Bachelor org.com
.......মা.......
আজ মা নেই। মায়ের মত কোন ভালবাসাও নেই। কথা বলার মত তোমার সমতুল্য কেউ নেই। নিজেকে খুব বেশি একাকী মনে হয়। অনেক অনেক মনে পড়ে মা তোমাকে। বলতে পারিনি কখনো মাগো তোমায় ভালোবাসি, খুব বেশি। মা তোমার কথা ভেবে, শান্তনা দেই নিজেকে, তুমি এপারেও ভালো ছিলে, ওপারেও নিশ্চয়ই ভালো থাকবে।
সারারাত দু'চোখে ঘুম ছিল না
মনে খুব পড়েছিল তোমাকে মা,
কোথায় আছো? কেমন আছো?
এত ডাকি তবু কেন সাড়া দাও না?
যখনই মনে পড়ে তোমার কথা
কান্নার ঢেউ ওঠে বিরহ ব্যাথা
তোমার কথা ভেবে কত কেঁদেছি
তবু কেন একবার ফিরে আসো না?
লোকে বলে থাকো তুমি চাঁদের দেশে
সাদা শাড়ি পড়ে মাগো পরীর বেশে,
রাত হলে দেখি মাগো ওই চাঁদকে
কিন্তু তোমায় মাগো কেন দেখি না?(সংগৃহীত)
মা দিবস। আজকের এই মা দিবসে পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।
অফিস শেষে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে ছুটেছি শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ড। বাসস্ট্যান্ড পৌঁছানোর আগে বেশ কিছু স্থানে দেখলাম আজ ফুল বিক্রয় করছে। এত স্থানে ফুল বিক্রয় হতে দেখে আজকের দিনটাকে আবিষ্কার করতে চেষ্টা করলাম। অফিসে স্বাক্ষর করা সেই তারিখটির কথা মনে পড়ে গেল, আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি। ভালোবাসা দিবস।
মাঝ বয়সী একটি ছেলে টেবিলের উপরে বিছিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফুল বিক্রয় করছে। এলোমেলো ফুল গুচ্ছ থেকে একটি একটি করে ফুল কাট সাট করে সুন্দর করে গুছিয়ে রাখছে সে। একটু সময় পেলে ছোট ছোট করে তোড়া বানাচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু জন ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছে সেখান থেকে, যে যার পছন্দ মত।
আমিও ফুল নিতে আগ্রহী হলাম। বিভিন্ন ফুলের দাম জিজ্ঞাসা করলাম। এবার সবার পছন্দের ফুল গোলাপের পালা। দর দাম চলছে, বিক্রেতা জানালো সারাদিন শেষে সে এখন দশ টাকা কমে পঞ্চাশ টাকার ফুল চল্লিশ টাকায় বিক্রয় করছে। ফুল কিনবো বলে মন স্থির করলাম। একটা গোলাপ নিয়ে বাসায় এসে অর্ধাঙ্গিনী ফারজানাকে উপহার দিবো। জানাবো ভালোবাসার শুভেচ্ছা। কিন্তু বাসায় অন্যান্যদের সামনে কিভাবে উপস্থাপন করব ভেবে একটু ইতস্তত বোধ করলাম। ফুল নেয়ার ভাবনা আপাতত এড়িয়ে চললাম।
সামনের দিকে হেঁটে চলেছি .....
হঠাৎ মনে হলো বাড়ির প্রত্যেকের জন্য একটি করে ফুল নিলে কেমন হয়? আবার কিছুটা পথ পেছনে ফিরে এসে তিনটি ফুল নিতে চাইলাম।
সুন্দর একটি গোলাপ হাতে নিয়ে ছবি তুললাম। দোকানদার এতে তেমন কোন আপত্তি করল না। ফুলটিকে যথাস্থানে রেখে ছবিটির এডিটিং এর কিছু কাজ করলাম। এরপর ফারজানার what's up এ পাঠিয়ে দিলাম। জানিয়ে দিলাম ভালোবাসা দিবসে আমার শুভেচ্ছা। এরপর শূন্য হাতে আবার গন্তব্যে হেঁটে যাওয়া শাহজাদপুর বাস স্ট্যান্ড।
---------তাহলে তুমি কে?--------
(ভিন্ন দু' জগতের দুটি কাল্পনিক আত্তার মধ্যে কিছু কথোপকথন)
ফার্মগেট ওভার ব্রিজের কিছুটা উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল এঞ্জেল। আচমকাই ভাসমান অবস্থায় দাড়িয়ে পরল। কারন ব্রিজের পাটাতন এর উপর শুয়ে থাকা ব্যাক্তিকে ঘিরে তার প্রশ্ন _____
এঞ্জেল: তুমি কে?
: আমি মানুষ। আমার নাম সীমান্ত।
এঞ্জেল: মানুষ! মানুষ কী?
সীমান্ত: যার দু' টি হাত আছে,
দু' টি পা আছে, ---- ----
এবং দু'
পায়ের উপর ভর করে মেরুদন্ড সোজা করে
হাঁটতে পারে সে - ই
হচ্ছে মানুষ।
এঞ্জেল: তাহলে, তুমি কে?
সীমান্ত: কেন? মানুষ।
এঞ্জেল: তাহলে তুমি যে বললে মানুষের
দু' টি হাত, দু' টি পা, .........
আর মেরুদন্ড সোজা
করে চলার কথা ............। কিন্তু
তোমার যে মাত্র একটি
হাত ও একটি পা।
তাহলে? ----
সীমান্ত: হ্যাঁ। আমিও মানুষ।
তবে সবাই প্রকৃত
মানুষ নয়।
এঞ্জেল: প্রকৃত মানুষ? প্রকৃত
মানুষকে চিনব
কীভাবে?
সীমান্ত: যারা মান সম্মান
(আত্মসম্মান)বোধ
আর
হুশ-জ্ঞান (মানবতা)
দিয়ে বিবেচনা করে যে
কোনো কর্ম সম্পাদন
করে তারাই প্রকৃত
মান্-হুশ (মানুষ)।
এঞ্জেল: তাহলে তুমি কে?
@ - জাহিদ ।।
আমার Bachelor org.com page এ আপনাকে স্বাগতম - জাহিদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka