SMART TOOLS BD
চাকরির বাজারে এআই-এর প্রভাব: বিশ্বব্যাংকের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি (যেমন ChatGPT) দক্ষিণ এশিয়ার অফিসভিত্তিক চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এই প্রযুক্তির প্রভাবে মাসিক চাকরির বিজ্ঞাপনের সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে। ভবিষ্যতে এআই ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির কারণে আরও প্রায় ৭ শতাংশ চাকরির বাজার নষ্ট হতে পারে।
আজকের গরম গরম এআই এবং টেক নিউজ.....
বিশ্বের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সংক্রান্ত খবরগুলো আপনার জন্য সহজ বাংলা ভাষায় নিচে তুলে ধরা হলো:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
* ওপেনএআই-এর নতুন ব্রাউজার 'চ্যাটজিপিটি অ্যাটলাস': চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) প্রস্তুতকারী সংস্থা ওপেনএআই (OpenAI) সম্প্রতি তাদের নিজস্ব এআই-চালিত ওয়েব ব্রাউজার 'চ্যাটজিপিটি অ্যাটলাস' (ChatGPT Atlas) উন্মোচন করেছে। এটি গুগল ক্রোম-এর মতো জনপ্রিয় ব্রাউজারগুলির সাথে প্রতিযোগিতা করবে। এই ব্রাউজারটি সম্পূর্ণরূপে চ্যাটজিপিটি-কে কেন্দ্র করে তৈরি এবং ব্যবহারকারীরা এর মাধ্যমে সরাসরি ওয়েবে চ্যাটবটের ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন, ইমেল লেখা, দীর্ঘ লেখা সংক্ষিপ্ত করা বা ডেটা বিশ্লেষণ করা। এতে একটি পেইড 'এজেন্ট মোড'ও থাকছে, যা সাবস্ক্রাইবারদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে দেবে।
* এআই নিয়ে নোবেলজয়ীর সতর্কবার্তা: পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী জন হোপফিল্ড (John Hopfield) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি এখনই এআই-কে নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তাহলে মানবজাতির জন্য এটি সম্ভাব্য বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে এবং মানব সভ্যতা বিলুপ্তও হতে পারে। তিনি এআই-এর নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণা বাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
* চাকরির বাজারে এআই-এর প্রভাব: বিশ্বব্যাংকের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি (যেমন ChatGPT) দক্ষিণ এশিয়ার অফিসভিত্তিক চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এই প্রযুক্তির প্রভাবে মাসিক চাকরির বিজ্ঞাপনের সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে। ভবিষ্যতে এআই ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির কারণে আরও প্রায় ৭ শতাংশ চাকরির বাজার নষ্ট হতে পারে।
* সংবাদ পরিবেশনে এআই-এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: একটি নতুন আন্তর্জাতিক গবেষণায় জানা গেছে যে, বিশ্বের জনপ্রিয় চারটি এআই চ্যাটবট (যার মধ্যে গুগল জেমিনিও আছে) প্রায় ৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রে সংবাদ বিকৃত বা ভুলভাবে উপস্থাপন করে। সবচেয়ে বেশি ভুল দেখা গেছে তথ্যের উৎস (Source) উল্লেখ করার ক্ষেত্রে। এই গবেষণার ফল এআই-এর ওপর নির্ভর করার ক্ষেত্রে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
* এআই-সৃষ্ট ভুয়া তথ্যের বিস্তার: একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া বা মিথ্যা তথ্যের প্রায় ৮৬ শতাংশই ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়ায়।
অন্যান্য সাম্প্রতিক খবর ও আবিষ্কার:
* নতুন পরিবেশ-বান্ধব পোশাক নকশা সফটওয়্যার: বিজ্ঞানীরা এমন একটি নতুন সফটওয়্যার তৈরি করেছেন, যা পরিবেশ-বান্ধব পোশাকের নকশা করতে সাহায্য করে। এই পোশাকগুলি প্রয়োজন অনুযায়ী খুলে আবার নতুন ডিজাইনের পোশাকে (যেমন প্যান্ট থেকে পোশাকে) তৈরি করা যেতে পারে। এর উদ্দেশ্য হলো পোশাকের বর্জ্য (Waste) কমানো।
* এআই-এর মাধ্যমে হৃদরোগ চিহ্নিতকরণ: নতুন আবিষ্কারের মধ্যে একটি হলো এমন একটি এআই স্টেথোস্কোপ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হৃদরোগ (Heart Disease) চিহ্নিত করতে পারে।
* দুরারোগ্য রোগ চিহ্নিতকরণে এআই: গবেষকরা এমন একটি নতুন এআই মডেল আবিষ্কারের দাবি করেছেন, যা হাজারের বেশি দুরারোগ্য এবং বিরল রোগ চিহ্নিত করতে সক্ষম।
* ডাটা সেন্টারের বাড়তি চাহিদা ও পরিবেশের প্রভাব: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার বাড়ার ফলে ডেটা সেন্টারের (Data Center) চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এই ডেটা সেন্টারগুলোর জন্য প্রচুর জমি ও বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) নিঃসরণ করে পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলছে।
হ্যারি পটারের গল্পটা পড়েছেন? পড়ে থাকলে এখন যা বলবো, বুঝতে পারবেন। না পড়ে থাকলে সাড়ে তিন হাজার পৃষ্ঠার গল্প এক স্ট্যাটাসে লিখে বুঝানো কঠিন।
কৈশোরে বলা যায়, আমি হ্যারি পটার নিয়ে এক প্রকার অবসেসড ছিলাম। সাতটা বইয়ের সাতটাই পড়েছি। তা-ও ইংরেজিতে। বেশ কয়েকবার। মুভিগুলো তো অসংখ্যবার দেখেছি।
যে জন্যে হ্যারি পটার নিয়ে এতো বকবক করবো, সেটার কথা বলি এখন। হ্যারি পটারের জগতে খুব খারাপ একটা জাদুকর ছিলো। নাম তার টম রিডল। নিজেকে সে অবশ্য ডাকে ‘লর্ড ভোল্ডেমর্ট’ নামে। প্রত্যেক নার্সিস্টেরই নিজের বাপ-মায়ের দেয়া নাম পছন্দ হয় না। তার দরকার অন্য নাম। অন্য টাইটেল। যেমনঃ বঙ্গবন্ধু, দেশরত্ন, সুপ্রিম লিডার, গণতন্ত্রের মানস-কন্যা— ইত্যাদি, ইত্যাদি।
নিজেকে ভোল্ডেমর্ট নাম দিলেও মানুষ তাকে সে নামে ডাকতে ভয় পেতো। ভাবতো, এ নাম প্রকাশ্যে নিলে অকল্যাণ আসবে। ফুডপান্ডার ডেলিভারি আসবে। তাই তারা তাকে ডাকতো ‘ইউ-নো-হু’ নামে।
তো ভোল্ডেমর্ট একবার জানতে পারে, জুলাইয়ের শেষে এক শিশু জন্ম নেবে। যে শিশু তার পতনের কারণ হতে পারে। তাই সে চলে যায় তাকে হত্যা করতে। সেই শিশুটার নামই হ্যারি পটার। হ্যারি পটারের মা তাকে বাঁচাতে খুব প্রাচীন একটি জাদুর আশ্রয় নেন।
জাদুটা এভাবে কাজ করে— কেউ যখন কাউকে হত্যা করতে চাইবে, তখন অন্য আরেকজন যদি যাকে হত্যা করা হচ্ছে তাকে বাঁচানোর জন্যে কোনো জাদুর প্রয়োগ না করে হত্যাকারীর সামনে দাঁড়িয়ে যান, তাহলে যে হত্যা করতে চাচ্ছে, সে আর তাকে হত্যা করতে পারবে না। জাদুটা অনেকটা আবু সাইদের মতো কাজ করে। ফ্যাসিস্টের হাত থেকে জাতিকে বাঁচাতে গুলির সামনে বুক পেতে কোনো অস্ত্র ছাড়াই দাঁড়িয়ে যেতে হবে।
হ্যারির মা সেটাই করেন। ভোল্ডেমর্ট, হ্যারি পটারকে হত্যা করার জন্যে কিলিং কার্স প্রয়োগ করলেও সে কার্স ব্যাকফায়ার করে ভোল্ডেমর্টের দিকেই ফিরে আসে। নিজের কিলিং কার্স নিজের দিকে ফিরে আসলেও ভোল্ডেমর্ট মারা যায় না। কেন জানেন?
কারণ, বহু আগেই সে তার আত্মাকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করে ফেলেছিলো। হ্যারি পটারের দুনিয়ায় এগুলোকে বলে ‘হরক্রক্স’। হরক্রক্স বানাতে হলে প্রথমে কাউকে খুন করতে হয়। আইরনি হচ্ছে, ভোল্ডেমর্ট নিজের প্রথম হরক্রক্স বানিয়েছিলো নিজের বাবাকে হত্যা করে। নিজের আত্মার টুকরো টুকরো অংশগুলোকে সে বিভিন্ন জায়গায় রেখে দিয়েছিলো। কোথাও আংটিতে, কোথাও লকেটে, কোথাও ডাইরিতে। এই সবগুলো হরক্রক্স ধ্বংস না হলে ভোল্ডেমর্ট ধ্বংস হবে না। সহজ কথায়, সে মারা যাবে না।
ভোল্ডেমর্ট এ কাজ কেন করেছিলো? অমরত্বের জন্যে। সে মৃত্যুকে, ক্ষমতা হারানোকে খুব ভয় পেতো। হ্যারি পটারকে মারতে গিয়ে ব্যর্থ হলেও যেহেতু সে তার আত্মাকে হরক্রক্স বানিয়ে রেখেছিলো, চৌদ্দ বছর পর সে আবার ফেরত আসে তার অনুগত অনুসারীদের (ডেথ ইটারদের) সহযোগিতায় পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে। পুরো জাদুর দুনিয়ায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা শুরু করে— পিওর ব্লাড আর মাড ব্লাডের নামে। বাংলায় তর্জমা করলে— মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, বিপক্ষের শক্তির নামে।
ভোল্ডেমর্টের মতোই শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বেশ কয়েকটা হরক্রক্স রেখে গেছে। তার বানানো পুলিশ, র্যাব, ডিজিএফআই, বিচার-ব্যবস্থা, আমলাতন্ত্র— এগুলো সব একেকটা হরক্রক্স। এগুলো সব শেখ হাসিনার আত্মার একেকটা অংশ। এগুলোকে ধ্বংস করে নতুন করে তৈরি না করা হলে শেখ হাসিনা আবার ফিরে আসবে। আসবেই। তাকে ধ্বংস করা সম্ভব হবে না।
হ্যারি পটারের দুনিয়ায় হরক্রক্স ধ্বংসের আরেকটা উপায় অবশ্য আছে। সেটা হচ্ছে অনুশোচনা। ভোল্ডেমর্ট, হ্যারি পটারের বাবা-মাকে হত্যা করেছিলো। কাছের প্রায় সব মানুষকে মেরে ফেলেছিলো। তাও শেষ বইয়ের একেবারে শেষ যুদ্ধে (ব্যাটল অফ হগওয়ার্টসে) হ্যারি, ভোল্ডেমর্টকে পরামর্শ দিয়েছিলো অনুশোচনা করতে। নিজেকে রক্ষা করতে।
কিন্তু অনুশোচনা যে রাস্তা দিয়ে হাঁটে, জালেম সবসময় তার উল্টো দিকেই হাঁটে। তাই সর্বকালের অন্যতম ভয়ঙ্কর জাদুকর লর্ড ভোল্ডেমর্টের পতন হয়েছিলো মাত্র সতেরো বছরের এক কিশোর হ্যারি পটারের হাতে। অনেকটা শেখ হাসিনার মতোই। বাচ্চাদের লাত্থি খেয়ে এখন ভারতে যেয়ে পালিয়েছে।
ভোল্ডেমর্ট অনুশোচনা করে নি। শেখ হাসিনা কিংবা আওয়ামীলীগ অনুশোচনা করে রাজনীতিতে ফিরে আসবে— যারা শেখ হাসিনাকে চেনেন, তারা সম্ভবত কেউ এটা বিশ্বাস করেন না। যারা করেন তারা কল্পনার জগতে বাস করেন। তার কিছু নেতাকর্মী হয়তো অনুশোচনার ভান করতে পারে, কিন্তু জুলাইয়ে দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করা নিয়ে তারা একটুও অনুতপ্ত নন।
আমি মাঠ পর্যায়ে বেশ কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে কথা বলেছি। গুটিকয়েক ছাড়া কারো মাঝে বিন্দুমাত্র অনুতাপ দেখি নি। তারা এখনো মনে করে বাচ্চাদের ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামানো হয়েছিলো। আমরা আগেই ভালো ছিলাম। তখন পিওর ব্লাডরা (মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরা) দেশ চালাতো। এখন রাজাকাররা (হাফ-ব্লাড আর মাড ব্লাডরা) দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ক'দিন পর হয়তো রিটা স্কিটাররা শেখ হাসিনার স্বর্ণযুগের কথা মনে করিয়ে দিতে পত্রিকায় বিশাল বিশাল কলাম ছাপা শুরু করবে।
তাই যারা হাসিনার রেখে যাওয়া হরক্রক্সগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে, তার প্রশাসনে নামমাত্র সংস্কার করে এই স্বপ্ন দেখছেন যে, একদিন শেখ হাসিনা সত্যিই মাসুদের মতো ভালো হয়ে যেয়ে ক্ষমা চেয়ে সবকিছু ঠিক করে দেবেন কিংবা যারা বিশ্বাস করেন তার রেখে যাওয়া ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখে শেখ হাসিনাকে সত্যিই ধ্বংস করা সম্ভব, তাদের জন্যে সমবেদনা ছাড়া দেয়ার মতো আমার আর কিছুই নেই।
এখনো সময় ফুরিয়ে যায় নি হরক্রক্সগুলো ধ্বংস করার। জুলাইয়ের সবচে' সুন্দর মেমোরিটা ব্যবহার করে সবচে' শক্তিশালী পেট্রোনাস সৃষ্টি করে দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা ডেমেন্টরদের ধ্বংস করার।
তা না হলে আমাদের সকল হ্যাপি মেমোরি ওরা কেড়ে নিবে।
তা না হলে একদিন ডেমেন্টররা আযকাবান (জেল) ভেঙ্গে শেখ হাসিনার অনুগত নেতাদের (ডেথ ইটারদের) ঠিকই মুক্ত করবে। বন্দী করবে আমাদের। তাই যতো দ্রুত সম্ভব ডেথ ইটারদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।
তা না হলে দেখা যাবে দশ-পনেরো বছর পর ঠিকই শেখ হাসিনা কিংবা শেখ হাসিনার মতো কেউ আবার ফিরে এসেছে এই বাংলাদেশে।
রাতের বেলা সরল বিশ্বাসে ফুডপান্ডার ডেলিভারি নিতে গিয়ে দরজা খুলতেই আমরা শুনবো কেউ শীতল গলায় বলছে, ‘আভাদা কেদাভ্রা’।
লিখনী: শিহাব আহমেদ শাহিন
04/07/2025
Prompt practicing......
Used Chatgpt....
creat image...
"A hyper-realistic cinematic action shot of me (Photo provided. Without my glasses) hanging from the edge of a shattered skyscraper, surrounded by burning debris and collapsing buildings. The camera pov from above, dramatically, capturing my intense expression, battle-scarred face, and muscular arm gripping the ledge. Ash and sparks fly through the air as fire rages below, with dynamic lighting from explosions casting dramatic shadows. The entire scene feels like a high-stakes movie climax, professionally shot in the style of Skyscraper with sweeping motion, tension, and raw survival energy."
26/06/2025
Prompt Practicing Day-11
Prompt No-1
Used Chatgpt AI
"Create a cinematic side-profile portrait of the exact person from the uploaded photo. He is wearing a realistic yellow pullover or sweater like in the original image. A glowing neon yellow-orange ring light floats behind his head, creating a powerful rim light around his hair and shoulders. His face remains partly in shadow, preserving all original facial features and expression exactly as in the photo — no changes to identity, age, or details. The background is a smooth, soft gradient with warm amber and yellow tones, giving the scene a moody, minimal, high-contrast atmosphere. Use professional photographic lighting and cinematic depth of field."
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Dhaka
1207