Digital Income for All
06/11/2020
ডিজিটাল পেমেন্টের পাশাপাশি ভার্চুয়াল মুদ্রার দিকে যেতে হবে : পলক টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে আন্ত.....
06/11/2020
Post # 7
২.৪) Blockchain Technology: ব্লক এবং চেইন দুটি আলাদা শব্দের যোগফলই হচ্ছে ব্লকচেইন যা একটি আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। "ব্লক" বলতে ডাটা বা তথ্য বুঝানো হচ্ছে আরা "চেইন" বলতে উক্ত ব্লকগুলোকে একের পর এক জোড়া লাগানোর ফলে সৃষ্ট হওয়া শিকলের মত দেখা যায় বুঝাচ্ছে।
উদাহরণ: মনে করুন, আপনি কোন ব্যক্তিকে কিছু টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন ট্র্যাডিশনাল কোর ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, তাহলে আপনি এবং ঐ ব্যাক্তির মাঝে ৩য় পক্ষ হিসেবে ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে হচ্ছে; অপরদিকে যদি ব্লকচেইনের মাধ্যমে কোন তথ্য বা টাকা পাঠাতে চান, তহলে আপনি যখন সেই ব্যক্তির ঠিকানায় (ওয়ালেট/এড্রেস) পাঠাবেন তখন আপনার সেই ট্রান্জেকশনটিকে একটি ব্লকের মধ্যে নেওয়া হবে যেখানে কোন ৩য় পক্ষ থাকবে না, এরপর সেই ব্লকটিকে সিকিউরিটি পারপাসে একটি হ্যাশের ( #) মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। আর এক একটি ব্লক অপরটির সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি ব্লকে তার পূর্বের ব্লকের এ্যড্রেস থাকে এইভাবে একটি ব্লককে আরেকটি ব্লকের সাথে সংযুক্ত করা হয়। অপরদিকে একই সময়ে যত ট্রান্জেকশন হয় তার সকল ট্রান্জেকশনকে একটি ব্লকের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যার জন্য হাজার হাজার কম্পিউটার কাজ করে যাকে Mining/মাইনিং বলা হয়; পাশাপাশি সকল কম্পিউটারে সেই ব্লকটির একটি করে কপি থাকে এবং যারা এই কপি রাখার কাজটি করে বা Mining করে তাদেরকে Miner/মাইনার বলা হয়ে থাকে আর এই ভাবে Mining এর মাধ্যমে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বা চেইনের সৃষ্টি হয়। আর চেইনের মাধ্যমে যে নথিপত্র ভবিষতরে জন্য জমা হয় এটিকেই Ledger/লেজার/খতিয়ান বলা হয়; যেখান থেকে আমারা সকলেই লেনদেন গুলো দেখতে পাই, তাই এটিকে ওপেন লেজার বলা হয়ে থাকে।
যেভাবে কাজ করে Blockchain: অন্যান্য ডাটা বেইসের মতো ব্লকচেইনেও রেকর্ড হিসেবে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি রেকর্ডকে বলা হয় ব্লক। প্রতিটি ব্লকে তথ্যের সঙ্গে পূর্ববর্তী ব্লকের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ এবং টাইম স্টাম্প যুক্ত করা থাকে, পাশাপাশি আরো থাকে ট্রানজেকশন ডাটা। ‘ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ’ হচ্ছে, একটি ব্লক তৈরির পর তার বিশেষত্ব গুলো নিয়ে তৈরি করা একটি কোড। কোনো কারণে যদি ব্লকটিতে পরিবর্তন করা হয়, তাহলে তার ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশও বদলে যায়। ব্লকে থাকা রেকর্ড কোন ব্যক্তি কখন যুক্ত বা পরিবর্তন করেছেন তা দেওয়া থাকে টাইম স্টাম্প এবং ট্রানজেকশন ডাটায়। আর ব্লকগুলো পরস্পরের সঙ্গে মিলে তৈরি হয় ‘ব্লকচেইন’। তথ্যের পরিমাণ যত বাড়বে, চেইনে তত বেশি ব্লক যুক্ত হবে। চেইনে প্রয়োজনে অসীম সংখ্যক ব্লকও যুক্ত করা সম্ভব।
যখন ব্লকচেইনের তথ্য কোনো ব্যবহারকারী দেখবেন বা পরিবর্তন করতে চাইবেন, তখন তাঁর কাছে পুরো চেইনটিই পাঠানো হবে। এভাবে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার ছাড়া শুধু ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে অগণিত কপি সংরক্ষণের মাধ্যমে ব্লকচেইন টিকে থাকতে পারে। এ ধরনের সার্ভারবিহীন তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের উপায়কে বলা হয় ‘পিয়ার টু পিয়ার(P2P) নেটওয়ার্কিং’।
