Commerce Point
24/01/2026
ড. ইউনূসকে বলতো সুদি ইউনূস! পশ্চিমাদের দালাল ইউনূস, ইসলাম বিদ্বেষী ইউনূস! হাসিনা নামটা পর্যন্ত নিতো না।
দেশের মোল্লা- মুন্সিরা পর্যন্ত বাজে ভাষায় গালাগালি করছে!
অথচ সেই ইউনূস দেখিয়ে গেছে মোল্লাদের কিভাবে সম্মান করতে হয়।
ইমামের বেতন করছে ৬ গ্রেডে!
যেখানে একজন বিসিএস ক্যাডারের বেতন ৯ ম গ্রেড।
মুয়াজ্জিনের বেতন করছে ৯ ম গ্রেড যেটা নব্য বিসিএস ক্যাডারের সামান।
শুধু বেতন বাড়িয়ে সম্মান করে নাই, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচনের পর্যবেক্ষক হচ্ছেন ইমাম খতিবরা!
কি বুঝলেন?
ইতিহাসের প্রথম এই জমিনে ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মান ফিরিয়ে দিলেন!
ইমাম মানে "নেতা" শুধূ ধর্মীয় না সবার নেতা ,সুদী ইউনূস সেই প্রকৃত নেতা বানিয়ে দিয়ে গেলেন।
এখন আর সরকারি কর্মকর্তারা চাইলেই ইমামদের ভয় দেখিয়ে কথা বলা বন্ধ করে রাখতে পারবে না।
চাইলেই কেউ মাহফিলে বাধা দিতে পারবে না।
কারণ সেই ক্ষমতা ইউনূস মোল্লাদের দিয়া গেছে।
মনে নাই, সুদ, ঘুষ,দু্র্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে মামলা দিতো।
সরকারি কর্তারা খোদবাতে বাধা দিতো।
এখন চাইলেই হাসিনার মতো শাপলা কিলিং করতে পারবে না। কারণ ইমামরা এখন বাধা দেয়ার ক্ষমতা আছে। সিনা টান টান করে কথা বলতে পারবে।
শুনেন, হাসিনা ইউনূসকে সুদী, ভিলেন, ব্যাংক খেকো বানিয়ে রাখতো।
যেন হাসিনারে কাউন্টার দিতে না পারে। হাসিনার ভুল আঙ্গুল দিয়া দেখাইতে না পারে। কারণ হাসিনা জানতো ইউনূসের মতো ক্ষমতাবান বাংলাদেশে দ্বিতীয় কেউ নাই।
সে জানতো ,ইউনূসের মতো লোক আসলে হাসিনা নাই হয়ে যাবে।
বিদেশি কোন সমর্থন কিংবা সহযোগিতা পাবে না।
তাই ড. ইউনূসকে মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখছে।
বার বার বলি এবারও বলি,
হুজুগে হয়েন না! চিলে কান নিয়া গেছে কান হাত না দিয়া চিলের পিছনে দৌড়ায়েন।
নিজের কানে আগে হাত দিয়েন।
এদেশে রাজনীতিবিদরা সবচেয়ে বেশি গেইম খেলে মোল্লা কার্ড! আর সেই ফাঁদে মোল্লারা সহজেই পড়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত রাজনীতিবিদরা জয়ী হয়, মোল্লারা অপমাণিত হয়।
নেতারা মোল্লাদের মধ্যে কামড়াকামড়ি লাগিয়ে রাখে।
উগ্রবাদী আচরণ করতে বাধ্য করে।
আর সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে নেতারা জঙ্গি গেইম খেলে।
এবার সেই সুযোগটা আর দিয়েন না।
সত্য মিথ্যা পার্থক্য করার সক্ষমতা অর্জন করেন, প্রকৃত পক্ষে কে বা কারা দেশের সম্পদ আগে ভাবেন!
মুর্খদের ন্যারেটিভে হুজুগের মতো লাফালাফি কইরেন না!!
24/01/2026
সহিংস নির্বাচন হলেই জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশের বর্তম.....
নেকাব পরার ইতিহাস
১️⃣ প্রাচীন সভ্যতায় নেকাব
নেকাব বা মুখ ঢাকার প্রথা ইসলামের আগেও ছিল।
মেসোপটেমিয়া (খ্রি.পূ. প্রায় ২০০০ বছর আগে)
সেখানে উচ্চবিত্ত ও সম্মানিত নারীরা মুখ ঢাকত। এটি ছিল সামাজিক মর্যাদার প্রতীক।
প্রাচীন পারস্য ও বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য
অভিজাত নারীরা পর্দা ও মুখাবরণ ব্যবহার করতেন।
প্রাচীন ভারত ও গ্রিসেও কিছু অঞ্চলে পর্দা প্রথার অস্তিত্ব ছিল।
👉 অর্থাৎ, নেকাব প্রথমে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক রীতি হিসেবে শুরু হয়।
২️⃣ আরব সমাজে (ইসলামের আগে)
ইসলামের আগের আরব সমাজে:
মরুভূমির ধুলো, রোদ ও গরম থেকে বাঁচতে নারী ও পুরুষ উভয়েই মুখ ঢাকত।
কিছু গোত্রে নারীরা সামাজিক শালীনতার অংশ হিসেবে মুখ ঢাকতেন।
৩️⃣ ইসলামের আবির্ভাবের পর
ইসলাম আসার পর পর্দার ধারণা একটি নৈতিক ও ধর্মীয় ভিত্তি পায়।
কুরআনে সরাসরি “নেকাব” শব্দ নেই
তবে লজ্জা, শালীনতা ও পর্দার নির্দেশনা রয়েছে
যেমন: সূরা নূর (২৪:৩১)
সূরা আহযাব (৩৩:৫৯)
09/01/2026
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত।
ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে পারবেন না বলে জানান আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের শেষ দিন আজ।
আপিলগুলোর শুনানি ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
সূত্র: যমুনা টিভি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka