Job Circular Update BD & Engineering Help Zone
21/06/2026
এই বইটা কে কে পড়েছেন?
এই পোস্ট পড়লে বুঝতে পারবেন ডিভাইস পার্টির গভীরতা,,,,,,,
হাজার হাজার মানুষ আছে এটা সম্পর্কে জানেন আবার হাজার হাজার মানুষ আছেন এটা সম্পর্কে জানেন না। তাই অনেকের আকাশ হতে পড়ার ই কথা।
আজকের বিষয় - *সরকারি চাকুরির পরীক্ষায় হল কন্টাক্ট ও প্র'ক্সি প্রার্থীদের বিগার*
এসব এ যুক্ত যেসব জেলার লোক - শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারি, পঞ্চগড়, দিনাজপুর (এসব এলাকার লোক বেশি যুক্ত)
বিস্তারিত নিম্নরূপ:
১. সরকারি চাকরির ম্যাক্সিমাম পরীক্ষায় যে হলে পরীক্ষা হয় সে হলে খাতা কাটা হয়। এবং দিনে দিনে রেজাল্ট তৈরি করে রাতে প্রকাশিত করা হয়। জিনিসটার সাথে সবাই আমরা পরিচিত। এখান থেকে শুরু হয় একটা গাবলা। বেকারদের সব থেকে বড় পু** টা মারে খোদ শিক্ষকরা। আমি বিশ্বাস করি আমি ছাড়াও এসব জিনিস এর সাথে অনেকেই অনেক পরীক্ষার হলে এসব এর মুখোমুখি হয়েছেন। এটা একটা ওপেন সিক্রেট। কেউ কথা বলে না এসব এর বিরুদ্ধে। এভাবে আর কতদিন?
২. হল কন্টাক্ট টা হয় কিভাবে?
- অনেক আগে থেকেই একটা বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে আসছে। আমি অনেক তথ্য সংগ্রহ করেছি। স্পাই হয়ে কাজ করতে হয়েছে, অনেকের সাথে মিশতে হয়েছে। অনেককে চিনি জাস্ট ওয়াটস অ্যাপ এর মাধ্যমে কিন্তু জীবনে ও তাদের চেহারা দেখি নাই। সিন্ডিকেট এর ম্যাক্সিমাম সদস্য কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও জামালপুরের সদস্য। অন্যান্য জেলার ও আছে তবে এখানের সদস্য ই বেশি। আগারগাঁও ও রামপুরায় এসব সিন্ডিকেটের সদস্যগুলো একটিভ। এদের বহু আগে হতেই বিভিন্ন সেন্টার এর বিভিন্ন শিক্ষক এর সাথে কন্টাক্ট আছে। যখন পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সরকারি অফিসগুলো হল বরাদ্দ বাবদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিঠি দেয় তখন সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর সিন্ডিকেট এর সদস্য শিক্ষক (প্রিন্সিপাল ও সদস্য তালিকায় আছে - ওপেন সিক্রেট ভাইয়া) সেই চিঠির ছবি তুলে সিন্ডিকেট এর কাছে পাঠায় - তখন সিন্ডিকেট এর সদস্যরা জেনে যায় পরীক্ষা কবে হতে চলেছে। তখন তারা ক্যান্ডিডেট খুঁজতে থাকে। ক্যান্ডিডেট এর এডমিট সংগ্রহ করে। এডমিট গুলো সিন্ডিকেট এর শিক্ষক এর কাছে পাঠায়। তখন নির্দেশনা অনুযায়ী সিন্ডেকেট শিক্ষক ক্যান্ডিডেট এর সিট পিছনের বেঞ্চে ফালায় এবং এমন একটা রুমে ফালায় যেখানে পরিক্ষার্থী কম হবে। কি এতটুকু পড়ে বেহুশ হয়ে গেছেন?
৩. হল কন্টাক্ট হওয়ার পরে পছন্দমতো জায়গায় সিট ফালানোর পর পরের ধাপটা বলতেছি।
এরপর বান্দির পুত শিক্ষকগুলো তাদের কারিশমা শুরু করে। তাদের কারিশমাগুলো নিম্নরূপ:
ক. ক্যান্ডিডেট কে মোবাইল নিয় কেন্দ্রে ঢুকতে সহায়তা করে।
খ. সুযোগ পাইলে পরীক্ষার ১০-২০ মিনিট আগে প্রশ্নের ছবি তুলে সিন্ডিকেট এর সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। চক্রের সদস্য রা প্রশ্নগুলো তাদের সলভার এর কাছে পাঠিয়ে দেয়। তাদের সলভার রেডি থাকে। তারা প্রশ্ন সমাধান করে দেয়।
গ. ক্যান্ডিডেট মোবাইল নিয়ে ঢুকে, মোবাইল যে ক্যান্ডিডেট এর কাছে আছে সেটা হলে থাকা শিক্ষক ও জানে। যারা কন্টাক্ট করে ঢুকে তাদের কিছু বলে না। যারা কন্টাক্ট ব্যতীত ঢুকে তারা ধরা খায় - অতঃপর তাদের পুলিশ এ সোপর্দ করা হয়। কন্টাক্টে যারা ঢুকে তারা পিছনে বসে মোবাইল দেখে লেখে। আশেপাশের শিক্ষার্থীরাদের অক্ষিগোচর হয় এসব বিষয়গুলো কিন্তু মদন শিক্ষার্থীগুলো ভয়ে কিছু বলেনা। আবার কিছু শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করার পরিবর্তে যে মোবাইল দেখে লেখতেছে তার থেকে দেখে দেখে লেখে। এমন ঘটনাগুলার সাথে যারা পরিচিত তারা কমেন্টে জানান।
ঘ. মাঝেমধ্যে আরেকটা কাজ করে - মোবাইল দেখে লেখে না। পরীক্ষার হলে বসে থাকে। তারপর সাদা খাতা কিংবা ফাঁকা OMR জমা দিয়ে আসে। নির্দেশনা অনুযায়ী গার্ডে থাকা শিক্ষক কিংবা সিন্ডিকেট এর অন্য সদস্য তা পূরণ করে। এইতো ঈদের পূর্বে একটা পরীক্ষায় একজন শিক্ষক একজন ক্যান্ডিডেট এর এমসিকিউ এর বৃত্ত বরাট করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে ধরা খেলো। শিক্ষার্থীরা দৌড়ানি দিলো এবং সেই কেন্দ্রেই আন্দোলন করলো - এর ভিডিও টা আমরা ফেসবুকে ভাইরাল হতে দেখেছি। কিন্তু শেষমেষ কি হলো??
ঙ. ওরা যে কেন্দ্রে প্রশ্নের ছবি তুলে সেই প্রশ্নের ছবিগুলোই পরবর্তীতে ফেসবুক এ বিভিন্ন অজানা ফেসবুক পেইজ এর নাম দিয়ে পোস্ট করে। আর আমরা সেগুলো ডাউনলোড করে আবার রি পোস্ট করি। সেই প্রশ্নগুলো বিভিন্ন লেখক আবার অনেক আগেই পেয়ে যায় তারপর পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ৩০ মিনিট পর আমরা সমাধান পেয়ে যায়। যেসব লেখক এসব প্রশ্ন যে পরীক্ষা চলাকালীন যে পেয়ে যায় + অন্ধকারজগত সম্পর্কে টুকটাক জানা সত্বেও কোনোদিন কোনো বালডা ও বলে নাই লিখে নাই।
চ. হল কন্টাক্ট বাবদ এক একজন ক্যান্ডিডেট হতে ৫০ হাজার হতে শুরু করে ৩,৪,৫ লাখ ও নিয়ে থাকে শুধু লিখিত/এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করানোর জন্য।
৪. শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা হলে মানে এমসিকিউ পরীক্ষার পরেই ভাইভা এমন পরীক্ষাগুলোতে প্রক্সি প্রার্থী + ডিভাইস পার্টিদের বিগার উঠে যায়। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, রেলওয়ের পরীক্ষাগুলোতে এসব বান্দির পুতদের বিগার উঠে যায়। কারণ, এমসিকিউ পাশ করলেই ভাইভা। এআই, ফটোশপ দিয়ে ছবি ইডিট করে। ধরতে ও পারবেন না ছবিটা আসলে কার। অনেক সুন্দর তাদের কাজ। তারপর হল কন্টাক্ট করে সুন্দর করে ডিভাইস নিয়ে ঢুকে সুন্দর করে পরীক্ষা দিয়ে ৭০ এ ৬৮-৬৯ মারে। পরীক্ষা দেয় একজন, ভাইভা দেয় একজন অতঃপর জয়েন করে আরেকজন। এমন করতে গিয়ে অহরহ ধরা ও খাচ্ছে। যেমন লাস্ট ডুআইসিটির অফিস সহায়ক পরীক্ষা ও পেশকার এর ভাইভার সময় এমন অনেক এ ধরা খাইছে - আপনারা এসব স্বচক্ষে + ফেসবুক এ দেখছেন। এগুলো ওপেন সিক্রেট।
৫. প্রক্সি কারা দেয়?
প্রক্সি দেয় মেধাবী ছেলে মেয়ে গুলাই। ম্যাক্সিমাম বান্দির পুত ও বান্দির মেয়েগুলো বিভিন্ন সরকারি অফিসে চাকুরি করে। তাদের পেশা ই হচ্ছে প্রক্সি দেয়া। কুত্তার বা** গুলো দিনের পর দিন এসব আকাম করে যাচ্ছে। বিভিন্ন পোলাপানদের দেখবেন চাকরি হওয়ার পরেও হুদা কামে পরীক্ষা দেয়। কিছু দেয় হুজুগে কারণ তারা সাইকো আর কিছু দেয় কারণ তাদের ব্যবসা হচ্ছে প্রক্সি। ওরা নিজে চাকুরি করেও প্রক্সি দেয় অন্যের হক মারে। মানিকগঞ্জ, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ এর কিছু বাইন** বিখ্যাত প্রক্সি জগতে। প্রক্সি দিয়ে নিজের বোন, নিজের ভাইরে চাকরি পাওয়াই দিছে।
৬. এটা আজকের সর্বশেষ প্যারা - আজকে আর লিখবো না
- আমাদের সবাইকে ধন্যবাদ দিতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিসিএস কর্মকর্তাদের। আমি কি তাদের তেল মারতাছি? জি না। আগে আসল কথা শুনেন। কিছু চৌকস বিসিএস কর্মকর্তা উনারাও এসব বিষয়ে অবগত। আমি জানি, আপনি জানেন এসব ওপেন সিক্রেট উনারা কি জানার বাহিরে আছে নাকি?? উনারা ও জানে। উনারা উনাদের খেলাটা দেখায় ভাইভা বোর্ডে - বর্তমান সময়ে ২টা ভাইভা বোর্ড গঠন করা হচ্ছে - একটা হাতের লিখা মেলায় বাহিরে - আর ভিতরের ভাইবা বোর্ড কড়াকড়ি ভাবে সবকিছু তদারকি করায় বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ভাইভা বোর্ডে আমি আপনিসহ আমরা সবাই বিভিন্ন প্র'ক্সি ক্যান্ডিডেট ধরা খাইতে দেখি। উনাদের চৌকস রীতিনিতি র জন্য বর্তমানে বহুত ফেয়ার এ চাকুরি হচ্ছে। ২০২২,২০২৩ এ যেভাবে প্রক্সি পার্টিরা গোল মারতো সহজে বর্তমান সময়ে সেটা নির্মুল করতে সক্ষম হয়েছে চৌকস কর্মকর্তারা। তবে তবে তবে তবে তবে -------------------------------
সকল কিছুর ফাঁক ফোকড় দিয়ে ২-৩ জন বের হয়ে যাচ্ছে। প্র'ক্সি ও ডিভাইস পার্টিরা ও স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে। তার উপর ভাইভা বোর্ডে বিভিন্ন মহল হতে সরকারি চাকুরি করা ব্যক্তিরা বিভিন্ন সুপারিশ পাঠায়, রাজনৈতিক নেতারা সুপারিশ পাঠায়। আরো আরো অনেক কাহিনি আছে।
মনে করেন, ৫০ জনের নিয়োগ দিলো ঐ সালারা টার্গেট করে ৫টা পদ বাকি ৪০-৪৫ টা পদ ফেয়ার এর উপর ছেড়ে দেয় - এ জন্য হল কন্টাক্ট হতে শুরু করে ভাইভা বোর্ড পর্যন্ত ম্যানেজ করার জন্য চেষ্টা চালানো হয়। কাড়ি কাড়ি অর্থ অফার করা হয়। এত টাকার লোভ অনেকেই সামলাইতে পারার কথা না। এইজন্য দেখেন না প্রাইমারি পরীক্ষার সময় জনতা ব্যাংকে চাকুরি করা লোক ও প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা খাইছে। এসব বিষয়ে আমাদের সোচ্ছার হতে হবে। অন্ধকার জগত নিয়ে আমার কলম চলবে। আমি বড় একটা অফিসার হলে সব উপড়ে ফেলবো। ধইড়া ধইড়া একেকটারে পু*** মারবো।
যারা হক মা'রে - প্র'ক্সি দেয় - একই গ্রেডে নিম্নমানের অফিসে পরীক্ষা দেয় (তুই ব্যাটা ভালো অফিসে জব করে অজপাড়াগায়ের অফিসে একই গ্রেডে কেন পরীক্ষা দেস?) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলমান থাকবে। কলম চলবে।
এখন একদিনে তো সব লেখা বা প্রকাশ করা যায় না। ধাপে ধাপে আগাইতে হয়। ধাপে ধাপে সব প্রকাশ করতে হয়।
আমি যদি মা'রা যায় - আমার একটা ছেলে আছে দেইখেন।
দেখা হবে পরবর্তী বো'ম পোস্টে।
ধন্যবাদ।
আল্লাহ হাফেজ।
কার্টেসি - লেখাঃ Aasif Aybars
Collected
আমার প্রেডিকশন
আর্জেন্টিনা ০ - আলজেরিয়া ২
আপনার প্রেডিকশন বলেন???
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka