ALFA
09/10/2020
16/09/2020
পবিত্র কোরআন শরীফের ৯৫ নম্বর সূরার নাম “আত্ তীন”। তীন আরবি শব্দ, যার অর্থ আঞ্জির বা ডুমুর। এ সূরায় মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন “ওয়াততীন ওয়াঝঝাইতূন। ওয়া তূরি ছীনীন। ওয়া হা-যাল বালাদিল আমীন। ” অর্থ : শপথ তীন ও যাইতূন এর। শপথ সীনাই পর্বতের এবং শপথ এই নিরাপদ ও শান্তিময় নগরীর। (আয়াত :১-৩)। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কুরআনে ‘ত্বীন’ বা আঞ্জির ফলকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহরূপে ব্যক্ত করা হয়েছে।
হিন্দুদের ক্ষেত্রে অশ্বত্থ একটি ধর্মীয় গাছ। বাইবেলে এই ফলের উল্লেখ আছে; সেখানে বলা হয়েছে, ক্ষুধার্ত যীশু একটি ডুমুর (আঞ্জির) গাছ দেখলেন কিন্তু সেখানে কোনো ফল ছিল না। বৌদ্ধ ধর্মেও এই গাছ পবিত্র হিসেবে গণ্য। গৌতম বুদ্ধ যে বোধিবৃক্ষতলে মোক্ষ লাভ করেন তা ছিল অশ্বত্থ গাছ, যা একটা ডুমুর জাতীয় গাছ (Ficus religiosa বা Pipal)।
বাংলায় ডুমুর, এবং ইংরেজি: Ficus, Fig tree; বৈজ্ঞানিক নাম : Sycamore Fig, Ficus sycamore. মোরাসিয়ে গোত্রভূক্ত ৮৫০টিরও অধিক কাঠজাতীয় গাছের প্রজাতিবিশেষ। এ প্রজাতির গাছ, গুল্ম, লতা ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে ডুমুর গাছ বা ডুমুর নামে পরিচিত।
ডুমুর নরম ও মিষ্টিজাতীয় ফল। ফলের আবরণ ভাগ খুবই পাতলা এবং এর অভ্যন্তরে অনেক ছোট ছোট বীজ রয়েছে। এর ফল শুকনো ও পাকা অবস্থায় ভক্ষণ করা যায়। উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে এ প্রজাতির গাছ জন্মে। কখনো কখনো জ্যাম হিসেবে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াও, স্ন্যাকস জাতীয় খাবারেও ডুমুরের প্রয়োগ হয়ে থাকে।
ডুমুর কয়েক প্রজাতির হয়। বাংলাদেশে সচরাচর যে ডুমুর পাওয়া যায় (Ficus hispida) তার ফল ছোট এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত। এর আরেক নাম ‘কাকডুমুর’। এই গাছ অযত্নে-অবহেলায় এখানে সেখানে ব্যাপক সংখ্যায় গজিয়ে ওঠে। গাছ তুলনামূলকভাবে ছোট। এটি এশিয়ার অনেক অঞ্চলে এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়। পাখিরাই প্রধানত এই ডুমুর খেয়ে থাকে এবং পাখির বিষ্ঠার মাধ্যমে বীজের বিস্তার হয়ে থাকে। অনেক এলাকায় এই ডুমুর দিয়ে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। এই ডুমুরের পাতা শিরিশ কাগজের মত খসখসে। এর ফল কান্ডের গায়ে থোকায় থোকায় জন্মে।
মধ্যপ্রাচ্যে যে ডুমুর (আঞ্জির) পাওয়া যায় (Ficus carica) তার ফল বড় আকারের; এটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে খাওয়া হয়। বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হয়ে থাকে আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত। এর আরবি নাম ‘তীন’; হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে ‘আঞ্জির’
10/09/2020
শুকনো আলুবোখরা....!!!
# কাটিংকা, ফ্লাউমেন, হানিটা, আওয়াবাখার, প্রেজেন্টাসহ নানা নামে বিশ্ব জুড়ে পরিচিত ফলটিকে বাঙালিরা চেনেন আলুবোখারা হিসেবে। সারা বিশ্বে মোট দুই হাজার প্রকারের আলুবোখারা পাওয়া যায়।
# ছোট, লম্বাটে ফলটিতে রয়েছে মিনারেল, ভিটামিন ও আঁশ, যা একজন সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে আলুবোখারায় যথেষ্ট পরিমাণে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন A, B, C এবং E রয়েছে।
# আলু বোখারার উপকারিতা প্রাকৃতিক ল্যাক্সোটিভ ও বাধ্যক্য বিরোধী গুণাগুণ যা সারা বিশ্ব জুড়ে বয়স্ক মানুষের কাছে সমাদৃত। তাজা বা শুকনো যেকোনোভাবেই এটি খাওয়া হোক না কেন এই ফলটি তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম একটি খাবার।
# আলু বোখারা নার্ভের জন্য খুবই উপকারী। এটি মানসিক চাপ দূরে রাখতেও সহায়তা করে।
# গড়ে ১০০ গ্রাম আলুবোখারায় রয়েছে মাত্র ৫০ গ্রাম ক্যালরি, যা ফিগার সচেতনদের জন্যও উপযুক্ত। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আলু বোখারার জুড়ি নেই।
# আলু বোখারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
# আলু বোখারা সহজে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। আলু বোখারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। ওজন কমানো এবং তা ধরে রাখা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
# গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ কষ্ট করে ওজন কমানোর পর শিগগিরই তা ফিরে পায়। তবে খাবারের তালিকায় আলু বেখারা যুক্ত হলে মানুষের স্থুলতা শুধু কমবেই না তা ধরে রাখতেও সহায়ক হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
36/A Aziz Co-oparativ Supar Market
Dhaka
1000