MD. Hasan

MD. Hasan

Share

10/10/2025

ভরপাশা ইউনিয়নের সহযোদ্ধাদের সাথে, লেবুখালী।

03/10/2025

Nurul Haque Nur ভাইয়ের সাথে প্রথম দেখা।
সেই থেকে এখনো আছি।

02/10/2025

সফল হতে আপনাকে একাই লড়াই করতে হবে।

Photos from MD. Hasan's post 30/09/2025

গণঅধিকার পরিষদ, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক Md. Rafiqul Islam ভাইয়ের নমিনেশন ফর্ম ক্রয় করে জমা দিলাম।
বরিশাল-৫ (সদর উপজেলা)
গণঅধিকার পরিষদের মার্কা, ট্রাক মার্কা। 🛻🛻

30/09/2025

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হক নুরের খোঁজখবর নিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নুরুল হক নুর লন্ডনে চিকিংসাধীন থাকলে হয়তো তারেক রহমান দেখতেও যেতেন ।

জাতীয় রাজনীতিতে যখন নতুন মেরুকরণ তৈরি হচ্ছে, সেই মুহূর্তে কেন হঠাৎ নুরুল হক নুরের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান? নুরুল হক নুরের প্রতি কেন এত টান বাড়াচ্ছেন তারেক রহমান?

বর্তমানে ইসলামিক দলগুলোকে নিয়ে জামায়াতের নেতৃত্বে একটি জোট, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতৃত্বে আরেকটি তরুণ জোট, এবং বিএনপির নেতৃত্বে যুগপৎ আন্দোলনে যারা ছিল তাদের নিয়ে আরেকটি জোট—এমন মেরুকরণের গুঞ্জন চলছে। এসব জোটের সম্ভাবনা নিয়েই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি হচ্ছে।

এদিকে সাম্প্রতিক ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের ব্যালট উত্থান ঘটেছে, যেখানে ছাত্রদলও ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এই ছাত্রশিবিরের এই ব্যালট উত্থান জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে জুলাই সনদ ও PR পদ্ধতি নিয়ে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে চাপে রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর একসময় যেটা নিশ্চিত মনে করা হয়েছিল যে —সামনে বিএনপি ক্ষমতায় আসছে—এখন সেই সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা কাটাতে বিএনপি এখন বিশ্বস্ত সঙ্গী খুঁজছে।

বিগত সময়ে বিএনপি কখনোই বিশ্বস্ত সঙ্গী খুঁজে পায়নি। জামায়াতের সঙ্গে জোটে থেকেও লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়েছে। সেটা ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন হোক, কিংবা পরবর্তী রাজনীতি। জামায়াতের সাথে জোটের কারণে ভারত ও আওয়ামী লীগের রোষানলে পরতে হয়েছে৷

২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিএনপি প্রবল দুঃসময়ের মধ্যে দিয়ে গেছে। কোনো রাজনৈতিক শক্তির উপর ভরসা করতে না পেরে ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিল। ঐ নির্বাচনের আগেই ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়েই নুরুল হক নুরের আবির্ভাব ঘটে।

নুরুল হক নুরের উত্থানের পর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হয়। ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে তিনি ভিপি হওয়ার পর বিএনপি যেন কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়, তরুণদের উত্থান ঘটে। ২০২২ সালে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠার পর বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনে আপোষহীন এক শক্তি পায়—যার কেন্দ্র ছিলেন নুরুল হক নুর।

তিনি নিঃশর্তভাবে বিএনপির পাশে থেকে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছেন। যখন বিএনপির পুরোনো মিত্ররা একে একে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপোষে যাচ্ছিল, তখনও নুরুল হক নুর আপোষহীন থেকেছেন। চাইলে আওয়ামী লীগের দেওয়া নানা সুযোগ-সুবিধা, এমপি বা মন্ত্রী হওয়ার প্রলোভন লুফে নিতে পারতেন, কিন্তু নেননি। বরং অসংখ্য হামলা-মামলা, আওয়ামী ষড়যন্ত্রের পরও বেগম জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির সাথেই থেকেছেন।

শুধু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন নয়, বিএনপিকে ভাঙনের হাত থেকেও বাঁচাতে হয়েছে নুরকে। এনায়েত করিম ওরপে মাসুদ করিম যখন বিএনপির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, রেজা কিবরিয়া, ফরহাদ ভাইদের দিয়ে যখন ভুয়া আন্দোলন তৈরি ও ভাঙনের প্রক্রিয়া চলছিল, তখন ঢাল হয়ে বিএনপির পাশে দাঁড়ান নুর। আওয়ামী লীগের গোপন এজেন্ডা বিএনপিকে বুঝাতে সক্ষম হন তিনি। এতে নুরুল হক নুরের নিজের দল গণঅধিকার পরিষদকেও ভাঙনের শিকার হয়।

২০২২-২০২৩ সালের যুগপৎ আন্দোলনে যখন বিএনপি সারাদেশে জাগরণ তুলেছিল এবং শেষে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের মহাযাত্রা ও ঢাকা ব্লকেড কর্মসূচি ব্যর্থ হয়, তখনও আন্দোলন সচল রাখেন নুর। বিএনপি যখন কোথাও দাঁড়াতে পারছিল না, তখন একমাত্র নুরুল হক নুর তথা গণঅধিকার পরিষদই নিয়মিত কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলনের মাঠ চাঙ্গা রাখেন। জাতীয় মিডিয়া ও বিএনপির মিডিয়া সেলও তার কর্মসূচি প্রচার করে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা গ্রেফতার হওয়ার পরও আন্দোলন চালিয়ে যান নুরুল হক নুর।

২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় অনেকে ভেবেছিল নূর আওয়ামী লীগের লোভনীয় প্রস্তাবে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবেন। কিন্তু তিনি করেননি। বরং প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন—হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাওয়া মানে "থুথু ফেলে আবার তা চেটে খাওয়া"। নুর তার কথায় অটল থাকেন। কল্যাণ পার্টির ইব্রাহিমকে কিনতে পারলেও নূরকে কেনা যায়নি।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে তার অবদান অনস্বীকার্য। সত্যিই বলা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নূরের উত্থান না হলে ফ্যাসিবাদের পতন এত দ্রুত হতো না।

কিন্তু দুঃখজনক হলো—গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নূর আবারও এক গোষ্ঠীর রোষানলে পড়লেন। ২৯ আগস্ট নুরুল হক নুরের ওপর সেনা-পুলিশের পরিকল্পিত হামলা যপন জুলাই স্পিরিটের ওপরই আঘাত। হামলার আগে নুরুল হক নুরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে যেন জাতীয় পার্টির ব্যাপারে কিছু না বলতে। কেননা আওয়ামী লীগবিহীন জাপাই এখন দিল্লির একটামাত্র দাস৷ একইভাবে ২০০৮ সালে তারেক রহমান তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকারের রোষানলে পরে নির্যাতনের শিকার হয়ে রাজনীতি না করার শর্তে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তাই তারেক রহমান ও নুরুল হক নুর যেন একই ব্যথায় ব্যথিত। এজন্যই হয়তো তারেক রহমানের টান আজ নুরের প্রতি আরও গভীর।

সব মিলিয়ে, বিএনপির দুঃসময়ে নুরুল হক নুর হয়ে উঠেছেন আস্থাভাজন সহযোগী। এই বিষয়গুলো তারেক রহমানও ভালোভাবেই জানেন। ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কিংবা জোট রাজনীতিতে যেই সরকার গঠন কিংবা মন্ত্রীসভা গঠন করলে নুরুল হক নুর হবেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

ব্যক্তি নুরুল হক নুর দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রতীকী আইকন; আর রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গণঅধিকার পরিষদও সুসংগঠিত এক তরুণ শক্তি । জাতীয় রাজনীতিতে অংশীদারী হিসেবে নুরুল হক নুরের নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী -৩ এ একটি চিঠি কিংবা আসন ছেড়ে এমপি বানানো নয়, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মানে বিএনপির জাতীয় রাজনীতি পাকাপোক্ত হতে এবং কৃতজ্ঞতাবোধের জায়গা থেকেও নুরুল নুরকে পাশে চাচ্ছে স্বয়ং তারেক রহমান ৷ তাই ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে নুরুল হক নুর বিএনপির জোট রাজনীতিতে থাকুক কিংবা না থাকুক , বিএনপির আস্থাভাজন মিত্র নুরুল হক নুরকে বিএনপি সব সময় কাছে টানবে এটাই স্বাভাবিক।

মোঃ সোহরাব হোসেন।

29/09/2025

মিরপুর -১০ থেকে সচিবালয়।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka