Science Lovers

Science Lovers

Share

30/12/2025

ছবিতে যে প্রাণীটিকে দেখছেন সেটি কোনো সিংহ বা বাঘ নয়। এটি হচ্ছে Liger। লাইগার মূলত পুরুষ সিংহ এবং মেয়ে বাঘের মিলনের ফলে জন্মগ্রহণ করে। তবে liger এর বিপরিত হচ্ছে Tigon। অর্থাৎ পুরুষ বাঘ এবং মেয়ে সিংহের মিলনে Tigon এর জন্ম হয়।

Liger কে আপনি বলতে পারেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিড়াল। লাইগার সিংহ বা বাঘ থেকেও অনেক বড় হয়।

বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ১০০টির মত লাইগার আছে। তবে লাইগার এর মত অত্যন্ত বিরল প্রাণী দেখতে আপনাকে অন্য কোথাও যেতে হবেনা। খুলনার বনবিলাস চিড়িয়াখানায় একটি লাইগার সংরক্ষিত আছে। লাইগারটিকে পা'চা!র করার সময় বিজিবি এটিকে উদ্ধার করেছিল।

18/12/2025

৯-৩২ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক কৈশরেই পরে থাকে। অনেকে মনে করেন ১৮ বছরে মস্তিষ্ক 'ম্যাচিওর' হয়ে যায়, তা আসলে ভুল।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে বড়সড় পরিপক্কতা আসে চারটি বয়সে— ৯, ৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর।
৯ বছর বয়সে মস্তিষ্কে প্রথম বড় পরিবর্তন আসে। শেখার গতি বাড়ে, আচরণে পরিবর্তন হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে উঠতে শুরু করে। এভাবেই চলে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত।
৩২ বছরে ঘটে দ্বিতীয় বড় পরিবর্তন। শারীরিকভাবে মস্তিষ্ক পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ, আবেগ নিয়ন্ত্রণে আসে। এভাবে চলে ৬৬ পর্যন্ত।
৬৬ বছর বয়সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা কমতে শুরু করে, স্মৃতিশক্তি কমে এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক সর্বোচ্চ বেশি থাকে।
৮৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে শারীরিক পরিবর্তন আসে। 'কানেক্টিভিটি' কমতে শুরু করে, মেমোরি, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মনোযোগে বড়সড় পরিবর্তন আসে।

তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।

06/11/2025

বাংলাদেশের প্রথম নারী গবেষক হিসেবে মারজানা আক্তার জাতিসংঘের ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ ২০২৫ প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মধ্য থেকে মাত্র ১০ জন তরুণী গবেষক এই মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের এই মেধাবী গবেষক।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পোলট্রিতে Chicken Infectious Anemia Virus (CIAV) সনাক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশের ভাইরোলজি গবেষণায় যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

কুমিল্লার মেয়ে মারজানা আক্তারের পড়াশোনা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগে। স্নাতকোত্তর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিতে।

অভিনন্দন মারজানা আক্তারকে!

26/10/2025

কাঠঠোকরার জিহ্বা সৃষ্টিকর্তার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি। এর জিভ শুধু লম্বাই নয়, বরং এতটাই লম্বা যে তা ঠোঁট ছাড়িয়ে মাথার ভেতর ঢুকে, খুলি ঘুরে, এমনকি চোখের পাশ দিয়ে ঘুরে আবার বের হয়।

এই অদ্ভুত গঠন শুধু গাছের গভীরে লুকিয়ে থাকা পোকা খুঁজে বের করার জন্য নয়, এটা কাঠঠোকরার জন্য একধরনের প্রাকৃতিক শক-অ্যাবজর্বার হিসেবেও কাজ করে।

কাঠঠোকরা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২০ বার গাছের গায়ে ঠোকরায়। এই ভয়ংকর ধাক্কা মাথায় গিয়ে লাগার কথা, কিন্তু তার জিভের বিশেষ গঠন, যাকে বলা হয় হায়োইড অ্যাপারাটাস, এই ধাক্কা মাথায় সঠিকভাবে ছড়িয়ে দেয়, ফলে তার মস্তিষ্ক রক্ষা পায়।

মানুষ এমন ঠোকর খেলে মস্তিষ্কে ভয়ানক আঘাত পেত, কিন্তু কাঠঠোকরা এই অভাবনীয় উপায়ে নিজের মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে।

- সংগৃহীত।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka