Angry level 999
#সেব্রেনিৎসা_হত্যাকাণ্ড ও মুসলিম ইতিহাসের এক করুন ইতিহাস ও #কেনো_আমি_ব্যাক্তিগত_ভাবে_জাতিসংঘ_কে_ঘৃণা করি।:-
আজ একটা অজানা ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করি।২য় বিশ্ব যুদ্ধের পরে হওয়া সবচেয়ে বিভৎস আর নির্দয় হত্যাকাণ্ড ও মুসলিমের উপর নির্যাতনের।
" #সেব্রেনিৎসা গণহত্যা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপের মাটিতে সবচেয়ে নৃশংসতম অপরাধ।”
১৯৯৫ সালের ১১ জুলাই সার্বীয় বাহিনী বসনিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সেব্রেনিৎসা এলাকা দখল করে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও এবং জাতিসংঘের ডাচ শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতিতেই সেব্রেনিৎসায় চালানো হয় নারকীয় গণহত্যা ও জাতিগত শুদ্ধি অভিযান।
সেব্রেনিৎসা দখলের প্রথমদিন থেকেই সার্বীয় বাহিনী স্থানীয় বসনীয় জনগোষ্ঠীর সকল পুরুষকে আলাদা করে নেয়। পরে তাদেরকে গণহারে হত্যা করে। ১১ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সেব্রেনিৎসার কোথাও না কোথাও এই গণহারে হত্যার ঘটনা ঘটেতে থাকে। হত্যার শিকার ব্যক্তিদেরকে মৃত্যুর আগে নিজেদের কবর খনন করতে সার্বীয় বাহিনী বাধ্য করে।
তাদের হত্যা কান্ডের মূল টার্গেট ছিল বসনিয় মুসলিম।১১ জুলাইয়ের দিন বন্দি করা হয় হাজার হাজার মানুষকে,তাদের মূল অপরাধ ছিল তারা ধর্মতত্ত্বে মুসলিম ধর্ম অনুসারি ছিল,এই অপরাধে তাদের উপর চালানো হয় এক বর্বর হত্যাযজ্ঞ।যার হাত থেকে রেহাই পায়নি শিশু,বৃদ্ধ কিংবা নারী। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী থাকা স্বত্ত্বেও ওইদিন পিছন দিয়ে হাত বেধে চোখ খোলা রেখে হত্যা করা হয় হাজার হাজার মুসলিম কে।তাদের চোখ খোলা রাখা হয় শুধু মাত্র একজন্য যাতে তারা তাদের হত্যাকারীকে দেখতে পারে।ওইদিন
সার্ব বাহিনী সেখানে জাতিসংঘের ডাচ শান্তিরক্ষীদের সামনেই ৮ হাজার ৩৭২ জন বসনিয় মুসলমানকে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়। এই গণহত্যা চলার সময় জাতিসংঘ নীরবতা পালন করলেও পরে একে ‘জাতিগত শুদ্ধি অভিযান’ বলে স্বীকৃতি দেয়।যা খুবই নিচ ও নেক্কার জনক কাজ।জাতিসংঘ কখনো যুদ্ধ বন্ধের জন্য কাজ করেছে বলে মনে হয় না।কখনো শান্তির জন্য কাজ করেনি,উল্টো তাদের শান্তি বাহিনীর বিরুদ্ধে লুটপাট ও দখলদারিত্বের অভিযোগ পাওয়া যায়।কখনো তারা ভালোর জন্য কাজ করেনি, মায়ানমারের মুসলিম হত্যাকাণ্ড তার প্রমাণ তারা কি কিছু করেছে?
বসনিয়া ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে সাবেক ইউগোস্লাভিয়া থেকে গণভোটের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। আর ওই স্বাধীনতা বানচাল করতেই সার্বরা বসনিয়ার মুসলমানদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বসনিয়ায় সার্ব বাহিনীর হামলায় দুই লাখের বেশি বসনিয় মুসলমান নিহত ও প্রায় বিশ লাখ শরণার্থী হয়। তবে সেব্রেনিৎসার গণহত্যাকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে নৃশংস ও ভয়াবহ গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করা হয়।।।যা আজ পর্যন্ত কোন বিচার করা হয় নি।।
এইযে গার্ড/কবর গুলো দেখতেছেন? এগুলির একটার নিচেরও লাশ নেই😥কেনো জানেন? ওইদিন হত্যা করার পর লাশগুলোকে ফেলে রাখা হয়েছিল পাহাড়ের চুড়ায় বিক্ষিপ্ত ভাবে যাতে কুকুর,শিয়াল,শকুনের খাবার হয়,বাকি দেহাবশেষ গুলো এনে দাওয়া হয় গণকবর তাও আবার অনেকদিন পর।তাই তাদের স্বরনে এই স্তম্ভ গুলো।।।এর পিছনে আছে এক কালো ইতিহাস 😥
ইতিহাসের এমন এক কালো অধ্যায় পুরোপুরি হয়ে যায় মানুষের অজানা।।।আর কোন মানুষ যদি মুসলমানদের নাম ধরে কোন হামলা চালায় তখন তাকে হত্যাকারী কিংবা জঙ্গি আখ্যায়িত করা হয়।কিন্তু আদৌও কি তাই?শুধু কি মুসলমান হত্যাকারী?ইতিহাস সাক্ষি পৃথিবীর বুকে হয়ে যাওয়া কোন হত্যাকাণ্ডের সাথে মুসলিম বীরেরা জড়িত নয়।
পদে পদে মুসলমান নির্যাতীত হওয়ার কারণ নিজেদের মধ্যে একতার অভাব ও কোরআন সুন্নাহ এর থেকে দূরে সরে যাওয়া।
আজকের এইদিনে গভীর ভাবে স্বরণ করছি ওই সমস্ত শহীদদের যারা ইসলামের জন্য জীবন দিয়েছেন।
আল্লাহ তাদের জান্নাত বাসি করুক❤❤
#তথ্য:- The Book of Genocide প্রফেসর হার্ডি
উইকিপিডিয়া,
সংগ্রহে:- তারেক
আমাদের দেশে বাবা -মা দুই ধরনের :
১.বাচ্চা পড়ে গেলে উঠাইয়া আদর করে বলে কি বাবু ব্যাথা পাওনি তো??আহারে বাচ্চাটা আমার। 😍😍
২.বাচ্চা পড়ে গেলে উঠাইয়া দুইটা কষাইয়া থাপ্পড় দিয়া কইবো পড়লি কেন।দেইখা হাটস না । 😂😂
ছোট বেলায় গুড়ো দুধ চেটে খেতে খেতে
মনেহয় হাতের প্রেমের রেখাও মুছে ফেলছি 😭
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Senpara, Mirpur
Dhaka
1210