Let's Know

Let's Know

Share

03/06/2026

"সাবেক প্রেস সেক্রেটারি শফিক একটা অসভ্য লোক। তার ইতিহাস ভূগোল সম্বন্ধে ধ্যান-ধারণা অত্যন্ত প্রাগৈতিহাসিক"- এই বক্তব্যটি দিয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আব্দুন নুর তুষার। তুষার সাবেক অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলমকে নিয়ে এই মন্তব্যটি করেছেন।


তার এই মন্তব্য নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডঃ সাহাবুদ্দিন লালটু তার নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

আব্দুন নূর তুষারকে ইঙ্গিত করে সাহাবুদ্দিন লালটু বলেছেন- "আরেকজনকে অসভ‍্য বলাটাই একটা অসভ‍্যতা।"



তুষারকে ইঙ্গিত করে কামাল মোস্তফা নামে একজন মন্তব্য করেছেন - আয়নায় মানুষ নিজেকেই দেখতে পায়।

মিজানুর রহমান মন্তব্য করেছেন- গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হয় না, হয় গণমাধ্যম দালাল।

এমডি রুবেল বলেছেন- আব্দুর নূর তুষার গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব তারা আজীবন অন্যদের পা চাটলো জনগণের জন্য তারা কোনদিন কিছু করে নাই তারা হচ্ছে দেশের জন্য রাবিশ!

03/06/2026

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

বুধবার (৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।


পোস্টে রাশেদ খাঁনের দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পরে সমন্নয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামীলীগের নেতাদের দিয়ে। আওয়ামীলীগের নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকতো। একবার আওয়ামীলীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে।


আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা পয়সার দরকার আছে! এ কথা শুনে একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান!

হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গাফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিলো। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গাফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন।


জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসুদের বন্ধু জানিয়ে রাশেদ বলেন, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিলো। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান 'হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গেই থাকতো। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যেকারণে সে আর হান্নান মাসুদের সঙ্গে থাকেনি।


বিএনপির নেতা বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিলো হান্নান মাসুদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যতো আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মত অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

03/06/2026

শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ঠিক তখন শহীদ ওসমান হাদির ভাই শরীফ ওমর হাদি ফেসবুক প্রথম স্ট্যাটাসে বললেন- “শহীদ ওসমান হাদির খু/নে র সাথে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং BNP সরকারের কয়েকজন MP_মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাদি হ/ত্যা র সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন।

এর কিছুক্ষণ পরই আবার আরেকটি স্ট্যাটাসে শরীফ ওমর হাদি বললেন- “শহীদ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র পেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামাতের একজন পিএস জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।”

ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদি বাংলাদেশ সময় ৩ জুন মাঝ রাতে রাত ১টার পর এই দুটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এই দুই স্ট্যটাস নিয়ে প্রচুর আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে।

এরকম একটি প্রেক্ষাপটে গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান দাবি জানিয়েছেন- শহীদ ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদীকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার জরুরী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ফারুক হাসান বলেন- "হাদীর ভাই কাকে রক্ষা করতে একেক সময় একেক জনের উপর দায় চাপাচ্ছেন! শরীফ ওমর হাদীকে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি!!"

02/06/2026

অনেকই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং টকশোতে প্রশ্ন তুলছেন- ইসলামী ব্যাংককে জামায়াত মুক্ত করতে হবে। আবার অনেকেই বলছেন- ইসলামী ব্যাংক নাকি জামায়াতের ব্যাংক। বিষয়টি নিয়ে গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন- ইসলামী ব্যাংক কখনো জামায়াতে ইসলামীর ছিলো না এবং ব্যাংক কখনোই কোনো দলের হয় না।


ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি একটি লিস্ট দিয়েছেন, ঠিক কারা কারা এই ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন মালিকানায় ছিলেন।

❝ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ❞ প্রতিষ্ঠালগ্নে শেয়ারহোল্ডার হিসাবে যারা ছিলেন....
১. ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি)
২. কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস
৩. দুবাই ইসলামিক ব্যাংক
৪. আল-রাজহী কোম্পানি ফর এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (সৌদি আরব)
৫. জর্ডান ইসলামিক ব্যাংক
৬. ফেডারেল আরব ব্যাংক (বাহরাইন) সহ মোট ১১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
একইসাথে বাংলাদেশি বেসরকারি উদ্যোক্তা হিসাবে মীর কাসেম আলী-সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ২২ জন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও পেশাজীবী ছিলেন।

ফারুক হাসান প্রশ্ন রাখেন- এরপরও কি বলা যায় যে ইসলামী ব্যাংক জামায়াতে ইসলামীর দলীয় ব্যাংক?


তিনি বলেন- ব্যাংক কখনোই কোন দলের হয় না। যেমনটা আমরা বলতে পারি না যে মির্জা আব্বাস ভাইয়ের ❝ঢাকা ব্যাংক❞ বিএনপির ব্যাংক কিংবা আওয়ামী মাফিয়া সালমান এফ রহমানের ❝আইএফআইসি ব্যাংক❞ আ’লীগের ব্যাংক। যেকোনো ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় এক কিংবা একাধিক ব্যাক্তি মূল উদ্যোক্তা হিসাবে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পিছনে মীর কাসেম আলীর (যুদ্ধাপরাধের মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ) অবদান অনেক অনেক বেশি।।


ফারুক হাসান আরো বলেন- এখন আসি আসল কথায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ নাম্বার ওয়ান আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এমনকি বিশ্বের টপ লিস্টেড ব্যাংকগুলোরও একটি হলো বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক।

তিনি বলেন- এই ব্যাংক ভালো চলুক ভালোভাবে কাজ করুক এটা যেমম পাশের দেশের দাদারা চান না ঠিক একইভাবে দাদাদের এদেশীয় লেস্পেন্সারগুলোও চান না। ১৯৮৩ সাল থেকেই ব্যাংকটির দিকে তাদের কুনজর ছিলে এখনো আছে, অনেকবার ছোবল দিয়েছে কিন্তু ধ্বংস করতে পারেনি। জানিনা সামনে কি হবে...

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka