It Solutions
ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক : অনলাইনে আয়ের ১০০ উপায়
(পর্ব-৮)
ফরেক্সের মাধ্যমে উপার্জন করুন
ফরেক্স অথবা স্পট ফরেক্স হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। ফরেক্স মার্কেটে আপনি একটি দেশের কারেন্সি বিক্রি করে আরেকটি দেশের কারেন্সি ক্রয় করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, ইউএসএ বা আমেরিকার কারেন্সি হছে ডলার, ব্রিটেন বা ইউকের কারেন্সি হচ্ছে পাউন্ড। ফরেক্স মার্কেটে আপনি ডলার বিক্রি করে পাউন্ড অথবা পাউন্ড বিক্রি করে ডলার কিনতে পারেন। ডলার অথবা পাউন্ড ছাড়াও আর বিভিন্ন দেশের কারেন্সি আছে, যা ফরেক্স মার্কেটে আপনি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন।
বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সর্বদাই পরিবর্তনশীল। আপনি জানেন, কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হয়, আবার কখনও টাকা ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরীতেই হয়। সুতরাং আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে ইউরোর দাম পড়ে গেলে আপনি ডলার বিক্রি করে ইউরো কিনে রাখতে পারেন। আবার ইউরো ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হলে, ইউরো বিক্রি করে অধিক ডলার পেতে পারেন। হয়তো আপনার কাছে ১০০ ডলার ছিল, যা বিক্রি করে আপনি ৮০ ইউরো ক্রয় করেছিলেন। পরে ইউরোর দাম বাড়ার পর তা বিক্রি করে ১২০ ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেটে শুধু শেয়ারের দাম বাড়ালেই (নুঁ) আমরা প্রফিট করতে পারি। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে কোনো কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হোক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে, যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।
ফরেক্স ট্রেড করার সুবিধা
— একসময় শুধু বিশাল ধনী অথবা ব্যাংকগুলো ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার সুযোগ পেত। কিন্তু বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ফরেক্স ব্রোকারের আবির্ভাব ও প্রতিযোগিতা বাড়ায় যে কেউই পৃথিবীর যে কোনো দেশ থেকে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করতে পারে।
— মাত্র এক ডলার দিয়ে ফরেক্স ট্রেড শুরু করা সম্ভব। তাছাড়া প্রায় সব ব্রোকারই আপনাকে ফ্রি ডেমো ট্রেড করার সুবিধা দেবে, অর্থাত্ ভার্চুয়াল মানি দিয়ে। তাই প্রথমে আপনি বিনা খরচে ডেমো ট্রেড করে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারেন এবং ডেমো ট্রেড করে সাফল্য ফেলে ডিপোজিট করে রিয়েল ট্রেড শুরু করতে পারেন।
— ফরেক্স মার্কেট পরিধি অনেক বড় এবং এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করা সম্ভব নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্টক মার্কেট হচ্ছে নিউইয়র্ক স্টক মার্কেট এবং ফরেক্স মার্কেটের আকার তার থেকেও ২৫ গুণ বেশি। মনে রাখবেন, ডলার বা ইউরোর মূল্য কোনো দেশের সরকার নির্ধারণ করে দেয় না। বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও আর্থিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মূল্য নিজে নিজেই পরিবর্তিত হয়। আপনি যে দামে ডলার বা ইউরো কিনবেন, সেই একই দামে পৃথিবীর সব দেশে ডলার বা ইউরো ক্রয়-বিক্রয় হবে।
— ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের লিভারেজ বা লোন সুবিধা পাওয়া যায়, আর তাই খুব অল্প মার্কেট মুভমেন্ট থেকেই আপনি ভালো প্রফিট করতে পারবেন।
— স্ক্যালপিং ফরেক্সে খুব জনপ্রিয় একটি শব্দ। এর মানে হচ্ছে খুব অল্প সময়ের জন্য খোলা ট্রেড। ফরেক্স মার্কেটের খুব অল্প পরিবর্তনেও ভালো লাভ করা সম্ভব। অনেকেই ১০ বা ১৫ সেকেন্ডের জন্য একটি ট্রেড ওপেন করে এবং প্রফিট পেলে তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যায়।
— ফরেক্স মার্কেট সোমবার থেকে শুক্রবার—সপ্তাহের ৫ দিনই দিনরাত ২৪ ঘণ্টার জন্য খোলা থাকে। আর তাই আপনি ব্যাবসায়ী হোন বা চাকরিজীবী হোন, ফরেক্স মার্কেটে আপনি সুবিধামত ট্রেড করতে পারবেন।
— ফরেক্স ট্রেডিং আপনি বাসায় বসেই করতে পারবেন, বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
— ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার জন্য আপনাকে সবকিছু অনলাইনে করতে হবে আর অ্যাকাউন্ট ওপেনিং থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট বা উইথড্র করাও অনেক সহজ।
উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয়, একজন দক্ষ ও সফল ট্রেডার হতে হলে আপনাকে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। মনে রাখবেন, ফরেক্স মার্কেট স্টক মার্কেটের মতোই চ্যালেঞ্জিং। না জেনে হয়তো প্রাথমিকভাবে সফল হওয়া যাবে, যেটা স্টক মার্কেটও অনেকে অনেক সময় হয়। তবে দীর্ঘসময়ের জন্য টিকে থাকতে হলে, এক্সপার্ট হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আরেকটি কথা, ফরেক্স মার্কেটে মন্দা বলে কিছু নেই। কারণ স্টক মার্কেটে আপনি শুধু নুঁ করতে পারেন, ফরেক্স মার্কেটে buy বা sell উভয়ই করতে পারবেন।
লাইক দিতে ভুলবেন না।
ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক
ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া: এই বিভাগের মধ্যে আছে গ্রাফিক ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন, প্রিন্ট ডিজাইন, থ্রিডি মডেলিং, ক্যাড, অডিও ও ভিডিও প্রোডাকশন, ভয়েস ট্যালেন্ট, অ্যানিমেশন, প্রেজেন্টেশন, প্রকৌশল ও কারিগরি ডিজাইন ইত্যাদি।
কাস্টমার সার্ভিস: এর মধ্যে আছে কাস্টমার সার্ভিস ও সাপোর্ট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ফোন সাপোর্ট, অর্ডার প্রসেসিং ইত্যাদি।
বিক্রয় ও বিপণন: এর মধ্যে আছে বিজ্ঞাপন, ই-মেইল বিপণন, এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন), এসইএম (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং), এসএমএম (সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং), জনসংযোগ, টেলিমার্কেটিং ও টেলিসেল্স, বিজনেস প্ল্যানিং ও মার্কেটিং, মার্কেট রিসার্চ ও সার্ভেস, সেলস ও লিড জেনারেশন ইত্যাদি।
বিজনেস সার্ভিসেস: এর মধ্যে আছে অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং, এইচআর/পে-রোল, ফাইনানসিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড প্ল্যানিং, পেমেন্ট প্রসেসিং, লিগ্যাল, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কনসাল্টিং, রিক্রুটিং, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ ইত্যাদি। এগুলো সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
কাজ পাবেন যেখানে: আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায় এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে। আবার ভুয়া সাইটও বের হয়েছে। ফলে সতর্ক হয়েই কাজ শুরু করতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো— http://www.odesk.com, http://www.freelancer.com, http://www.elance.com, http://www.getacoder.com, http://www.guru.com, http://www.vworker.com, http://www.scriptlance.com ইত্যাদি। সবগুলো মোটামুটি একই রকম। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ওডেস্ক (odesk)। গত বছর (২০১১) সারা বিশ্বের মধ্যে আউটসোর্সিং কাজ করার ভিত্তিতে ওডেস্কে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল চতুর্থ। তার আগের বছর (২০১০) ওডেস্কে ঢাকা শহরের অবস্থান ছিল সারা বিশ্বের মধ্যে তৃতীয়।
(পর্ব ৬)
আপনি যা পারেন এমন কাজেই বিড করুন
কোনো কাজ যদি ফুলটাইম না করে চুক্তিভিত্তিকভাবে সম্পন্ন করা হয়, কাজ অনুযায়ী পেমেন্ট দেয়া হয়, তাহলে তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। অনেক কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজের কোনো একটা অংশ করার জন্য বাইরে থেকে ফ্রিল্যান্সার ভাড়া করে। সেক্ষেত্রে সেই কোম্পানির স্টাফদের মাসিক বেতনের যে বাজেট তা বাড়াতে হয় না, বা কাউকে বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিতে হয় না। এজন্য অনেক কোম্পানি ফ্রিল্যান্সার খুঁজে থাকে। অন্য দেশের কোম্পানিগুলো এক্ষেত্রে অনুন্নত দেশগুলোকে পছন্দ করে থাকে। কারণ সেসব দেশের শ্রমের মূল্য অনেক কম।
ফ্রিল্যান্সিং ইন্টারনেট থেকে টাকা আয়ের একটি সুন্দর পথ বাংলাদেশীদের জন্য। মনে করুন, একটি ৫০০ ডলারের কাজ বাংলাদেশীরা ৪০০ থেকে ৪৫০ ডলারে সহজেই করতে পারবে। আমাদের দেশের সাধারণ একটি পরিবার ৩০০ ডলারে এক মাস স্বচ্ছন্দে চলতে পারে। তাই বিড করে কাজ পাওয়া কঠিন কিছু নয়। তবে কাজ ধরলে শুধু হবে না, কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে হবে, নইলে ক্লায়েন্টের কাছে নিজের ও দেশের মান ক্ষুণ্ন হবে এবং আপনার কাজের রেকর্ড খারাপ হবে। তাই আপনি করতে পারবেন এমন কাজ ধরার চেষ্টা করবেন।
ফ্রিল্যান্সিং হলো ইন্টারনেটে স্বাধীনভাবে কাজ করার একটি পেশা। এখানে অফিস, গ্রাফিক্স, ওয়েব ডিজাইন, এসইও, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। ভয় নেই, আপনি সাধারণভাবে এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল জানলেও ডাটা এন্ট্রির কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন। এই সাইটগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার কাজ জমা হয়। তবু আপনাকে প্রথম দিকে কাজ পেতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। চেষ্টা করলে একসময় ফল পাবেন। অনেকে এক সপ্তাহ চেষ্টা করে কাজ না পেয়ে আশা ছেড়ে দেন। এমন করলে সামনে এগুতে পারবেন না।
কাজের বিডের ক্ষেত্রে অনেক বেশি কৌশলী হতে হবে। বিডের ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে কম বিড করলেই যে কাজ পেয়ে যাবেন, এই ধারণা ভুল। তখন বায়ার আপনার ব্যাপারে ভুল ধারণা পেয়ে থাকতে পারে। বিডের ক্ষেত্রে আগে কাজটা ভালোভাবে বুঝতে হবে। অন্যদের বিডগুলো ভালোভাবে দেখতে হবে। ভালো বায়ারের সঙ্গে যোগাযোগের সময় বায়ারকে যেকোনোভাবে হোক অনুপ্রাণিত করতে হবে। সেজন্য আপনি বিড করার পাশাপাশি প্রাইভেট মেইলে আপনার অভিজ্ঞতার বর্ণনাসহ আবেদন করতে পারেন। যেহেতু বায়ার বাইরের দেশের। সুতরাং তার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ইংরেজিতে কথা বলা, লিখতে পারা, বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে বিভিন্ন সাইট সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে বা সমস্যা বোধ করলে অথবা আপনার মনে কোনো প্রশ্ন জাগলে সেই ওয়েবসাইটের ভধয় দেখতে পারেন। সেখানে সাধারণত অনেক সাধারণ প্রশ্নের উত্তর পেতে পারেন। তারপরও যারা অনলাইন থেকে নিজে নিজে শিখতে অভ্যস্ত নন, তারা কোনো ভালো ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। না শিখে কাজ শুরু করলে ভালো ফলাফল আশা করতে পারবেন না।
04/12/2013
(পর্ব-৫)
এই পর্বে একটি মজার ও সহজভাবে অনলাইনে আয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা করব। ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমরা মনে করি www.odesk.com, www.Freelancer.com, www.scriptlance.com ইত্যাদি সাইটগুলোকে, যেখানে একজন বায়ার নির্দিষ্ট কোনো কাজ পোস্ট করেন। ওই কাজে ফ্রিল্যান্সাররা বিড/আবেদন করেন। তার মধ্যে বায়ার সাধারণত একজনকে নির্বাচিত করেন। কাজ পেতে এসব সাইটে নূতন ফ্রিল্যান্সারদের যথেষ্ট প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়। আজ আমি একটি ভিন্ন ধারার ফ্রিল্যান্সিং সাইটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব, যার নাম www.fiverr.com। সাইটটির বয়স খুব বেশি দিন হয়নি। তবে এরই মধ্যে সাইটটি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। কয়েক লাখ ভিজিটর নিয়ে সাইটটি এগিয়ে চলেছে। তবে একই ধরনের আরও কয়েকটি ওয়েবসাইট আছে। সেগুলোর মধ্যে মরমনঁপশং.পড়স অন্যতম।
কাজের পদ্ধতি
সাইটটিতে মূলত ফ্রিল্যান্সাররা কোনো কাজের অফার দিয়ে থাকে। যার মূল্য (নির্দিষ্ট) ৳৫। এখানে বায়ার আপনার কাজকে খুঁজে নেবে। যেমন ধরুন, আপনি গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষ, ভালো বিজনেস কার্ড ডিজাইন করতে পারেন। আপনি এভাবে অফার লিখতে পারেন—ও will create a simple & professional business card design only $5. অথবা আপনি লিংক বিল্ডিংয়ের কাজে দক্ষ হলে এভাবে লিখতে পারেন—ও will sign up & create 100+ account on various high PR site for $5.
অথবা আপনি যদি Social Networking-এ দক্ষ হন, যদি থাকে ২/৩ হাজার ফেসবুক ফ্রেন্ডস, আপনি বায়ারের ওয়েবসাইট প্রমোটের জন্য এভাবে অফার দিতে পারেন—ও will promote your website on 2000 friends page. মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনার কাজ বা সার্ভিস যতবার বিক্রি হবে ততবার পাবেন আপনি নির্ধারিত প্রাপ্য টাকা। প্রতিবার বিক্রির ওপর আপনি পাবেন ৪ ডলার আর সাইট কর্তৃপক্ষ নেবে ১ ডলার। অর্থাত্, আপনার কোনো প্রজেক্ট যদি ২০ বার বিক্রি হয়, তবে আপনি পাবেন ৮০ ডলার। আবার এখানে র্যাংক সিস্টেম আছে। যদি আপনি ১০টা অর্ডার সফলভাবে শেষ করতে পারেন, তাহলে আপনার র্যাংক হবে ১। তখন আপনি ১০ ডলারে কাজের অফার দিতে পারবেন। এভাবে র্যাংক বাড়তে বাড়তে একটা পর্যায় আপনি ৫০ ডলার পর্যন্ত অফার করতে পারবেন। এছাড়া আপনি কোনো ক্রেতাকে মানিয়ে নিয়ে একটা কাজের জন্য একের অধিক কাজের পরিমাণ পেমেন্ট নিতে পারবেন। তখন আপনার আয় অনেক বেড়ে যাবে। সাইটটি ভিজিট করে ফ্রিল্যান্সারদের পোস্ট করা কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করলে আরও আইডিয়া পেয়ে যাবেন। সাইটটির ঠিকানা—www.fiverr.com. একবার ঢুকলেই বুঝতে পারবেন, এখানে কত রকম কাজের অফার দেয়া সম্ভব। এখানে আপনার কাজ যদি জনপ্রিয় হয়, তাহলে মাসে ২০০ থেকে ৪ হাজার ডলার আয় করতে পারবেন।
পেমেন্ট সিস্টেম
সাইটটি আপাতত শুধু পেপ্যালের মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকে। বাংলাদেশে এখনও পেপ্যাল চালু না হওয়ায় অনেকেই হয়তো সাইটটিতে কাজ করতে পারবেন না। তবে বাংলাদেশে অনেকে নিজেদের ভেরিফাইড পেপ্যাল দিয়ে এই সার্ভিস দিয়ে থাকেন। গুগল সার্চ দিয়ে তাদের নাম বের করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আশা করা যায়, শিগগিরই বাংলাদেশে চালু হবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত পেপ্যাল।
oDesk, the world's largest online workplace oDesk is where the world goes to work! We are the world's largest online workplace, where savvy businesses hire, manage, and pay an on-demand workforce of talented freelancers.
অনেকের অনেকের হয়তো মাথায় ঘুরপাক
খাচ্ছে 3G, 3.5g, 3.9G এসব কি,
আসলে আমাদের দেশে 2G থেকে 3G প্রথম
তো তাই ঘুরপাক খাওয়া স্বাভাবিক
তবে জেনে অবাক হবেন পৃথিবীর
কয়েকটি দেশে ইতি মধ্য 4G বা LTE চালু
হয়ে গিয়েছে, যাহোক 2G, 3G, 4G, LTE
প্রযুক্তি ও এর গতিসীমা নিয়ে কিছু তথ্য
আপনাদের সামনে তুলে ধরা হল ।
3g :
► 2G = GSM (Global System for
Mobile) গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল
► 2.5G = GPRS (General Packet Radio
Service) জেনারেল প্যাকেট রেডিও সার্ভিস
* জিপিআরএস প্রতি সেকেন্ডে 56-114 kbit
ডাটা প্রদান করতে সক্ষম
► 2.75G = EDGE (Enhanced Data Rate
for GSM Evolution) উন্নত ডাটা রেট GSM
বিবর্তনের জন্য
EDGE : প্রতি সেকেন্ডে 400kbit পর্যন্ত
ডাটা প্রদান করতে সক্ষম ।
► 3G = (Third Generation) তৃতীয়
প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ।
যা WCDMA-(UMTS) প্রযুক্তির
মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়,
WCDMA = (Wideband Code Division
Multiple Access) ওয়াইডব্যান্ড কোড
ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস
* যার গতি EDGE চেয়ে বেশী
► 3.5G
HSDPA (High Speed Downlink Packet
Access) হাই স্পিড ডাউনলিংক প্যাকেট
অ্যাক্সেস ,
HSDPA এর মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 7.2 Mbit
ডাটা পাওয়া সম্ভব
HSUPA (High Speed Uplink Packet
Access) হাই স্পিড আপলিংক প্যাকেট
এক্সেস
HSUPA প্রতি সেকেন্ডে 5.8 mbit আপলোড
স্পীড পাওয়া যায় ।
► 3.75G
HSPA (High Speed Packet Access) হাই
স্পিড প্যাকেট এক্সেস
HSPA
প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 21থেকে 28
mbit স্পিড পাওয়া সম্ভব
Lte :
► 3.8G, 3.85G, 3.9G (Pre-4G)
HSPA+ (Evolved High Speed Packet
Access) প্রসূত হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস
HSPA+ প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 168mbit
পর্যন্ত স্পিড পাওয়া সম্ভব ।
► 4G = (Fourth Generation) চতুর্থ
প্রজন্ম
LTE (Long Term Evolution) দীর্ঘ
মেয়াদী বিবর্তন
LTE প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 299.6 Mbit
পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব .
আপনি যদি 3G নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান
করেন তবে আপনার মোবাইলে 3g
লেখা দেখাবে,
আপনি যদি 3.5g বা 3.75G নেটওয়ার্ক
এলাকায়
অবস্থান করেন তবে আপনার মোবাইলে H
লেখা দেখাবে, আর আপনি যদি 3.8G বা 3.9G
নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান করেন
তবে আপনার
মোবাইলে H+ লেখা দেখাবে!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
Chittagong
4314