Hair Problems Solution

Hair Problems Solution

Share

08/07/2021

চুল পড়ার কারনঃ বিভিন্ন কারনে অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়তে পারে। এর মধ্যে প্রধান কারণ গুলো হল –

* ভিটামিন ও মিনারেলস এর অভাবঃ অপুষ্টি বা দেহে বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলস এর মূলত চুল পড়ার প্রধান কারণ। খাদ্য গ্রহনের সময় যদি আমাদের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা না হয়, তবে তা শরীরের ঘাটতি পূরণ করতে পারবেনা, ফলে অন্য সব কিছুর মতো চুলের গোড়াও দুর্বল হয়ে যাবে।

* অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রাঃ অতিরিক্ত ভাজা পোড়া, তেল জাতীয় খাবার, সিগারেট, কোল্ড ড্রিংস, অতিরিক্ত চা-কফি গ্রহণ, অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত ঘুম, কায়িক পরিশ্রম না করা ইত্যাদি এর সাথে চুল পড়ার সম্পর্ক আছে।

* পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবঃ অপরিচ্ছন্ন মাথার চুলের গোড়ায় সহজেই জীবাণুর সংক্রমণ হয়, ফলে শুরু হয় অতিরিক্ত চুল পড়া।

* অতিরিক্ত অবসাদ, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশনঃ এসব কটি সমস্যাই আমাদের দেহে পরিপাক ও শোষণে বাধা দেয়। তাই শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি কনার ঘাটতি তৈরি হয়, ফলে চুল পড়া বেড়ে যায়। * রোগের কারণেঃ বিভিন্ন রোগের কারণে চুল পড়তে পারে, যেমন – টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া।

* ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ বিভিন্ন কড়া ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও চুল পড়ে।

* স্থান পরিবর্তনঃ অনেক সময় বাসস্থান পরিবর্তন করলে সেখানকার আবহাওয়া, পানি, বায়ু ইত্যাদির সাথে শরীর খাপ খাওয়াতে না পারলে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।

*হরমোন জনিত পরিবর্তনেঃ মেয়েদের হরমোন জনিত পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় চুল পড়া বেড়ে যায়। যেমন – গর্ভাবস্থা, মেনোপজ ইত্যাদি সময়ে যখন শরীরে হরমোনের তারতম্য দেখা দেয় তখন চুল পড়া অনেক বেড়ে যায়।

*অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহারঃ চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ সম্পন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করা, অতিরিক্ত তাপ দিয়ে চুল স্ট্রেট বা কার্ল করা, চুলে রঙ করা।

30/06/2021

ঘুমের আগে চুলের যত্নের ৫ টিপসঃ
ঘুমের সময় আমাদের শরীর বিশ্রাম নেয়। ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে ক্রিম মেখে শোয়ার অভ্যাস আছে আমাদের অনেকেরই। তবে বাদ পড়ে যায় চুলের যত্ন। কিন্তু চুল পড়া বন্ধসহ, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে চুলের জন্য ঘুমের আগে চুলের যত্ন নেওয়া জরুরি। ঘুমানোর আগে কিছুটা সময় বরাদ্দ করতে হবে চুলের যত্নে। আসুন দেখে নেই রাতে শোবার আগে চুলের যত্নের কিছু টিপস-

১. অপরিষ্কার চুলে ঘুম নয়। চুল বেশি নোংরা হলে চেষ্টা করুন সন্ধ্যা বা রাতে বাসায় ফিরে চুল শ্যাম্পু করে ফেলতে। মুখে বা গায়ে যেমন ধুলা জমে র‍্যাশ বা ব্রণ হবে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আপনার মাথার ত্বক। তাই শ্যম্পু করে নেবেন। আর শ্যাম্পু না করলে মাথার ত্বকে হালকা গরম তেল মালিশ করে নিতে পারেন। এতে সারারাত মাথায় পুষ্টি পাবে। সকালে উঠে শ্যম্পু করে ফেলবেন।

২. ভেজা মাথায় ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে চুল ও মাথা ভালোভাবে শুকিয়ে তবে ঘুমাবেন। হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকাতে পারেন। তবে প্রাকৃতিকভাবে শুকিয়ে নেওয়াই ভালো। নরম তোয়ালে বা সুতির গামছা দিয়ে চেপে বাড়তি পানি ঝরিয়ে নিয়ে তবেই ড্রায়ার ব্যবহার করবেন।

৩. পুরোপুরি শুকনো চুল চিরুনি দিয়ে আগা থেকে মাথা পর্যন্ত ভালোভাবে আচড়ে নেবেন। তারপর একটি ব্রাশ ব্যবহার করবেন। এতে মাথার ত্বকে থাকা তেল চুলের ডগা পর্যন্ত ছড়াবে।

