Mpsz.Com.Bd

Mpsz.Com.Bd

Share

09/09/2022

যেসব ক্ষমতার কারণে মহারাণী এলিজাবেথকে বিশ্বজুড়ে সম্মান করা হয়।

ইতিহাসের পাতা বলে একসময় অর্ধবিশ্ব শাসন করতো ব্রিটিশ রাজ পরিবার। গণতন্ত্রের উত্থানের পর থেকে কালের পরিক্রমায় ইংরেজ শাসকদের ক্ষমতা কমতে থাকলেও তা ব্রিটিশ রাজপ্রধানের ক্ষমতা বা গাম্ভীর্যতার উপর কখনোই ছাপ ফেলতে পারেনি। বর্তমানে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের প্রধান হলেন রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। পুরো নাম এলিজাবেথ আলেকজান্দ্রা মেরি। ব্রিটিশরা ভালোবেসে ডাকে মহারাণী এলিজাবেথ।

রাজা ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যুর পর ১৯৫২ সালে মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের সিংহাসনে বসেন কুইন এলিজাবেথ। গণতান্ত্রিক দেশ হবার কারনে নামমাত্র মহারাণী হলেও ইংল্যান্ডের রাজপ্রধান হিসেবে কুইন এলিজাবেথ এর রয়েছে কিছু বিশেষ ক্ষমতা যা বিশ্বের অন্য কোন ক্ষমতাবান ব্যাক্তির নেই এবং সচরাচর ব্যবহার না করার কারনে অনেকেই জানে না এই নামমাত্র রাণীর ক্ষমতা কতটুকু।

বর্তমানে ইংল্যান্ড গনতান্ত্রিক দেশ হলেও সেখানে মহারাণীর শাসনকার্য চালিত হয়, যা অন্য কোন গনতান্ত্রিক দেশেই সম্ভব নয়। দেশের জনগণ ভোট দিলেও মহারাণীর সম্মতিক্রমেই ব্রিটেনের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত হয়। তিনি সকল আইন এবং সংবিধানের উর্ধ্বে। তিনি আদেশ করলেই যে কোন সময় ইংল্যান্ডের সংসদ ভেঙে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কে ক্ষমতাচ্যুত করে নতুন কাউকে ক্ষমতা দিয়ে দিতে পারেন। তিনি চাইলেই সংসদ কে না জানিয়েও যেকোন দেশের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন এবং শেষ করতে পারেন। ব্রিটিশ সরকার চাইলেই কোথাও পারমানবিক বোমা নিক্ষেপ করতে পারবে না। শুধুমাত্র কুইনের আদেশেই পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা সম্ভব। তিনি এসব কিছু অর্জন করেছেন তার প্রজ্ঞার বলে।

যেহেতু কুইন আইনের উর্ধ্বে তাই কুইনের উপর আইন প্রয়োগ করার ক্ষমতাও কারো নেই। তাই তিনি কোন অপরাধ করলেও তার কোন শাস্তি হবে না। এমনকি বিশ্বের যেকোন দেশে তিনি কোন অপরাধ করলেও তার উপর কেউ আইন প্রয়োগ করতে পারবে না। যদিও মহারাণী কখনো আইন ভঙ্গ করেননি। তিনি চাইলেই যাকে ইচ্ছা তাকে কোন কারন না দেখিয়েই গ্রেফতার করাতে পারবেন। তবে তার জনপ্রিয়তা কমায়, এমন কোন কাজই কুইন এখন পর্যন্ত করেননি।

মহারাণী এলিজাবেথ পৃথিবীর একমাত্র ব্যাক্তি যার কোন দেশে ভ্রমণ করতে পাসপোর্ট লাগে না। রাণী ছাড়া রাজপরিবারের বাকি সবাইকেই পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হয়। এলিজাবেথ রাণী হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ৯৫ বার ভ্রমণ করেছেন কোন পাসপোর্ট ছাড়াই। এছাড়া রাণীর গাড়িতে কোন নম্বর পত্রেরও প্রয়োজন হয় না। এমনকি তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই যেকোন দেশে গাড়ি চালাতে পারবেন। মোটকথা, মহারাণী এলিজাবেথের কোন প্রকার পরিচয় পত্রেরই প্রয়োজন নেই। লাইসেন্স না থাকলেও কুইন ভালই গাড়ি চালান।

কুইন এলিজাবেথই একমাত্র রাজকীয় মহিলা যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন। দেশের হয়ে রাণীর সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের কারণে(সেসময় তিনি কুইন ছিলেননা) সাধারণ ব্রিটিশদের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র তিনি।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন একজন মিলিটারি ট্রাক ড্রাইভার এবং কোয়ালিফাইড মেকানিক।

মৃত্যুর আগ অব্দি গ্রেট ব্রিটেনের সেনাবাহিনীর সকল ক্ষমতাও রাণীর হাতে ছিল কারন সেখানে কুইনের নামে জীবন দেওয়ার শপথ নিয়েই সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সৈনিকেরা। এমনকি ব্রিটিশ নৌবাহিনী যা রয়েল নেভী পরিচিত সব যুদ্ধ জাহাজের নামকরণ কুইনের নামেই করা।

মহারাণী এলিজাবেথ শুধু ইংল্যান্ডেরই নয়, উনি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডাসহ আরও ১২ টি দেশের রাণী। রাণী চাইলে যে কোন সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকেও ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেন। তিনি তারই একটি দৃষ্টান্ত রেখেছিলেন ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করেন অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে। ৩ ঘণ্টার মধ্যে কের সম্পূর্ণ সরকারকেই বন্ধ করে দেন। নতুন করে নির্বাচন হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়ে এরপর।

ঐতিহাসিক পরম্পরা অনুযায়ী তিনি গ্রেট ব্রিটেনের সকল সামুদ্রিক সম্পদের মালিক। এছাড়া ব্রিটেনের সাগরসীমার সকল তিমি ও ডলফিন এবং টেমস ও টেমসের শাখা নদীর সকল রাজহাঁসের মালিক হলেন কুইন এলিজাবেথ। বছরে একবার টেমস নদীর সকল রাজহাঁস ধরে রাণীর সামনে আনা হয় প্রতিকি মালিকানার প্রতি সম্মান স্বরুপ,তবে সবগুলো রাজহাঁসই টেমস নদীতে পুনরায় ছেড়ে দেয়া হয়।

মহারাণী এলিজাবেথ কোনপ্রকার কর দিতে বাধ্য নন, তবে রাণী হওয়ার পর থেকে ব্যাক্তিগত উদ্যোগেই তিনি নিয়মিত রাজ্যকর দিয়ে আসছেন। তিনিই পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা রাণী।

এছাড়াও রানীর রয়েছে আরো বিভিন্ন অদ্ভুত অদ্ভুত ক্ষমতা। আর এসব ক্ষমতাগুলোই তার ব্যক্তিত্বকে দিয়েছে স্বকীয় এক রাজকীয়তা, যার কারণে সমগ্র পৃথিবী তাকে দেখে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে।

06/09/2022

চীনে লং টাইম Class করার পর বাচ্চাদের ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হয়।

এতে বাচ্চাদের মনযোগ বাড়ে এবং পড়াশোনায় বেশী মনোযোগি হতে পারে।

05/09/2022

কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ২৮,০০০ গুণ বেশি।

প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই
সবচেয়ে বেশি ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা)।

একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।

মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার উড়তে পারে ।

পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে, আর তা শুনে কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ।

হামিং বার্ড পাখি পিছনের
দিকে উড়তে পারে ।

গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ
দুটি দুই দিকেই নাড়তে পারে।

টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম
পাড়ে ।

মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।

একমাএ পিঁপড়াই কোনদিন ঘুমায় না।

সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর মাটির নিচে ঘুমায়।
তারপর মাটি থেকে বেড়িয়ে এসে চিৎকার করতে করতে ৩ দিনের মাথায় মারা যায়।

সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর
থেকেও শোনা যায়।

অনেকের ধারণা
হাঙ্গর মানুষকে হাতের কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু মানুষের হাতেই বেশী হাঙর মারা পড়েছে।

কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।

আপনি প্রতিদিন কথা
বলতে গড়ে ৪৮০০টি শব্দ ব্যবহার করেন।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন
একটানা চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ হবে তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে
বানানো যাবে।

একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো দেহ ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।

আপনার যদি একটা তারকা
গুনতে ১ সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময় লাগবে প্রায় ৩ হাজার বছর।

অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই। অথচ শামুকের ২৫
হাজার দাঁত আছে।

চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব
না।

বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ কুকুর পারে ১০ রকম।

পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই পোকামাকড়।

একটি তেলাপোকা তার মাথা
ছাড়া ৯দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা যায়।

ভালো লাগবে আপনাদেরকে অজানা কিছু জানতে পারলে।

27/08/2022

আজ ১২ ভাদ্র ২৮ আগস্ট আলাব্বু ২৯ আগস্ট জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম মৃত্যু বরণ করেন। জাতীয় কবির মৃত্যু বার্ষিকী বাংলা না ইংরেজি হবে এ চিন্তা নজরুল গবেষক করবেন। আমার মতো অভাজন বিভাজন হয়ে কি লাভ!

যে নজরুল সুগঠিত দেহ, অপরিমেয় স্বাস্থ্য ও প্রাণখোলা হাসির জন্য বিখ্যাত ছিলেন, ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারাত্মকভাবে স্নায়বিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে পড়লে আকস্মিকভাবে তার সকল সক্রিয়তার অবসান হয়। ফলে ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যু অবধি সুদীর্ঘ ৩৪ বছর তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রযোজনায় ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকা স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭৬ সালে তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আল্লাহ ওনাকে কবুল করুন। আমিন।

Want your university to be the top-listed University in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


265, Muradpur
Dhaka
1204