Power Display Technologies

Power Display Technologies

Share

20/04/2019

Kodak কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন।
এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পুর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন-

HMT (ঘড়ি)
BAJAJ (স্কুটার)
DYANORA (TV)
MURPHY (radio)
NOKIA (Mobile)
RAJDOOT (bike)
AMBASSADOR (গাড়ি)

এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব"-এর যুগে।

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

উবার কেবলমাত্র একটি software-এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল উবের।

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

2019 সালের মধ্যেই রাস্তায় নামতে চলেছে চালকহীন গাড়ি। 2020 সালের মধ্যেই এই একটা আবিষ্কার বদলে দিতে পারে গোটা দুনিয়ার চালচিত্র। এর ফলে সামনের 10 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পুর্ন চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 5-10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে "প্লাস্টিক টাকায়" পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন।

সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

23/03/2019

এক মহিলার একটা ফুটফুটে মেয়ে বাচ্চা হয়েছে নরমাল ডেলিভারিতে। এটা মহিলার ৪ নম্বর বাচ্চা। চারটা বাচ্চাই মেয়ে।

ডেলিভারির পর কমপ্লিকেশন দেখা দিলো। ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না। কোনোরকমে ম্যানেজ করে রুগীর আত্মীয় স্বজন ডাকা হলো।

তাদেরকে বলা হলো রুগীর ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না। আমরা আপাতত ম্যানেজ করেছি। এরপরেও যদি ব্লিডিং বন্ধ না হয়, তবে অপারেশন করে ইউটেরাস ফেলে দিতে হবে।

রুগীর শ্বাশুরি বলে, কি বলেন ডাক্তার সাহেব!!!! চারটাই মেয়ে! একটাও ছেলে বাচ্চা নাই। আর বাচ্চা না হলে কি ভাবে হবে?

বুঝলাম শ্বাশুরির সাথে কথা বলে লাভ হবে না। তাই মহিলার হাজব্যান্ডকে বিস্তারিত বললাম।

মহিলার হাজব্যান্ড আমাকে অবাক করে বললো, বংশের প্রদীপ জ্বালানোর একটা ব্যাপার আছে না। মেয়ে দিয়েতো আর বংশের প্রদীপ জ্বালানো যায় না।

- কিন্তু এতে আপনার ওয়াইফ মারাও যেতে পারে।

- তারপরেও একটু দেখেন।

আমি আবাক হয়ে উনার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। আরও অবাক হলাম যখন শুনলাম, উনি একজন উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা।




একবার এক অফিসের পিয়ন তার বউকে নিয়ে আসলো হাসপাতালে। মহিলা একটি মৃত বাচ্চা প্রসব করেছেন। এটিই মহিলার প্রথম বাচ্চা। মৃত বাচ্চা প্রসবের পর মহিলার ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছিল না। মহিলার হাজব্যান্ডকে বললাম ব্লিডিং বন্ধ না হলে অপারেশন করে ইউটেরাস ফেলে দেয়া লাগতে পারে।

- যেইটা ভালো মনে করেন, সেইটাই করেন স্যার।

- ইউটেরাস ফেলে দিলে কিন্তু আপনারা আর কখনোই সন্তান নিতে পারবেন না।

- স্যার, আমার ঘরের লক্ষী মইরা গেলে, আমি সন্তান দিয়া কি করুম??

আমি হেসে দিলাম।

- হাসেন ক্যান স্যার??

- হাসছি কারণ কারো কারো কাছে ঘরের বউ মানে ঘরের লক্ষী। আবার কারো কারো কাছে ঘরের বউ শুধুই বংশের প্রদীপ জ্বালানোর মেশিন।।

আমাদের প্রিয় নবী রাসূল (সাঃ) এর কোন পুত্র সন্তান ছিল না। পুত্র সন্তান জন্ম হয়েছিল কিন্তু বাঁচতে পারেনি। উনি যেহেতু আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দাহ সেহেতু উনি আল্লাহর কাছে ছেলে সন্তান চাইলে আল্লাহ নিশ্চয়ই নিরাশ করতেন না। ওনার ইশারায় যে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হল, ওনার ইশারায় হরিণ মানুষের মত কথা বলল সেই নবীর ইচ্ছা অবশ্যই আল্লাহ পূরণ করতেন। কিন্তু তিনি কখনো ছেলে সন্তানের জন্য দোয়া করেন নি।

আইয়ামে জাহেলিয়াতের সময়ে কন্যা সন্তানদের জীবন্ত কবর দেয়া হত। সে সম্মন্ধে কুরআনে উল্লেখ আছেঃ

আল্লাহ তা‘আলা তাদের সমালোচনা করেছেন পবিত্র কুরআনে। ইরশাদ হয়েছে :

﴿وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُم بِٱلۡأُنثَىٰ ظَلَّ وَجۡهُهُۥ مُسۡوَدّٗا وَهُوَ كَظِيمٞ ٥٨ يَتَوَٰرَىٰ مِنَ ٱلۡقَوۡمِ مِن سُوٓءِ مَا بُشِّرَ بِهِۦٓۚ أَيُمۡسِكُهُۥ عَلَىٰ هُونٍ أَمۡ يَدُسُّهُۥ فِي ٱلتُّرَابِۗ أَلَا سَآءَ مَا يَحۡكُمُونَ ٥٩﴾ [النحل:58-59]

আর যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়; তখন তার চেহারা কালো হয়ে যায়। আর সে থাকে দুঃখ ভারাক্রান্ত। তাকে যে সংবাদ দেয়া হয়েছে, সে দুঃখে সে কওমের থেকে আত্মগোপন করে। অপমান সত্ত্বেও কি একে রেখে দেবে, না মাটিতে পুঁতে ফেলবে? জেনে রেখ, তারা যা ফয়সালা করে, তা কতই না মন্দ!’ {সূরা আন-নাহল : ৫৮-৫৯}

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে ব্যক্তি দু’টি কন্যার লালন-পালন তাদের সাবালিকা হওয়া অবধি করবে, কিয়ামতের দিন আমি এবং সে এ দু’টি আঙ্গুলের মত পাশাপাশি আসব।’’(অতঃপর তিনি তাঁর আঙ্গুলগুলি মিলিত করে (দেখালেন)। [মুসলিম ২৬৩১, তিরমিযি ১৯১৪, আহমদ ১২০৮৯

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করনে, যার গৃহে কন্যা সন্তান জন্মগ্রহন করল, অতঃপর সে ঐ কন্যাকে কষ্ট দেয়নি, তার উপর অসন্তুষ্ট হয়নি এবং পুত্র সন্তানকে তার উপর প্রাধান্য দেয়নি। ঐ কন্যার কারনে আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। (মুসনাদে আহমদ ১;২২৩)

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿فَإِن كَرِهۡتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰٓ أَن تَكۡرَهُواْ شَيۡ‍ٔٗا وَيَجۡعَلَ ٱللَّهُ فِيهِ خَيۡرٗا كَثِيرٗا ١٩ ﴾ [النس:]

‘আর যদি তোমরা তাদেরকে (কন্যা) অপছন্দ কর, তবে এমনও হতে পারে যে, তোমরা কোন কিছুকে অপছন্দ করছ আর আল্লাহ তাতে অনেক কল্যাণ রাখবেন।’ {সূরা আন-নিসা, আয়াত : ১৯}

রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন,”কন্যা সন্তান হল উত্তম সন্তান। কেননা,তারা অধিক গুনের অধিকারিনী বিনম্র ও মিষ্টভাষী । এছাড়া তারা পিতা-মাতার সেবা শুশ্রষার জন্য সদাসর্বদা প্রস্তুত থাকে এবং তারা মায়া মমতাকারীনী, স্নেহময়ী, বিনয়ী ও বরকতময়ী।” (ফিরদাউস ৪;২৫৫)

আর প্রথম সন্তান মেয়ে হওয়ার ফযীলত সম্পর্কে হাদীস নিম্নে উল্লেখ করা হল,

হযরত আব্দুল্লাহ উমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন,ঐ মহিলা বরকতময়ী ও সৌভাগ্যশালী, যার প্রথম সন্তান মেয়ে হয়। কেননা, (সন্তানদানের নিয়ামত বর্ণনা করার ক্ষেত্রে )আল্লাহ তায়ালা মেয়েকে আগে উল্লেখ করে বলেন,তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন আর যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।”(কানযুল উম্মাহ ১৬:৬১১)

18/03/2019

আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে ভাবছেন? এই পেশায় আসবেন কিনা তা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দে ভুগছেন?
নিচের ২২ টি কী ফ্যাক্টর ফ্রিল্যান্সিং আপনার পেশা হিসেবে সঠিক কিনা তা বুঝতে সহায়তা করবে।

১. আপনি নিজেই আপনার বস

এটাই সত্যি! এই কাজে কেউ আপনার বস নয়। কোন কাজেই কাউকে জবাবদিহি করতে হবেনা। কোন কন্ট্রোল-ফ্রীক বস, ম্যানেজার বা ডিরেক্টর আপনার ওপর খবরদারি করতে আসবেনা।

২. নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ নিজের হাতে

যেহেতু আপনি নিজেই নিজের বস, আপনার কাজের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকছে আপনারই হাতে। নিজের পছন্দমত যখন যেভাবে খুশি কাজ করুন।

৩. স্বাধীন ভাবে কাজের সুযোগ

সবাই যখন রোজ সকালে অফিসে ছুটতে ব্যস্ত, আপনি তখন মন চাইলেই বিছানা আর ঘুমের সাথে আপনার সম্পর্কটা আরও একটু পাকাপোক্ত করে নিতে পারেন যতক্ষণ মন চায়। রবিবারে কাজ করার ইচ্ছে নেই? ছুটি নিয়ে নিন।

৪. অফিসের নোংরা রাজনীতি আর নয়

চতুর সহকর্মী, বিরক্তিকর বস্ আর তাদের নোংরা রাজনীতির ঝামেলা নেই। শুধু আপনি, আপনার চায়ের কাপ আর ল্যাপটপ। এখানে কারো চোখে লাগার বা প্রতিযোগিতার কোন ভয় নেই। এখানে আপনি একাই সব।

৫. নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিন

কোন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করবেন বা আপনার ওয়েবসাইট এর লুক্ কেমন হবে...। একজন ফ্রিল্যান্সার হলে এসব সিদ্ধান্ত আপনি নিজেই নিতে পারবেন।

৬. বাঁধা ধরা নিয়মের ধার ধারতে হবেনা

এটা সত্যি যে, আমরা সবাই স্বাধীনতা প্রিয়। আগেই বলেছি ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে দেবে প্রচুর স্বাধীনতা। আপনাকে বাঁধা ধরা কোন নিয়ম মেনে চলতে হবেনা।

৭. কোন ওয়ার্কিং আওয়ার নেই

আপনি ফ্রিল্যান্সিং করলে অন্যদের মত ৭ থেকে ৮ ঘন্টা কাজ করতে হবেনা। যখন খুশি ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং বন্ধ রাখতে পারেন। বলতে পারেন অন্য মিটিংয়ে আছেন। কেউ খতিয়ে দেখতে আসবেনা আপনি কি করছেন।

৮. যেকোন যায়গায় কাজ করার সুবিধা

বাসা কিংবা অফিস কোন সমস্যা নেই। বন্ধুদের সাথে ট্রিপে বা বউকে নিয়ে হানিমুনে গেছেন? Don't worry, পার্কে বসেও আপনি আপনার কাজ সেরে নিতে পারবেন।

৯. যে কোন পরিস্থিতিতে কাজ করুন

রোদ হোক বা বৃষ্টি, বাসা অথবা কফি শপে বসেও এক কাপ কফি খেতে খেতে কাজ করতে পারবেন অনায়াসেই।

১০. নিজের ক্লায়েন্ট নিজেই বাছাই করুন

আপনি যখন নিজেই নিজের বস, তখন আপনার ক্লায়েন্টও হবে আপনার পছন্দের। যখন আপনি প্রথম কাজ শুরু করবেন তখন হয়তো আপনাকে সব ধরনের কাজই করতে হতে পারে। ধীরে ধীরে আপনার স্থানটা মজবুত হয়ে গেলেই, আপনি নিজের ইচ্ছেমতো ক্লায়েন্ট বাছাই করে কাজ করতে পারবেন। প্রথম বছরেই আপনি বুঝে যাবেন কার সাথে কাজ করলে ভালো হবে।

১১.অনেক বেশি উপার্জনের সম্ভাবনা

মাসিক বেতন তো ঠিক আছে। কিন্তু যখন আপনি অন্যের অধীনে কাজ করবেন তখন আপনার আয় ফ্রিল্যান্সিং এর চেয়ে বেশি হবেনা। ব্যবসায়ী মালিকানায় অনেক ভালো অঙ্কের আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এটা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা আপনি মাসে কত টাকা আয় করতে চান।

১২. যত শ্রম তত টাকা

ফ্রিল্যান্সিং এর অন্যতম সুবিধা হল যত বেশি শ্রম দিবেন তত বেশি আয় করতে পারবেন। অন্যের অধীনে কাজ করলে শ্রম যত বেশিই হোক আয়টা কিন্তু সেরকম বেশি হয়না। হয়তো আপনি আপনার বসের চোখে কিছুটা প্রিয় হয়ে উঠতে পারেন, কিন্তু ব্যাংক একাউন্টে টাকার অঙ্কটা বাড়বেনা।

১৩. সরাসরি নিজের পকেটেই টাকা ঢুকবে

আপনার মেজাজটা হয়তো তিক্ত হয়ে যাবে, যদি জানতে পারেন যে, আপনি আসলে আপনার কাজের বিনিময়ে অন্যের পকেট ভরছেন। অথবা অনেকের পকেট ঘুরে আপনার পকেটে ঢুকছে সামান্য কিছু টাকা। ফ্রিল্যান্সার হলে আপনার কাজের টাকা সরাসরি আপনার পকেটেই ঢুকবে।

১৪. রয়েছে অনেক বেশি নিরাপত্তা

এটা আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, একটা ফুল টাইম জবের চেয়েও ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে অনেক বেশি নিরাপত্তা দিবে। কোন চাকরিই সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। যেকোন সময় যেকোন কারণে আপনার চাকরি চলে যেতে পারে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সার হলে এই ভয় আর থাকছেনা।

১৫. অগণিত কাজ

এখানে কাজের কোন অভাব নেই। ছোট - বড় অসংখ্য কাজ রয়েছে এখানে। শুধু খুঁজে নিতে হবে আপনি কোন কাজটি করবেন।

১৬. যত দিন যাবে শিখতেই থাকবেন

এখানে প্রত্যেকটা কাজের মাধ্যমে আপনি নতুন কিছু না কিছু শিখতে থাকবেন যার মূল্য অনেক। ভিন্ন ভিন্ন কাজ, ক্লায়েন্ট ও মানুষের সাথে মেশার কারণে আপনি অনেক উন্নতমানের কাজ শিখতে থাকবেন। যা আপনার স্থানটাকে আরও মজবুত করে তুলবে।

১৭. আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন

ফ্রিল্যান্সিং করলে আপনি শুধুমাত্র নিজের কাছেই দায়বদ্ধ থাকবেন। নিজের সময় এবং সুবিধা অনু্যায়ী কাজ করতে পারবেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার প্রজেক্ট আপনি কন্ট্রোল করবেন। এতসব দায়িত্বের সাথে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।

১৮. দক্ষতা বাড়বে

ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আপনি ভিন্নধর্মী পরিস্থিতির সম্মুখীন হবেন। এবং এগুলো মোকাবেলা করতেও শিখবেন। যা আপনার দক্ষতা হাজার গুণে বাড়িয়ে দেবে।

১৯. ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে গর্বিত করবে

সবাই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেনা। কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষেরাই এটা করতে সক্ষম। এটি আপনাকে সাহসী, উদ্যমী ও উচ্চাকাঙ্খী করে করে তুলবে। ব্যবসায়ী হিসেবে কাজের সন্তুষ্টি সম্পর্কে বিস্ময়কর অনুভূতি পাবেন যা অন্যরা সহজে পায় না। এবং আপনি আপনার কাজের জন্য গর্বিত বোধ করবেন।

২০. যে কোন সময় নিজেকে ছুটি দিতে পারবেন

আপনি চাইলেই চলে যেতে পারবেন লম্বা ছুটিতে। শুধু ল্যাপটপ সাথে নিলেই হল। যখন মনে চায় একটু কাজ করে নেবেন। এই সুবিধা অন্য কোন চাকরি আপনাকে কখনো দেবেনা।

২১. অনেক বেশি সম্ভাবনা

ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে দিতে পারে অনেক বড় কিছু। রয়েছে অনেক বেশি সম্ভাবনা। কাজ করতে করতে আপনি চাইলে নিজের একটা প্রতিষ্ঠান খুলে ফেলতে পারেন। একদিন আপনিই হয়তো কর্মী নিয়োগ দিবেন আপনার প্রতিষ্ঠানে। এটা আপনি ঠিক করবেন যে আপনি কত দূর যেতে চান।

২২. পছন্দমতো কাজ করার সুবিধা

অবশেষে কেন আপনি অন্যের অধীনে বাঁধা ধরা সময় নিয়ে, না চাইতেও কঠিন কাজ গুলো মুখ গুঁজে করে যাবেন? আপনি চাইলেই নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


63, Navy Welfare Market, Sailors' Colony/1, EPZ
Chittagong
4218

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00