Web Office

Web Office

Share

07/08/2022

# **একজন ওয়েব ডিজাইনার কী ধরনের কাজ করেন?**

প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ওয়েব ডিজাইনারের কাজ আলাদা হয়ে থাকে। এছাড়া ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশনের ধরনও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক।

সাধারণত যে ধরনের কাজ ওয়েব ডিজাইনরা করে থাকেন, তার মধ্যে রয়েছে –

ক্লায়েন্টের চাহিদাগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেয়া ও পুরো কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে যোগাযোগ রাখা;

ওয়েবপেইজ/ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

প্রজেক্টের জন্য গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

ক্লায়েন্টের কাছে প্রাথমিক ডিজাইন উপস্থাপন করা;

প্রয়োজনীয় কোড লেখা;

দরকার হলে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে কাজ করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা;

ওয়েবপেইজ/অ্যাপ্লিকেশনের বিভিন্ন কন্টেন্ট এডিট করা ও বারবার এর কার্যকারিতা যাচাই করা;

কাজ শেষ হবার পর ক্লায়েন্টের কাছে প্রজেক্ট হস্তান্তর করা;

প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে ক্লায়েন্টকে টেকনিক্যাল সহায়তা দেয়া।

**কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয় একজন ওয়েব ডিজাইনারের?**

ওয়েব ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও কাজের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকা জরুরি। এরপরও নিচের বিষয়গুলোতে ডিগ্রি থাকলে প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার যোগ্যতা নিয়ে একজন চাকরিদাতা ভালো ধারণা পেতে পারেন –
> কম্পিউটার সায়েন্স;
> ওয়েব ডিজাইন;
> গ্রাফিক ডিজাইন;
> মাল্টিমিডিয়া ডিজাইন;
> ডিজিটাল মিডিয়া প্রোডাকশন;
> ইনফরমেশন টেকনোলজি;
> সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।

প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, কাজের পোর্টফোলিও থাকলে একজন ওয়েব ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়। আপনি যদি বিভিন্ন ছোট কোর্সের মাধ্যমে বা নিজে নিজে ওয়েব ডিজাইনের কাজ শেখেন, তাহলে আপনার জন্য পোর্টফোলিও থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য ডিগ্রিধারী ডিজাইনারদের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার প্রযোজ্য।

**একজন ওয়েব ডিজাইনারের কোন কোন দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?**

প্রজেক্টের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। এরপরও সাধারণ উদাহরণ হিসাবে নিচের স্কিলগুলোর কথা বলা যায় –

কোডিং: HTML, CSS, JavaScript, jQuery, Dreamweaver

ডিজাইন ও গ্রাফিক্স: Photoshop, Illustrator, InDesign

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: WordPress, Drupal, Joomla

30/06/2022

# ই-কমার্স ওয়েবসাইট-ঘরে বসে ব্যবসা।

**একজন ই-কমার্স বা যেকোন ব্যবসায়ীর জন্য ওয়েবসাইট কতটা জরুরী?**

আপনার ব্যবসাকে সহজে সবার কাছে পৌছে দেওয়ার সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার পন্যের বা সার্ভিসের বিস্তারিত খুব সহজেই আপনি অন্যের কাছে তুলে ধরতে পারবেন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। আপনার ব্যবসার পরিধি প্রসারন এবং ব্যবসার উন্নতিতে ওয়েবসাইট এর গুরুক্ত অবর্ননীয়।

**ব্যবসায়ীদের ওয়েবসাইট খোলার কিছু কারনঃ**

**আপনার পন্যের বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপনের সহজ মাধ্যম ওয়েবসাইট। আপনি খুব সহজে আপনার পন্যের বা সার্ভিসের বিস্তারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারবেন। এর মাধমে খুব সহজেই আপনার পন্য বা সার্ভিস সম্পর্কে মানুষ অবহিত হবে।

**আপনার ওয়েবসাইট হবে আপনার পন্য বা সার্ভিস বেচাকেনা এবং যোগাযোগের সহজ মাধ্যম। এখান থেকেই আপনি কাস্টমারের মতামতও নিতে পারবেন।

**এখন ইন্টারনেটের যুগ। মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বকে জয় করেছে। একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে আপনি খুব সহজেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন বিশ্বব্যাপী।

**ওয়েরসাইটের মাধ্যমে আপনার পন্যের ছবি এবং মূল্য প্রকাশ করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে কাস্টমার আপনার পন্য এবং পন্যের দাম সম্পর্কে অবগত থাকবে।

**ব্যবসা ছোট পরিসরে অথবা বড় পরিসরে যেভাবেই শুরু করেন না কেন, আপনার ব্যবসায়ের জন্য ওয়েবসাইট অপরিহার্য। আপনার ব্যবসাকে একটি আদর্শ রূপ দিতে এবং একটি ব্যান্ডে পরিনত করতে ওয়েবসাইট খুবই গুরুক্তপূর্ন।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে সাধারন কিছু প্রশ্ন থেকে থেকেই যায়। যেমনঃ-

১) ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কি কি লাগে?
২) কতটুকু কম্পিউটারে দক্ষ হতে হবে?
৩) কেমন খরচ হতে পারে খরচ?

**ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কি কি লাগেঃ
**১। ডোমেইন
২। ওয়েব হোস্টিং
৩। প্ল্যাটফর্ম (কাস্টম ডিজাইন অথবা সিএমএস)
৪। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে
৫। ওয়েবসাইট এর নিরাপত্তা

**ডোমেইন ও হোস্টিংঃ**

আপনার একটি ব্যবসা, অর্গানাইজেশন, ব্যক্তিগত, নিউজ পোর্টাল বা অন্য কোন সার্ভিস এর জন্য একটি ওয়েবসাইট বানাতে হলে প্রথমে আপনার একটি ডোমেইন প্রয়োজন হবে। ডোমেইন টি হোস্ট করার জন্য একটি ভাল মানের হোষ্টিং প্রয়োজন হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত আমাদের দেশেও এখন ভাল মানের অনেক ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি আছে। এই সব কোম্পানি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভাল সার্ভিস প্রদান করছে। তবে আপনাকে ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং যাচাই বাচাই করে ভাল মানের কোম্পানি থেকে আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতে হবে। ভাল মানের কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং না কিনলে আপনি নানা রকম সমস্যার সন্মুখীন হতে পারেন।

**আসুন প্রথমে জানি ডোমেইন কি?**

আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নেম মানুষের নামের মতই। একটি মানুষের নাম তার পরিচয় বহন করে, তেমনি একটা ডোমেইন নেম একটা ওয়েবসাইট এর পরিচয় বহন করে। পার্থক্য হল একটি নাম একাধিক মানুষের হতে পারে, তবে ডোমেইন নেম ইউনিক, একটি ডোমেইন পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এড্রেস যার মাধ্যমে বাবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট টি খুজে পাই। যেমন, skilluper.com , arhostbd.com ইত্যাদি।

**ডোমেইন কেনার আগে যে ব্যাপার গুলো খেয়াল করা উচিতঃ**

**কোন ধরনের ওয়েবসাইট বানাবেন সেটা আগে নিশ্চিত হতে হবে। তবে বাংলাদেশের মানুষ .COM ডোমেইন সবচেয়ে পছন্দ করে। তাই ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে .COM আগে বিবেচনায় রাখা উচিৎ তারপর অন্যগুলো।

**প্রোভাইডের কাছ থেকে ডোমেইন কেনার আগে জেনে নিবেন কন্টোল প্যানেল দিবে কিনা। না দিলে তার কাছ থেকে নিবেন না।

**ডোমেইন নেম সহজে মনে থাকে এবং অল্প অক্ষরের হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবেন। ডোমেইন নেম সুন্দর না হলে মানুষ মনে রাখবেনা, তাই উদ্ভট ডোমেইন নেম পরিহায্য।

**কোন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী বা ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ডের কোম্পানির সাথে ওয়েবসাইটের সাথে আপনার ডোমেইন না মিলে সেইদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

**লোভনীয় অফারে ডোমেইন কেনার আগে অফার সম্পর্কে ভালভাবে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

**এবার জানি হোস্টিং কি?**

কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ভিজিটরকে জানাতে হলে, ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হবে, প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করতে হবে, প্রয়োজনে ভিডিও আপলোড করতে হবে। এই তথ্য গুলো আপলোড করার জন্য একটি নিদিষ্ট জায়গার প্রযোজন হয়, এই জায়গার নামই হল হোষ্টিং।

**হোস্টিং কেনার আগে যে ব্যাপার গুলো মনে রাখা উচিতঃ**

**প্রথমে খেয়াল করবেন যে কোম্পানী থেকে হোস্টিং কিনবেন সেই কোম্পানী মার্কেটে নতুন কিনা। তাদের সামগ্রিক অবস্থা কেমন। তাদের কাস্টমারদের রিভিউ দেখবেন।

** হোস্টিং এর প্যাকেজ গুলো ভাল্ভাবে দেখে নিন।

** হোস্টিং রিনিউ খরচ কত সেটা ভাল্ভাবে জেনে নিবেন।

**ওয়েবসাইট বানানোর পূর্বে আপনার হোস্টিং এর বাজেট করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য কতটুকু স্পেস দরকার, প্রতিমাসে কেমন ট্রাফিক থাকবে মানে কতটুকু ব্যান্ডউইথ দরকার এই গুলো হিসেব করে আপনার হোস্টিং বাজেট করতে হবে।

**হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপটাইম দেখে নিতে হবে। কারন আপনার সাইট কত সময় লাইফ থাকবে তা আপটাইমের উপর নির্ভর করে। হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপটাইম খুবই গুরুক্তপূর্ন ব্যাপার।

**ভাল সাপোর্ট দেখে হোস্টিং নিবেন। ২৪/৭ সাপোর্ট দেই এমন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

**আপনার লিনাক্স বা উইন্ডোজ কোন ধরনের হোস্টিং লাগবে সেটা বুঝে নিবেন।

**মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিবে কিনা ভালভাবে জেনে নিবেন। অনেক কোম্পানী ৩০ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি দেয়।

**সার্ভারের ওভারলোড এমন কোন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নিবেন না। এতে আপনার ওয়বসাইট লোড হতে বেশি সময় লাগবে।

** ওয়েবসাইট এর সর্বাধিক নিরাপত্তা দিবে এমন কোম্পানি থেকে কিনবেন।

**প্ল্যাটফর্মঃ
**আপনি কেমন ওয়েবসাইট বানাতে চান তার উপর নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট কোন প্লাটফর্মে বানাতে হবে। সিএমএস এ টেম্পলেট প্রি বিল্ড থাকে। এখান থেকে পছন্দনীয় টেম্পলেট দিয়ে সিএমএস ওয়েবসাইট বানানো হয়। আর যদি নিজের পছন্দ মত টেম্পলেট বানিয়ে ওয়েবসাইট বানান তাইলে কাস্টম ডিজাইন করতে হবে।

**অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েঃ
**যদি ক্যাশঅন ডেলিভারি দেন তাহলে অনলাইন পেমেন্ট দরকার নেই। তবে অনলাইন পেমেন্ট নিতে হলে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে নিতে হবে। কিছু কোম্পানি অনলাইন পেমেন্ট মেথড গেটওয়ে প্রদান করে। যেমনঃ easypayway.com, sslcommerz.com.bd, shurjopay.com

**কতটুকু কম্পিউটারে দক্ষ হতে হবেঃ
**ওয়েবসাইট মেইন্টেন এর জন্য আপনাকে কম্পিউটারে খুব বেশি অভিজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বেসিক ব্যবহার জানতে হবে। তাছাড়া অনেক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি আপনাকে স্বল্প পরিসরে ওয়েবসাইট মেইন্টেন প্রশিক্ষন দিবে।

**কেমন খরচ হতে পারে খরচঃ
**ওয়েবসাইট বানানোর খরচ নির্ভর করে আপনি কেমন ওয়েবসাইট বানাতে চান, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে রাখতে চান কিনা, হোস্টিং স্পেস কতটুকু লাগবে ইত্যাদি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। ডোমেইন প্রতিবছর ৯০০-১০০০ টাকা, হোস্টিং ২০০০ টাকা থেকে শুরু(আপনার স্পেস কত টুকু লাগবে এর উপর নির্ভরশীল) হোস্টিং শুরুতে কম লাগলেও পরে যখন প্রডাক্ট এড হবে আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে, ওয়েবসাইট ২০০০০ টাকা থেকে শুরু (আপনার কেমন ওয়েবসাইট চান তার ওপর নির্ভরশীল), অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ৮০০০-২০০০০ টাকা।

29/06/2022

ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপারদের জন্য প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
যারা ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট লিঙ্ক। যেগুলো কাজ করার সময় সবসময় লাগে। আশাকরি সবার উপকার হবে। এই পোস্ট নিয়মিত আপডেট করা হবে। আপনার প্রয়োজনে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।
সিএসএস ফ্রেমওয়ার্ক
Bootstrap 5 - https://getbootstrap.com/
Foundation - https://get.foundation/
Bulma - https://bulma.io/
Reflexgrid - https://reflexgrid.com/
আইকন
ওয়েবসাইট ডিজাইন করার সময় আমাদের বিভিন্নরকম আইকন ব্যবহার করতে হয়। যেগুলা ওয়েবসাইট এর সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করে। এখানে জনপ্রিয় কিছু আইকন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেওয়া হল। আপনি আপনার ডিজাইনের চাহিদা মত আইকন ব্যবহার করতে পারেন।
Font Awesome - https://fontawesome.com/
Line Awesome - https://icons8.com/line-awesome
Icon Finder - https://www.iconfinder.com
Material Icon - https://fonts.google.com/icons?selected=Material+Icons
ফন্টস
যেকোনো ওয়েবসাইট ডিজাইনের একটু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভালো একটি ফন্ট পছন্দ করা। আপনার ফন্ট যত সুন্দর হবে, সাইটের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। ফ্রী ফন্টের মধ্যে অন্যতম ফন্ট হচ্ছে গুগলের নিজস্ব ফন্ট। যদি এর মধ্যে আপনি আপনার পছন্দ মত ফন্ট খুঁজে না পান তাহলে কাস্টম ফন্টের জন্য অন্যান্য সাইট ব্যবহার করতে পারেন।
Google Fonts - https://fonts.google.com
Custom Fonts - https://www.dafont.com/
ফ্রি ছবি
ডিজাইনের প্রয়োজনে প্রচুর ছবি ব্যবহার করতে হয়। আপনি যদি সরাসরি গুগল থেকে ডাউনলোড করেন তাহলে কপিরাইট এর সমস্যা হতে পারে। আবার মনমত ছবি নাও পেতে পারেন। আবার ছবি পছন্দ হলে দেখা গেল অনেক বড় সাইজ। এইরকম অনেক সমস্যা। এর জন্য ছবির বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে আপনি ফ্রী ছবি ডাউনলোড করতে পারবেন ইচ্ছা মত আর কোন কপিরাইট এর ঝামেলা নেই।
Unsplash - https://unsplash.com
Pexels - https://www.pexels.com
কোড ভ্যালিদেশন
কোড শুধু লিখলেই হয় না। কোডটা প্রোপারলি ভ্যালিড হতে হয়। নাহলে সকল ব্রাউজারে সাপোর্ট করবে না। এছাড়া এর সমস্যা হয়। কোড অনেক বড় হয়ে গেলে ম্যানুয়ালি চেক করা অনেক ঝামেলার। এইজন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনার কোড আপলোড করে দেখতে পারেন কোড ভ্যালিড কি না। কোডের কোন জায়গায় সমস্যা, কি কি ঠিক করতে হবে সব বলে দিবে।
HTML - https://validator.w3.org
CSS - https://jigsaw.w3.org/css-validator
কোড ফরম্যাট
আমরা অনেক সময় কোড এলোমেলো ভাবে লিখি। যদিও কাজ ঠিকই করে। একজন ভালো কোডারের একটা অন্যতম গুণ হচ্ছে সুন্দর করে কোড লিখা। ইচ্ছা সত্ত্বেও অনেক সময় কোড এলোমেলো হয়ে যায়। কোড যদি খুব বেশি হয় তাহলে একটা একটা করে ঠিক করা অনেক ঝামেলার। এই কারনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি কোড ফরম্যাট ঠিক করতে পারবেন।
HTML - https://www.freeformatter.com/html-formatter.html**
CSS - https://www.freeformatter.com/css-beautifier.html
JS - https://www.freeformatter.com/javascript-beautifier.html
রেস্পন্সিভ / মোবাইল ফ্রেন্ডলি চেক
বর্তমানে ওয়েব সাইটের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল সকল প্রকার ডিভাইসে যাতে ভালোভাবে দেখা যায়। বিভিন্নরকম মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা বিভিন্ন সাইজের মনিটর আছে। ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে সব ডিভাইস থেকে ভালোকরে দেখা যায়। সমস্যা হল এতোগুলা ডিভাইস সবার কাছে থাকা সম্ভব না। এই জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট বিভিন্ন ডিভাইস কিরকম দেখাবে, তা সহজেই দেখতে পারবেন।
Google - https://search.google.com/test/mobile-friendly
Responsive Checker - https://www.responsivedesignchecker.com
ওয়েবসাইট স্পীড
ওয়েবসাইটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের একটা বড় অংশ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। এই জন্য ওয়েবসাইটের স্পীড যত দ্রুত হয় , তাহলে মোবাইল ফোন থেকে ওয়েবসাইট লোড হতে কম সময় আর কম ডাটা প্রয়োজন হয়। ওয়েবসাইট স্পীড পরীক্ষা করার জন্য কিছু ওয়েবসাইট আছে
Google - https://developers.google.com/speed/pagespeed/insights
Tools Pingdom - https://tools.pingdom.com
Gtmetrix - https://gtmetrix.com/
Favicon Generator
https://realfavicongenerator.net/
https://www.favicon-generator.org/
https://favicon.io/
Deployment
GitHub Pages - https://pages.github.com
Netlify - https://www.netlify.com/
Vercel - https://vercel.com/
Surge - https://surge.sh/
Others
Shape Divider - https://www.shapedivider.app/
Carbon - https://carbon.now.sh/
Wappalyzer https://www.wappalyzer.com/

30/05/2022

আস্সালামুআলাইকুম Noob Coders!!

আশা করছি সবাই ভালো আছেন !

এখন দেখাবো Tipping এর সেই কাঙ্খিত চ্যালেঞ্জ আপনি কিভাবে নিবেন। 🥰

আপনারা আমাদের সম্পূর্ন সাপোর্ট পাবেন। তো দেরি কিসের শুরু করা যাক ।

চ্যালেঞ্জ-:: টাইপিং স্পিড 25
(সময় দিবা ৩ দিন )
তুমি যদি প্রোগ্রামার/ওয়েব ডেভেলপার/চ্যাটিং মাস্টার/ বা অন্য কোন চাকুরীজিবি হতে চাও না কেনো; টাইপিং তোমাকে করতেই হবে। তাই টাইপিং রিলেটেড একটা চ্যালেঞ্জ তোমাকে নিতেই হবে। সেটা হচ্ছে টাইপিং স্পিড মিনিমাম 25 wpm (word per minute) করা। প্রথমেই চেষ্টা করবে কিবোর্ডে না দেখে দেখে টাইপিং প্রাকটিস করা। আর একদম বিগিনার হলে শিখার জন্য https://www.typing.com এ গিয়ে টাইপিং প্রাকটিস করা শুরু করে দাও। জাস্ট Signup now > Student Signসিলেক্ট করে সিরিয়াল মতো টিউটোরিয়াল দেখে দেখে প্রাকটিস করো।
আর যারা একটু আধটু টাইপিং পারো তারা নিচের লিংকে গিয়ে Start Now তে ক্লিক করে তারপর HTML, CSS বা JavaScript এ ক্লিক করে টাইপিং প্রাকটিস করতে থাকো https://www.speedcoder.net/
তারপর https://www.typingtest.com/ এ গিয়ে একটা ৩ মিনিটেড টেস্ট দিয়ে দাও। তারপর তোমার টাইপিং স্পিড টেস্টের রেজাল্ট স্ক্রিনশর্ট নিয়ে এই পোষ্ট এ কমেন্ট করো। ইচ্ছা করলে পোস্ট করতেও পারো।দেখি কে কত স্পিড দেখাতে পারে। জাস্ট তিনদিন দুই তিন ঘন্টা করে সময় দিলেই কাজ হয়ে যাবে। সেখানে তোমার স্পিড 25 wpm এর উপরে হলে ভালো হয়। ২৫ হলেও চলবে। তবে কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে টাইপিং একদম বন্ধ করতে হবে।

Page-এ সবাইকে ইনভাইট দেও আর ফটাফট কাজে লেগে পর সময় নস্ট করা যাবে না ।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dania Road
Dhaka
DHAKA-1236