DriveFix Hub

DriveFix Hub

Share

26/04/2026

🇧🇩🚘 বাংলাদেশে গাড়ি চালাবেন ভাবছেন? এই মামলা
গুলো খাওয়ার জন্য রেডি হয়ে যান 🥲 মোস্ট কমন যেটা খাবেন সেটা হলো রং পার্কিং, ৫০০-২০০০ টাকার মামলা!

⭕️ এরপর tax token or fitness আপডেট নেই এই মামলা দুই নাম্বারে থাকবে। ফাইন ২০০০-৫০০০ টাকা।

⭕️ ইদানিং যেটা দেখা যাচ্ছে ভিডিও মামলা! এটাও আপনি বিভিন্ন ফ্লাইওভার বা হাইওয়েতে গেলে দেখবেন

⭕️ আরেকটা কমন মামলা গাড়ির নেম ট্রান্সফার না করার মামলা।

⭕️ বিভিন্ন মডিফাই করেছেন, কালার চেঞ্জ, চাকার সাইজ চেঞ্জ, লাইট ইত্যাদি ইনস্টল করেছেন মামলা খেতে পারেন!

এবার বলুন এরমধ্যে কোনটা আপনি খেয়েছেন আর কত টাকা ফাইন দিয়েছেন ⁉️ 😢
DriveFix Hub

#মামলা
#বাংলাদেশ
#ভিডিওমামলা
#রোড

01/06/2025

অনেকেই অজ্ঞতার কারণে গাড়িসহ পানিতে ডুবে যান, যদি কোনোভাবে গাড়িসহ পানিতে পড়ে যান, তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন—

১. আতঙ্কিত হবেন না।
প্যানিক করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

২. দরজা খোলার চেষ্টা করবেন না।
পানির চাপের কারণে আপনি দরজা খুলতে পারবেন না, এতে কেবল শক্তি নষ্ট হবে।

৩. জানালা খুলবেন না।
জানালা খুললে পানির প্রবাহ আরও দ্রুত গাড়ির ভেতর ঢুকবে, যা আপনার জন্য বিপজ্জনক।

৪. মাথার পিছনের হেডরেস্টটি খুলে নিন।
বেশিরভাগ গাড়ির হেডরেস্ট খুলে সেটি দিয়ে জানালা ভাঙা সম্ভব।

৫. পেছনের জানালায় জোর দিন।
হেডরেস্ট বা গাড়িতে থাকা কোনো ধারালো ধাতব বস্তু দিয়ে পেছনের জানালাটি ভেঙে ফেলুন।
পেছনের জানালার গ্লাস সাধারণত 'কিক-আউট' ধরনের হয়, যেটি সহজে বেরিয়ে যায়।

৬. মনে রাখবেন, গাড়ি কিছু সময় ভেসে থাকে।
গাড়ির ডিজাইন এমন যে, এটি ডুবে যাওয়ার আগে কিছু সময় পানির ওপর ভেসে থাকে এবং পেছনের অংশ পানির উপরে থাকে।
এই সময়টাই হলো বের হওয়ার উপযুক্ত সুযোগ।

ইন শা আল্লাহ,
এই তথ্যগুলোর বাস্তবিক প্রয়োগ করলে আপনি বিশাল বিপদে রক্ষা পাবেন। ধন্যবাদ
আপনি চাইলে এই পোস্টটি শেয়ার করে আরেক জনকে দেখার সুযোগ করে দিতে পারেন।
Fahim automobile bd


#পানিতে

29/04/2025

ব্যাটারী চালিত রিকশাকে না বলুন 🚫👎
পায়ে চালিত রিকশাকে হ্যাঁ বলুন ☑️

আপনি আমি চাইলেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
Fahim automobile bd
#বেটারি
#রিকশা

Photos from Auto Motors bd's post 10/04/2025

হাটহাজারী-ফটিকছড়ি রোডের সকল ইউনিয়নের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

রোড চার লেন না করে কখনোই ডিভাইডার বসানো হবে না। কিন্তু এই কাজ কবে হবে, আদৌ হবে কি না, তা একমাত্র আল্লাহ জানেন। আমরা চাই না, আমাদের কেউ আর কোনো দুর্ঘটনায় অকাল মৃত্যুবরণ করুক।

তাই আমার প্রস্তাব—আমরাই নিজেরা উদ্যোগ নেই। স্বল্পমূল্যের, অস্থায়ী হলেও কিছু ডিভাইডারের ব্যবস্থা আমরা নিজেরা ফান্ড রেইজ করে করতে পারি। হয়তো এগুলোর কার্যকারিতা সীমিত, তবে রাস্তায় যদি কোনো ডিভাইডার থাকে, তাহলে চালকেরা কিছুটা হলেও লেন মেনে চলবে—এটাই আশা করি। এতে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমে আসবে।

আসুন, হাটহাজারী-ফটিকছড়ির প্রতিটি ইউনিয়নের মানুষ মিলে এই সচেতনতা ও নিরাপত্তার উদ্যোগে এগিয়ে আসি। কোনো একটি ইউনিয়ন সাহস করে প্রথম পদক্ষেপ নিলে, বাকিরাও অনুপ্রাণিত হবে। অল্প সময়ের জন্য হলেও এই রাস্তাটা আমাদের সবার জন্য একটু নিরাপদ হবে।🚘🚘
Fahim automobile bd
#ট্রাপিক
#রাস্তা
#লেন
#ডিভাইডার
#ফটিকছড়ি
#হাটহাজারী
#গাড়ি

#সচেতন

Photos from Auto Motors bd's post 20/02/2025

🚗🏍️যারা মোটরসাইকেল বা প্রাইভেটকার এর ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা দিবেন তাদের জন্য।🔥🔥🔥

এখান থেকেই লিখিত+ভাইভা কমন আসবে ইনশাআল্লাহ 🔥
Fahim Fahim automobile bdড়ির_প্রশিক্ষণ #গাড়ি_নিয়ন্ত্রণ #গাড়ির_মেরামত #ড্রাইভিং_সিকিউরিটি #গাড়ি_চালানোর_কৌশল #গাড়ির_নিয়ম

05/02/2025

🚗 গাড়ি চালাতে কি কি লাগে?

গাড়ি চালানো শিখতে গেলে কিছু নির্দিষ্ট জিনিসের প্রয়োজন হয়। আপনি যদি নতুন চালক হন বা গাড়ি চালানো শেখার পরিকল্পনা করেন, তাহলে এই গাইডটি আপনার জন্য। এখানে বিস্তারিতভাবে জানানো হলো কী কী লাগে গাড়ি চালানোর জন্য।

🛑 ১. বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স
গাড়ি চালানোর জন্য প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো একটি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা। এটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA) থেকে সংগ্রহ করতে হয়। লাইসেন্স পেতে হলে আপনাকে নির্দিষ্ট পরীক্ষা দিতে হবে।

🚦 ২. গাড়ির নিবন্ধন
যেকোনো বৈধভাবে চালানো গাড়ির জন্য নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক। গাড়ির মালিকানা প্রমাণের জন্য এটি দরকার হয়।

⛽ ৩. গাড়ির প্রাথমিক জ্ঞান
গাড়ির বিভিন্ন অংশ ও তাদের কাজ সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন:
স্টিয়ারিং কীভাবে ঘোরাতে হয় 🏎️
ব্রেক ও এক্সিলারেটরের কাজ ⚙️
গিয়ার পরিবর্তনের নিয়ম 🔄
ব্যাটারি, ইঞ্জিন ও তেল চেক করার উপায় 🔧

🏁 ৪. ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জ্ঞান
নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের জন্য ট্রাফিক আইন জানা খুবই জরুরি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:
ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা 🚦
স্পিড লিমিট মেনে গাড়ি চালানো 🏎️
ওভারটেক করার সঠিক নিয়ম জানা ⚠️
পথচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া 🚶‍♂️

🛞 ৫. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
গাড়ি চালানোর সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সঙ্গে রাখা দরকার:
ড্রাইভিং লাইসেন্স 📜
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন কার্ড 🏷️
ফিটনেস সার্টিফিকেট 🏅
ইন্স্যুরেন্স পেপার 📄

🛠️ ৬. প্রাথমিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা
ড্রাইভার হিসেবে আপনাকে কিছু সাধারণ সমস্যার সমাধান জানা উচিত, যেমন:
চাকার বাতাস চেক করা এবং পরিবর্তন করা 🔧
ইঞ্জিন তেল চেক করা ⛽
ব্রেক ও ক্লাচ ঠিকঠাক আছে কিনা দেখা 🏁

🏆
গাড়ি চালানো শেখা শুধু স্টিয়ারিং ধরা নয়, এটি নিয়ম, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তার মিশ্রণ। উপরোক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে অনুশীলন করলে আপনি একজন দক্ষ ড্রাইভার হয়ে উঠতে পারবেন। নিরাপদে চালান, জীবন বাঁচান! 😊

#গাড়ি_চালানো #ড্রাইভিং_লাইসেন্স #নিরাপদ_ড্রাইভিং #গাড়ির_নিয়ম #সড়ক_নিরাপত্তা #বাংলাদেশ_ড্রাইভিং #গাড়ির_প্রশিক্ষণ #ট্রাফিক_আইন #গাড়ি_চালানোর_কৌশল #নতুন_ড্রাইভার #গাড়ি_শিখুন #গাড়ির_নিয়মকানুন #ড্রাইভিং_সিকিউরিটি #রাস্তায়_নিরাপত্তা #গাড়ি_নিয়ন্ত্রণ #ট্রাফিক_সিগন্যাল #গাড়ির_ফিটনেস #গাড়ির_ইন্স্যুরেন্স #গাড়ির_মেরামত #গাড়ির_ইঞ্জিন

05/01/2025

নতুন ড্রাইভারের জন্য টপ ৫ কমন ভুল এবং সেগুলি এড়িয়ে চলার কৌশল 🚗

নতুন ড্রাইভার হিসেবে আপনি যখন প্রথম গাড়ি চালানো শুরু করেন, তখন অনেক কিছু শিখতে হয়। প্রথমে, গাড়ি চালানো আনন্দের হলেও, কিছু সাধারণ ভুল আমাদের সকলকেই করতে হয়। এই ভুলগুলো শুধুমাত্র আপনার সেফটি হুমকির মধ্যে ফেলে না, বরং অন্যদের জন্যও ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু চিন্তার কিছু নেই! আমরা এখানে নতুন ড্রাইভারের জন্য টপ ৫ কমন ভুল নিয়ে আলোচনা করব এবং কীভাবে আপনি সেগুলি এড়িয়ে চলতে পারেন, সে সম্পর্কে কিছু কার্যকরী কৌশল শেয়ার করব।

১. স্পিড লিমিট অতিক্রম করা (Speed Limit Violation) 🚨
নতুন ড্রাইভারের জন্য সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো স্পিড লিমিট অতিক্রম করা। প্রথমে, গাড়ি চালানোতে অনেকেই উত্তেজিত হন এবং সঠিক স্পিড রেট বজায় রাখতে ভুলে যান। তবে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি কখনো স্পিড লিমিট অতিক্রম না করেন। এই ভুলটি শুধুমাত্র আপনার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে না, বরং সড়ক পারাপারের অন্যদের জন্যও বিপদ সৃষ্টি করতে পারে।

সেগুলি এড়ানোর কৌশল:
মনোযোগী হোন: গাড়ি চালানোর সময় মনোযোগ হারাবেন না। রাস্তার স্পিড লিমিট সাইনগুলো দেখতে মনোযোগী থাকুন।
স্পিড ওয়াচ করুন: আপনার গাড়ির স্পিড মিটার নিয়মিত চেক করুন।
স্পিড লিমিটের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন: আইন মেনে চলুন এবং মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন স্পিড কমানোর জন্য।

২. সিগন্যাল না দেওয়া (Failure to Use Turn Signals) 🚦
আরেকটি কমন ভুল হল সিগন্যাল না দেওয়া। সিগন্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে চালক হিসেবে আপনার দায়িত্ব। অনেক নতুন ড্রাইভারই সিগন্যাল দিতে ভুলে যান বা ভাবেন এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে, সিগন্যাল না দিলে অন্য ড্রাইভারদের বিভ্রান্তি হতে পারে এবং দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সেগুলি এড়ানোর কৌশল:
অগ্রিম পরিকল্পনা করুন: রাস্তা বদলানোর আগে আগে সিগন্যাল দিন যাতে অন্যরা বুঝতে পারে আপনি কোথায় যাচ্ছেন।
অভ্যাস গড়ে তুলুন: সিগন্যাল দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, সেটা হোক ডানদিকে, বামদিকে, বা সোজা।
মনোযোগী থাকুন: সিগন্যাল ব্যবহার করার সময় নিশ্চিন্ত হোন এবং দেখতে ভুলবেন না অন্যান্য গাড়ির আচরণ।

৩. ট্রাফিক আইন না মানা (Ignoring Traffic Laws) ⚖️
নতুন ড্রাইভারদের মধ্যে একাধিক আইন না মানা একটি সাধারণ প্রবণতা। যেমন- লাল সিগন্যাল না মানা, ট্রাফিক সিগন্যালের নিয়ম না মানা, বা অন্যান্য চালকদের জন্য সঠিক প

16/12/2024

বাধ্যতা মূলক নিষেধ চিহ্ন
ট্রাফিক সাইন্স জেনে নিন।
#গাড়ির #নাম্বারFahim automobile bd

03/12/2024

ইঞ্জিন অয়েল গাইড লাইন।

আপনার গাড়ীটি একুয়া, এক্সিও, প্রিয়াস অথবা টয়োটা হাইব্রীড হলে, 0W-20 Fully Synthetic ইঞ্জিন অয়েল ব্যাবহার করবেন। যদি গাড়ীর অরিজিনাল মাইলেজ ২ লাখ কিলোমিটার বা তার বেশি হয় তাহলে 5W-30 Full Synthetic ইঞ্জিন অয়েল ব্যাবহার করবেন। যদি LPG ও তেলে চলে তাহলে 5W-30 আর মাইলেজ বেশি হলে 5W-50 ব্যাবহার করুন।

ইঞ্জিন ওয়েল ও ফিল্টার টি অবশ্য ই অরিজিনাল ব্যাবহার করবেন। ১ বছর অথবা ১০,০০০ কিলোমিটার এর মধ্যে যেটি আগে আসে সেই ভিত্তিতে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করবেন।

আপনার গাড়ীটি Toyota এর নন হাইব্রিড সেডান হলে, আর শুধু তেল এ চললে, 5W-30 ফুল সিন্থ্বটিক অয়েল ব্যাবগার করুন। ৫০০০ কিলোমিটার অথবা ৬ মাস (যেটি আগে আসে) ভিত্তিতে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।

যদি LPG ও তেল ও চলে, তাহলে 10W-40 ব্যাবহার করুন আর ৪০০০ কিলোমিটার বা ৬ মাস এর মধ্যে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।

CNG ও তেলে চললে 10W-50 ব্যাবহার করুন।

আপনার গাড়ীতে 20W-50 ব্যাবহার না করার জন্য ধন্যবাদ।
Fahim automobile bd

22/11/2024

#গাড়ির নাম্বার প্লেটের বর্ণমালা ও তাদের ক্যাটাগরি:

প্রতিটি গাড়ির নাম্বার প্লেট অনেকটা একইরকম দেখতে হলেও সেগুলোর নাম্বার আলাদা। সাদা এবং সবুজ এই দুই রঙের নাম্বার প্লেট আছে। সাদা রঙের নাম্বার প্লেট ব্যক্তিগত গাড়িতে এবং সবুজ রঙ ভাড়ায় চালিত যানবাহনে ব্যবহার হয়। যেমন- ঢাকা মেট্রো- গ ৪৫-৭৬৫৯, ঢাকা মেট্রো- খ ৩১-২৫০২ ইত্যাদি। এখানে "ঢাকা মেট্রো" বলতে বোঝানো হয়েছে, গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটনের আওতাধীন। পরবর্তী ‘৪৫’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘৭৬৫৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

#নাম্বার প্লেট লেখার ফরম্যাট:
ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির নাম্বার নির্ধারণ করার জন্য বিআরটিএ (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি) কর্তৃক একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। ফরম্যাটটি হল:
- শহরের নাম
- গাড়ির ক্যাটাগরি
- গাড়ির নাম্বার

এই ফরম্যাটের মাঝের অংশে গাড়ির ক্যাটাগরি বুঝাতেই বাংলা বর্ণগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

#গাড়ির ২১টি ক্যাটাগরি:
1. ক: প্রাইভেটকার, ৮০০ সিসি
2. খ: প্রাইভেটকার, ১০০০-১৩০০ সিসি
3. গ: প্রাইভেটকার, ১৫০০-২০০০ সিসি
4. ঘ: এসইউভি, ক্রসওভার
5. চ: ব্যক্তিগত এমপিভি, ভ্যান (মাইক্রোবাস)
6. ছ: ভাড়ায় চালিত ভ্যান বা মাইক্রোবাস (সবুজ রঙের নাম্বার প্লেট)
7. জ: ছোট বাস বা মিনিবাস
8. ঝ: বড় বাস বা কোস্টার বাস
9. ট: ট্রাক
10. ঠ: কমার্সিয়াল ডাবল কেবিন পিকআপ ট্রাক
11. ড: মাঝারি সাইজের ট্রাক
12. ন: ছোট পিকআপ
13. প: ট্যাক্সি ক্যাব
14. ভ: ২০০০ সিসির অধিক ব্যক্তিগত গাড়ি
15. ম: পণ্য পরিবহন ও ডেলিভারি পিকআপ
16. দ: প্রাইভেট বা নিজস্ব সিএনজি
17. থ: ভাড়ায় চলিত সিএনজি
18. হ: মোটরবাইক (৮০-১২৫ সিসি)
19. ল: ১৩৫ সিসির অধিক মোটরবাইক
20. ই: ভটভটি টাইপের ছোট ট্রাক
21. য: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি
Fahim automobile bd

18/11/2024

হাইব্রিড গাড়ির দামী পার্টস গুলির মধ্যে একটি হল ব্রেক বুস্টার।

অনেকেই জাপানের জন্য বানানো গাড়ীর জন্য জাপান এর জন্য স্পেসিফিক গাইড লাইন ফলো করি, কিন্তু ব্রেক বুস্টার এর জন্য আরো কিছু জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যত জ্যাম এ থাকবেন, বার বার ব্রেক করতে হবে আর ব্রেক অয়েল উত্তপ্ত হতে থাকবে। এই ব্রেক অয়েল যখন উত্তপ্ত হয়ে ভ্যাপর হয়, তা ঠান্ডা হবার পরে ময়েসচার আকারে ব্রেক অয়েলে মিশতে থাকে। এই ময়েসচার এর পরিমান ২% এর বেশি হলে ব্রেক বুস্টার লিক হতে শুরু করে।

তাই আমরা রিকমেন্ড করি গাড়ী কম চলুক বা বেশি, অন্তত বছরে ১ বার সঠিক পদ্ধতিতে (প্রচলিত পদ্ধতিতে নন হাইব্রিড এর মত করা যাবে না) ব্রেক অয়েল চেঞ্জ করিয়ে ফেলুন।

এক ভাই, একবার বলেছিলেন, ৩ বছর পরে জাপানে পাল্টালে আমরা কেন প্রতি বছর পাল্টাবো?

খুব ই ভ্যালিড প্রশ্ন, উত্তর এ পালটা প্রশ্ন হল, উত্তরা থেকে মতিঝিল যদি ২২ কিলোমিটার পথ হয়, এই ২২ কিলোমিটার যেতে জাপানে কতবার ব্রেক করতে হয় আর আমাদের উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে কতবার ব্রেক করতে হয়? ব্যাপার টা দুরত্বের না, কত বার ব্রেক করলেন আর চেপে ধরে বসে থাকলেন সেটির।

যাদের গাড়ি বাড্ডার রাস্তায় বা আরো জ্যামের রাস্তায় চলে তাদের আরো দ্রুত ব্রেক অয়েল "সঠিক পদ্ধতিতে" পালটে ফেলা উচিত।

কেউ কেউ বলেন যে ৩ বছরেও পাল্টাইনি, ৪ বছরেই পাল্টাইনি, কিছুই হয়নি - যেহেতু ক্ষতি টা বোঝা যায় না, আগে কোন সিম্পটম দেয় না, তাই ক্ষতি হয়ে যাবার পরে আর কিছুই করার থাকে না কারন ব্রেক বুস্টার রিপেয়ার হয় না।

ব্রেক বুস্টার এর একুমুলেটর মটোর টি খারাপ হলে কার্বিন ব্রাশ পরিবর্তন করে রিপেয়ার হয় তবে তা খুব বেশিদিন টিকতে চায় না। কিন্তু মাস্টার সিলিন্ডার, এবিএস, সলিনয়েড এগুলির কোন কিছুই রিপেয়ার হয় না। খুলে গ্লু লাগিয়ে ঘষামাজা করে দিলে ২ দিন থেকে ২ সপ্তাহ (গাড়ী চলার উপরে নির্ভর করে) ভালো চলতে পারে কিন্তু এটি শুধুই পয়সা নস্ট।

অনেক সময় চাকায় থাকা ব্রেক অয়েলের লাইন লিক হয়ে যেতে পারে, অথবা নিচে বাড়ি খেয়ে লাইন চেপে যেতে পারে, এই রকম হলে এগুলি রিপেয়ার হয়, এটিকে পুজি করে কেউ যদি ব্রেক বুস্টার রিপেয়ার করেছেন বলে দাবী করেন তা হবে দু:খজনক।

আমরা কোন ওয়ার্কশপ নই। আমরা গাড়ির মালিকদের একটি প্লাটফর্ম। আমরা চাই, আমাদের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে। ভালো থাকুক সবার গাড়ী।

Want your business to be the top-listed Media Company in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Fatikchoori
Chittagong