পুরো চেইনের প্রতিটি কপি যে ডিভাইস গুলোতে আছে, তাকে বলা হয় Node/নোড। প্রতিবার নতুন ব্লক যুক্ত বা পরিবর্তন হলে প্রতিটি নোডেই সঙ্গে সঙ্গে তা আপডেট করা হবে। ফলে নতুন তথ্য প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে যাবে নিমেষেই।
যেহেতু ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহারে ডিজিটাল তথ্যসমূহের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস না করেই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ডিজিটাল তথ্য যাচাই করা যায়, সেহেতু এটি প্রয়োগ করে ডিজিটাল বিশ্বে এক আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব। ব্লকচেইন প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ হলো ‘স্মার্ট কন্ট্রাক্ট’। এটি মূলত একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি চুক্তির শর্তাবলি সম্পাদন করতে পারে। আরেকটি নির্ভরযোগ্য প্রয়োগ হলো— এই স্মার্ট চুক্তি ব্যবহার করে সম্পত্তির মালিকানা নিয়ন্ত্রণ, যাকে ‘স্মার্ট প্রোপার্টি’ বলা হয়।
ব্লকচেইনের মূল শক্তি: ব্লকচেইন এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে এর মধ্যে থাকা কোনো তথ্য গোপনে পরিবর্তন করা যায় না। প্রতিটি পরিবর্তনে ব্লকের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ বদলে যাবে। ফলে চেইনে থাকা অন্য ব্লকে সংরক্ষিত হ্যাশের সঙ্গে তা মিলবে না। এ ছাড়া ব্লকে পরিবর্তন করলেই সেটি কে কবে কখন কোন ডিভাইস থেকে করেছে, তার পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড ব্লকে রাখতেই হবে। কোনো ব্লক ডিলিট করে দিলে চেইনটি পুরোটাই অকার্যকর হয়ে যাবে। ফলে ভুয়া তথ্য বা কোনো ধরনের জালিয়াতি ব্লকচেইনে করা সম্ভব নয়।
আবার যেহেতু ব্লকচেইনের কোনো অংশ আলাদা করে দেখার উপায় নেই, দেখতে হলে ব্যবহারকারীকে পুরো চেইন ডাউনলোড করতে হয়, তাই বাকি চেইনে কোথায় কী তথ্য আছে, তা সহজেই দেখা সম্ভব। চাইলেও তাই ব্লকচেইনে কোনো লুকানো তথ্য রাখা যায় না। যে কারণে ভোটের তথ্য, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের তথ্য বা সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করার জন্য ব্লকচেইন এক আদর্শ প্রযুক্তি।
ব্লকচেইন প্রযুক্তির ডেটাবেইস বণ্টিত ও সর্বজনীন। এটা কোনো একক জায়গায় অবস্থান করে না বা সংরক্ষণ করা হয় না। অর্থাৎ, এতে যে রেকর্ড গুলি থাকে তা সত্যিকার অর্থেই সবার জন্য এবং সহজেই যাচাইযোগ্য। কোনো কেন্দ্রীয় সংস্করণ না থাকার ফলে এটা হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি থেকেও মুক্ত। ব্লকচেইন ডাটাবেজ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর নির্ভর করে কাজ করে। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতি দশ মিনিট অন্তর অন্তর প্রত্যেকটি লেনদেন যাচাই করতে থাকে। এই লেনদেন গুলিকে এক একটি ব্লক বলা হয়। অর্থাৎ, কোনো একটি অংশের তথ্য পরিবর্তন করে ডেটাবেইস-এর অখণ্ডতা বা বিশুদ্ধতা নষ্ট করা যায় না। এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
06/11/2020
Post # 4
২.১) Financial Technology: বিশ্বজুড়ে আজ প্রযুক্তির ঢেউ আছড়ে পড়ছে সবখানে। সেখানে কেউ তাল মিলিয়ে টিকে যাচ্ছে নতুবা হারিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Financial Technology বা ফিনটেক (Fin Tech) একটি নতুন শব্দ যা ফাইনানসিয়াল টেকনোলজির সংক্ষিপ্ত রূপ। সনাতন ফিনান্সিয়াল সার্ভিসগুলোকে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুবিধাজনকভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াই হলো ফিনটেক। ফিনটেক নিঃসন্দেহে জীবনকে বদলে দেবে। ফিনটেক এখন বাস্তবতা ও যুগের দাবি।
অর্থ প্রদান, বীমা, ঋণ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য আর্থিক সাব সিডিয়ারি পরিসেবা দিয়ে থাকে ফিনটেক। প্রযুক্তির মাধ্যমে আর্থিক পণ্য ও সেবার ডিজাইন ও সরবরাহের কাজও করে ফিনটেক। এর মাধ্যমে ব্যাংকে চেক ছাড়াই টাকা উত্তোলন ও কোনো কাগজপত্র ছাড়াই লেনদেন ও একাউন্ট খোলা যায়।
এছাড়াও ফরেস্ক ও স্টক ট্রেডিং, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড অ্যাপস, এগুলো সবই ফিনটেক এর উদাহরণ। ফিনটেকের মূল ব্যবহারকারি হচ্ছে ব্যাংক, ইনসুরেন্সসহ অন্যান্য ফাইনানসিয়াল প্রতিষ্ঠান করে থাকে। ফিনটেক এর মাধ্যমে সহজেই কম খরচে গ্রাহকদের সেবা দেয়া যায়।
কেন ফিনটেকের জনপ্রিয়তা ও গ্রহন্যোগ্যতা বাড়ছে:
অনেকগুলো কারণ রয়েছে; যেমন- যারা সাধারণ ব্যাংকিং করে না, তাদের কাছেও পণ্য ও সেবা পৌঁছানো যায়। প্রতিযোগিতার যুগে ফিনটেক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে রাখে। বিশ্বব্যাপি দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে ফিনটেক। বিশ্বের অনেক দেশে ফিনটেক ভিত্তিক কোম্পানি কাজ করছে। বিশ্বব্যাপী, আর্থিক সেবা খাতে বাধা দূর করে এর পথ সুগম করে কাজকে সহজ করে চলেছে। কাগজপত্র পূরণের কোনো ব্যাপার নেই। গ্রাহকদের মৌলিক তথ্য যেমন ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ও ব্যাংক একাউন্টের তথ্য দিলেই ফিনটেকের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ তথ্যাদী ভেরিফাই করার পর সঠিক থাকলে তারপর একাউন্টটি চালু হয়। কাগজপত্র পূরণের কোনো ব্যাপার নেই। গ্রাহকদের মৌলিক তথ্য যেমন ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ও ব্যাংক একাউন্টের তথ্য দিলেই ফিনটেকের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ তথ্যাদী ভেরিফাই করার পর সঠিক থাকলে তারপর একাউন্টটি চালু হয়।
আমেরিকার ওয়ারবার্গ পিনকাস, ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ও এম এন এ, চীনের অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল, দুবাইয়ের ফিনটেক ইনোভেশন ইন্টারন্যাশনাল ডিএমসিসি বিশ্বের অন্যতম ফিনটেক কোম্পানি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে অ্যাপের মাধ্যমে উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কোথাও না গিয়ে ফিনটেক চালু করতে পারে।
06/11/2020
Post # 3
২) Technology: বা প্রযুক্তি হচ্ছে বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কারকে কাজে লাগিয়ে নতুন কোন কিছু তৈরি করা এবং জীবন মানকে আরো উন্নত করা। যিনি বিজ্ঞানকে এই সকল কাজে লাগান, তিনি প্রযুক্তিবিদ। যেমন: মোবাইল ফোন প্রযুক্তির একটি অবদান। কারন এর প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশ কোন না কোন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন। আর প্রযুক্তিবিদ সেই আবিষ্কারগুলি একত্রিত করে মোবাইল ফোন তৈরি করেছেন।
যদি পর্যালোচনা করে দেখা হয় তাহলে প্রযুক্তিকে দুই ভাবে ভাগ করা যায়:
১) প্রাচীন প্রযুক্তি ২) আধুনিক প্রযুক্তি
বর্তমানে আমরা আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যে বসবাস করছি যেখানে হাতের নাগালেই সব কিছু পাওয়া যাচ্ছে যেমন- তথ্য প্রযুক্তি (ICT), চিকিৎসা প্রযুক্তি (Medical Technology), অর্থ প্রযুক্তি (Financial Technology), ইত্যাদি। একবার ভেবে দেখুন, এ সকল প্রযুক্তির কারণে আমাদের জীবনযত্রার মান কতটা সহজ হয়ে গিয়েছে !
কিন্তু অনেক সময়ই আমরা অনেকেই নিজেদেরকে এ সকল প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়াতে পারি না বা সংকীর্ণ মানসিকতার জন্য খাপ খাওয়াতে চাই না যা অনেক বড় একটি ভূল।
আমাদের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে "আর্থিক প্রযুক্তি (Financial Technology)" যা নিয়ে পরবর্তি সময়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে......
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1000