MD. Nur sayed

MD. Nur sayed

Share

15/04/2025

পৃথিবীতে সেরা মানব হত্যা কারি ব্যাক্তি গণ

হিটলার, একজন অমুসলিম । ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিলো। মিডিয়া একবারও তাকে জঙ্গি বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ জোসেফ স্ট্যালিন, একজন অমুসলিম । সে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে, এবং ১৪. ৫ মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ হয়ে ধুকে ধুকে মারা গেছে। মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ মাও সেতুং একজন অমুসলিম। ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে বৌদ্ধ টেররিস্ট !!!

✔ মুসোলিনী (ইটালী) ৪ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! সে কি মুসলিম ছিল ? অন্ধ মিডিয়া একবারো বলে নাই খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ অশোকা (কালিঙ্গা বেটল) ১ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে হিন্দু টেররিস্ট !!!

✔ আর জজ বুশ ইরাকে, আফগানিস্থানে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া তো বলে নাই, খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ এখনো মায়ানমারে প্রতিদিন মুসলিম রোহিঙ্গাদের খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, উচ্ছেদ করছে ! তবুও কোনো মিডিয়া বলে না বৌদ্ধরা টেরোরিস্ট !!!

✒ ইতিহাস সাক্ষী পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বড় গনহত্যা করেছে নন মুসলিমরা আর এরাই দিন রাত গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে ! অথচ এদের দ্বারাই মানবতা লুন্ঠিত ! বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার প্রশ্নঃ....☟☟☟☟

☞ যারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?

☞ যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

☞ যারা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?

☞ যারা অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের পর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

☞ যারা আমেরিকা আবিষ্কারের পর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য উত্তর আমেরিকাতে ১০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিন আমেরিকাতে ৫০ মিলিয়ন রেড-ইন্ডিয়ানকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?

☞ যারা ১৮০ মিলিয়ন আফ্রিকান কালো মানুষকে কৃতদাস বানিয়ে আমেরিকা নিয়ে গিয়েছিল। যাদের ৮৮ ভাগ সমুদ্রেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহকে আটলান্টিক মহাসাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তারা কি মুসলিম ?

✒যখন কোন অমুসলিম কোন খারাপ কাজ করে, নির্যাতন করে, খুন করে তখন এটাকে বলা হয় অপরাধ !

আর যখন কোন মুসলিম হাজার নির্জাতনের শিকার হয়ে একবার প্রতিবাদ করে তখন এটাকে বলা হয় মৌলবাদ ! জঙ্গীবাদ !!!

03/09/2024

নিশ্চিত, এখানে একটি আকর্ষণীয় ভালবাসার গল্প দিলাম:

---

**নতুন সূর্যের উজ্জ্বল আলো**

উষার মিষ্টি সকালে সূর্যের প্রথম কিরণ স্নিগ্ধতার ছোঁয়া এনে দেয়। অভ্রকে নিজের চোখে দেখতে পেয়ে রুপালি শীতল নূপুরের মতো তার মনে মৃদু ঝঙ্কার সৃষ্টি হলো। অভ্র ও দিশা—দু'জনেই একটি ছোট্ট গ্রামে বাস করত। দিশা একটি স্থানীয় স্কুলে শিক্ষকতা করত, আর অভ্র ছিল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী।

দিশা ও অভ্রের পরিচয় হয়েছিল একদিন গ্রামে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে। প্রথম দেখাতেই অভ্রের চোখে দিশার জন্য কিছু বিশেষ অনুভূতি জন্ম নিয়েছিল, যদিও সে সে বিষয়ে কিছুই জানত না। সেই দিন থেকেই অভ্র এক অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করতে লাগল।

মাঝে মাঝে, অভ্র দিশার সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা করত এবং তারা ধীরে ধীরে বন্ধু হয়ে ওঠে। দিশার সদা হাস্যোজ্জ্বল মেজাজ এবং অভ্রের উজ্জ্বল চিন্তাধারা তাদের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তুলল।

একদিন, অভ্র একটি বিশেষ পরিকল্পনা করল। সে দিশাকে তার প্রিয় জায়গায়, যেখানে তারা প্রথম পরিচিত হয়েছিল, একটি বিশেষ চমক দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাল। দিশা যখন সেই স্থানটিতে পৌঁছালো, তখন একটি সুন্দর পার্কিং জায়গা দেখল। সেখানে একটি ছোট্ট গাছের তলায় অভ্র তার নিজের হাতে তৈরি করা একটি রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করেছে।

দিশা অবাক হয়ে গেল। অভ্র তার হৃদয়ের কথা প্রকাশ করতে শুরু করল, “দিশা, তোমার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়। আমি বুঝতে পারি, তুমি আমার জন্য কতটা বিশেষ। আমি তোমার সাথে আমার জীবন কাটাতে চাই। তুমি কি আমার এই প্রস্তাবে সম্মতি দেবে?”

দিশার চোখে পানি চলে এলো, কিন্তু তার মুখে এক চমৎকার হাসি ফুটে উঠল। “অভ্র, তুমি জানো, আমি তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ। তোমার উপস্থিতি আমার জীবনে এক নতুন আলো নিয়ে এসেছে। আমি অবশ্যই তোমার প্রস্তাবে সম্মতি দিচ্ছি।”

দু'জনেই একে অপরকে শক্ত করে ধরে, এবং সেই দিন থেকে তাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হলো। অভ্র ও দিশার সম্পর্ক শুধু ভালোবাসার নয়, বরং একে অপরের জীবনকে নতুনভাবে দেখা ও মূল্যবান করে তোলার একটি যাত্রা। তাদের প্রেমের মধ্যে ছিল এক অদ্ভুত মাধুর্য এবং স্নেহ, যা প্রতিদিন নতুন করে বাড়তে লাগল।

সময়ের সাথে সাথে, অভ্র ও দিশার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলো। তারা একে অপরকে সমর্থন করল, একসাথে জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করল এবং তাদের সম্পর্কের ভিত্তি শক্তিশালী করল। তাদের ভালোবাসার মাধ্যমে, তারা জীবনকে নতুন চোখে দেখতে শিখল এবং সুখের প্রতিটি মুহূর্তের গুরুত্ব বুঝতে পারল।

প্রেম কখনো সহজ নয়, কিন্তু অভ্র ও দিশা তাদের ভালোবাসার সাথে নতুন সূর্যের উজ্জ্বল আলো নিয়ে নিজেদের জীবন সাজালো। তাদের এই সম্পর্ক তাদের জীবনের প্রতিটি দিনকে একটি সুন্দর গল্পে পরিণত করল।

---

আশা করি, গল্পটি আপনার ভালো লেগেছে!
ভাল লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Hemayetpur, Saver Dhaka
Dhaka