Md Mohiuddin Hassan Riza
কোনো মেয়েকে সত্যিকার অর্থে খুব
ভালো লেগে যাওয়ার পর তাকে
ভালোবাসি বলার আগে ঠান্ডা মাথায়
চিন্তা করে দেখো তাকে শেষ পর্যন্ত
ধরে রাখতে পারবে কি না,।
প্রচন্ড বিপদে মেয়েটা যদি তোমার
দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে সেই
হাত শক্ত করে ধরে রাখতে পারবে কি
না? যদি পারো The great.।
আর যদি না পারো তাহলে ভুলে যাও ।
যদি সেটা না করো তাহলে সমাজ
আরেকজন ব্যর্থ প্রেমিক
পেতে যাচ্ছে !
একটা মেয়ে আরো একবার পুরো ছেলে
জাতির উপর বিশ্বাস হারাতে
যাচ্ছে..,! আর তুমি পেতে যাচ্ছো
অসংখ্য কষ্টকর বিনিদ্র রাত আর স্বরচিত
কিছু কবিতা!
ভালোবাসা মানে শুধু দুজন মিলে ফুচকা
খাওয়া না, একসাথে রিক্সায় ঘুরা না,
একসাথে মুভি দেখা না, দুজনে লুকিয়ে
লুকিয়ে দেখা করা না। এইগুলো শুধুমাত্র
দুজনের কাছে আসা, একজন আরেকজনের
প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করা আর দুজনে
মিলে ভালো সময় কাটানো মাত্র ।
কিন্তুু এর বাইরেও ভালোবাসার একটা
অর্থ আছে । সেটা হলো দায়িত্ববোধ ।
একটা মেয়েকে ভালোবাসি কথাটা
বলার অর্থ মেয়েটার প্রতি তোমার যে
ভালোবাসা তার দায়িত্বও তুমি নিতে
যাচ্ছো । তার সুখের দায়িত্ব,আনন্দের
দায়িত্ব, কষ্টের দায়িত্ব, একাকীত্বের
দায়িত্ব ।
মেয়েটাকে প্রচন্ড ভালোবাসো তুমি ।
তার জন্য
কয়েক সকাল না খেয়ে নুপূর কিনে পায়ে
পরিয়ে দিচ্ছো, কয়েক বিকেল রিক্সায়
না উঠে হেটে যাচ্ছো টিউশনী করতে ।
পায়ে হেটে বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে
গোলাপ কিনে দিচ্ছো । টিউশনীর
টাকায়
রাতভর তার কথায় ডুবে যাচ্ছো । খুব
ভালো ।
কিন্তুু এসবেরও শেষ আছে । এসবের শেষে
আরেকটা শুরুর জন্য, মেয়েটা একেবারেই
তোমার
কাছে চলে আসতে চাইবে ।
তখন তার হাতটা শক্ত করে তোমাকেই
ধরতে হবে । কিন্তু যদি না পারো
তাহলে মেয়েটা এক আকাশ অভিমান
নিয়ে, তোমাকে ভালোবাসতে বাসতে,
আরেক জনের ঘরে চলে যাবে । তার দেহ
পড়ে থাকবে অন্যের বিছানায়, মন পড়ে
থাকবে তোমার কাছে । তোমাকে
প্রতারক ভাববে । মেয়েটা তোমাকে খুব
ঘৃণা করতে চাইবে কিন্তু পারবে না ।
মেয়েরা যাকে সত্যিকার অর্থে
ভালোবাসে, তাকে কোনোভাবেই ঘৃণা
করতে পারে না! আর তুমি বসে বসে
কাঁদবে । তোমার সকালে না খেয়ে
কিনে দেয়া নুপুর, দুজনে কাটানো একলা
দুপুর সব মিথ্যে হয়ে যাবে । কিচ্ছু করার
থাকবে না!
দরকার হলে একা একা থাকো । অনেক
সুখে থাকবে। কিন্তু একজনকে
ভালোবাসবে অথচ তাকে ধরে রাখতে
পারবে না, সবচেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইস
করতে পারবে না । তারপর তার সাথে
কাটানো স্মৃতি নিয়ে তীব্র কষ্টে জীবন
কাটাবে, সেটার কোনো মানে হয়না ।
জানি এতো চিন্তা করে ভালোবাসা হয়
না । হঠাত করেই হয়ে যায় । কিন্তু
তারপরেও একটু চিন্তা করে নেয়া ভালো
। যদি চিন্তা করতে ইচ্ছা না হয় তাহলে
শেষদিনটায় মেয়েটাকে ফিরিয়ে দিও
না ।
সবচেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইস করতে হলে
করো, কারণ মেয়েটাও সবচেয়ে বড়ো
স্যাক্রিফাইস করে তোমার কাছে
এসেছে । তার হাত শক্ত করে ধরো ।
কোনো অবস্থাতেই সেই হাত ছাড়া
যাবে না । শত ঝড়েও না, একফোটা
চোখের জলেও না!
06/09/2015
না পড়লে মিস ! পড়লে পাবো গিফটএক ছেলে তার বাবাকে বলছে:সামনের মাসে আমার পরীক্ষার ফলাফল দিবে।আমি A+ পেলে আমাকে একটা মটর বাইক কিনে দিতে হবে।পরীক্ষার ফলাফল যে দিন বের হয় তখন ছেলে খুব খুশী হয়েবাবার কাছে এসে বলছে বাবা আমি A+ পেয়েছি ।এইবার কিন্তু আমাকে বাইক একটা কিনে দিতেই হবে ।বাবার চোখে গোপনে কান্না আসলো,ভাবতে লাগলেনকিভাবে ছেলেকে খুশি করা যায়।এরপরবাবা বললেন: আমি তোমার উপহারতোমার পড়ার টেবিলের উপর রেখে এসেছি ।ছেলে গিয়ে দেখল একটা বাক্স:ছেলে ভাবতে লাগল এটাতে চাবি আছে ।কিন্তু খুলে দেখে এর ভেতরে একটা কোরআন শরীফ ।ছেলে রাগ করে বাবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিল ।এবং কয়েকদিন পরেই বিদেশে চলেগেল পড়ালেখা করার জন্য ।বিদেশ যাওয়ার পর বাবার সাথেকোন যোগাযোগ করে নাই ছেলেটা ।কয়েক বছর পর একদিন কল আসল ছেলেটির কাছে ।জানতে পারল বাবা খুব অসুস্থ ,বাবা তার জন্য কান্নাকাটিকরে সবসময়।কিন্তু ছেলেটি বাবাকে দেখতে যায়নিকয়েকদিন পর ছেলেটির কাছে আরেকটি কল আসে ।জানতে পারল তার বাবা মারা গেছেন ।বাবা'র মারা যাবার পর ছেলেটি দেশে আসেকারণ ঘরবাড়ি সব তার নামেকরে দিয়ে গেছেন তার বাবাএবং এই-সবকিছু তাকেই দেখাশোনা করতে হবে ।তারপর একদিন ছেলেটির তারবাবা কথা মনে পড়ল এবং বাবারঘরে গিয়ে কাঁদতে লাগল ।হটাৎ দেখল তার বাবারপড়ার টেবিলের উপরে রাখা সেই বাক্স ,যে বাক্স তার বাবা তাকে দিয়েছিলেন উপহার হিসেবে।ছেলে উজু করে এসে কোরআন শরীফটা খুলেপড়তে লাগলো। হঠাৎ করেই কোরান শরীফেরভেতর থেকে একটা চাবি পড়ল ।প্রথম দিনের চাবি ।এবং একটা চিঠি পেল । যেখানে লিখা ছিল:বাবা আমি অনেক খুশী যে তুমি A + পেয়েছ ।আমি চাইব তুমি আল্লাহ'র পরীক্ষাতেও এই ভাবে A+ পাও ।আর এই চাবিটা হচ্ছে তোমার নতুন মটর-বাইকের চাবি ,আমাদের গ্যারেজে রাখা আছে তোমার নতুন বাইক ।ছেলেটির চোখে জল চলে আসলো ।ভাবতে লাগলোআমার বাবা আমার জন্য তখনি বাইক কিনে চাবিটাকোর-আন শরীফে রেখে দিয়েছিলো।ছেলেটি গ্যারেজে গেল এবং দেখতে পেলতার সবচেয়ে পছন্দের বাইক সেখানে রাখা ।দেখে কান্না আর ধরে রাখতে পারলোনা।আসলে পৃথিবীর কোন বাবা তার সন্তানের অকল্যানচায়না।বাবা-মাকেকখনো কষ্ট দেবেননা।বাবা-মাআমাদেরসবচেয়ে আপনজন।আশা করি সবাই বুজতে পারছেন।ভালো লাগলেলাইক,কমেন্টস আর শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ দিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
চালিতাতলী, আতুরার ডিপু, মুরাদপুর চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
Chittagong