৪. খোলা চুলে ঘুমাবেন না। এতে বালিশের ঘষায় চুল ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চুল বেঁধে ঘুমান। আপনার চুল যদি ভেঙ্গে যাওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে সিল্কের কাপড়ের তৈরি ব্যান্ড দিয়ে বাধবেন। উঁচু করে ঝুটি, আলগা বেনি করে নিতে পারেন। ছোট চুল যাদের তারা ডগা ফাটা রোধ করতে সিল্কের রুমাল ব্যবহার করতে পারেন।

৫. যাদের চুল পড়ার সমস্যা তাদের জন্য সঠিক বালিশের কভার নির্বাচন করা জরুরি। সুতি কাপড়ের ঘষায় চুলের ক্ষতি হয়। তাই রাতে ঘুমানোর জন্য সিল্কের কাভার ব্যবহার করতে পারেন। সিল্ক বা শাটিন কাপড় দিয়ে আলাদা কাভার বানিয়ে নেওয়া ঝামেলা মনে হলে স্কার্ফ দিয়ে বালিশ ঢেকে ঘুমাতে পারেন।

30/06/2021

#চুলের_সমস্যায়_অ্যালোভেরার

বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন এমন কিছু হেয়ার স্পা যার অন্যতম উপাদান অ্যালোভেরা।
দেখে নেওয়া যাক এরকম কয়েকটি হেয়ার স্পা:

মধু, নারকেল তেল ও অ্যালোভেরা
শুষ্ক চুলে আর্দ্রতা ফেরাতে ও চুলের ডিপ কন্ডিশনিং করতে এই প্যাকের জুড়ি নেই। এক চামচ মধু, দু’ চামচ নারকেল তেল ও দু’ চামচ অ্যালো ভেরা নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। স্নানের আধ ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে রেকে একটা শাওয়ার ক্যাপে ঢেকে দিন মাথা। আধ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল।

দই ও অ্যালোভেরা
চুলের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্যকে ধরে রাখতে দু’ চামচ টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দিন এক চামচ অ্যালোভেরা। এই মিশ্রণ প্রায় দশ মিনিট ধরে মাথার ত্বকে মাসাজ করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন চুল। কন্ডিশনার দিতে ভুলবেন না যেন!

লেবু ও অ্যালোভেরা
লেবুর রস, অ্যালোভেরা ও আমলার রস দিয়ে বানানো এই মিশ্রণ চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুলকে গোড়া তেকে মজবুত করতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

অ্যালোভেরা ও ডিম
একটি ডিমের কুসুম ও দু’চামচ অ্যালো ভেরা ও তার সঙ্গে এক চামচ অলিভ অয়েল। এই উপাদানগুলি দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। শাওয়ার ক্যাপে ঢেকে রাখুন চুল। আধ ঘণ্টা পর চুল ভাল করে ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন। চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও চল পড়া আটকাতে এই প্যাক বিশেষ কার্যকর।

24/06/2021

°°♥চুল ঝলমলে ও সজীব রাখতে°°♥
খোলা চুলের বিন্যাস যথেষ্ট আরামদায়ক বলে মনে করেন ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা। তবে খোলা চুলে ঘুরে বেড়ানোর ঝক্কিটাও কিন্তু কম নয়। চুলে ধুলো ময়লা লেগে স্কাল্পে ধুলো-ময়লা জমে খুশকি হওয়া, চুল রুক্ষ হয়ে পড়াসহ দেখা দেয় নানারকম সমস্যা। এসব সমস্যা সমাধানে চাই নিয়মিত চুলের যত্ন।

খোলা চুলের স্টাইলে চুল ঝলমলে ও সিল্কি হওয়া জরুরি। তবে বাতাসে এখন ধুলোময়লার প্রকোপ বেশি থাকায় বেশিক্ষণ চুল খুলে রাখলে চুল খুব দ্রুত ময়লা হয়ে যায়। ধুলাবালি থেকে স্কাল্পে খুশকি দেখা দেয়। চুল হয়ে উঠে রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ। এ সময় চুল ধুলোময়লামুক্ত, ঝলমলে ও প্রাণবন্ত রাখতে চুলের বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

নিয়মিত শ্যাম্পু করুনঃ

চুল সুন্দর ও ভালো রাখার প্রথম শর্ত হল চুল পরিষ্কার রাখা। চুল পরিষ্কার রাখতে একদিন পর পর শ্যাম্পু করুন। যদি প্রতিদিন বাইরে যাওয়া হয় তবে প্রতিদিন শ্যাম্পু করুন। আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বেছে নিন। শুষ্ক, তৈলাক্ত, স্বাভাবিক প্রত্যেক প্রকার চুলের জন্য বাজারে আলাদা আলাদা শ্যাম্পু পাওয়া যায়। শ্যাম্পু করার আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুলটা ভালো করে আঁচড়ে নিন। এতে চুলের জট খুলবে, খুশকি আলগা হয়ে যাবে এবং চুল পরিষ্কার হবে। এরপর শ্যাম্পু করে চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

রুক্ষতা দূর করতে কন্ডিশনিংঃ

বিভিন্ন ধরনের হেয়ার স্টাইল করতে আমরা হেয়ার ড্রায়ার, জেল, আয়রন, হেয়ার কালারসহ নানা ধরনের হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকি। এসব হেয়ার প্রোডাক্ট চুল সাময়িকভাবে সুন্দর করলেও পরবতীকালে চুলের ক্ষতি করে। চুল রুক্ষ ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। এ ধরনের চুলের যত্নে তেল খুব উপকারী। এ ক্ষেত্রে রাতে চুলে ভালোভাবে জাফরান তেল ম্যাসাজ করে পরদিন সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটা ন্যাচারাল কন্ডিশনিং হিসেবেও কাজ করবে। চুল হয়ে উঠবে মসৃণ ও ঝলমলে।

খুশকি দূর করতেঃ

চুল খুশকিমুক্ত করতে চুল অনুযায়ী জাফরান অয়েল নিয়ে হালকা গরম করে এর সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। ৪৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ন্ ্৷ বার ব্যবহার করুন।

তেলে তাজা চুলঃ

চুল রুক্ষ, শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়লে চুলকে প্রাণবন্ত করতে নিয়মিত তেল দেয়ার বিকল্প নেই। স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত চুলের অধিকারীরা সপ্তাহে একদিন এবং শুষ্ক চুলের অধিকারীরা একদিন অন্তর নারিকেল তেল গরম করে চুলের গোড়া, স্কাল্প ও পুরো চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু ও কন্ডিশনিং করে ধুয়ে ফেলুন।

চুলে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ভিনেগারঃ

ভিনেগার চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও চুলের রুক্ষতা দূর করতে সাহায্য করে। এটি চুল ক্লিনিংয়ের কাজও করে। চুল ধোয়ার পর পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এরপর সেই ভিনেগার মিশ্রিত পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

হট অয়েল ট্রিটমেন্টঃ

চুলের রুক্ষতা দূর করে চুল প্রাণবন্ত করে তুলতে হট অয়েল ট্রিটমেন্ট বেশ কার্যকর। হট অয়েল ট্রিটমেন্ট করতে তেল হালকা গরম করে চুলের গোড়া এবং স্কাল্পে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন ৫ মিনিট। এরপর চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

চুলের যত্নে হেয়ার প্যাকঃ

ধুলোময়লা জমে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়লে চুল মসৃণ ও ঝলমলে করতে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে এক কাপ টক দই, একটি পাকা কলা ও এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

সুন্দর ঝলমলে চুলঃ

সুন্দর ঝলমলে চুল কে না চায়। চুলকে সুন্দর রাখতে হলে চুলের যত্ন নিতে হবে সব সময়, সপ্তাহে একদিন সময় করে চুলে ঘরে তৈরি প্যাক লাগিয়ে নিতে পারেন। যেমন- এলোভেরা+আমলকী+টক দই+জাফরান তেল মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে মাথায় লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিতে পারেন। যাদের মাথায় খুশকি তারা পেঁয়াজের রস+ এলোভেরা+ মধু + চায়ের লিকার একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে খুশকি দূর হবে। যারা চুলে রং করেন বা রেবন্ডিং করেন তারা চুলে সপ্তাহে একদিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করে নিতে পারেন। চুলে স্টিম নিবেন ১০ মিনিট। তারপর ধুয়ে স্টিম নিতে হবে। শ্যাম্পু করে ধোয়া চুলে তেল লাগাতে হবে। যাদের মাথায় উকুন তারা পানপাতা+নিমপাতা একসঙ্গে মিশিয়ে রস করে মাথায় লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিবেন- তারপর শুকিয়ে আইরন করে নিবেন, উকুন সব ঝরে যাবে, উকুন চুল নষ্ট করে তাই আমাদের উকুন ঝরানো প্রয়োজন, ১ দিন পর ১ দিন শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে নিবেন তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে চুলের গোঁড়ায় যেন কন্ডিশনার না লাগে- তাতে চুল নরম হয়ে যায়। ভেজা চুল আঁটকে রাখবেন না। তাতে চুল গন্ধ হয়ে যায়। ভেজা চুল আঁচড়ালে চুল ফেটে যায়, শুকিয়ে আঁচড়াতে হবে। ঠিকমতো চুলের যত্ন নিলে চুল সুন্দর ও ঝলমলে হয়ে যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করতে চেষ্টা করবেন। তাতে চুল নরম ও সোজা হবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka