়বে, সেটাই বোধ হয় আমাদের উদ্দেশ্য। যত বেশি রিফ্রেশ, কম্পিউটারে তত বেশি গতি। তবে সে ধারণা ঠিক নয়।
তাহলে রিফ্রেশের কাজ কী?
রিফ্রেশের কাজ কিন্তু পুরোপুরি ভিন্ন। এটা ভিজ্যুয়াল ভুলত্রুটি মাফ করে, পারফরম্যান্সের না। মানে মনিটরে যা দেখানোর কথা, রিফ্রেশ করার পর সেটারই সংশোধিত রূপ দেখায়।
মনে করুন, আপনি ডেস্কটপ থেকে একটি ফাইল ডিলিট করেছেন। তবে অবাক হয়ে দেখলেন, সেটি এখনো ডেস্কটপেই দেখাচ্ছে। অথচ ফাইলটি সেখানে থাকার কথা নয়, বড়জোর রিসাইকেল বিনে থাকতে পারে।
কম্পিউটারের গতি কোনো কারণে কমে গেলে অনেক সময় এমন সমস্যা দেখা দেয়। এ অবস্থায় আপনি রিফ্রেশ চাপলে ফাইলটি আর আগের জায়গায় না দেখিয়ে রিসাইকেল বিনে দেখাবে। আর আকার বেশি বড় হলে রিসাইকেল বিনে না গিয়ে স্থায়ীভাবে মুছে যাবে। অর্থাৎ রিফ্রেশ করলে যা দেখানোর কথা, সেটাই ঠিকঠাকভাবে দেখাবে। কম্পিউটারের গতি বাড়াবে না।
25/06/2021
বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক কম্পিউটারের নাম হচ্ছে ENIAC - Electronic Numerical Integrator and Computer. দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র এই কম্পিউটার তৈরি করে। ইউনিভার্সিটি অফ পেনসেলভেনিয়া১৯৪৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ইনিয়াক-কে "জায়ান্ট ব্রেইন" আখ্যা দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
পেনসেলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের দুইজন অধ্যাপক স্যার জন মৌসলি এবং স্যার জে প্রেসপার একার্ট এই কম্পিউটার ডিজাইন করেন। এই কম্পিউটারটির ওজন ছিল ২৭ টন এবং রাখার জন্য দরকার পড়েছিল ১৮০০ স্কয়ার ফুটের একটি ঘরের। ইনিয়াকের প্রোগ্রামিং করেছিলেন ৬ জন মহিলা প্রোগ্রামার। প্রতিবছর ১৫ ফেব্রুয়ারিকে "ইনিয়াক ডে" হিসেবে পালন করা হয়।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট।
23/06/2021
অগাস্টা অ্যাডা বা লাভলেসের কাউন্টেস (জন্ম: ডিসেম্বর ১০, ১৮১৫ - মৃত্যু: নভেম্বর ২৭, ১৮৫২) কে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ধারণার একজন প্রবর্তক মনে করা হয়। পুরো নাম তার অ্যাডা অগাস্টা কিং, আর ডাকা হতো কাউন্টেস অফ লাভলেস বা শুধুই অ্যাডা লাভলেস নামে। তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন-এর একটি বর্ণনা লেখেন।
চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার বেশ ঘনিষ্ঠ এবং রোম্যান্টিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। ব্যাবেজ অ্যাডার অসাধারণ ধীশক্তি, সাবলিল লেখনী এবং প্রতিভায় মুগ্ধ ছিলেন। ব্যাবেজ অ্যাডা সম্পর্কে নিজের লেখায় অ্যাডাকে সংখ্যার জাদুকরী আখ্যা দিয়েছেন।
অ্যাডা মাত্র ৩৬ বছর বেঁচে ছিলেন। ১৮৫২ সালের ২৭ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়, জরায়ুর ক্যান্সার এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে।
এখন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কেন এত জটিল! :P
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া।
20/06/2021
#সমস্যা : পিসি বারবার হ্যাং করছে ?
#সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন RAM স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা।
এরপর যদি একাধিক RAM ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা।
-কম্পিউটারের কনফিগারেশন এর তুলনায় অতিরিক্ত প্রোগ্রাম রান করা আছে কিনা এদিকে ও খেয়াল রাখা জরুরী
সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট RAM ব্যবহার করা খুবই জরুরি।
এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Mirpur/1
Dhaka
1216