BhaloKichu.com
02/12/2025
যদি খিদা লাগে, তাহলে এই স্কুলে ভর্তি হয়ে যান।
23/11/2025
জীবনের সবকিছুর বিনিময়ে যদি আর একবার বাবা–মায়ের সেবা করার সুযোগ পেতাম!
আমার সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু পেরেছি, আমি আমার বাবা–মাকে সেবা করেছি। আর সেই সেবার বিনিময়ে তারা আমার মাথায় হাত রেখে যে দোয়াটা দিয়েছিলেন—
“তোর জীবনে কোনো চিন্তা নাই।”
সেদিনের সেই দোয়ার পর থেকে সত্যিই কখনও পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। জীবনে অদ্ভুত শান্তি, বরকত আর সফলতা এসেছে শুধু সেই দোয়ার বরকতে।
যাদের আজও এই সম্পদ আছে—বাবা–মা বেঁচে আছেন—দয়া করে তাদের হাতছাড়া করবেন না।
বাবা–মায়ের সেবা করতে করতে যদি আপনি ফকিরও হয়ে যান, তবুও শেষ সম্বল হিসেবে যদি তাদের সত্যিকারের দোয়া আপনার সাথে থাকে—
তাহলে আপনি রাজাই হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
সংগ্রহীত
20/11/2025
20/11/2025
😋
15/11/2025
গরিব মায়ের রাজকন্যা ❤️
বাবা তো নেয় সে বাবা নামের ক/ল/ঙ্ক 😡
14/11/2025
আপনি ফাস্ট কিভাবে আর্নিং করেছেন! 🙃
বড়ই ভয়ানক কথা! মনে হলো আমার ব্যাপারে বলা হচ্ছে এখানে-
হাসান বাসরী (রহ.) বলেন-
“তুমি মুমিনকে যখনই দেখবে, তাকে একই অবস্থায় পাবে, একই চেহারায় পাবে। যতই সময় গড়াক। কিন্তু মুনাফিককে দেখবে সময়ের সাথে সে পরিবর্তনশীল; সে যার সাথেই বসে, তার মতো হতে চায়। বাতাস যখন যেদিকে যায়, সেও সেই পথে হাঁটে।”
[আয-যুহদ, হান্নাদ ২/৫৭৯]
সংগ্রহীত
20/10/2025
চাচা মিয়া সুখ টান দিচ্ছেন… কেমোথেরাপির মাঝেই।”
রাউন্ডে ঢুকেই দেখি —
চাচা মিয়া হাসিমুখে বিছানায় বসে আছেন।
আজ তার দ্বিতীয় কেমোথেরাপি।
বললেন, “ডাক্তার সাহেব, আগেরটার পর বেশ ভালো লাগছে, শ্বাসও কম কষ্ট হয়।”
ভালো খবর শুনে খুশি হলাম।
কিন্তু একটু পরেই চোখ পড়ল বালিশের পাশে থাকা শার্টের পকেটে —
সেখান থেকে উঁকি দিচ্ছে একটা সিগারেটের প্যাকেট।
আমি অবাক হয়ে বললাম, “চাচা, এটা কী?”
চাচা হাসতে হাসতে বললেন —
“ডাক্তার, এখন আর আগের মতো খাই না। দিনে ৪-৫ টা মাত্র।”
বুঝলেন তো?
ক্যান্সারও এখন বুঝে গেছে —
মানুষ বদলায় না, যতই মৃত্যু সামনে থাকুক।
ফুসফুসের কোষগুলো আগুনে পুড়ছে,
কিন্তু হাতের অভ্যাসটা এখনো ছাড়েনি।
যে রোগী কেমোথেরাপির সময়েও সুখ টানে,
তাকে আর চিকিৎসা নয়, শুধু দোয়া দেওয়া যায়।
কারণ যিনি নিজের মৃত্যু নিজেই বেছে নিয়েছেন,
সত্যটা কষ্টের, কিন্তু বলা দরকার —
কেমো মানেই জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টা।
আর সিগারেট মানেই নিজের হাতে সেই জীবনকে মেরে ফেলা।
দুইটা একসাথে চলতে পারে না।
তুমি যদি ভাবো,
“এখন কম খাই”, “দুই টানেই বা কী হবে”—
তাহলে মনে রাখো,
প্রতিটি টান মানেই এক ফোঁটা করে অক্সিজেন কমে যাওয়া।
একটা সিগারেট, একদিনের আয়ু কমানো নয় —
এটা আসলে “নিজের জন্য খোঁড়া কবরের প্রথম ইট”।
আজ যারা সুখ টান দিচ্ছেন,
তাদের জন্য ক্যান্সার ইতিমধ্যেই রাস্তা ঠিক করে রেখেছে।
চুপচাপ অপেক্ষা করছে,
কখন আপনি শেষ টানটা দেবেন —
আর মৃত্যুও হাসতে হাসতে বলবে, “চলুন, এবার আমার পালা।”
এই পোস্টটা শেয়ার করুন,প্রিয় মানুষটা যে বয়সের কারনে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সিগারেট খাচ্ছে তাদের সচেতন করুন,বাচুক আরেকটা ফুসফুস
কেস সামারি, ছবি : অনকোলজিস্ট জাবির ভাই
© Dr-Abdur Rahman
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Islami Tower, Banglabazar
Dhaka
1100