Shohoz Tech
05/05/2026
ভাবুন, আপনার অ্যাপের সামনে কোটি টাকার বিজ্ঞাপনের অফার এসে দাঁড়িয়েছে। শর্ত একটাই—অ্যাপে বিজ্ঞাপন চালু করতে হবে। আপনি কী করতেন?
একসময় ঠিক এমন প্রস্তাবই পেয়েছিল Pinterest। বড় বড় ব্র্যান্ড তখন মোটা অংকের বিজ্ঞাপন দিতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠাতা Ben Silbermann তাড়াহুড়া করে সেই সুযোগ নেননি।
তিনি বুঝেছিলেন, শুরুতেই বেশি বিজ্ঞাপন ঢুকলে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা নষ্ট হবে। আর ব্যবহারকারীর বিশ্বাস হারালে দীর্ঘমেয়াদে সেটাই সবচেয়ে বড় ক্ষতি। তাই দ্রুত লাভের পথে না গিয়ে তিনি আগে ফোকাস করেন একটি পরিষ্কার, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার দিকে।
সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে ওঠে Pinterest। যখন প্ল্যাটফর্মটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে যায়, তখন চালু করা হয় Promoted Pins—এমনভাবে মনিটাইজেশন করা হয় যাতে বিজ্ঞাপনও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে যায়, বিরক্তির কারণ নয়।
এই গল্পের শিক্ষা খুব সহজ। দ্রুত লাভের লোভ ছেড়ে দীর্ঘমেয়াদে ভ্যালু তৈরি করতে পারলে তবেই সত্যিকারের সফলতা আসে।
26/03/2026
এক সময়ের নাম্বার ওয়ান ব্রাউজার হঠাৎ কেন হারিয়ে গেল? টপ পজিশন থেকে ব্যান পর্যন্ত UC Browser-এর গল্প সত্যিই সিনেমার মতো অন্ধকার।
যারা জাভা ফোনের সময় থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাদের কাছে UC Browser শুধু একটা অ্যাপ না, একগাদা স্মৃতি। এমন একটা সময় ছিল যখন অ্যান্ড্রয়েডে আসার পরও এটা ক্রোমকে খুব একটা গুরুত্বই দিত না। অথচ আজ প্রায় অদৃশ্য।
নোকিয়া 3110c হাতে নিয়ে প্রথম UC ব্যবহার করার স্মৃতি এখনো টাটকা। তখন 2G যুগ, Opera Mini দিয়ে ডাউনলোড মাঝপথে ফেল করাটা ছিল নরমাল ব্যাপার। হঠাৎ UC Browser ব্যবহার শুরু করতেই সব বদলে গেল। দ্রুত ডাউনলোড, তার উপর আবার রিজিউম সাপোর্ট। তখন এটা ছিল বিশাল ব্যাপার।
এরপর Nokia N70 এ UC Browser ব্যবহার করে যেনো নতুন দুনিয়া খুলে গেল। 2.5G নেটে 30–40KB/s স্পিড তখন অবিশ্বাস্য লাগত। একসাথে অনেকগুলো ফাইল ডাউনলোড দিয়ে রেখে দেওয়া যেত।
জাভা ফোনের সময়েই UC-তে ছিল ডার্ক মোড, পুরো ওয়েবসাইট ফোর্স ডার্ক করার সুবিধা, আই কমফোর্ট মোড, ক্লাউড ডাউনলোড, বিল্ট-ইন প্রক্সি দিয়ে ব্লক সাইট খুলে ফেলা। সেই সময়ের জন্য এগুলো ছিল ভবিষ্যতের ফিচার।
অ্যান্ড্রয়েডে যখন ক্রোমের সাইজ 100MB ছাড়িয়ে যায়, UC ছিল প্রায় 30MB। কিন্তু ফিচার ছিল অনেক বেশি। ডাউনলোড স্পিড দ্রুত, ব্রাউজিং স্মুথ, লো-এন্ড ফোনের জন্য UC Mini, পরে UC Turbo। ফেল হওয়া ডাউনলোড আবার চালু করা যেত। ডেস্কটপ লেভেলের ডাউনলোড ফিচার তখন ফোনে পাওয়া যেত।
তারপর থেকেই সমস্যা শুরু। নিরাপত্তা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসে। ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল ডাটা এনক্রিপশন ছাড়া বিদেশি সার্ভারে পাঠানো হচ্ছিল বলে রিপোর্ট বের হয়। এমনকি অ্যাপের ভেতর থেকেই আনসিকিউর সার্ভার থেকে আপডেট নেওয়ার বিষয়টি প্লে স্টোর নীতিমালার বিরুদ্ধে যায়। এতে হ্যাকারদের ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়। 2017 সালে প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে দেওয়া হয়।
পরে ভারতের চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধের তালিকায় যুক্ত হওয়ায় বড় ধাক্কা খায় UC Browser। কারণ ভারতের বাজারই ছিল তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এরপর থেকে ধীরে ধীরে এটি হারিয়ে যেতে শুরু করে।
অনেকেই হয়তো মনে করতে পারবেন, 2013 সালের দিকে UC Browser Mod দিয়ে ফ্রি নেট ব্যবহার করার দিনগুলো। 2G যুগে শত শত জিবি ডাউনলোড করা তখন ছিল এক ধরনের অ্যাডভেঞ্চার।
আপনার কি কোনো স্মৃতি আছে UC Browser নিয়ে? এখনো কি ব্যবহার করেন? মন্তব্যে জানাতে পারেন।
30/03/2025
Finally into the Ghibli Trend! 🥹✨
🔴 গরিব কেন সারা জীবন গরিব থাকে? 🔴
আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে:
1. একটিভ ইনকাম
2. প্যাসিভ ইনকাম
3. পোর্টফোলিও ইনকাম
---
🔴 ১. একটিভ ইনকাম 🔴
একটিভ ইনকাম মানে হচ্ছে এমন আয় যা আপনি সরাসরি পরিশ্রম এবং সময় দিয়ে উপার্জন করেন। যেমন: চাকরি, ব্যবসা, অথবা এমন কোনো কাজ যা আপনি যতটুকু সময় দেবেন, ততটুকু আয় করবেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি দোকান চালান, তবে আপনি যতক্ষণ দোকান চালাবেন, ততক্ষণ আয় হবে; কিন্তু যদি আপনি দোকানে না যান, তবে আয় হবে না।
এই ধরনের আয় বেশিরভাগ মানুষের কাছে সহজ এবং দ্রুত মনে হয়। এটি সাধারণত সবার কাছে পরিচিত একটি মাধ্যম, এবং বেশিরভাগ মানুষ একটিভ ইনকামের দিকে ছুটে চলে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরি পাওয়া, মাসে নির্দিষ্ট স্যালারি পাওয়া, কিংবা ছোটখাটো ব্যবসা করা। কিন্তু এই ধরনের আয় সীমিত, কারণ আপনি যতটুকু পরিশ্রম করবেন, ততটুকু আয় হবে। আর একজন মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারে, এর বেশি নয়।
যত বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অভিনেতা হোন না কেন, একটিভ ইনকামে আপনি সর্বোচ্চ কতটুকু আয় করতে পারেন? এর পরিমাণ নির্দিষ্ট, এবং এক সময় আপনি সেই সীমার মধ্যে আটকে পড়বেন। তাই, একটিভ ইনকাম দীর্ঘমেয়াদী ধন-সম্পদ গড়ার জন্য যথেষ্ট নয়।
---
🔴 ২. প্যাসিভ ইনকাম
প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন আয় যা আপনি কাজ না করেও উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি ঘুমাচ্ছেন, বা অন্য কোনো কাজ করছেন, তবুও আপনার আয় চলতে থাকে। যারা প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করেন, তারা অনেক সময় ধনী হয়ে ওঠেন। কারণ, প্যাসিভ ইনকামের একটা বড় সুবিধা হলো, এটি সময়ের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং কখনো থেমে যায় না।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একটি বাড়ি ভাড়া দেন, তবে আপনি প্রতি মাসে ভাড়া পাবেন, আর আপনাকে বাড়ির দিকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে না। এছাড়া বই লেখা, ইউটিউব চ্যানেল চালানো, ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা, ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ (Cost Per Action) এই সবই প্যাসিভ ইনকামের উদাহরণ।
প্যাসিভ ইনকাম শুরু করা সহজ নয়, কারণ এর জন্য প্রথমে কিছু সময় এবং পরিশ্রম দিতে হয়। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তবে প্রথম কয়েক মাস হয়তো আপনি আয় পাবেন না, কিন্তু একসময় যখন আপনার ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হবে, তখন আয় আসতে থাকবে। অনেক সময়, এই ধরনের ইনকাম শুরু করতে কিছু পুঁজি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন।
এ কারণে অধিকাংশ মানুষ প্যাসিভ ইনকাম এর প্রতি আগ্রহী নয়, এবং তারা একটিভ ইনকামে আটকে থাকে। তবে যাদের প্যাসিভ ইনকাম থাকে, তারা কখনো অর্থ কষ্টে পড়েন না, কারণ তাদের আয় কখনো বন্ধ হয় না। তাই, যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করুন।
---
🔴 ৩. পোর্টফোলিও ইনকাম
পোর্টফোলিও ইনকাম হল সেই আয় যা মূলত ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে আসে। যারা টাকা আছে, তারা সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে আয় করেন। এই ধরনের ইনকামের জন্য তাদের কোনও কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি শেয়ার বাজারে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া, আপনি যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে সেই ব্যবসা থেকে আয় পাবেন, যদিও আপনার কোনও সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই।
ধনী মানুষ সাধারণত এই ধরনের ইনভেস্টমেন্টে অর্থ রাখেন। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে, আসল অর্থের মূল্য দিন দিন কমে যায়। অর্থাৎ, সময়ের সাথে সাথে আপনার টাকা ক্ষয় হতে থাকে। তবে, যদি আপনি সেই টাকা শেয়ার বাজারে, মিউচুয়াল ফান্ডে বা কোনো ভালো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।
যারা পোর্টফোলিও ইনকামে আগ্রহী নয়, তারা হয়তো জানেন না যে বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে তারা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করতে পারেন।
---
২০-৮০ সিস্টেম এবং আপনার ভবিষ্যৎ
আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম কিংবা পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে আপনি হয়তো ২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাবেন। এই সিস্টেম অনুযায়ী, ২০% মানুষ ধনী হয়, এবং ৮০% মানুষ গরিব থাকে। পৃথিবীর সম্পদের বড় একটা অংশ ২০% মানুষের কাছে থাকে।
এই কারণে, আপনি যে প্রফেশনে আছেন না কেন, চেষ্টা করুন প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটিভ ইনকামে আটকে থাকেন, তবে আপনার আয় এক সময় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। আর প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম না থাকলে, আপনি সেই ৮০% মানুষের মধ্যে পড়ে যাবেন, যারা সারাজীবন অর্থ কষ্টে ভুগবে।
তাই, আজ থেকেই আপনার আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন এবং একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম তৈরি করুন।
আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।
---
উদাহরণ আরও কিছু:
- বই লেখা: আপনি যদি একটি বই লিখে প্রকাশ করেন, তবে প্রতি বিক্রির সাথে আপনাকে কিছু পরিমাণ আয় হবে, যা অবিরাম চলতে থাকবে।
- ইনভেস্টমেন্ট: আপনি যদি স্টক মার্কেট, রিয়েল এস্টেট অথবা কিপট (Crypto) মার্কেটে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনি প্যাসিভ ইনকাম উপার্জন করতে পারবেন।
- অনলাইন কোর্স তৈরি করা: আপনি যদি কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে আপনি একটি অনলাইন কোর্স তৈরি করতে পারেন, যা মানুষ কিনে নেবে এবং আপনাকে অবিরাম আয় এনে দিবে।
সুতরাং, জীবনে সফল হতে এবং ধনী হতে হলে, একটিভ ইনকাম ছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম এবং পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি মনোযোগ দিন।
How to Format Pendrive in FAT32 Format - Complete Guideline
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Munshiganj
Dhaka
1525