Al-Rafa Academy Hijama Therapy Center
ইবনে আব্বাস রাঃ বলেন নবী(সঃ)বলেছেন রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে।হিজামা.মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে দাগ দেওয়া। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।সহিহ বোখারি:৫৬৮১
25/11/2021
💝 হিজামা; সুস্থতার সুন্নাহ পথ
হিজামা করানোর ফলে একজন সু্স্থ মানুষ যে উপকারগুলো পাবেন :
👉 শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে ।
👉 ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে ।
👉 টক্সিন দূর হবে ।
👉 এনার্জি লেভেল বেড়ে যাবে ।
👉 যে যে পয়েন্টে হিজামা করা হবে সেই সেই পয়েন্টে ও সংলগ্ন এলাকায় ডিপ মেসেজ হবে এবং ঐ মাংশপেসির কোষগুলো অক্সিজেন ও পুষ্টি বেশি পাবে।
👉 এন্টি এজিং থেরাপি হিসেবে কাজ করবে ।
👉 নাইট্রিক অক্সাইড তৈরির কারণে যৌন জীবন ভালো থাকবে।
👉 উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার প্রবণতা কমবে ।
👉 লিভারকে পরিস্কার করে ,
👉 শরীরের ব্যথা/ জ্বালাপোড়া হৃাস করে,
👉 ঘুমের উন্নতি করে,
👉 শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে,
👉 রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে,
👉 পায়ের দুর্গন্ধ দূর করে,
👉 কিডনি পরিষ্কার করে,
👉 বৃদ্ধ মানুষের বাত/ব্যথা নিপীড়ন করে ,
👉 ত্বক পরিষ্কার করে।
👉 যৌন দুর্বলতা দূর করে।
👉 শরীরের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড় এবং ব্যাক পেইন দূর করতে সাহায্য করে।
আসুন আমরা হিজামার মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহন করে সুন্নাতকে জিন্দাকরি ।
📖 হিজামা সম্পর্কে কয়েকটি হাদিস -
💖হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্নিত, হুজুর (সা.) বলেছেন, "জিবরাঈল (আ) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তন্মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম । (আল-হাকিম : ৭৪৭০)
💖 হযরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে ।”
(সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫)
💖 হযরত আব্দু্ল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্নিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,"হিজামা গ্রহণকারী কতোই উত্তম লোক! সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে!"
(সুনানে তিরমিযী; ২০৫৩)
💖 হযরত আনাস (রা) হতে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, "গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারন, কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে । (আল- হাকিম :৭৪৮২)
হিজামাই ডিটক্সিফিকেশনের একমাত্র নেচারাল পদ্ধতি, এই পদ্ধতিতে শরীর থেকে দূষিত রক্ত বের করা হয়, যা শরীর কে সতেজ ও অধিক কর্মক্ষম করে ।
হিজামা হচ্ছে এমন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরীক, মানসিক ও আধ্যাত্নিক সুস্থ্যতা বিদ্যমান রয়েছে ।
হিজামা সঠিকভাবে করা হলে এর কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই ।
*️⃣ হিজামা (CUPPING) এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
-----------------*-------------------
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চরক্তচাপ
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease)
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
৭। ব্যাক পেইন
৮। হাঁটু ব্যাথা
৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
১০। ঘাড়ে ব্যাথা
১১। কোমর ব্যাথা
১২। পায়ে ব্যাথা
১৩। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain)
১৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
১৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
১৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
১৭। সাইনোসাইটিস
১৮। হাঁপানি (asthma)
১৯। হৃদরোগ (Cardiac Disease)
২০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
২১। টনসিল
২২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
২৪। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
২৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses) ২৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
২৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
২৮। ডায়াবেটিস (Diabetes)
২৯। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
৩০। চুল পড়া (Hair fall)
৩১। মানসিক সমস্যা (Psycological disorder)...সহ আরও অনেক রোগ।
💖 আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রা: বর্ণনা করেন ।
রাসুলূল্লাহ (সা.) যখন ইহরাম অবস্থায় তখন একগুঁয়ে মাথাব্যথার জন্য হিজামা ব্যবহার করেন ।
(সহীহ বুখারী ৫৭০১)
💖 সালামা (রা.) বলেন, যখন কেউ রাসূলুল্লাহ (সা.) এর নিকট এসে মাথাব্যথার কথা বলত, তিনি তাদেরকে হিজামা লাগানোর কথা বলতেন ।
(আবু দাউদ ৩৮৫৮)
কালো যাদু বা কুফরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্য
ইবনুল কাইয়ুম রহ: মন্তব্য করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন যাদু দ্বারা পীড়ীত হন তখন তিনি মাথায় হিজামা করান এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিক ভাবে করা হয় । (যাদুল মায়াদ ৪/১২৫-১২৬)
🍁 মাথায় হিজামা করার বিশেষ উপকারিতা :
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘ মেয়াদী মাথাব্যথা এবং সাধারন মাথাব্যথা।
২। উচ্চ রক্তচাপ।
৩। রক্তদূষন।
৪। ঘুমের ব্যঘাত।
৫। স্মৃতি ভ্রষ্টতা।
৬। ঘাড়ে ব্যথা।
৭। হরমোনাল সমস্যা ।
৮। সাইনুসাইটিস।
৯। মানসিক সমস্যা।
১০। চুল পড়া।
১১। পারকিনসন্স ডিজিজ।
১২। ব্রেইন ডিজিজ।
১৩। মাদকাসক্তি।
১৪। প্যরালাইসিস।
১৫। যাদু টোনার সমস্যা ইত্যাদি।
✳️ হিজামার পূর্বে করনীয় বিষয় সমূহ :
১। হিজামার পূর্বে দুই ঘন্টা পর্যন্ত খাবার থেকে বিরত থাকবেন।
২। গোসল করে নিবেন।
৩। পুরুষরা মাথা মুন্ডিয়ে আসলে ভাল । যেহেতু মাথায় হিজামা করলে বিশেষ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়।
✳️ হিজামার পরে করনীয় বিষয়সমূহ :
১। ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত গোসল করা যাবে না এবং হিজামার জায়গায় পানি লাগানো যাবেনা।
২। ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত কোন ব্যয়াম এবং স্ত্রী সহবাস করা যাবেনা।
৩। ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত লম্বা সফর করা যাবেনা।
৪। ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত কোন গরম সেক ইত্যাদি দেয়া যাবে না।
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
হিজামা একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ। নিশ্চয়ই এর মধ্যে উপকার রয়েছে। হিজামা করুন, একটা সুন্নাহকে রিভাইভ করুন।
🌿 হিজামা কাপিং এর কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই।
🔮আরো তথ্যের জন্য এখনই আমাদের পেইজটি ভিজিট করুন।
সুন্নতি এই চিকিৎসা টি শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দিতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Behind Eastern Banabithi Shopping Complex, South Banasree
Dhaka
1219