A R S E N I K
ফেসবুকের হোমপেইজে গেলে দেখি চাঁদ 'লাল', তারপর আমার এখানের আকাশের দিকে তাকাইলে দেখি চাঁদ এখনো সাদা! :🙂
"মসজিদে আযান হলো, কেউ এলো না। মসজিদে ২য় বার আযান হলো, সবাই মুয়াজ্জিনকে পেটাতো আসলো কারন ২ বার আযান দেবার কোন নিয়ম নাই"
যা বুঝার তা বুঝে নেন!
20/09/2023
এরকম খবর তো দেখেনই, পানিতে ডুবে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু। অবাক না হয়ে পারা যায় না, পুরো দুনিয়ায় পানিতে ডুবে মরা মানুষের ৮৫%এরই বয়স ১৪ বছরের নিচে, সেখানে গ্রাজুয়েশন লেভেল পড়া এতগুলো ধামড়া ছেলে কেন পানিতে ডুবে মরে?
বাংলাদেশের একসময়ের বিখ্যাত ব্লগার নয়ন চ্যটার্জি খুব দারুণ একটা অবজারবেশন এনেছিলেন। ভার্সিটির ম্যাক্সিমাম ছেলে মূলত জিন্স পরে। এরপর কোথাও সাতার কাটতে গিয়ে ওই কাপড়েই নেমে পড়ে। পানিতে কিছুক্ষণ থাকার পর পা-ই প্রচন্ড ভারী হয়ে যায়, বরং দুই পায়ে দুটো ইট বেঁধে দিলেও এর চেয়ে কম ভারী হতো। এই অবস্থায় কোনো দক্ষ সাতারুর পক্ষেও ভেসে থাকা সম্ভব নয়। এরপর লাইফগার্ড কিংবা কেউ পৌছানোর আগেই দ্রুত ডুবে যায়। প্রফেশনাল সাতারের পোশাক এজন্যই ছোট হয়।
বাংলাদেশের ভার্সিটিগুলো যে কী পরিমাণ ইউজলেস মাল জন্ম দিচ্ছে তার প্রমাণ এই ঘটনাগুলো। যে ফালতু সিলেবাস তা তো সরকারী বেসরকারী কোনো জব দিতে পারলো না, ইভেন লাইফের বেসিক শিক্ষাটাও নিতে পারলো না। কারণ ভার্সিটি শেখায় না কিভাবে ট্যাক্স হিসেব করতে হয়, বিজনেস স্টার্ট করতে হয়, আগুন লাগলে কিভাবে নেভাতে হয়।
বড় ক্রিমিনাল শিক্ষকরা। তারা জীবন চলে গেলেও সিলেবাস আপডেট করবেন না, কারণ করলে সেই ৪০ বছর আগে নেওয়া পিএইচডিখানার আর কোনো দাম থাকবে না। তাই সেই প্রাগৈতিহাসিক 'জ্ঞান' রোজ উগরে দেবেন আর ছাত্ররা উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া শীট কপি করে 'পাবলিক ভার্সিটিতে রয়াল(?) ডিপার্টমেন্টে পড়া গ্রাজুয়েটের' দাম্ভিকতা দেখানোর চেষ্টা করবে।
আর কোন ছাত্র রেয়ারলি বড় কিছু ফেললে সবার আগে বেহায়ার মত ক্রেডিটটা নিতে চলে আসবেন, 'সে ছিল আমাদের নিয়মিত ছাত্র'। ইভেন বিসিএসেও! অথচ এই শিক্ষকদেরই দেওয়া অ্যাটেন্ডেন্স, টেস্ট, আর অ্যাসাইনমেন্টের ঠেলায় ছাত্ররা চাকরির পড়া পড়তে পারেনি।
মেয়েদের উচ্চশিক্ষা নিয়ে আপত্তির বড় অংশ এখানেই। ইউনিভার্সিটি যদি সত্যি সত্যি কোনো ভ্যলু অফার করতে পারতো, তাহলে খানিকটা যৌক্তিক ছিলো। ভ্যালু তো নেইই, গিটার, ব্যভিচার, আর 'ভাইয়ের জয় হোক'। আমরা 'জ্ঞানার্জন থেকে বাঁধা দিচ্ছি' এটা স্টুপিড লেভেলের যুক্তি। কারণ, কেবল জ্ঞানই উদ্দেশ্য হলে এরচেয়ে হাজারগুণ ইফেক্টিভ বিকল্প রয়েছে।
এখন দুনিয়া কত বদলে গেছে! টিচারের দেড় ঘন্টা ঘুমধরানো লেকচারের পরিবর্তে দশ মিনিটের ইউটিউব টিউটোরিয়াল বেশি কিছু শেখায়। সিনিয়রের নোটের চাইতে চ্যটজিপিটি বেটার।
আশার কথা এই, আমাদের নতুন জেনারেশন এই বড়সড় স্কামের ব্যপারে জানতে পারছে।
ভার্সিটি ৬ বছর পড়িয়ে বিশ হাজার টাকার একটা চাকরীর নিশ্চয়তা দিতে পারছে না, অথচ ইউটিউব দেখে অনলাইন ক্যারিয়ার গড়ে ফেলেছে এরকম ছেলের সংখ্যা তো কম না।
____________
আহমাদ খান
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dhaka
63447