NextGen Tech Support
30/07/2025
হঠাৎ তাকালে মনে হচ্ছে খুব ঘিঞ্জি একটা শহর!😅
29/05/2025
AI has transformed job hunting forever.
Leverage it to boost your career like never before.
20 AI tools to help you land your next dream role:
07/03/2025
সেদিন বিকেলে পুরান পল্টনের ফুটপাত ধরে হাঁটছিলাম। একটা দোকানের সামনে থমকে দাঁড়ালাম, চোখ আটকে গেল লাল রংয়ের মলাটটার ওপর। ছোট্ট জয় পকেট ডিকশনারিটা অন্য বইগুলোর ফাঁক দিয়ে দিব্যি আলাদা হয়ে ধরা পড়ছে।
দেখামাত্রই চিনতে এক মুহূর্তও দেরি হলো না। ছোটবেলায় স্কুলে থাকতে একটা সবসময় নিজের সঙ্গে থাকত। নিয়মিত নতুন নতুন শব্দ পড়তাম, প্রিয় অনেক শব্দের সঙ্গে প্রথম পরিচয় এ ডিকশনারি থেকেই।
একটা সময় দেশের সব জায়গায় জয় পকেট ডিকশনারি পাওয়া যেত। স্কুলপড়ুয়া, কলেজেওঠা শিক্ষার্থীরা ইংরেজিটা একটু ঝালিয়ে নেওয়ার জন্য সবসময় নিজেদের সঙ্গে একটা জয় ডিকশনারি রাখত।
জয় ডিকশনারির প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ভারতীয় এটি দেব-এর পকেট ডিকশনারি। ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের অভিধান ব্যবসার তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকে ছিল জয়।
জয় পকেট ডিকশনারির আদি প্রকাশক ছিলেন এসকে আহমেদ। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জয় বুকস ইন্টারন্যাশনাল থেকে প্রকাশিত হতে শুরু করে অভিধানটি। ১৯৮৫ সালে ডিকশনারিটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর ১৯৯০ সালে আরেকটি সংস্করণ। তবে ২০২৩ সালে এটি পুনর্মুদ্রণ করা হয়।
তবে ওয়েবসাইট ও পরে মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশনই জয় পকেট ডিকশনারির জন্য কাল হলো। মোবাইলে ডিকশনারি অ্যাপ্লিকেশনই কাগজের এ অভিধানের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকলো। কিন্তু নস্টালজিয়ার উপাদান হওয়ার আগে জয় পকেট ডিকশনারি দারুণ ব্যবসা করেছিল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kandirpar
Cumilla
3500