Round Table Conference RTC
যারা কোটা বিরোধী আন্দোলন করছে তাদের ঢালাওভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বলা যাবে না। এই নবীন প্রজন্মও বাঙলাদেশের পতাকাকে বুকে ধারন করে। তাছাড়া সময়ের বাস্তবতা আর বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের যায়গা, প্রকৃত মেধাবী এবং যোগ্যদের সুযোগ প্রদান, জব সার্কুলেশনে চাহিদীর বিপরীতে পদের সংখ্যায় টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ এগুলোকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।
আমার মনে হয় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বাছাইয়ে সরকারকে এখনই তৎপর হওয়া উচিৎ। ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বাছাই করা সম্ভব হলে এত কোটা রাখা দরকার হবে না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানসন্ততিতের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক কোটার ব্যবস্থা রেখে চাকুরী প্রতিযোগীতা সহজীকরন করা সময়ের দাবী।
এখানে বলে রাখা ভাল এই নতুনদের মধ্যে একটা বড়সংখ্যক ছেলে মেয়ে বাঙলাদেশ , স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং বাঙালি কালচারকে ঘৃণা করার মধ্য দিয়ে বড় হচ্ছে । আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। এখানে দুইটা ধারা এই সর্বনাশের পিছনে দায়ী একটা হচ্ছে উগ্র ইসলামিক মৌলবাদি সেন্টিমেন্ট যদিও এরা সেভাবে ইসলামী আকিদা পালন করে না । আরেকটা ধারা উগ্র বাম ঘরানার। এদের কমরেডগন এই নবীনদের কাছে দেবাদি দেব মহাদেব থেকেও বেশি পুজনীয়। এদের তাত্বিকগুরুরা এদেরকে স্যোসালিজম বোঝাতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙলাদেশের চেতনা বিরোধী হিসেবে গড়ে তুলেছে।
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য দরকার আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন।
ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। দেশ আর স্বাধীনতাকে অন্তরে লালন করে এমন শিক্ষকদের নিয়োগ দিতে হবে( অবশ্যই মেধার ভিত্তিত)। আমি দেখেছি এই শিক্ষকরা কিভাবে বাচ্চাদের নষ্ট করে। শিক্ষার কারিকুলামে একটা যুৎসই আধুনিক প্রগতিশীল চেতনা সম্পন্ন কাঠামো দিতে হবে। প্রচুর সাংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ রাখতে হবে। যেখানে আমাদের শিশুরা দেশাত্ববোধকে ধারন করতে শিখবে। গ্রামে গ্রামে কালচারাল একাডেমি করতে হবে।
মনে রাখা জরুরী বাঙালি কালচার অধিক চর্চা ছাড়া সৎ যোগ্য বাঙালি সোসাইটি পাওয়া সম্ভব হবে না।
কোটার সংস্কার হোক। বাতিল নয়।
আমার উপলব্ধি বলছে তথাকথিত স্রষ্টা একজন সিদ্ধি সেবনকারী। কারন যদি ব্যাখ্যা করতে বলা হয়, তবে আমার ব্যক্তি জীবনের একটা ছোট্ট উপলব্ধি শেয়ার না করে পারছি না। আমি আমার ছাত্র জীবনের কোন এককালে বন্ধুদের সাথে মিলেমিশে গঞ্জিকা সেবন করতাম। কিছুটা সুখটানের পর আমার ফিলিংসটা এমন ছিলো যে আমি খোলা আকাশের নিচে ছাদের কার্নিশে শুয়ে নিজেকে রাজা মনে করতাম। আরও কত যে কি ভাবতাম তা শুধু তারাই উপলব্ধি করতে পারবে যারা বস্তুত সিদ্ধি সেবক ( এখানে বলে রাখা ভালো আমি বর্তমানে দীর্ঘকাল যাবত একজন অধুমপায়ী।)। আমার মেসের অন্যান্য পোলাপান আমার ওই চিন্তামগ্ন সময়ে আমার সাথে অসম্ভব রকম বাজে মজা নিতো। দুর্ব্যবহার করতো, আমাকে লাথি উষ্ঠা মারতো। আমি এমনও করেছি আমার সিনিয়র রুমমেটের সাথে বেয়াদবি করেছি যা সকালে মনে করতে পারি নাই। পরে রুমমেট আমাকে ছেড়ে গেছে।
মোটামুটি গাজা সেবন করে আমি ওই ঘোরের মধ্যে সারা পৃথিবীকে নিজের মতো করে সাজানো শুরু করতাম। ঘোর কাটলে সব শেষ। সকালে গায়ে ব্যথা উপলব্ধি করে বুঝতাম ওরা রাতে ঘোর মাঝে আমারে যেমনে পারছে পেদায়ছে।
তামাম বিশ্বের নিয়ন্ত্রক গঞ্জিকা সেবক স্রষ্ঠা এখন ঘোরমাঝে আছে। পৃথিবী ধরে ঝাকি মেরে তুরষ্কে , সিরিয়ায়, আলেপ্পয় মজা লুটছে। মজা লুটছে ইউক্রেণ রাশিয়ায় নাড়া দিয়ে। মোদ্দা কথা হইলো গঞ্জিকা সেবনের কুফলে পুথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর যে মিথ্যা প্রতিনিয়ত প্রতিকালে প্রতি সমাজে বারবার উচ্চারিত হয় তা হইলো , তোমরা যে যা করো করো একজন আরেকজনের পুটকি মারো না কেন, তিনি কিন্তু সব দেখছেন নাটাই কিন্তু তার হাতে।"
স্রষ্ঠা এখন ঘুমায়, জানি না সকালে তার সর্বাঙ্গের ব্যথার যন্ত্রণা তাকে রাতের স্মৃতি স্মরণে বাধা সৃষ্টি করবে কিনা?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka