Ayan's Home Collection

Ayan's Home Collection

Share

12/11/2025

💌 আমার প্রথম সন্তান,

যাকে পেয়ে আমি প্রথম মা হয়েছি ...

যে মুহূর্তে তোমার হৃদস্পন্দন প্রথমবার শুনেছিলাম,আমার পৃথিবী এমনভাবে বদলে গিয়েছিল যা আমি কখনও কল্পনাও করিনি।তুমি আমাকে শিখিয়েছ সেই শক্তি,যা আমার ছিল বলে জানতাম না।সেই ধৈর্য,যা আমার প্রয়োজন হবে বুঝিনি এবং এক গভীর ভালোবাসা যা আমার পুরো অস্তিত্বকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে ❤️

তোমার সঙ্গে আমি সবকিছুর প্রথম স্বাদ পেয়েছি-তোমার ছোট্ট লাথি,তোমার প্রথম কান্না,তোমার হাসি,আর সেইসব দীর্ঘ-নিদ্রাহীন রাত;যা এক অদ্ভুত মায়াবী অনুভূতি এনে দিত এবং এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তে আমি বুঝতে পারলাম,তোমাকে সারাজীবন সীমাহীন ভালোবাসবো ❤️

জীবন আমাদের যেখানেই নিয়ে যাক না কেনো,তুমি সবসময় এই আশ্চর্য যাত্রার শুরু।তুমি আমাকে নিখাদ ভালোবাসার অর্থ শিখিয়েছ।তুমি আমাকে মা বানিয়েছ।আর এজন্য আমি তোমাকে চিরকাল ভালোবাসবো এবং আগলে রাখবো 💞

এ কথা কখনো ভুলে যেও না 💌

©

02/11/2025

লিমিটের ভিতর চলতে শেখা, একটা জরুরী শিক্ষা। যা আপনি পরিবার ও বাচ্চাদের দিতে পারেন...

কিভাবে?

খেয়াল করে দেখুন, আপনার স্কুল মাস্টার বাবা-মায়েরা ৪-৫টা বাচ্চাকে কিভাবে বড় করেছেন?
তারা বাচ্চাদের লিমিটের ভিতর থাকা শিখিয়েছিলেন।

এদিকে এক দুইটা বাচ্চা নিয়ে আপনার সংসারের টানাটানি ফুরায়ই না। কেন?
কারণ, আমরা কোন লিমিট নিয়ে চলি না। আনলিমিটেড মানেই ওয়েস্টেজ, অপচয়, ধ্বংস, নষ্ট।

মনে করে দেখুন, আপনার বাবা-মায়েদের সময় একটা মুরগী রান্না হলো, বাড়িতে ৫ ভাই বোন, কাজের লোক সহ মোট সদস্য ৮ জন। আপনার মা সবার জন্যে বাটি সিস্টেম করে রেখেছেন। তার হিসাব অনুযায়ী একটা মুরগি তিনি আলু দিয়ে মোটামুটি এক কড়াই করে তরকারি করে ফেলতেন।

এই এক মুরগিতে আপনারা ৮ জন মানুষ দুপুরে এবং রাতে খাবেন। সেইভাবে বাটি সিস্টেম হতো। দুপুরে এক পিস গোস্ত, ঝোল, আলু। রাতের বেলায় হাড় গোড় থেকে এক পিস, সাথে ভাজি, ডাল এরকম। এটা খুব জরুরী শিক্ষা।

এদিকে আমাদের এখন কি হয়?
তরকারি রান্না হলে, পুরোটা একসাথে টেবিলে নিয়ে আসা হয়।

বাচ্চাকে আগেই রান থানের পিস দিয়ে একাকার অবস্থা। রান বাদে মুরগীতে আর যে কিছু আছে, অনেকের বাচ্চারা জানেও না বোধহয়। একটা মুরগী রান্না করলে একবেলা থেকে দুইবেলায়ও যায় না।

আপনার আম্মার সংসারে যেখানে ছিলো বাটি সিস্টেম, সেখানে তরকারি কম পড়লে একটু অভিযোগ করলে, খেয়াল করে দেখুন, আপনার আম্মা হয়তো, তার ভাগ থেকে এক পিস গোস্ত আপনাকে এক্সট্রা দিয়েছেন, তিনি খান নাই। একসময় আপনিও আবদার করা ছেড়ে দিয়েছেন।

এখান থেকে বাবা-মায়ের সাথে আরেকটা বন্ডিং স্ট্রং হয়েছে। আপনার বাবা-মা আপনার জন্যে ত্যাগ করেছেন, মানে আপনিও সেটা শিখলেন।

এখন ত্যাগের তো কিছু নাই, সবই তো অপরিমাণ। বাবা-মা লোন করে হলেও আনছে তো। লোন করে ঘি তো খাচ্ছি, কাজেই বাবা-মায়ের কোন স্ট্রাগল বা কোন কষ্ট তো বাচ্চার চোখে পড়ে না। তারাও ধরে নেয়, লোনের এই ঘিটাই গ্রান্টেড। তাদের ভেতরেও এতো ফিলিংস এখন আর কাজ করে না।

ব্যাপারটা মিলিয়ে দেখতে পারেন।

26/10/2025

আমি যেই ফ্লোরে থাকি সেই ফ্লোরের ডানে ও বামে ৮ দিনের ব্যবধানে ২ মাস আগে দুই ঘরে দুইটা বাবু হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ
ডান পাশের ফ্ল্যাটের বাবু এখনো বাসায় আসে নাই।
নানু বাড়ি বড় হচ্ছে।
আর বাম পাশের বাবুটা ওর বাবা মায়ের সাথেই আছে।
জন্মের পর থেকে বাচ্চাটা দিনরাত অনবরত কান্না করে।
সম্ভবত কলিক বেবি।
ওর মা বিল্ডিং এর কারো সাথে কথা বলে না। তাই আমার সাথেও পরিচয় নাই।
যেদিন বাসায় থাকি সারাদিন বাচ্চাটাকে কান্না করতে শুনি।
আমার হ্যাল্পিং হ্যান্ড যেহেতু বিল্ডিং এর ময়লা তুলে সেহেতু সব ফ্ল্যাটে তার পরিচয় আছে।
ওকে একদিন জিজ্ঞাসা করলাম - বাবুটা কি অসুস্থ? ইচ্ছা করে যেয়ে জিজ্ঞাসা করি। কিন্তু যাইনা। কি না কি মনে করে।
সেও উত্তরে বলল - যায়েন না। সবাই সব কিছু পছন্দ করেনা।
গেলাম না।
বাচ্চার বাবাটা অফিসে যাওয়ার আগে সব রান্না করে যায়। ওদের রান্নাঘর আর আমার ড্রইং রুমের অল্প ব্যবধান থাকায় শুনতে পারি। সে সব কাজ গুছিয়ে কাজে যায়। যেন স্ত্রীর বাচ্চা পালতে কষ্ট কম হয়। তার উপর বাচ্চাটা সারা দিন রাত কান্না করে।
যাইহোক, এভাবেই আজ ২ মাস যাবৎ বাচ্চাটার কান্না শুনে আসছি।
এই মঙ্গলবার আমি ওয়ার্ক ফ্রম হোম করেছি। জুবিনকে খেলনা দিয়ে বসিয়ে আমি সামনের রুমে অফিসের একটা কাজ করছিলাম।
হঠাৎ বড় মানুষের হাউমাউ কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই।
জুবিন কান্নার আওয়াজ শুনে ভয়ে আমার কাছে দৌড়ে আসে।
কান্না করছিলো বাচ্চাটার মা।
কান্নার সাথে সাথে চিৎকার করে বলছিলো - এতো কান্না তো আর নিতে পারতেছি না। আমিও তো মানুষ। রাতে ঘুমাইতে পারিনা। খাওয়ার সুযোগ পাই না। গোসলের সুযোগ পাইনা। আমিও এখন বইসা বইসা কান্দি।

আমি জানি বাচ্চাটার কোন দোষ নাই। কারন এটা ওর নিয়ন্ত্রনে না।
আমি জানি মা' টারও কোন দোষ নাই। কারন কতক্ষন সহ্য করা যায়?
তার স্বামীরও কোন দোষ নাই। যেহেতু সে হেল্প করছে।

বলতে গেলে কারোরই দোষ নাই।

মা হওয়ার পর বাচ্চা সারাদিন এভাবে কান্না করলে মায়েদের মেন্টাল হেলথ ভালো থাকবে না। এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া হরমোনাল ইস্যু তো আছেই।
কিন্তু তার পরিবারে কি একদম কেউ নাই যেখানে মা'টাকে প্রক্সি দিয়ে বাচ্চা পালতে পারে?

দুই পরিবারের কেউ ই নাই?

খুব ইচ্ছা করছিলো উনাকে যেয়ে একটু জড়িয়ে ধরি।
বাচ্চাটাকে কিছুক্ষন নিজের কাছে রেখে বলি - যান আপনি ঘুমান। একটু খেয়ে নেন।

পরে মনে হলো - সবাই তো আবার সব কিছু পছন্দ করেনা।

যাইহোক আল্লাহ সব বাচ্চার মায়েদের জীবন সহজ করুক।
বাচ্চা পালা এতো সহজ না।
একা পালা তো একদমই না।

Collect

16/10/2025
Want your business to be the top-listed Jewelery/watch Store in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Khilgaon
Dhaka
1219