Erum Electric Engineering-EEE

Erum Electric Engineering-EEE

Share

04/05/2026

💟 হোটেল ও বিল্ডিং মেইনটেন্যান্সে কাজ করতে চাইলে সাধারণত কয়েক ধরনের বাস্তব দক্ষতা সবচেয়ে বেশি দরকার।

🖕🏻মূল অভিজ্ঞতাগুলো হলো:
ইলেকট্রিকের বেসিক কাজ — সুইচ, সকেট, লাইট, সার্কিট ব্রেকার, ছোটখাটো ফিউজ বা পাওয়ার সমস্যার কারণ ধরতে পারা।

🖕🏻🖕🏻প্লাম্বিং — লিকেজ, ট্যাপ, ফ্লাশ, পাইপ ব্লক, পানির প্রেসারের ছোট সমস্যা ঠিক করা।

🖕🏻🖕🏻🖕🏻এসি ও ভেন্টিলেশন — ফিল্টার পরিষ্কার, সাধারণ ফল্ট বোঝা, কুলিং কম হলে প্রাথমিক চেক করা।

ছোটখাটো মেরামত — দরজার লক, হিঞ্জ, জানালা, সিলিং, ওয়াল ফিটিং, আসবাবের ছোট রিপেয়ার।
প্রিভেন্টিভ মেইনটেন্যান্স — নষ্ট হওয়ার আগে নিয়মিত চেকলিস্ট ধরে কাজ করা। হোটেলে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সমস্যা রিপোর্ট করা — কোন সমস্যা নিজে ঠিক করা যাবে আর কোনটা সিনিয়র বা স্পেশালিস্টকে জানাতে হবে, সেটা বোঝা।
গেস্ট-এरिया কাজের অভিজ্ঞতা — হোটেলে কাজ করার সময় শব্দ কম রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, অতিথিকে বিরক্ত না করে কাজ শেষ করা।
সেফটি নিয়ম — বিদ্যুৎ, পানি, মই, গরম যন্ত্রপাতি—এসবের নিরাপদ ব্যবহার জানা।
হোটেল সেক্টরে বিশেষ করে Cyprus-এ অনেক নিয়োগদাতা চান যে আপনি অন্তত এই জিনিসগুলো করতে পারেন কি না:
রুমের লাইট/সকেট ঠিক করা
বাথরুমের ছোট সমস্যা সমাধান
HVAC-এর বেসিক চেক
দরজা/লক/কার্ড-অ্যাক্সেসের সাধারণ সমস্যা দেখা
পাম্প, বয়লার, ওয়াটার সিস্টেমের বেসিক বোঝা
যদি আপনার এখনই চাকরি থাকে, সবচেয়ে দ্রুত শেখার উপায় হলো মেইনটেন্যান্স টিমের সঙ্গে কাজের সময় নোট করা—কোন সমস্যা সবচেয়ে বেশি আসে, তারা কীভাবে ধাপে ধাপে ঠিক করে।
চলবে.….....

02/05/2026

💟শুধু পড়াশোনা না করে পাশাপাশি দক্ষ টেকনিশিয়ান হলে বেশ কিছু বড় সুবিধা আছে।

কাজ পাওয়ার সুযোগ বাড়ে — শুধু সার্টিফিকেট নয়, হাতে-কলমে কাজ জানলে অনেক প্রতিষ্ঠান দ্রুত নেয়।
আয় শুরু করা সহজ হয় — যেমন ইলেকট্রিক, মেশিন, এয়ার কন্ডিশন, গাড়ি, ওয়েল্ডিং, কম্পিউটার মেরামত—এসব কাজে দক্ষতা থাকলে পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করা যায়।
বিদেশে কাজের সুযোগ বাড়ে — অনেক দেশে দক্ষ টেকনিক্যাল কাজের চাহিদা বেশি, যেমন Cyprus, Greece, United Arab Emirates।
নিজের কাজ শুরু করা যায় — পরে চাইলে ছোট সার্ভিস বা দোকানও চালানো সম্ভব।
শিক্ষা + দক্ষতা একসাথে থাকলে মূল্য বেশি — কারণ তখন আপনি শুধু তত্ত্ব না, বাস্তব কাজও পারেন।
সহজভাবে বললে: পড়াশোনা আপনাকে জ্ঞান দেয়, আর টেকনিক্যাল দক্ষতা আপনাকে কাজ ও আয় করার শক্তি দেয়।
অনেক দিন পরে লেখাটা দিলাম।
চলবে অবিরাম............

Photos from Erum Electric Engineering-EEE's post 11/11/2025

এত সুন্দর পরিবেশে কেমন সার্ভিস দিতে পারে চিলার বলুন তো?

18/10/2025

অনেক দিন পড়ে কারেন্ট ক্যালকুলেইশন নিয়ে একটা লেখা দিলাম।
🔌 কারেন্ট (Ampere) ক্যালকুলেশনের সহজ ৫টি নিয়ম

✅ নিয়ম ১: ওহমের সূত্র (Ohm’s Law)

👉 𝐈 = 𝐕 / 𝐑

I = কারেন্ট (Ampere)

V = ভোল্টেজ (Volt)

R = রেজিস্ট্যান্স (Ohm)

📌 উদাহরণ:
যদি ভোল্ট = 12V এবং রেজিস্ট্যান্স = 6Ω হয়,
তাহলে I = 12 ÷ 6 = 2 Ampere

---

✅ নিয়ম ২: পাওয়ার থেকে কারেন্ট বের করা

👉 𝐈 = 𝐏 / 𝐕

P = পাওয়ার (Watt)

V = ভোল্টেজ (Volt)

📌 উদাহরণ:
একটি 60W লাইট যদি 220V লাইনে চলে,
তাহলে I = 60 ÷ 220 = 0.27 Ampere (প্রায়)

---

✅ নিয়ম ৩: ইউনিট কনভার্সন মনে রাখুন

1 kW = 1000 W

1 A = 1000 mA

1 Ω = রেজিস্ট্যান্সের একক

📌 মনে রাখার কৌশল: kilo মানে ১০০০, আর milli মানে ১/১০০০

---

✅ নিয়ম ৪: কারেন্ট বেশি হলে তার গরম হয় (Practical Tip)

I ↑ (কারেন্ট বাড়লে), তাপ ↑

তাই উচ্চ অ্যাম্পিয়ার মানে মোটা তার প্রয়োজন হয়।

📌 নিয়ম মনে রাখার ট্রিক: "Ampere বাড়লে Wire মোটা"

---

✅ নিয়ম ৫: কারেন্ট নির্ভর করে লোডের ওপর

যত বেশি লোড (মেশিন, বাতি, ফ্যান), তত বেশি কারেন্ট টানবে।

সঠিক MCB/ফিউজ বাছতে কারেন্ট হিসাব জরুরি।

📌 নিয়ম মনে রাখার কৌশল: "Load বাড়লে Amp বাড়ে"

---

🔁 Bonus Tip: কারেন্ট ক্যালকুলেশনের শর্টকাট চার্ট

সূত্র প্রয়োগ

I = V / R ভোল্ট ও রেজিস্ট্যান্স থেকে
I = P / V পাওয়ার থেকে কারেন্ট
P = V × I কারেন্ট ও ভোল্ট থেকে পাওয়ার
V = I × R কারেন্ট ও রেজিস্ট্যান্স থেকে ভোল্ট

---

📣 শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পোস্ট ক্যাপশন (বাংলায়):

🎓 ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিদ্যুৎ শিখার সহজ টিপস!
"কারেন্ট মানে এম্পিয়ার, আর সেটা মাপা যায় মাত্র ২-৩টি সহজ সূত্র দিয়ে!"
আজ শিখে নাও, কিভাবে কারেন্ট ক্যালকুলেশন করতে হয় — বাস্তব উদাহরণসহ।

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Bangladesh Dhaka Uttara
Dhaka
1230