Natural Solution
20/03/2023
৩.৫-আউন্স (১০০-গ্রাম) কলাতে ১০% এবং অ্যাভোক্যাডোতে ১৪% পটাশিয়াম থাকে।
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, উচ্চ পটাশিয়াম রক্তচাপ হ্রাস করে যা হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি ফেইলিউরের ঝুঁকি কমায়।
৩. হার্ট এর জন্য উপকারী মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ:
অ্যাভোক্যাডো একটি উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার। প্রকৃতপক্ষে, এতে থাকা ক্যালোরিগুলির ৭০% আসে ফ্যাট থেকে। তবে এগুলিতে কোনও চর্বি থাকে না।
অ্যাভোক্যাডোতে থাকা বেশিরভাগ ফ্যাট হলো অলিক অ্যাসিড (একটি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড) যা অলিভ অয়েলের প্রধান উপাদান এবং এর বেশ কিছু উপকারীতা রয়েছে।
অলিক অ্যাসিড জ্বালাপোড়া কমাতে এবং ক্যান্সার কোষ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
অ্যাভোক্যাডোতে থাকা ফ্যাটগুলি অনেকটা তাপ বিরোধী, তাই অ্যাভোক্যাডো তেল রান্নার জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ।
৪. উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ:
অ্যাভোক্যাডোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফাইবার হলো এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা ওজন হ্রাসে অবদান রাখে, রক্তে শর্করার স্পাইকগুলি হ্রাস করে এবং সাথে আরো অনেক রোগের ঝুঁকি কমায়।
দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবারের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে।
দ্রবণীয় ফাইবার আপনার অন্ত্রের বন্ধুত্বপূর্ণ অন্ত্র-ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য, যা শরীরের অনুকূল কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতি ৩.৫-আউন্স (১০০-গ্রাম) অ্যাভোক্যাডোতে ৭ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা RDA এর ২৭%।
অ্যাভোক্যাডোতে থাকা প্রায় ২৫% ফাইবার দ্রবণীয় এবং ৭৫% অদ্রবণীয়।
19/03/2023
পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।
মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।
মধুর উপকারিতা
শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।
অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।
যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gec
Chittagong