Afroj Calligraphy
23/10/2024
মাদ্রাসায় লাইন থেকে অনার্স সম্পূর্ণ করা আমার জন্য বিশাল বড় একটা চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিল তাও আবার কওমি মাদ্রাসার কেন্দ্রিক পড়াশোনা। আলহামদুলিল্লাহ চুম্মা আলহামদুলিল্লাহ আমার এই পড়াশোনার পেছনে আমার মায়ের ছিল অক্লান্ত পরিশ্রম, আর আমার রবের অশেষ রহমত আমার উপর, আল্লাহ চাইলে আবারো ও পড়াশোনা শুরু করবো ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ যেনো কোনো উত্তম মাদ্রাসার ব্যবস্থা করে দেয়।
কুরিয়ার থেকে মার্কশিট , সার্টিফিকেট, হাদিয়া পেলাম। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসার খেদমতকে ত্বরান্বিত করুক। আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুক।
আমিন ইয়া রাব্বুল আলামীন।
ফজর নামাজ সময়মতো আদায় করতে না পারলে বা ছুটে গেলে বুঝতে হবে, আপনি ভয়াবহ কোনো গুনাহে লিপ্ত। দ্রুত নিজের কাজকর্ম সংশোধনে মনোযোগি হওয়া জরুরী।
আল্লাহ তাআলা শুধু তার প্রিয় আর বিশেষ বান্দাদেরই ফজরের জন্য জাগিয়ে দেন। ফজর পড়াটা মুনাফিকের জন্য খুবই কষ্টকর এক কাজ, সুতরাং নামাজের প্রতি সচেতন হোন।
— ওস্তাদ নোমান আলী খান।
আপনি কথা বলে যাচ্ছেন, আর আপনার সঙ্গী মোবাইল টিপছে; তাকাচ্ছেও না। নিঃসন্দেহে এমন পরিস্থিতিতে খুবই কষ্ট লাগে।
এবার নবিজির অবস্থা দেখুন। পারস্পরিক কথাবার্তায় নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চেহারা সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তির দিকে নিবদ্ধ করে রাখতেন, যাতে সে আনন্দ পেতে পারে। নবিজি মানুষকে এমনভাবে মূল্যায়ন করতেন যে, লোকজন ভাবতো, তিনি হয়তো তাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেন! এমনকি তিনি কোনো গোত্রের নিকৃষ্ট ব্যক্তির সাথে কথা বলার ক্ষেত্রেও এভাবেই কথা বলতেন।
[সহিহ শামায়েলে তিরমিযি: ২৬৪]
আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিজে ঠেকে, শিক্ষা পেয়ে, অবহেলিত বা অপমানিত হয়ে শিখতে পছন্দ করি। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে আছে আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হয়েও তিনি নিকৃষ্ট ব্যক্তিদেরও সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করতেন। সেখানে আমি-আপনি এমন কী হয়ে গেলাম যে, লোকেরা আমাদের সাথে কথা বলার সময় বিরক্তিবোধ করে, হতাশ হয়!?
একজন সাহাবি বর্ণনা করেন,
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথায় কঠোরতা বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের ভাব থাকত না।’
[বায়হাকি, শু‘আবুল ঈমান: ১৩৬২; সহিহ শামায়েলে তিরমিযি: ১৬৭]
কেউ কথা বলার সময় যদি আপনি মোবাইল টিপেন বা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে তো তাকে অবমূল্যায়ন করলেন, তাকে তুচ্ছজ্ঞান করলেন। এমনটি করা উচিত নয়। এটি কোনো মুমিনের সিফাত (বৈশিষ্ট্য) নয়। এছাড়া, আপনি আল্লাহপ্রদত্ত প্রাকৃতিক উপায়ে এর বদলাও পেয়ে যেতে পারেন। দেখবেন, অন্য সময় আপনিও এভাবে অবমূল্যায়ন বা অবহেলার শিকার হচ্ছেন।
একজন প্রকৃত মুমিন সর্বদা মানুষের সাথে সেই আচরণটাই করে, যে আচরণ সে অন্যের কাছ থেকে পেতে ভালোবাসে।
~সংগৃহীত
জুমু'আর দিনের গুরুত্বপূর্ণ
তিনটি নেক আমল:
❏ দু'আ করা: 🌸
রাসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “জুমু'আর দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যেখানে এমন কোন মুসলিম নাই যে, সে যদি তখন আল্লাহর নিকট কিছু চায়, আল্লাহ তাকে দিবেন না। আর তোমরা আসরের পরে (মাগরিবের আগের) শেষ ঘণ্টায় সে সময়টা তালাশ করো।”
(আবু দাউদে বর্ণিত এই হাদিসটি সহিহ)
❏ সূরা আল-কাহফ পাঠ: 🌸
রাসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“যে ব্যক্তি জুমু'আর দিনে সূরা আল-কাহাফ (কুরআনের ১৮ নং সূরা) পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তী জুমু'আ পর্যন্ত আলোকময় হবে
[সহিহ আত-তারগিব: ৭৩৬ হাসান (সহিহ) হাদিস]
❏ অধিক পরিমানে দরুদ পাঠ: 🌸
রাসূলুল্লাহ সল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমু'আর দিন। এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাকে মৃত্যু দেওয়া হয়েছে, এই দিনে সিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং ক্বিয়ামত ঘটবে এই দিনেই। তাই এই দিনে তোমরা বেশি বেশি আমার উপর দরুদ পাঠ করবে; কেননা তোমাদের দরুদ আমার উপর পেশ করা হয় জুমু'আর দিনে।
দু'আ কবুলের মুহুর্তে আমরা ফিলিস্তিনবাসীর জন্য দু'আ করতে যেন না ভুলি ইনশাআল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong