SoFast Web Services
11/03/2021
গত শতাব্দীর তুলনায় এই শতাব্দীতে টুইন বেবি জন্মহার অনেক বেশী।
যেটা আগের শতাব্দিতে ছিল ১% সেটা এই ২০০০-২০১০ সালে এসে দারিয়েছে ৩.৫%। মানে হিসেব করলে দারায় একশো টা বাচ্ছা জন্ম নিলে তার মধ্য ৩-৪ টাই জন্ম নেয় টুইন বেবি হিসেবে।
নোটঃ ইয়াং মা দের তুলনায় বেশী বয়সে যারা মা হচ্ছেন তাদের টুইন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী।
সুত্রঃ Article of Alexis C. Madrigal of The Atlantic.
11/03/2021
পৃথিবীর সব জনসংখ্যা যদি এক যায়গায় জড় করা হয়, তাহলে কতটুকু যায়গা লাগবে সব মানুষকে এক জায়গা জড় করতে? ভেবে অবাক হচ্ছেন?
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক হিসেব অনুযায়ী আমেরিকার স্টেট লস এঞ্জেলসে পৃথিবীর সব মানুষকে এক সাথে জড় করা সম্ভব যদি প্রত্যেক মানুষ একে অন্যর সাথে কাধ মিলিয়ে দারায়।
নোটঃ পৃথিবীর বর্তমান জনসংখ্যা ৭৫০ কোটিরও বেশী।
25/02/2021
গোপাল ভাঁড়কে কেন আর বাংলায় দেখা যায় নি?
তখন ছিল ১৭৫৭ সাল। তরুণ সিরাজউদ্দৌলা ওই সময়ে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব। তাঁর শত্রু সংখ্যা প্রচুর। মির জাফর, ঘসেটি বেগম, জগৎ শেঠ, রায় দুর্লভ, উমিচাঁদ-সহ অনেকেই গোপনে ষড়যন্ত্র করে তাঁকে সিংহাসনচ্যুত করার কাজে লিপ্ত। তাঁরা প্রত্যেকেই নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য ইংরেজ বণিকদের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। এক সময় এই ষড়যন্ত্রে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকেও যোগ দিতে বলা হয়। কৃষ্ণচন্দ্র নিজের সভাসদদের কাছে মতামত চান। রাজসভার সবাই যোগ দেওয়ায় সমর্থন করলেও শুধু একজন ব্যক্তি ‘না’ করেন। তিনি হলেন গোপাল ভাঁড়।
তিনি আন্দাজ করতে পেরেছিলেন ইংরেজ ও মির জাফরদের কূট পরিকল্পনা। আর স্বার্থসিদ্ধির পর ইংরেজরা আর যে রাজাকে মনে রাখবে না, সেটাও তিনি টের পান। সর্বোপরি বাংলার এমন সর্বনাশ না করতে গোপাল বার বার অনুরোধ করলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে। কিন্তু রাজা তাঁর কথায় কর্ণপাতও করলেন না, বরং তাঁর বাকি সভাসদদের নিয়ে গোপালকে চরম বিদ্রূপ করতে আরম্ভ করলেন। গোপাল কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তে অটল। তখন কৃষ্ণচন্দ্র গোপালকে শর্ত দিলেন, গোপাল যদি মুর্শিদাবাদ গিয়ে নবাবকে মুখ ভেংচি দিয়ে আসতে পারে, তবেই তিনি আর নবাবের বিরুদ্ধে যাবেন না।
কৃষ্ণচন্দ্রের শর্ত শুনে গোপাল পর দিনই মুর্শিদাবাদ যাওয়ার পরিকল্পনা করলেন। মুর্শিদাবাদে তো পৌঁছালেন, কিন্তু তাঁকে নবাবের হীরাঝিল প্রাসাদে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হল না। গোপাল তখন প্রহরীর হাতে দিল একটা কামড়। ফলশ্রুতিতে বিচারের জন্য নবাবের কাছে পেশ করা হল গোপালকে।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা গোপালকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে তুমি, কেন এসেছো?’ গোপাল কোনও কথার উত্তর দিলেন না। বরং নবাবের দিকে তাকিয়ে বিশ্রী ভাবে মুখ ভেংচালেন। নবাব তো রেগে লাল। ‘কী! এত বড় দুঃসাহস! আমাকে মুখ ভেংচানো। প্রহরী, আটক করো এই বদমাশটাকে!’ আটক করা হল গোপালকে। আগামীকাল হবে বিচার।
এর মধ্যেই গোপাল কায়দা করে মির জাফরের কানে কানে গিয়ে বললেন, ‘আমি এসেছিলাম তোমাদের ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দিতে। কিন্তু কিছু বলব না। কারণ এ সব কথা ফাঁস করে দিলে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রও যে ফেঁসে যাবেন। তখন নবাব তাঁকে সরিয়ে অন্যজনকে ক্ষমতায় বসাবেন। আমি চাই না কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলুক। তিনি যে আমার অন্নদাতা।’
মির জাফর গোপালের এমন কথা শুনে তো রীতিমতো ঘাবড়ে গেলেন। তিনি নবাবের কান ফুঁসলিয়ে গোপালের ফাঁসির ব্যবস্থা করলেন। পরদিন সভায় গোপালকে হাজির করা হল। শোনানো হল তাঁর শাস্তি। ফাঁসির শাস্তি শুনেও গোপালের মুখের কোনও পরিবর্তন দেখা গেল না। বরং নবাব গোপালের দিকে তাকাতেই গোপাল আবার মুখ ভেংচি দিলেন। নবাব তো থ! এ হেন পাগলকে নিয়ে তিনি কী করবেন ভেবে পেলেন না। পাগল লোককে কি ফাঁসি দেওয়া ঠিক?
ডাক পড়ল কবিরাজের। কবিরাজ মশাই গোপালকে পরীক্ষা করতে লাগলেন। নবাব জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কবিরাজ মশাই, কী বুঝছেন?’ কবিরাজ মাথা চুলকে বললেন, ‘এ তো দেখছি বদ্ধ উন্মাদ!’ শেষে নবাব গোপালকে মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
গোপাল ফিরে এলেন কৃষ্ণনগরে। মহারাজকে সব কথা খুলে বললেন। কৃষ্ণচন্দ্র ভেবেছিলেন গোপাল আর যা-ই করুক নবাবকে মুখ ভেংচানোর সাহস হবে না! এ দিকে গোপাল তো অসাধ্য সাধন করে এসেছেন। আর কৃষ্ণচন্দ্রের মনের ইচ্ছা মির জাফরকেই সমর্থন করা। তার উপর একমাত্র গোপাল ছাড়া বাকি সব সভাসদরাও তাঁর সঙ্গে আছেন।
মহারাজ সকল সভাসদদের সামনে গোপালকে বলে উঠলেন, ‘গোপাল! তুমি যা-ই করো না কেন, তোমাকে দেওয়া শর্ত আমি মানি না। আমি নবাবের বিরুদ্ধেই যাব। এতে তুমি আমাকে সাথ দাও বা না-দাও, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’ এ বার গোপাল ভীষণ অপমানিত বোধ করলেন। নিঃশব্দে সভা ত্যাগ করলেন। ঠিক করলেন, এই রাজসভায় আর ফিরে আসবেন না। শুধু রাজসভা কী, তিনি এই রাজ্যই ত্যাগ করবেন। অতঃপর অত্যন্ত ব্যথিত মনে কাউকে কিছু না বলে রাতের অন্ধকারে গোপাল সপরিবারে রাজ্য ত্যাগ করলেন। এর পর সদা হাস্যময় গোপাল ভাঁড়কে বাংলায় আর দেখা যায়নি।
03/01/2021
তৃতীয় সন্তানের বাবা হতে চলেছেন ওয়ানডের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
26/12/2020
ফ্রান্সেও নতুন ধরনের প্রজাতির করোনার সন্ধান।
যুক্তরাজ্যে পাওয়া নতুন প্রজাতির করোনাভাইরাসের সন্ধান এবার ফ্রান্সেও মিলেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1212