Automotive Learning School.

Automotive Learning School.

Share

দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক ll দৈনিক বীর চট্টলা 04/03/2021

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=275398287362323&id=109817020587118

দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক ll দৈনিক বীর চট্টলা এখন থেকে দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক।  এ কথা বলেছেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন।তিনি বলেন, অবশ....

10/04/2018

ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর।

প্রশ্ন ০১ঃ মোটরযান কাকে বলে?

উত্তরঃ মোটরযান হলো কোন যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোন উৎস থেকে সরবাহ করা হয়ে থাকে।

প্রশ্ন ০২ঃ গাড়ি চালনাকালে কি কি কাগজপত্র সাথে রাখতে হয়?

উত্তরঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিম্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), ট্যাক্স টোকেন, ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটর বাইকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়), রুটপারমিট (মোটরবাইক, চালক ব্যাতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যাক্তিগত/যাত্রীবাহী গাড়ীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।

প্রশ্ন ০৩ঃ গাড়ি চালনার আগে করনীয় কাজ কি কি?

উত্তরঃ ১) গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না তা পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমান মতো নেওয়া।

২) রেডিয়েটর ও ব্যাটারীতে পানি আছে কি না তা পরীক্ষা করা।

৩) ব্যাটারী কানেকশন পরীক্ষা করা।

৪) লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেভেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমানমতো নেওয়া।

৫) মাষ্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।

৬) গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, নাট-বোল্ট টাইট আছে কিনা তা অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ক্রুটিমুক্ত আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।

৭) ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।

৮) অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও ফার্ষ্ট এইড বক্স গাড়িতে রাখা। (এটা আমাদের দেশের গাড়িতে সাধারণত থাকে না। উন্নত দেশে মাষ্ট থাকতে হবে)।

৯) গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন, হাওয়া, নাট, এলাইনমেন্ট, রোটেশন, স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।

১০) ইন্ডিকেটর বাতিসমুহ কাজ করে কিনা তা পরীক্ষা করা।

১০) ফুয়েল লাইনে কোন লিকেজ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।

প্রশ্ন ০৪ঃ সার্ভিসিং বলতে কি বোঝায় এবং গাড়ী সার্ভিসিং এ কি কি কাজ করা হয়?

উত্তরঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে। গাড়ী সার্ভিসিং এ করণীয় কাজ সমূহঃ-

ক) ইঞ্জিনের পুরাতন লুব অয়েল ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল নেয়া। নতুন লুবঅয়েল দেয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।

খ) ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরে পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিং গান দিয়ে পরিস্কার করা, অতঃপর পরিস্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।

গ) ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজ গান দিয়ে গ্রিজ দেওয়া।

ঘ) গাড়ীর স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকাতে পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।

ঙ) লুবঅয়েল ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ার ক্লিনার পরিবর্তন করা।

প্রশ্ন ০৫ঃ রাস্তায় গাড়ির কাগজ-পত্র কে কে চেক করতে পারেন?

উত্তরঃ সার্জেন্ট বা সাব ইন্সপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএ এর কর্মকর্তা এবং মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তা।

প্রশ্ন ০৬ঃ মোটর সাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কি?

উত্তর: মোটর সাইকেলে চালক ব্যাতীত একজন আরোহী বহন করা যাবে। উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে।

প্রশ্ন ০৭ঃ সড়ক দূর্ঘটনার প্রধান কারণ কি কি?
উত্তরঃ অত্যাধিক আত্মবিশ্বাস, মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অননুমোদিত ওভারটেকিং, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।

প্রশ্ন ০৮ঃ গাড়ী দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করণীয় কি?
উত্তরঃ আহত ব্যাক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা, ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ থানায় রিপোর্ট করাX(X((। (বাস্তবে এই কাজ জীবনেও করবেন না; বাংলাদেশের পাবলিক যে ক্ষ্যাপা প্রকৃতির। গাড়ি দুর্ঘটনা মানে চালকের দোষ মনে করেই দেয় মাইর;:((:P আগে পালান, তারপর অন্য কথা। আহতদের সুচিকিৎসা নিকটস্থ জনগনই করবে)।

প্রশ্ন ০৯ঃ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গাড়ীর সর্বোচ্চ গতিসীমা কত?
উত্তরঃ হালকা মোটরযান ও বাইকের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭০ মাইল/ঘন্টা, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহি বাহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল, মাঝারি বা ভারী মালবাহী যানের ক্ষেত্রে ৩০ মাইল/ঘন্টা।

প্রশ্ন ১০. মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কি?
উত্তরঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ পারমিটই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।

প্রশ্ন ১১. অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তরঃ যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যাতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।

প্রশ্ন ১২ঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিন্ম বয়স কত?
উত্তরঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর, অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।

প্রশ্ন ১৩ঃ কোন কোন ব্যাক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির অযোগ্য?
উত্তরঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপ ব্যাক্তি, বধির ব্যাক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রন করতে অসমর্থ এমন ব্যাক্তি।

প্রশ্ন ১৪ঃ হালকা মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬০০০ পাউন্ড বা ২৭২৭ কেজির বেশী নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ১৫ঃ মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিষ্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ২৭২৭ কেজির বেশী কিন্ত ৬৫৯০ কেজির বেশী নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ০১৬ঃ ভারী মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিষ্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬৫৯০ কেজির বেশি তাকে ভারী মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ০১৭ঃ প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ ড্রাইভার ছাড়া ৮ জনের বেশী যাত্রী বহনের উপযোগী যে মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করা হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।

প্রশ্ন ০১৮ঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন চিন্হ প্রধানতঃ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ ট্রাফিক বা সতর্কতা চিন্হ প্রধানত তিন প্রকার। ১) বাধ্যতামুলকঃ যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়, ২) সতর্কতামুলকঃ যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয়, ৩) তথ্যমুলক, যা প্রধানত আয়তাক্ষেত্রাকার হয়।

প্রশ্ন ১৯ঃ লাল বৃত্তাকার সাইন কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?
উত্তরঃ নিষেধ করা বা অবশ্য বর্জনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করে।

প্রশ্ন ২০ঃ নীল বৃত্তাকার সাইন কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?
উত্তরঃ করতে হবে বা অবশ্যপালনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করে।

প্রশ্ন ২১ঃ লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?
উত্তরঃ সর্তক হওয়া নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

প্রশ্ন ২২ঃ নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমুলক সাইন।

প্রশ্ন ২৩ঃ সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ পথ নির্দেশক তথ্যমুলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন ২৪ঃ কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমুলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যাতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন ২৫ঃ ট্রাফিক সিগনাল বা সংকেত কত প্রকার ও কিকি?

উত্তরঃ তিন প্রকার। ক) বাহুর সংকেত, খ) আলোর সংকেত, গ) শব্দ সংকেত।

প্রশ্ন ২৬ঃ ট্রাফিক লাইট সিগনালের চক্র বা অনুক্রম কি কি?

উত্তরঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।

প্রশ্ন ২৭ঃ লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কি নির্দেশনা প্রকাশ করে?

উত্তরঃ লাল বাতি জ্বললে থামুন লাইনের পিছনে গাড়ি থামিয়ে অপেক্ষা করতে হবে, সবুজ বাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে সামনে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদ বাতি জ্বললে গাড়ি থামানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রশ্ন ২৮ঃ নিরাপদ দুরত্ব বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পেছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমান দুরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় তাকে নিরাপদ দুরত্ব বলে।

প্রশ্ন ২৯ঃ পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিমি গতিতে গাড়ী চললে নিরাপদ দুরত্ব কত হবে?

উত্তরঃ ২৫ মিটার।

প্রশ্ন ৩০ঃ পাকা ও ভালো রাস্তা ৫০মাইল গতিতে গাড়ী চালালে নিরাপদ দুরত্ব কত হবে?

উত্তরঃ ৫০গজ বা ১৫০ফুট।

07/03/2018

অটোমোটিভ লার্নিং স্কুল
পৃথিবীর সকল নারীর প্রতি জানাচ্ছে বিনম্র শ্রদ্বা।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Chittagong