Sovereign Trade Link
14/04/2025
এই কবির নাম হলধর নাগ।
মাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। সেই সময়টুকুও ঠিকমতো ক্লাসে গেছেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। অথচ তাঁর লেখা কবিতা নিয়ে গবেষণা করে রীতিমতো পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন পাঁচজন।
তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পদ্মশ্রী পুরস্কার। মূলত প্রাচীর কোসলি ভাষায় কবিতা লেখেন তিনি। মজার ব্যাপার হলো নিজের লেখা ২০টি মহাকাব্য এবং সব কবিতা হলধরের মুখস্ত।
৩১ শে মার্চ ১৯৫০ সালে উড়িষ্যার 'বরগড়' জেলার 'ঘেস' গ্রামে একটি হতদরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই মানুষটি।...মাত্র ১০ বছর বয়সে বাবা মারা যাওয়ায় ক্লাস থ্রি পাস করেই পড়া ছেড়ে দিতে হয় তাকে।...পরিবারের মুখে ভাত তুলে দিতে সেই ঘেস গ্রামেই হাই স্কুলের হোস্টেলে রাঁধুনি হিসেবে তার জীবনসংগ্রাম শুরু করেন।
এই কাজের সময়ই তার সঙ্গে পরিচয় হয় মালতি নামে একটি মেয়ের, যে সেই হোস্টেলেই তাকে রান্নার কাজে সাহায্য করতে আসত।...ধীরে ধীরে মালতিকে ভাল লেগে যায় তার।মালতি বেশ সুন্দরী হওয়ায় মুখে ভালবাসার কথা বলতে না পারলেও রান্নাঘরের দেয়ালে কয়লা দিয়ে কবিতা লিখে মালতিকে ভালবাসার কথা বোঝাতে চাইতেন তিনি।...রান্না ঘরের দেয়াল ভরে উঠত শত শত কবিতায়। ...শেষে এই লাজুক প্রেমিকটির মনের গভীরতা ভাল লেগে যায় মালতির, বিয়েও করেন।...সংসার বড় হয়, আসে তাদের ভালবাসার প্রাপ্তি মেয়ে নন্দিনী। ...স্কুলের শিক্ষকদের পরামর্শে স্কুল গেটের পাশে একটি ছোট বইখাতার দোকান খোলেন তিনি, ছেড়ে দেন রান্নার কাজ।...এই প্রথম কলম হাতে ওঠে তার, আর সাদা পৃষ্ঠার তো কোন অভাব ছিল না দোকানে; শুরু হয় পুরোদমে কবিতা লেখা।..."কোশলি" ভাষায় কবিতা লিখতেন তিনি।...সেই শুরু তার প্রথম কবিতা "ধোদো বড়গাছ" (বুড়ো বটগাছ) প্রকাশ পায় ১৯৯০ সালে। ...এরপর "ভাব", "সুরত" একে একে শত শত কবিতা প্রকাশ পায় তার।...লিখে ফেলেন কোশলি ভাষায় ‘আচিয়া’, ‘বাছার’, 'মহাসতী উর্মিলা’, ‘তারা মন্দোদরী’, ‘শিরি সামালাই’, ‘প্রেম পইচান’, ‘বীর সুরেন্দ্র সাই’, ‘শান্ত কবি বিমাভাই’, ‘র“শি কবি গঙ্গাধর’ ইত্যাদি ২০ টি মহাকাব্য।
তার লেখাগুলি নিয়ে দেশে বিদেশে এখনও পর্যন্ত ৫ জন মানুষ "পিএইচডি" করেছেন, এবং ১৪ জন স্কলার এখনও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।...২০১৪ সালে তিনি "উড়িষ্যা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার" পেয়েছেন।...তার সেই বইখাতার স্টলটি এখন তার গুণমুগ্ধ স্কলারদের কাছে মন্দির স্বরূপ।...উড়িষ্যা সরকার সংরক্ষণ করেছে সেটিকে। ...এই অতি সাধারণ মানুষটির নাম "হলধর নাগ"।..সম্বলপুরী-কোশলি ভাষায় সাধারণ গ্রাম জীবনের মানুষের দুঃখবেদনার কথা, ভালবাসার কথা, প্রতিবাদের কথা, অতীত গৌরবের কথা, ধর্মের কথা- এতো সুন্দর আঙ্গিকে এর আগে কেউ তুলে ধরতে পারে নি।...তার লেখার কৌশল একটি নতুন কাব্য ধারা তৈরি করেছে যেটি তার নাম অনুযায়ী "হলধর ধারা" হিসেবে পরিচিত।...তার কাব্যগুলি সঙ্কলিত করে প্রকাশিত হয়েছে "হলধর গ্রন্থাবলী" এবং "হলধর গ্রন্থাবলি-২"।...এই বইগুলি সম্বলপুর ইউনিভার্সিটির মাস্টার্স সিলেবাসের পাঠ্যসূচিতে স্থান পেয়েছে।
তথ্য - উইকিপিডিয়া
14/03/2025
এই মহিলাকে নিয়ে খুব একটা কিছু বলতে শুনি না কাউকে!
অথচ তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে আজও বছরে প্রায় আধাকোটির উপর শিশু একপ্রকার বিনাচিকিৎসায় মারা যায় সেখানে ওঁর প্রাপ্য ছিল সুপার সেলিব্রিটির সম্মান!
কিন্তু দেশটার নাম ভারত। এখানে ক্রিকেটার, অভিনেতা, রাজনীতিক যতটা সেলিব্রিটি ততটা আর কেউ নয়।
তাই রাস্তাঘাটে এলোপাথাড়ি জিজ্ঞাসা করে দেখুন! পলক মুচ্ছল'কে কেউ চেনেই না প্রায়। দুয়েকজন বলবে, গান-টান গায়।
অথচ মাত্র ৩২ বছর বয়সে পলক যা যা করেছেন তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে!
পলক মুচ্ছল গান করেন। মাত্র চারবছর বয়সে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ কল্যাণজী-আনন্দজী লিটল স্টার গ্রুপের হাত ধরে। মাত্র নয়বছর বয়সে প্রথম অ্যালবাম! চোদ্দবছর বয়সে ছোট্ট শহর ইন্দোর থেকে বলিউডে আগমন। ততদিনে তিনটে অ্যালবাম বেরিয়ে গেছে হইহই করে। বলিউডে পা দিয়েই টি-সিরিজের হাত ধরে চতুর্থ অ্যালবাম। আর ঐ একই বছরে প্রথম প্লেব্যাক বলিউড সিনেমায়!
এরপর "বীর', 'এক থা টাইগার', 'আশিকি ২', 'প্রেম রতন ধন পায়ো', 'এম এস ধোনি'সহ একের পর এক সিনেমায় হিট গান। 'জুম্মে কি রাত', 'নাইয়ো লাগদা' সহ অন্তত একডজন ব্লকবাস্টার গান তাঁর ঝুলিতে!
বাংলা, পাঞ্জাবী, তামিল, গুজরাটি, তেলেগু, কন্নড়, ওড়িয়াসহ ১৭টা ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছেন ও গাইছেন পলক।
এসব শুনেও কেউ কেউ বলবেন বলিউডে এমন কত আসে আর যায়! উনি স্পেশাল কীসে?
হ্যাঁ, সেই স্পেশালিটির গল্প বলব বলেই তো এত শিবের গীত!
কার্গিল যুদ্ধের সময় মাত্র সাতবছর বয়সে নিজের শহর ইন্দোরে পথে পথে ঘুরে গান গেয়ে ২৫,০০০/- তুলে দিয়েছিলেন আহত সেনাদের চিকিৎসার জন্য!
কে? এক ছাপোষা মধ্যবিত্ত দম্পতির সাতবছর বয়সী মেয়ে পলক!
ঐ একই বছর, ১৯৯৯তে উড়িষ্যা সাইক্লোনে ত্রাণের জন্য ইন্দোরের দোকানে দোকানে ঘুরে গান গেয়ে তুলেছিলেন ৩৮,০০০/-!
পরেরবছর ইন্দোরের এক স্কুলছাত্রের হার্ট অপারেশনের জন্য আটবছরের পলক রাস্তায় শো করে তুলে দিয়েছিলেন ৫১,০০০/-! স্রেফ পলকের ঐ উদ্যোগের কথা শুনে ডঃ দেবী শেঠি সেই ছাত্রের অপারেশন বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেন।
কেমন রূপকথার মত লাগছে না?
রূপকথা যখন বাস্তব হয় তা বোধহয় অনেক স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।
সেই ছাত্র, লোকেশের চিকিৎসার হিল্লে হয়ে যাওয়ার আনন্দে তার মা-বাবা স্থানীয় খবরের কাগজে জানালে চোখের নিমেষে উঠে আসে আরও তেত্রিশজন হতভাগ্য শিশুর কথা যারা হার্টের দুরারোগ্য রোগে ভুগছিল!
ঐ ২০০০ সালেই আটবছরের পলক একের পর এক স্টেজশো করে তাদের জন্য তুলে দেন ২,২৫,০০০/- যা দিয়ে পাঁচজন শিশুর সফল হার্ট অপারেশন হয়।
সেই শুরু! ২০০১এ গুজরাত ভূমিকম্পপীড়িতদের জন্য পলক স্টেজ'শো করে তুলে দেন ১০ লক্ষ টাকা।
দুরারোগ্য হার্টের অসুখে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য তৈরি করেন ব্যানার - দিল সে দিল তক!
ঐ বয়সে তাঁর বন্ধুবান্ধব যখন স্কুলের পর পার্কে যাচ্ছে খেলতে, ছুটির দিনের সন্ধ্যায় যাচ্ছে আঁকার বা নাচের স্কুলে, সদ্য দশে পা দেওয়া পলক তখন স্টেজ শো করে চলেছেন সমবয়সী দুঃস্থ শিশুদের একটা সুস্থ জীবন দিতে!
২০০১ থেকে ২০০৬, পাঁচবছরে পলক তাঁর ছোটভাই পলাশকে সঙ্গে নিয়ে হাজারেরও বেশি স্টেজ'শো করে তুলেছিলেন ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা যা দিয়ে বাঁচানো গেছিল ২৩৪ জন শিশুর প্রাণ!
ততদিনে কিশোরী পলক নিজেই তৈরি করে ফেলেছেন 'পলক মুচ্ছল হার্ট ফাউন্ডেশন'!
আঠারোয় পা দেওয়ার আগেই পলক মুচ্ছল আয় করেছেন মোট পৌনে দু'কোটি টাকা। প্রাণ বাঁচিয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন শিশুর!
আজ বত্রিশে পা দিয়েও পলক মুচ্ছল ঐ এক সাধনায় মেতে আছেন! ক্লান্তি নেই, অবসাদ নেই, প্রচারের ঢক্কানিনাদ নেই কোথাও!
ইন্দোর, মুম্বাই ও বেঙ্গালুরুর হার্ট স্পেশালিস্টদের হিসেব অনুযায়ী ২০২৪এর শেষ অবধি এযাবৎ ৩,০০০এরও বেশি শিশুর হৃদযন্ত্রের অপারেশন হয়েছে পলক ও পলাশের অর্জিত অর্থে!
৩,০০০এর বেশি শিশু আজ পড়ছে, খেলছে, গাইছে, নতুন স্বপ্ন নিয়ে বাঁচছে পলকের হাত ধরে!
তবু পলক মুচ্ছলকে নিয়ে কথা হয় না! এ পোড়া দেশে পলক কোনও সেলিব্রিটি নন!
ওঁর একটা ইন্টারভিউতে প্রশ্ন করা হয়েছিল, 'আপনি তো এখন একজন প্রতিষ্ঠিত প্লেব্যাক সিঙ্গার! তাও এত কনসার্ট বা স্টেজ শো করেন কেন?'
নির্দ্বিধায় উত্তর দিলেন - 'আমার কাছে একটা কনসার্ট মানে ১০ - ১২টা বাচ্চার হার্ট অপারেশন। করব না?'
শৈশব থেকে হাজারো অন্ধকার বুকের খাঁচায় নিরলস আলো জ্বালিয়ে যাওয়া পলক মুচ্ছল হয়ত নিজেই চান না অমন প্রচারের আলোয় আসতে! যার ছটায় আড়ম্বর থাকলেও প্রাণ নেই!
Palak Muchhal 🙏🙏
11/06/2024
সুখ আসলে কী?
বিখ্যাত এক তুর্কি কবি তার বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বন্ধুকে অনুরোধ করেন, সুখ কী তা যেন এঁকে দেখান। তিনি এই ছবিটা আঁকেন।
একটা ভাঙা খাটের ছোট বিছানায় শান্তিতে ঘুমাচ্ছে একটি বড় পরিবার। খাটের একটা পায়া নেই, সেখানে দুটি ইট রাখা। জরাজীর্ণ বাড়ির ছাদের ফুটো থেকে পানি পড়ছে, ওখানে তাই ছাতা রাখা। বাড়ির কুকুরটিও বিছানায় শান্তিতে ঘুমায়। কপাটবিহীন জানালায় পাখি বসেছে। মুরগি শেয়ালে নেবারও দুর্ভাবনা নেই।
ছবিটা দেখার পর মনে হলো, সুখ মানে সমস্যা না থাকা নয়, কষ্টের পরিস্থিতিকে স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নেওয়ার মধ্যেই সুখ। যা আছে তা নিয়েই খুশি থাকি, শান্তিতে ঘুমাই।
24/05/2024
*"আমি তোমার মুখ মনে রাখতে চাই যাতে স্বর্গে তোমার সাথে দেখা হলে আমি তোমাকে চিনতে পারি এবং আবারো ধন্যবাদ দিতে পারি।"*
ভারতীয় ধনকুবের স্যার রতনজি টাটাকে যখন টেলিফোন সাক্ষাত্কারে রেডিও উপস্থাপক জিজ্ঞাসা করেছিলেন:
"স্যার, আপনি যখন যখন জীবনের সবচেয়ে সুখী হয়েছেন, সেই সেই সময় গুলি আপনার কী মনে আছে"?
রতনজি টাটা বলেছিলেন:
"আমি জীবনে সুখের চারটি ধাপ অতিক্রম করেছি, এবং অবশেষে আমি প্রকৃত সুখের অর্থ বুঝতে পেরেছি।"
প্রথম পর্যায়ে ছিল সম্পদ ও সম্পদ আহরণ।
কিন্তু এই পর্যায়ে আমি যে সুখ চেয়েছিলাম তা পাইনি।
এরপর আসে মূল্যবান জিনিসপত্র সংগ্রহের দ্বিতীয় পর্যায়।
কিন্তু বুঝলাম এই জিনিসের প্রভাবও সাময়িক এবং মূল্যবান জিনিসের দীপ্তি বেশিদিন থাকে না।
এরপর আসে বড় প্রকল্প পাওয়ার। তৃতীয় পর্ব। তখন ভারত ও আফ্রিকায় আমার 95% ডিজেল সরবরাহ হত।
আমি ভারত ও এশিয়ার বৃহত্তম ইস্পাত কারখানার মালিকও ছিলাম। কিন্তু এখানেও যে সুখ কল্পনা করেছিলাম তা পাইনি।
চতুর্থ ধাপটি ছিল যখন আমার এক বন্ধু আমাকে কিছু প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হুইলচেয়ার কিনতে বলেছিল।
প্রায় 200 শিশু।
এক বন্ধুর নির্দেশে সাথে সাথে হুইলচেয়ার কিনলাম।
কিন্তু বন্ধুটি জোর দিয়েছিল যে, আমি যেন তার সাথে যাই এবং বাচ্চাদের হুইলচেয়ারগুলি হস্তান্তর করি। আমি রেডি হয়ে ওর সাথে গেলাম।
সেখানে এই শিশুদের আমি নিজ হাতে এই হুইল চেয়ার দিয়েছি। এই শিশুদের মুখে এক অদ্ভুত আনন্দের আভা দেখলাম। আমি তাদের সবাইকে হুইলচেয়ারে বসে হাঁটতে এবং মজা করতে দেখেছি।
যেন তারা একটি পিকনিক স্পটে পৌঁছেছে, যেখানে তারা একটি বিজয়ী উপহার ভাগ করছে।
আমি আমার ভিতরে প্রকৃত সুখ অনুভব করলাম। যখন আমি চলে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম, তখন একটা বাচ্চা আমার পা চেপে ধরল।
আমি ধীরে ধীরে আমার পা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু শিশুটি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার পা শক্ত করে ধরে রাখল। আমি ঝুঁকে শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করলাম: তোমার কি আর কিছু দরকার?
এই শিশুটি আমাকে যে উত্তর দিয়েছিল তা আমাকে শুধু হতবাক করেনি বরং জীবনের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গিও পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল।
ওই শিশুটি বলেছিল :
*"আমি তোমার মুখ মনে রাখতে চাই যাতে তোমার সাথে স্বর্গে দেখা হলে আমি তোমাকে চিনতে পারি এবং তোমাকে ধন্যবাদ দিতে পারি।"*
🙏🙏🙏
।। সংগৃহীত ।।
05/04/2024
এই মূর্তিটির নাম - "Emptiness" বা শূন্যতা।
এটা তৈরীর পিছনে উদ্দেশ্য হল বৃদ্ধ অবস্থায় সন্তানদের অনুপস্থিতিতে বাবা-মা কি সীমাহীন মানসিক শুন্যতায় ভোগেন তার প্রকাশ।
আজকাল সন্তানরা আলাদা থাকতে চায় বা থাকে অথবা প্রবাসী হয়।
বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মা’রা শিশুর মতই অসহায় হয়ে যান।
এ বাবা-মা’ই একদিন সব উজাড় করে দিয়ে সন্তানকে শিশু বয়স থেকে মানুষ হিসেবে যোগ্য করে তুলে ছিলেন।
কিন্তু স্বার্থপর ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থায় অতি আধুনিকতার দাবীদার সন্তানেরা মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়ার কারনে বাবা-মা'য়ের সংস্পর্শতার মুল্য বোঝেনা।
তাঁদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম বা কেয়ার টেকার রেখে দিচ্ছেন।
ব্রোঞ্জ নির্মিত মূর্তিটি সুইজারল্যান্ডের জেনেভা লেকের পারে স্থাপন করেছেন শিল্পী- এলবার্ট জর্জ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
South Mugda
Dhaka
1214