Civil Engineering Design World
04/12/2022
বাংলাদেশের সকল কিছুর সংখ্যাঃ
______________________________
০১. বিভাগ - ৮ টি
০২. জেলা - ৬৪ টি
০৩. সিটি কর্পোরেশন - ১২ টি
০৪. উপজেলা - ৪৯২টি (সর্বশেষ- শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ)
০৫. পৌরসভা - ৩২৯ টি (সর্বশেষ- তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ)
০৬. থানা - ৬৫০ টি (সর্বশেষ- হাতিরঝিল)
০৭. ইউনিয়ন - ৪৫৬২ টি
০৮. গ্রাম - ৮৭১৯১ টি
০৯. শিক্ষা বোর্ড - ১১ টি
১০. শিক্ষা স্তর - ৪ টি
১১. সরকারি (পাবলিক) বিশ্ববিদ্যালয় - ৪৫ টি
১২. সরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - ১০ টি (সর্বশেষ- বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বি.)
১৩. সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় - ৪ টি (সর্বশেষ- সিলেট মেডিকেল বি.)
১৪. টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় - ১ টি
১৫. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৫ টি (সর্বশেষ- খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়)
১৬. নদী বন্দর - ৩২ টি (সর্বশেষ- রূপপুর নদীবন্দর)
১৭. সমুদ্র বন্দর - ৩ টি (সর্বশেষ- পায়রা সমুদ্র বন্দর)
১৮. স্হল বন্দর - ২৩ টি (সর্বশেষ - বাল্লা, হবিগঞ্জ)
১৯. গ্যাস ক্ষেত্র - ২৭ টি
২০. সার কারখানা - ১৫ টি
২১. সরকারি সার কারখানা - ৮ টি
২২. সরকারি বস্ত্র কল - ১৮ টি
২৩. সরকারি চিনি কল - ১৫ টি
২৪. চা বাগান - ১৬৭ টি
২৫. সরকারি পাটকল - ২৬ টি, চালু - ১৮ টি
২৬. পরিবেশ আদালত - ৩ টি
২৭. আবহওয়া কেন্দ্র - ৪ টি
২৮. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর - ৪ টি
২৯. মোট তফসিলি ব্যাংক- ৫৯টি (সর্বশেষ- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড)
৩০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বর্তমান ক্যাডার সংখ্যা - ২৬ টি (১৫ নভেম্বর '১৮ ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করা হয়)।
✅ জাল দলিল চেনার উপায় কি?
জমি কেনার আগে দলিল ঠিক আছে কি-না সেটি নির্ণয় করা প্রাথমিক কাজ। এক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে সাধারণ ধারনা প্রত্যেকের থাকা উচিত।
১) দলিলের প্রথম পাতায় সবার উপরে দুটি নাম্বার থাকে, যার একটি বামে এবং অন্যটি ডান দিকে থাকে। বাম দিকের নাম্বারটি ডান দিকের নাম্বার থেকে বড় হয়; বামদিকে ৪৯৩৮ থাকলে ডানদিকে তার থেকে ছোট সংখ্যা হবে যেমন ৪৮৯৩। বামদিকের সংখ্যাকে বলা হয় দলিলের ক্রমিক নাম্বার এবং ডান দিকের সংখ্যাকে বলা হয় দলিল নাম্বার। বাম দিকের ক্রমিক নাম্বারটি যদি ডান দিকের দলিল নাম্বার থেকে ছোট হয় তাহলে দলিলটি জাল দলিল হিসেবে সন্দেহের অবকাশ থাকে।
২) প্রত্যেক নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প উত্তোলনের সময় স্ট্যাম্পের পিছনে উত্তোলনকারীর নাম এবং তারিখ থাকে। কোন সাফ-কবলা দলিল উক্ত স্ট্যাম্পের উপর লিখিত হলে যদি দেখা যায় যে, স্ট্যাম্প উত্তোলনের তারিখের পূর্বের তারিখে দলিলটি সম্পাদন করা হয়েছে তাহলে দলিলটি জাল দলিল বলার অবকাশ থাকে।
৩) দলিল দাতার সাক্ষর এবং টিপসই পরীক্ষা করে জালিয়াতি নির্নয় করা যায়। এর জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করতে হয়। আবেদন করা হলে যার হাতের লেখা, টিপসই বা সাক্ষর বলে দাবি করা হচ্ছে তাকে নোটিস দিতে হয়। তারপর, উক্ত ব্যক্তির লেখা, সাক্ষর বা টিপসই নেওয়া হয়। যদি মৃত্যু বা অন্য কোন কারনে লেখক বা স্বাক্ষরকারীকে না পাওয়া যায় তবে তার আগের কোন লেখা, টিপসই বা স্বাক্ষর অন্য দলিল হতে সংগ্রহ করে বিশেষজ্ঞের পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হয়। পরীক্ষার পর দলিলটি জাল কিনা সে সিদ্ধান্তে পোঁছানো যায়।
৪) ১৯৬০ সালের পর থেকে বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানে দশমিক পদ্ধতির হিসাব প্রবর্তিত হয়; ১৯৬০ সনের পূর্বের দলিলে যদি দশমিক পদ্ধতিতে জমির হিসাব খাজনার পরিমান উল্লেখ থাকে তবে দলিলটি জাল হিসেবে গন্য করার অবকাশ থাকে।
৫) কোন রেজিষ্ট্রি দলিল নিয়ে সন্দেহের উদ্বেগ হলে তর্কিত রেজিষ্ট্রি দলিলটি সম্পাদনের সময় উক্ত অঞ্চলে সাব-রেজিষ্ট্রার কে ছিলেন তা বাহির করে তার স্বাক্ষর কৃত বিশুদ্ধ অন্য দলিলের সহিত তর্কিত দলিলটির স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখে জাল দলিল সনাক্ত করা যায়।
৬) 'ভূমি উন্নয়ন কর' শব্দটি ১৯৭৬ সনে ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ জারির পর থেকে ভূমি ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার হয়ে থাকে। ১৯৭৬ সালের পূর্বের দলিলে যদি 'ভূমি উন্নয়ন কর' শব্দটি লিখে তা পরিশোধের কথা বলা হয়ে থাকে তাহলে দলিলটি জাল হিসেবে ধরে নেওয়ার অবকাশ থাকে।
৭) সন্দেহকৃত দলিলে যদি বিভিন্ন দলিল বা খতিয়ানের রেফারেন্স দেওয়া থাকে তাহলে উক্ত দলিল বা খতিয়ান পর্যালোচনার মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ধারাবাহিক বিবরণ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে তর্কিত দলিলের সহিত বায়া দলিলের মালিকানা হস্তান্তরের বিবরনের সামঞ্জস্য না থাকলে দলিলটি জাল দলিল হিসেবে গন্য করার অবকাশ থাকে।
৮) কোন দলিলের রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে সন্দেহের উদ্বেগ হলে রেকর্ড রুমে তল্লাশীর মাধ্যমে দলিলটি রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে কি হয় নাই তা জানা যায়। তল্লাশীর মাধ্যমে বালাম বহিতে যদি দলিলটির রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে কোন তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে দলিলটি জাল দলিল বলে গন্য করা হবে।
৯) অনকে সময় দেখা যায়, জাল দলিলকারী মূল দলিলটির দাতা-গ্রহীতার নাম, ঠিকানা,দলিলের অন্যান্য বিবরণ ঠিক রেখে শুধুমাত্র দাতা-গ্রহীতার ছবি এবং এন আই ডি নাম্বার পরিবর্তন করে অন্যজনের ছবি সংযুক্ত করে হুবুহু একটি জাল দলিল সৃজন করে। আপনি যখন দলিলটি তল্লাশি দিবেন তখন মুল দাতা-গ্রহীতার নাম, ঠিকানা সবই সঠিক পাবেন এবং দলিলটি যে জাল সেটি সনাক্ত করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে দলিলে সংযুক্ত ব্যক্তিটির ঠিকানা এবং তার ছবিটি সঠিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে।
#তথ্য সংগৃহিত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
House 33, Road 33, Mirpur12. Dhaka
Dhaka
1216