Cv design, MS Word, Ms Excel & PowerPoint presentation Preparation.
22/05/2024
১৮ই মে ২০২৪, রাত ১১.৪১ এর আপডেট - আল্লাহর রহমতে এবং আপনাদের সবার সহযোগিতায় সাঈদুল ভাই এর হার্টের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ৪ লক্ষ ৭২ হাজার ৩৭৫ টাকা আমরা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি। এবার শুধু দোয়া প্রয়োজন হবে যেন চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন।
সমস্ত জায়গা থেকে উনাদের সকল নাম্বার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপনারা পাশে না থাকলে এটা সম্ভব হতো না এবং অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা চেয়েছেন বলেই এই প্রজেক্টেও আমরা সফল হয়েছি। ভালো থাকবেন সবাই, অন্তর থেকে ধন্যবাদ।❤️
আমার পাশে বসা ভদ্রলোকের নাম সাঈদুল হক। ২০১৫ সালে মাত্র ১৮হাজার মাসিক আয়ের জন্য যখন উনি ২বছরের উটের ভিসায় ওমান গিয়েছিলেন তখন ঘরে তার ছোট ছোট ৫ মেয়ে। সংসারের খরচ চলে না তাই জন্মের দিন এক মেয়েকে দত্তক দিয়ে দেন।
ওমানে পৌঁছে দেখেন ১৮ হাজার না, বেতন পাবেন মাত্র ১৩ হাজার যেখানে সাত জনের কাজ উনার মতো একজন কে দিয়ে চালানো হবে। প্রতিদিন ৮০০০ ফিট উঁচু থেকে নিচে নেমে একা উনাকে ৩৫০ টা ছাগল মাঠে চড়িয়ে আবার ৮০০০ উচ্চতায় উঠতে হয়।আর এদিকে কাজের উনিশ থেকে বিশ হলেই শুরু হয় নির্মম শারীরিক অত্যাচার।
চাকরীর মাত্র ৪ মাসের মাথায় পাসপোর্ট ভিসা সহ সকল কাগজের তোয়াক্কা না করে মালিকের কাছে সব রেখেই নিজের প্রাণ বাঁচতে উনি পালিয়ে জান অন্য শহরে। যেহেতু কাগজ নেই সুতরাং না পাবে চাকরি না করতে পারবে কোন অসুখের চিকিৎসা। এভাবেই জীবন চলতে থাকে আর এদিকে ৪মেয়ে আর মায়ের সংসারের হাল ধরে ঘরের বড় মেয়ে।
দেখতে দেখতে ২০২২সালে ওমানে থাকা অবস্থায় উনি প্রথম স্ট্রোক করেন কিন্তু যেহেতু লিগাল কাগজ নেই তাই কোন চিকিৎসা করাতে পারেনি। দিন দিন শরীরের অবনতি হতে থাকে। মিনি স্ট্রোক হয় আবারও এবং শুরু হয় একের পর এক শারীরিক জটিলতা।
২০২৪ সালে উনি একটা খবরে দেখেন সরকার একটা সুবিধা দিয়েছে এরকম যে যারা অবৈধ ভাবে ওমানে আছেন তারা যেন দেশে ফিরে আসেন। সাঈদুল ভাই ২০২৪ সালের জানুয়ারি তে দেশে ফিরে আসেন ঠিকই কিন্তু তখনও তিনি জানেন না তার ভাগ্যে কতো নির্মমতা অপেক্ষা করছে তার জন্য।
দেশেই ফিরেই শরীর অনেক বেশি খারাপ হয়ে গেলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানতে পারেন তার হার্টে ৪টা ব্লক হয়ে আছে যেখানে ১টা ব্লকে আর রিং পরানোর অবস্থাও নেই আর বাকি গুলো ১০০% এর কাছাকাছি ব্লক হয়ে আছে।
যেখানে ঘরে বাজার করে একবেলা খাওয়ার টাকাও নেই সেখানে চিকিৎসা করানো একরম বিলাসিতার মতো হয়ে যায় এই পরিবারের কাছে। মেয়েরা এত বছর পর বাবাকে পেয়েও চোখের সামনে দেখছে চিকিৎসার অভাবে তাদের বাবা নামের বটবৃক্ষ আসতে আসতে ফেকাসে হয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন মাধ্যম হয়ে সেদিন আমার কাছে ছুটে আসে। উনাদের অবস্থা জানতে পেরে আমি একটা লাইভ করেছিলাম টাকা চেয়ে। মনে মনে ভয় পাচ্ছিলাম কী জানেন?? ভাবছিলাম যেহেতু উপর থেকে দেখে রোগের অবস্থা বুঝা যায় না হয়তো টাকাটা উঠবে না তবে বারবার নিজেকে ভুল প্রমাণ করতে চাইছিলাম। কিন্তু না, নিজেকে ভুল প্রমাণ করতে পারিনি। সত্যিই তাই হয়েছে।
গত দুই দিনে টাকা এসেছে মাত্র ১ লক্ষ ২৭হাজার ৮২০ টাকা যেখানে শুধু মাত্র রিং পড়াতেই বেসিক হাসপাতালে ৪লক্ষ টাকার বেশি বিল দিতে হবে। বাদবাকি যাওয়া আসা, রোগীর জন্য পরবর্তী ঔষধ সহ অন্যান্য সকল খরচ বাদই দিলাম।
একটু আগে উনারা আমার কাছে জানতে চেয়েছে এখন কী করবে। আমি কী উত্তর দেবো আমার জানা নাই তাই আপনাদেরকে পুরোটা অবস্থা জানালাম। আমি রোগীর পরিবারের সমস্ত নাম্বার দিয়ে দিচ্ছি। যতটুকু সম্ভব হয় এগিয়ে আসার চেষ্টা কইরেন। অন্তত ১৭ কোটি মানুষের দেশে অল্প অল্প করে এগিয়ে আসলে এই ৪লক্ষ টাকা খুব সহজেই চলে আসা সম্ভব। #আমরাচাইলেইসম্ভব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Jhawtola
Comilla
3500