Kanij Collection
20/05/2026
রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিলেন, ঘাতক সোহেল তখন রামিসাকে টুকরো টুকরো করে গুম করায় ব্যস্ত ছিল! কিন্তু দেহটি থেকে মাথা আলাদা করার পরেই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাকে পালিয়ে যেতে হয়। আর এ ঘটনায় তাকে সরাসরি সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না।
মাত্র আট বছর বয়সেই রামিসাকে দুটুকরো হতে হলো পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানার হাতে। ঘটনাটি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার। প্রতিদিনের মতো বড় বোনের সাথে রামিসারও তখন স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই তাকে খুঁজে না পেয়ে বাসার সামনে এক পাটি জুতা দেখে তার মা সন্দেহ করেন—মেয়ে হয়তো পাশের ফ্ল্যাটে। এ সময় দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন।
রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিলেন, ঠিক তখনই ভেতরে চলছিল অপরাধ আড়াল করার নৃশংস চেষ্টা। ঘাতক সোহেল যেন জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতেই দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন তার স্ত্রী স্বপ্না। এরপর দরজা খুলে বাইরে এসে দাবি করেন—তিনি ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন, কিছুই জানেন না!
তবে অভিনয় করে খুব একটা লাভ হয়নি। কারণ ইতিমধ্যেই ঘাতক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সোহেল বিকৃত মানসিকতা ও বিকৃত যৌ'নরুচির হতে পারে; যা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আদরের ছোট মেয়েকে হারিয়ে শোকে যেন পাথর হয়ে গেছেন বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি জানান, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত নির্ভেজাল মানুষ, কখনোই কারও সাতে-পাচে ছিলেন না। এমনকি পাশের ফ্ল্যাটের প্রতিবেশীদের সাথেও তাদের কোনো শত্রুতা তো দূর, ন্যূনতম আলাপ পর্যন্ত ছিল না।
ফুলের মতো একটা নিষ্পাপ শিশুর সাথে এমন পাশবিকতা কীভাবে সম্ভব—নেটিজেনদের এই প্রশ্ন এখন কাঁপিয়ে দিচ্ছে পুরো সোশ্যাল মিডিয়া। এই নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেট দুনিয়ায় তীব্র ক্ষোভের পাশাপাশি উঠেছে নানা রাজনৈতিক প্রশ্নও।
কেউ কেউ বলছেন, দেশে সামাজিক অপরাধের গ্রাফ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ হয়েছেন বলেও দাবি করছেন অনেক নেটিজেন। #সংগৃহীত
13/05/2026
দেড় বছরের একটা ছোট বাচ্চা, প্রচণ্ড জ্বরে হঠাৎ ট্রেনের মধ্যেই নিস্তেজ হয়ে যায়। বাবা-মায়ের চোখের সামনে বাচ্চাটা নড়াচড়া বন্ধ করে দিলো।।
ভাবুন তো সেই বাবা-মায়ের মনের অবস্থা? তারা দিশেহারা হয়ে শাহবাগ স্টেশনে নেমে চিৎকার করছিলেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে দেবদূতের মতো এগিয়ে এলেন আনসার সদস্য তরিকুল ইসলাম । তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে বাচ্চাটাকে নিজের কোলে তুলে নেন।।
যখন সবাই শুধু দেখছিল,,,
তরিকুল ভাই তখন নিজের পেশাদারিত্ব আর মানবিকতা দেখালেন। তিনি বাচ্চাটার মুখে মুখ লাগিয়ে শ্বাস (CPR/Rescue Breath) দিতে শুরু করেন। একদম নিজের সন্তানের মতো চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন তিনি।।
আলহামদুলিল্লাহ!
কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটা নড়ে ওঠে,পরে ফিরে পায় চেতনা।।একটা পরিবারের অন্ধকার ঘরে আবার আলো ফিরে এলো।।।
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এই কথাটি তরিকুল ভাই আজ বাস্তবে প্রমাণ করে দিলেন। ইউনিফর্মের নিচেও যে একটা বিশাল বড় মানবিক হৃদয় থাকে, উনি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।।
অসংখ্য ধন্যবাদ মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে এমন দক্ষ আর মানবিক মানুষ নিয়োগ দেওয়ার জন্য।।।
তরিকুল ভাইয়ের এই বীরত্ব কোটি মানুষের হৃদয়ে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।।।
সবাই তরিকুল ভাইয়ের এই মহান কাজের জন্য একটা ধন্যবাদ লিখে যাবেন এবং দোয়া করবেন প্লিজ।।
ভালো কাজ সবার জানা উচিত।।।
ছবি #সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Uttara
Dhaka
1230