MUN 24
20/05/2026
এই আইন কি শুধুমাত্র মুখে বলার দ্বারা বাস্তবায়ন করা সম্ভব?
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
,
no but it is MUN 24 Sheikh Babar Ali Hedayetpuri সত্যের সন্ধানে সেই যুবক Elias Hossain ইলিয়াস হোসাইন
19/05/2026
হরমুজ প্রণালির ইন্টারনেট কেবল নিয়ন্ত্রণে ইরানের নতুন কৌশল: বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল বিপর্যয়ের শঙ্কা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী ও ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হরমুজ প্রণালিতে এবার নতুন চাল চালল ইরান। পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার পর, এবার সমুদ্রতলের সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলকে নিজেদের নতুন কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে তেহরান। ইউরোপ, এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিপুল পরিমাণ ইন্টারনেট ও অর্থনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানের প্রধান সংযোগস্থল এই সাবমেরিন কেবলগুলোর ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রকাশ্য ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটি।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ইরান এখন হরমুজ প্রণালির তলদেশ দিয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলগুলো ব্যবহারের জন্য বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর ওপর 'ট্রানজিট ট্যাক্স' বা ডিজিটাল টোল আদায়ের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করছে। ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) সরাসরি ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, "আমরা ইন্টারনেট ক্যাবলের ওপর নতুন ফি বা চার্জ আরোপ করতে যাচ্ছি।"
ইরানের এই নতুন কৌশলের আওতায় বিশ্বখ্যাত টেক জায়ান্ট গুগল, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যামাজনের মতো 'হাইপারস্কেলার' প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন থেকে সম্পূর্ণ ইরানি আইন ও রেগুলেশন মেনে এই অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর দাবি, এই রুট দিয়ে দৈনিক প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ও ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন হয়। তাই এই 'লুকানো হাইওয়ে' থেকে কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে সাবমেরিন কেবল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স ফি দিতে বাধ্য করা হবে এবং কেবলগুলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের একক অধিকার শুধু ইরানি কোম্পানিগুলোকে দিতে হবে।
প্রযুক্তি ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, সমুদ্রতলের এই কেবলগুলোই আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের মূল ভিত্তি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ক্লাউড সেবা, ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক, সামরিক যোগাযোগ এবং অনলাইন স্ট্রিমিং সচল রাখে। যদি কোনো কোম্পানি ইরানের এই শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে এই সংবেদনশীল জলসীমায় ডেটা ট্রাফিকের গতি ধীর করে দেওয়া বা সংযোগ বিঘ্নিত করার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে এক নজিরবিহীন ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট বা বিপর্যয়ের জন্ম দেবে।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্র আইনবিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র তার নিজস্ব জলসীমায় প্রবেশকারী ক্যাবলের বিষয়ে নির্দিষ্ট শর্ত বা নিয়ম আরোপের আইনি সুযোগ পায়। ইরান এখন সেই আন্তর্জাতিক আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করেই তার প্রচলিত সামরিক শক্তির বাইরে গিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও মার্কিন মিত্রদের ওপর এই বিকল্প উপায়ে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ নীতি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের আর্থিক ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সংবাদ সূত্র: সিএনএন, টাইমস অব ইন্ডিয়া, বার্তা২৪, চ্যানেল আই অনলাইন।
but it is
19/05/2026
কলকাতায় আসন্ন ঈদকে ঘিরে গরু বিক্রির আশায় থাকা অনেক হিন্দু খামারি ও ব্যবসায়ী এখন চরম দুশ্চিন্তায় আছেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদের আগে মুসলিম ক্রেতারা খামার থেকে গরু কিনতে আসবেন, কিন্তু বাজারে সেই পরিমাণ ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অনেকের লাখ লাখ টাকার বিনিয়োগ আটকে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে শুধু ব্যবসার সংকটই নয়, উঠে আসছে দুই সম্প্রদায়ের পারস্পরিক নির্ভরতা ও বাস্তব সম্পর্কের ছবিও। অনেক হিন্দু খামারির কথায় স্পষ্ট—ঈদের গরুর বাজারে মুসলিম ক্রেতারাই তাদের বড় ভরসা। তাই ক্রেতা না থাকায় খামারি, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী বহু মানুষ এখন কঠিন সময় পার করছেন।
কলকাতায় আসন্ন ঈদকে ঘিরে গরু বিক্রির আশায় থাকা অনেক হিন্দু খামারি ও ব্যবসায়ী এখন চরম দুশ্চিন্তায় আছেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদের আগে মুসলিম ক্রেতারা খামার থেকে গরু কিনতে আসবেন, কিন্তু বাজারে সেই পরিমাণ ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অনেকের লাখ লাখ টাকার বিনিয়োগ আটকে গেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka