JF Humaira Life Style
আমার ভাইয়ের কথামতো অবশ্যই আমরা কিছু ছেলে মেয়ে তৈরি আছি ইনশাল্লাহ 🥰
11/02/2026
ফ্যামিলি কার্ড ভুয়া না। ফ্যামিলি কার্ড সত্য।
ফ্যামিলি কার্ড হবে আইনগতভাবে বৈধতাপ্রাপ্ত চান্দা কার্ড। এটাতে নাম দেওয়ার কথা বলে একবার চান্দা আদায় করবে। চুড়ান্ত তালিকায় নাম দেয়ার কথা বলে আবার বাড়তি চান্দা আদায় করা হবে। আবার বরাদ্দকৃত অনুদান থেকে বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে অনুদান কেটে নেয়া হবে। বরাদ্দকৃত অনুদানে ঘাটতি দেখিয়ে অনুদান কম দেয়া হবে।
এসব কারণে বলা যায়, ইহা আইনগতভাবে বৈধতা প্রাপ্ত সরকারি চান্দা কার্ড। যেখানে কেউ এটা নিয়ে হামলা,মামলা বা এটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারবে না।
উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে- জেলা পরিষদের আওতাধীন সরকারি নিয়োগের ঘুষের মতোই এটা হবে ওপেন সিক্রেট চান্দা আদায়ের রমরমা ব্যাবসা।
07/02/2026
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা
06/02/2026
ইসলামী আন্দোলনের জন্য এই দিক নির্দেশনা "মহাসচিব"
“১ ঘন্টা আগে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপারের সমস্ত ‘বালাম বই’ (ব্যালটের বান্ডিল) এর হিসাব নেন। গণভোটের ব্যালটসহ”
১। ভোটকেন্দ্রে যারা পোলিং এজেন্ট থাকবেন, তারা যেন ভোট শুরুর অন্তত ১ ঘন্টা আগে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপারের সমস্ত ‘বালাম বই’ (ব্যালটের বান্ডিল) এর হিসাব নেন। গণভোটের ব্যালটসহ। প্রতিটি বালামে কতোটি ব্যালট আছে তা আলাদা কাগজে লিপিবদ্ধ করতে হবে। ধরা যাক মোট বালাম বই ১০টি। প্রতিটিতে ৫০০ করে ব্যালট পেপার। তাহলে মোট ব্যালট পেপার = ১০ X ৫০০ = ৫০০০টি। গণভোটের ব্যালট ও হাত পাখার ব্যালটের হিসাব আলাদা করে নোট রাখবেন।
এবার ভোট গ্রহণ শেষ হলে (অর্থাৎ ভোট গণনা শুরু হওয়ার আগে) ব্যালটের বালাম বই আবার হিসাব করতে হবে। মোট কতোটি ব্যালট পেপার ভোটাররা ব্যবহার করেছেন তা হিসাব বের করতেই হবে।
ধরা যাক ১০টি বালাম বই থেকে ব্যালট ছেঁড়া হয়েছে ৩৫০০টি। এবার ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর দেখতে হবে বাতিল ভোট বা নষ্ট হওয়া ভোটসহ মোট সিল মারা ব্যালট ৩৫০০টি কি না।
যদি ৩৫০০ হয়, তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু যদি ৩৫০০-এর বেশি হয়, যেমন ৪৫০০টি, তাহলে বুঝতে হবে জালিয়াতের দল গোপন কক্ষে সাথে করে নিয়ে আসা, বা অন্য কোনোভাবে সিল মারা ব্যালট বাক্সতে ঢুকিয়েছে।
এমনটি হলে সাথে সাথে ভোটকেন্দ্র ঘেরাও করে ফেলতে হবে। প্রিজাইডিং অফিসারসহ কাউকে এক চুল নড়তে দেওয়া যাবে না। ব্যালট বাকসো নিরাপদ হেফাজতে রাখতে হবে।
২। ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই নির্লোভ ও সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বস্ত কর্মীকে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিতে হবে। পোলিং এজেন্ট যেন শিক্ষিত ও স্মার্টফোন চালানোয় দক্ষ হয়, এটা নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্টের মোবাইলে আগে থেকে সমস্ত জরুরি যোগাযোগের নম্বর সেইভ করে দিতে হবে। অসুস্থ, অতি বয়স্ক, নিরক্ষর, এমন কাউকে পোলিং এজেন্ট করা যাবে না।
প্রতিপক্ষের সবাই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে পোলিং এজেন্টদের টাকা দিয়ে হাত করতে। বিশেষ করে ঢাকা ও আশপাশের জেলা শহরের আসনগুলোতে।
৩। ভোটের বাক্স, অর্থাৎ ভোট দেয়ার পর যে-বাক্সতে ব্যালট পেপার ফেলা হবে, সেই বাক্স যেন সর্বদা পোলিং এজেন্টদের চোখের সামনে থাকে, এটা নিশ্চিত করতে হবে। ভোটার যখন সেখানে ব্যালট ফেলবেন, তখন খেয়াল রাখতে হবে কতোটি ব্যালট ফেলছেন। কোনো ভোটার অতিরিক্ত ব্যালট বা সাথে করে নিয়া আসা সিল মারা ব্যালট ফেলছেন মনে হলেই সাথে সাথে পাকড়াও করতে হবে। কোনোপ্রকার অবহেলা করা যাবে না।
৪। ভোটের বাক্স এক মুহুর্তও চোখের আড়াল করা যাবে না। প্রিজাইডিং অফিসার বলতে পারে, এই বাক্সটা ভরে গেছে, এটা আলাদা রুমে রেখে আসি। নো, এটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। বাক্স ভরে গেলেও তা পোলিং এজেন্টদের সামনে থাকবে। আবার গণনার আগে প্রিজাইডিং অফিসার বলতে পারে, আপনারা একটু চা-বিস্কুট খান, আমরা বাক্সগুলো গোছাই, এই বলে বাক্স সব একসাথে করার নামে আলাদা রুমে নিতে চাইবে। এই ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।
কোনো কারণে একাধিক ভোট কক্ষের বাক্স এক কক্ষে আনার দরকার হলে, সেই বাক্স আনার সময় পোলিং এজেন্টকে বাক্সের পিছু পিছু আসতে হবে, এবং বাক্স যে-কক্ষে রাখা হবে সেই কক্ষে বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভোটের বাক্স ১ সেকেন্ডের জন্যও চোখের আড়াল করে রাখা যাবে না।
৫। ভোটের লাইনে কাউকে সন্দেহজনক মনে হলেই বিনা দ্বিধায় পাকড়াও করে সেনা- বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন। পর্যাপ্ত নারী কর্মী রাখবেন, যেন বুরকা পরে কেউ ভিক্টিম কার্ড খেলতে চাইলে তাকে ঘিরে ধরা যায়। ভোট শুরুর অন্তত ৫ দিন আগে থেকে সম্ভাব্য পোলিং এজেন্ট ও কেন্দ্রকর্মীকে সকল প্রাসঙ্গিক জিনিস শিখিয়ে দেবেন। বিশেষ করে ঢাকার আসনগুলোতে।
৬। ভোট দেয়া শেষে স্থানীয় বিএনপি ও বাংলাদেশের পক্ষের অন্যান্য রাজনীতিক দলের কর্মীদের একটি অংশ নিকটস্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আশেপাশে অবস্থান নেবেন। ঢাকার আশেপাশের জেলার কর্মীদের একটি অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলে আসতে হবে। সাথে হালকা খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখবেন। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট একটি অহিংস বিপ্লব। বাংলাদেশকে এই দিন রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত করতে হবে। সব ভেদাভেদ ও মতপার্থক্য ভুলে বাংলাদেশের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়তে হবে ইনশাআল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
Dhaka
1212