DAM OoSC Program Chattogram
05/10/2025
আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
ভাবলে অবাক লাগে আমাদের জীবনের প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি জাগরণের পেছনে একজন না একজন শিক্ষক আছেন।
যখন আমরা হোঁচট খেতে খেতে শেখার চেষ্টা করি, তখন তিনিই ধৈর্য ধরে বলেন, “চেষ্টা করো, পারবে।”
যখন সবাই সন্দেহ করে, তিনিই বিশ্বাস রাখেন।
যখন পথ হারিয়ে ফেলি, তিনি আলো দেখান।
একজন শিক্ষক মানে কেবল শ্রেণিকক্ষ নয়, তিনি এক জীবন্ত দিশারি, যিনি নিজের স্বপ্ন ছেড়ে আমাদের স্বপ্নকে বড় করেন।
আজকের দিনে তাঁকে ধন্যবাদ বলার ভাষা নেই।
তাঁর নীরব ত্যাগ, তাঁর ধৈর্য, তাঁর স্নেহ সব মিলিয়ে তিনি সমাজের আসল নায়ক।
সকল শিক্ষকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও হৃদয়ের গভীর কৃতজ্ঞতা।
আপনারা আছেন বলেই পৃথিবী এখনো শেখে, বেড়ে ওঠে, বদলে যায়।
#বিশ্বশিক্ষকদিবস 'sDay #শ্রদ্ধা_ও_ভালোবাসা #ধন্যবাদ_শিক্ষক
#ক্ষুদ্র_প্রয়াস
17/09/2025
মেয়েদের ফিনানশিয়াল লিটারেসি: আত্মনির্ভরশীলতার পথে
বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কেবল পুরুষদের নয়, নারীদের জন্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মেয়েদের ফিনানশিয়াল লিটারেসি (আর্থিক সাক্ষরতা) মানে শুধু টাকা আয়-ব্যয় বোঝা নয়; বরং এটি হলো বাজেট করা, সঞ্চয় রাখা, সঠিকভাবে ঋণ ব্যবহার, বিনিয়োগ করা এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দক্ষতা।
কেন মেয়েদের ফিনানশিয়াল লিটারেসি জরুরি?
১. বাংলাদেশে এখনো বেশিরভাগ নারী অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না। অথচ, শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ: বাংলাদেশে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ মাত্র ৪২.৭% (২০২২, ILO)।
২. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মালিকানা: নারীদের হাতে আছে মোট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাত্র ৩৭.২% (Microsave, ২০২৪)।
৩. ঋণ গ্রহণ: ব্যাংকিং খাতে দেওয়া ঋণের মধ্যে নারীদের অংশ মাত্র ২০%।
অর্থাৎ নারীরা কাজ করলেও আর্থিক নিয়ন্ত্রণে অনেকটাই পিছিয়ে আছে। ফিনানশিয়াল লিটারেসি বাড়লে তারা নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখতে, সঞ্চয় বাড়াতে এবং আর্থিক সিদ্ধান্তে স্বাধীন হতে পারবে।
উদাহরণ দিয়ে বোঝা যাক
উদাহরণ ১: গ্রামীণ এলাকার গৃহিণী
সাজেদা আক্তার প্রতি মাসে সংসারের খরচের পাশাপাশি ৫০০ টাকা আলাদা করে সঞ্চয় করেন। যদি তিনি নিয়মিত এই টাকা মোবাইল ব্যাংকিং ওয়ালেটে রাখেন, ৫ বছরে তার সঞ্চয় হবে প্রায় ৩০,০০০ টাকা। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি আর কারো ওপর নির্ভরশীল হবেন না।
উদাহরণ ২: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা নারী
বিবি রোকেয়া স্থানীয় বাজারে একটি বুটিক শপ চালান। ব্যাংক থেকে ছোট অঙ্কের SME ঋণ নিয়ে তিনি দোকান বড় করেছেন। ফিনানশিয়াল লিটারেসি না থাকলে হয়তো তিনি উচ্চ সুদের অনানুষ্ঠানিক ঋণে পড়তেন। সঠিক জ্ঞান তাকে নিরাপদে ব্যবসা বাড়াতে সাহায্য করেছে।
মেয়েদের কি কি শেখা দরকার?
১. বাজেট তৈরি – মাসিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব রাখা।
২. সঞ্চয় অভ্যাস – প্রতি মাসে আয়ের অন্তত ১০% সঞ্চয় করা।
৩. ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্স সেবা ব্যবহার – যেমন bKash, Nagad, Rocket।
৪. ঋণ ব্যবস্থাপনা – অপ্রয়োজনীয় ঋণ এড়িয়ে চলা, সঠিক ঋণ বেছে নেয়া।
৫. বিনিয়োগ জ্ঞান – সঞ্চয়পত্র, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, শেয়ার বাজার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা- (হালাল/সুদমুক্ত)
৬. অবসর পরিকল্পনা – পেনশন স্কিম বা দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় রাখা।
৭. ডিজিটাল ফাইন্যান্স নিরাপত্তা – প্রতারণা থেকে বাঁচতে OTP, পাসওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার।
আন্তর্জাতিক উদাহরণ:
১. Savvy Ladies (USA): নারীদের জন্য বিনামূল্যে অনলাইন ফিনান্স কোর্স ও কোচিং।
২. Mahila Money (India): নারী উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ঋণ ও আর্থিক শিক্ষা দেওয়া হয়।
৩. Financial Education for Girls Program: (Plan International, Room to Read) তরুণীদের সঞ্চয়, বাজেট ও বিনিয়োগ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়।
চ্যালেঞ্জ বা বাধা:
১. গ্রামীণ নারীদের ডিজিটাল সেবায় প্রবেশাধিকার কম।
২. পরিবার ও সমাজের অনেকে নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে স্বাভাবিকভাবে নেয় না।
৩. তথ্য ও প্রশিক্ষণের অভাব।
৪. জামানত বা গ্যারান্টি না থাকায় ব্যাংক ঋণ পেতে সমস্যা হয়।
করণীয়:
১. স্কুল ও কলেজে ফিনানশিয়াল লিটারেসি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা।
২. নারী কেন্দ্রিক আর্থিক পণ্য (Women Savings Account, সহজ ঋণ) চালু করা।
৩. স্থানীয় পর্যায়ে কর্মশালা আয়োজন।
৪. এনজিও, ব্যাংক ও সরকার মিলে নারীদের জন্য বিশেষ সাপোর্ট প্রোগ্রাম করা।
শেষকথা
ফিনানশিয়াল লিটারেসি কেবল টাকার হিসাব জানার বিষয় নয়, বরং নারীদের ক্ষমতায়ন, নিরাপত্তা ও আত্মসম্মানের ভিত্তি। আজকের কন্যাশিশু যদি ছোটবেলা থেকেই আর্থিক সচেতন হয়, আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ এবং আত্মনির্ভরশীল।
22/03/2024
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহযোগীতায় চট্টগ্রাম জেলায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পিইডিপি-৪, এর সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫ " আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম" এর আওতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-২, কর্ণেলহাট এরিয়ার মাস্টারলেন ও বেলতলি শিখন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জনাব দিলীপ কুমার বণিক মহোদয়, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), এফসিএমএ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলায় নব নিযুক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব এস এম আব্দুর রহমান মহোদয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, চট্টগ্রাম এর সহকারী পরিচালক (অ.দা.) জনাব রিটন কুমার বড়ুয়া মহোদয়।
পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব মহোদয় উক্ত দু'টি শিখন কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের ছড়া, কবিতা ও নৃত্যের তালে তালে বিনোদনমূলক শিক্ষা কর্মসূচিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের সাথে দেশ, জাতির জনক, স্বাধীনতা সংগ্রাম, পড়ালেখার প্রয়োজনীয়তাসহ নানা বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন এবং শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রমে স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণমূলক কর্মকান্ডে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার (অ.দা.), থানা প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও প্রোগ্রাম সুপারভাইজারগণ, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, চট্টগ্রাম প্রমুখ।
12/06/2022
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন চট্টগ্রাম জেলার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো'র সহযোগিতায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন " আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম" এর বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার (জেএসইউএস) উদ্যোগে শিক্ষক ও সুপারভাইজারদের ১২ দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এডিসি (আইসিটি ও শিক্ষা), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো'র সহকারী পরিচালক, নির্বাহী পরিচালক যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন এর জেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার সহ অন্যান্য উপস্থিতির কিছু খন্ড স্থির চিত্র।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Address
House #56, Road #3, Block-B, Chandgaon Residential Area
Chittagong
4212